যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল বাণিজ্য এবং অস্ত্র নেটওয়ার্কগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে গালফ নিউজ।
ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপপ্রয়োগের নীতি অবলম্বন করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের আলোচকরা উচ্চ স্তরের পারমাণবিক আলোচনার জন্য জেনেভায় গেছেন।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, এ নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘অবৈধ ইরানি পেট্রোলিয়াম বিক্রয়’ এবং তেহরানের অস্ত্র কর্মসূচিকে সমর্থন করার অভিযোগে অভিযুক্ত ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তি, সংস্থা ও জাহাজকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া নৌবহরের’ জাহাজগুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটন বলেছে, এসব জাহাজ গোপনে বিদেশি বাজারে ইরানি তেল পরিবহন করে।
মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরান অবৈধ তেল বিক্রি, মানি লন্ডারিং, পারমাণবিক ও প্রচলিত অস্ত্র কর্মসূচির জন্য উপাদান সংগ্রহ এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তার জন্য আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে। এ কারণে এসব খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে জেনেভায় বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় তৃতীয় দফা আলোচনার আগে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান মার্কিন চাপ সত্ত্বেও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কূটনীতির প্রতি আস্থা রেখেছেন। তিনি এখনও আশাবাদী বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ চায় না। আমরা (কূটনৈতিক) আলোচনার জন্য একটি অনুকূল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।




