ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

আইফোনে প্রতারণা থেকে সতর্ক হওয়ার মেসেজ পেয়েছেন? সাবধান!

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০:২৭
ছবি : সংগৃহীত

মেসেজটা আইফোনে আসছে। যেনতেন জায়গা নয়, সরাসরি অ্যাপল থেকে। ব্যবহারকারীকে বলা হচ্ছে, তিনি একটি প্রতারণার শিকার হতে যাচ্ছেন। একটি নম্বর দেওয়া হয়েছে, সেটিতে কল করে তিনি যেন দ্রুত এটি বন্ধ করার উদ্যোগ নেন। অ্যাপলের মেসেজ মনে করে ব্যবহারকারী যদি কলটা দিয়েই ফেলেন, তাহলেই সর্বনাশ।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই স্ক্যাম। মোবাইলে যে ধরনের সচরাচর স্ক্যাম হয়ে থাকে, এটি তার থেকে আরেকটু এগিয়ে। মেসেজটি এমনভাবে পাঠানো হচ্ছে, ব্যবহারকারীর ধরার উপায়ই থাকছে না যে এটি অ্যাপল থেকে পাঠানো নয়। আর মেসেজের নির্দেশনা অনুযায়ী পাঠানো নম্বরে কল করলেই খোয়াতে হচ্ছে অ্যাকাউন্টে থাকা টাকাপয়সা।

অ্যাপল এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে ব্যবহারকারীদের, ‘কেউ যদি আপনাকে ফোন করে বলে যে সে অ্যাপল থেকে ফোন করেছে, সঙ্গে সঙ্গে ফোনটা রেখে দিন। আর সন্দেহজনক মেসেজের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরামর্শ দিয়েছে এভাবে, কোনো মেসেজ দেখে যদি মনে হয় এটি অ্যাপল থেকে পাঠানো হয়েছে, তাহলে মেসেজটির স্ক্রিনশট নিন এবং [email protected] ঠিকানায় সেটি ইমেইল করে দিন।’

আরও সহজভাবে বললে, অ্যাপল কখনোই কোনো গ্রাহককে কোনো বিষয়ে সতর্ক করার জন্য মেসেজ পাঠাবে না বা কোনো নম্বর পাঠিয়ে সেটিতে ফোন করতে বলবে না। এটি কোনো ধরনের কোড বা পাসওয়ার্ড জানতে চাইবে না। এটি কখনোই কোনো লিংক সহকারে মেসেজ বা ইমেইল পাঠাবে না বা কিংবা কোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড করার জন্য গ্রাহককে পরামর্শ দেবে না। এটি কমবেশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, ঠিক যেমন গুগল তার ব্যবহাররকারীদের উদ্দেশে বলে থাকে—আমরা আপনাকে কখনোই ফোন করব না।

স্ক্যামারদের আচরণের বিষয়ে গ্রাহকদের সতর্ক করে অ্যাপল বলেছে, ‘তাদের টেক্সট বা কথায় মনে হতে পারে তারা আপনাকে কোনো ধরনের প্রতারণার থেকে বাঁচাতে চাচ্ছেন, বা কোনো প্রতারকের হাত থেকে রক্ষা করতে চাচ্ছে।’ এ ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

যেকোনো ভাষা তাৎক্ষণিক অনুবাদ করে দেবে স্মার্টফোনের যে ফিচার
এখন স্মার্টফোন শুধু ছবি তোলা বা ভিডিও করার যন্ত্র নয়, এটি হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন জীবনের একটি শক্তিশালী সহকারী। বিশেষ করে অপরিচিত ভাষার লেখা বুঝতে এটি দারুণ কাজে লাগে। বিদেশি বই, রাস্তার সাইনবোর্ড, মেন্যু বা যে কোনো নথি, সবকিছুই এখন ক্যামেরা ব্যবহার করে সহজেই অনুবাদ করা সম্ভব। বিশেষ করে গুগল ট্রানাসলেটের মতো অ্যাপ ব্যবহার করলে ক্যামেরা দিয়ে লেখা স্ক্যান করেই সঙ্গে সঙ্গে অনুবাদ পাওয়া সম্ভব। ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুবাদ করার জন্য কী প্রয়োজন: স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে লেখা অনুবাদ করতে হলে প্রথমে একটি ভালো অনুবাদ অ্যাপ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ হলো গুগল ট্রানাসলেট। এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন উভয় ডিভাইসেই পাওয়া যায় এবং এতে ক্যামেরা দিয়ে সরাসরি অনুবাদ করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে অনুবাদ আরও দ্রুত এবং নির্ভুল হয়। গুগল ট্রানাসলেট ব্যবহার করে ক্যামেরা দিয়ে অনুবাদ করার ধাপ: প্রথমে আপনার স্মার্টফোনে গুগল ট্রানাসলেট অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন। এরপর অ্যাপটি চালু করে ক্যামেরা আইকনে ট্যাপ করুন। তখন আপনার ফোনের ক্যামেরা চালু হবে। এখন যে লেখাটি অনুবাদ করতে চান সেটির দিকে ক্যামেরা ধরুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অ্যাপটি সেই লেখাকে শনাক্ত করে আপনার নির্বাচিত ভাষায় অনুবাদ দেখাবে। রিয়েল-টাইম ট্রান্সলেশন সুবিধা: গুগল ট্রানাসলেটের ক্যামেরা ফিচারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো রিয়েল-টাইম ট্রান্সলেশন। অর্থাৎ ক্যামেরা দিয়ে যে লেখার দিকে তাক করবেন, সেটির উপরেই সরাসরি অনুবাদ ভেসে উঠবে। বিদেশে ভ্রমণের সময় রাস্তার সাইনবোর্ড, মেন্যু বা নির্দেশনা বুঝতে এই ফিচারটি খুবই কাজে লাগে। ছবি তুলে পরে অনুবাদ করার সুবিধা: শুধু লাইভ ক্যামেরা নয়, আপনি চাইলে কোনো লেখা ছবি তুলে পরে সেটিও অনুবাদ করতে পারবেন। এ জন্য গুগল ট্রানাসলেটের ক্যামেরা অপশনে গিয়ে ছবি তুলে নিন বা গ্যালারি থেকে ছবি নির্বাচন করুন। এরপর অ্যাপটি ছবির মধ্যে থাকা লেখাগুলো শনাক্ত করে অনুবাদ করে দেখাবে। অফলাইন অনুবাদ ব্যবহারের সুবিধা: ইন্টারনেট না থাকলেও গুগল ট্রানাসলেট অ্যাপে অনেক ভাষার অফলাইন প্যাক ডাউনলোড করে রাখা যায়। একবার ভাষা প্যাক ডাউনলোড করে রাখলে পরে ইন্টারনেট ছাড়াই ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুবাদ করা সম্ভব। ভ্রমণ বা নেটওয়ার্ক সমস্যার সময় এটি খুবই উপকারী একটি সুবিধা। সব মিলিয়ে বলা যায়, স্মার্টফোনের ক্যামেরা এবং গুগল ট্রানাসলেটের মতো অ্যাপের সাহায্যে এখন যেকোনো ভাষার লেখা অনুবাদ করা আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়ে গেছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অজানা ভাষার লেখা বুঝে নেওয়া সম্ভব, যা দৈনন্দিন জীবন এবং ভ্রমণ দুই ক্ষেত্রেই বেশ সহায়ক। সূত্র: প্রযুক্তি
যেকোনো ভাষা তাৎক্ষণিক অনুবাদ করে দেবে স্মার্টফোনের যে ফিচার
যে কারণে অচেনা মডেলের ফোন ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী, কী আছে এতে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তার হাতে থাকা মোবাইলটি এমন মডেলের ফোন, যা সহজে চোখে পড়ে না। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে দেখা গেছে নানা প্রতিক্রিয়া।  অনলাইন জগতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকা ফোনটি সিরিন ল্যাবসে তৈরি ‘সিরিন ফ্যানি’ মডেলের একটি ফোন।  বিশ্বের প্রথম ব্লকচেইনভিত্তিক স্মার্টফোনগুলোর একটি হলো সিরিন ফ্যানি। এটি প্রথম বাজারে আসে ২০১৮ সালের মে মাসে। একই বছরের শেষের দিকে প্রযুক্তি জগতে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ফোনটিতে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং সিরিন ল্যাবসের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে।  কী আছে এই ফোনে এই ফোনের মূল বিশেষত্ব তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের ফোনটিতে সিরিন অপারেটিং সিস্টেম আছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। এই ফোনে তথ্য হ্যাক হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই। এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তির ফোন। ব্লকচেইনে কোনো তথ্য বিকৃত করা যায় না। নির্ভুল তথ্য থাকে এতে।  ফোনটিতে দুটি স্ক্রিন আছে। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড বা গোপন নম্বর ছাড়া অন্য কেউ ফোনটির কার্যক্রম চালাতে পারবে না। ফোনটি খুলতে গেলে ফোনের উপরিভাগে থাকা একটি স্ক্রিন বেরিয়ে আসে, যা ফোন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। দুই স্ক্রিনের সঙ্গে ব্যবহারকারীর তথ্য মিলে গেলে ফোনটি ব্যবহার করা যাবে।  এই ফোনে একটি কোল্ড স্টোরেজ ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট রয়েছে। এটি ফোনের অ্যান্ড্রয়েড সফ্টওয়্যার এবং ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন। ফোনটিতে টোকেন রূপান্তর পরিষেবা (TCS) আছে। ফলে অনলাইন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে যাওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই সহজে ও সরাসরি ক্রিপ্টোকারেন্সি আদান-প্রদান করা যায়।  দাম কত? সিরিন ল্যাবের তৈরি এই ধরনের ফোনগুলোর দাম সাধারণত ৯৯৯ থেকে ৩৫০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই ফোনটি এখন আর বাজারে তেমন পাওয়া যায় না। তবে সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়া যায়।
যে কারণে অচেনা মডেলের ফোন ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী, কী আছে এতে
মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ প্রতারণা, সতর্ক থাকবেন যেভাবে
আপনার ফোনে পুরো সিগন্যাল আছে, ফাইভ-জি চলছে স্বাভাবিকভাবে। এমন সময় হঠাৎ একটি এসএমএস এল। ব্যাংক কেওয়াইসি আপডেট না করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ, কিংবা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে। বার্তাটি এতটাই বিশ্বাসযোগ্য যে, সন্দেহ করার সুযোগই থাকে না। কিন্তু অজান্তেই তখন আপনার ফোনকে পাশের একটি ভুয়া মোবাইল টাওয়ার জোর করে টু-জি নেটওয়ার্কে নামিয়ে দিয়েছে। আর সে সুযোগেই প্রতারকরা পাঠাচ্ছে ফাঁদ পাতা বার্তা। প্রযুক্তির এই নতুন কৌশলে বিভিন্ন দেশে বাড়ছে এসএমএস জালিয়াতি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্ক মানুষ থেকে শুরু করে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী সবাইকে এখন বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশেও স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু অনেকেই এখনো সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নন। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যবহারকারীরা কৌতূহলবশত যে কোনো লিংকে ক্লিক করে ফেলতে পারেন। তবে শুধু বয়স্করাই নন, যে কোনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এই প্রতারণার শিকার হতে পারেন। কীভাবে কাজ করে এই কৌশল প্রতারকরা ব্যবহার করে একটি বিশেষ যন্ত্র। এর নাম ‘এসএমএস ব্লাস্টার’ বা ‘আইএমএসআই ক্যাচার’। আকারে ছোট ও সহজে বহনযোগ্য হলেও এর কাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক। যন্ত্রটি নিজেকে আসল মোবাইল টাওয়ার হিসেবে পরিচয় দেয়। সাধারণত একটি ফোন আশপাশের বৈধ টাওয়ারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। কিন্তু এসএমএস ব্লাস্টার চালু হলে এটি শক্তিশালী সিগন্যাল ছড়িয়ে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকার ভেতরের ফোনগুলোকে নিজের নেটওয়ার্কে যুক্ত করে নেয়। ব্যবহারকারী বুঝতেই পারেন না, কখন ফোন ফাইভ-জি বা ফোর-জি থেকে টু-জি নেটওয়ার্কে নেমে গেছে। কেন নেটওয়ার্ককে টু-জিতে নামানো হয় টু-জি নেটওয়ার্ক তুলনামূলকভাবে কম নিরাপদ থাকে। এই নেটওয়ার্কে প্রেরকের নকল পরিচয় বানানো সহজ। ফলে বার্তাগুলো একেবারে অফিসিয়াল মনে হয়। যেমন প্রেরকের নামে দেখা যেতে পারে এসবিআই-এসইসি, এইচডিএফসি ব্যাংক বা ইনকাম ট্যাক্স। এসব নাম দেখে অনেকেই সহজে বিশ্বাস করে ফেলেন। যে ধরনের বার্তা পাঠানো হয় ভুয়া টাওয়ার থেকে সাধারণত আতঙ্ক বা লোভ তৈরি করে এমন বার্তা পাঠানো হয়। যেমন— - ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা কেওয়াইসি মেয়াদ শেষের সতর্কতা - বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের হুমকি - কুরিয়ার আটকে আছে এমন দাবি - রিওয়ার্ড পয়েন্ট শেষ হয়ে যাচ্ছে বার্তা - প্রতিদিন মোটা আয়ের পার্ট-টাইম কাজের প্রলোভন আর এর সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি লিংক। একবার সেই লিংকে ক্লিক করলেই বিপদ। প্রতারকরা ব্যাংকের তথ্য, ওটিপি সংগ্রহ করে নিতে পারে মুহূর্তেই। আর সঙ্গে সঙ্গেই  খালি হয়ে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট। ইন্ডিয়া টিভির তথ্য মতে, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে টেলিকম সম্পর্কিত সাইবার জালিয়াতি প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই ভারতীয়রা ৩০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থ হারিয়েছেন এসব চক্রের হাতে। যেভাবে সুরক্ষিত থাকবেন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ - ফোনের সেটিংসে গিয়ে টু-জি কানেক্টিভিটি বন্ধ রাখুন - এসএমএসে আসা অচেনা লিংকে ক্লিক করবেন না - ব্যাংক বা সরকারি কাজের জন্য শুধু অফিসিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন হঠাৎ যদি ফোন ফাইভ-জি বা ফোর-জি থেকে টু-জি নেটওয়ার্কে নেমে যায়, সতর্ক হোন। এটি বড় ধরনের সতর্ক সংকেত হতে পারে। প্রতারকরা এখন প্রযুক্তিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। আপনার ফোনই তাদের লক্ষ্য। তাই সামান্য সচেতনতা ও ধৈর্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পারে। সূত্র: ইন্ডিয়া টিভি
মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ প্রতারণা, সতর্ক থাকবেন যেভাবে
ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করতে চার্জ করার ৫ সহজ নিয়ম
আজকাল আমাদের জীবন অনেকটাই স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল। সারাদিন ফোন ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখার পর রাতেই চার্জে বসানোর এই অভ্যাসের কারণে ফোনের ব্যাটারির ওপর চাপ পড়ে। কিন্তু সঠিক নিয়ম মেনে চার্জ দিলে ব্যাটারি অনেক দিন ভালো থাকে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বেশির ভাগ ব্যবহারকারী এই সহজ নিয়মগুলো জানে না। এর ফলে কয়েক মাসের মধ্যে ব্যাটারিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং ফোনের পারফরম্যান্স কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্যাটারি দ্রুত খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ভুলভাবে চার্জ দেওয়া। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির জন্য কিছু সহজ নিয়ম আছে।  চলুন জেনে নিই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম চার্জ রাখুন ৫০%-৯০%-এর মধ্যে : সর্বোত্তম চার্জ রেঞ্জ হলো ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ। যদি চার্জ ৫০%-এর নিচে নামে, তখনই চার্জ দিতে হবে। সবসময় ১০০% চার্জ দেওয়ার দরকার নেই। পুরো চার্জ দেওয়া এড়িয়ে চলুন : ফোন ১০০% চার্জ দেওয়া বা রাতভর চার্জে রাখা ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। ৯০%-৯৫% চার্জ হলে চার্জার খুলে দিন। ব্যাটারি একেবারে খালি হওয়া থেকে বিরত থাকুন : চার্জ ২০%-এর নিচে নেমে গেলে ব্যাটারি চাপের মুখোমুখি হয়। তাই ২০%-এর আগে ফোন চার্জে দিন। চার্জের সময় ফোন ব্যবহার করবেন না : চার্জের সময় ফোন ব্যবহার করলে অতিরিক্ত গরম হয়। এটি ব্যাটারির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তাই চার্জ দেওয়ার সময় ফোনটি ব্যবহার না করাই ভালো। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখুন : অনেক অ্যাপ পেছনে কাজ করতে থাকে, যা অজান্তে চার্জ শেষ করে দেয়। এখন যে অ্যাপগুলো দরকার নেই সেগুলো বন্ধ বা আনইনস্টল করে দিন। এতে ব্যাটারির ওপর চাপ কমে। সঠিক নিয়ম মেনে চার্জ দিলে ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। আর ব্যাটারি ভালো থাকলে ফোনও আপনাকে দীর্ঘদিন সেবা দেবে। তাই আজ থেকেই এই পাঁচটি নিয়ম মেনে চলুন।
ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করতে চার্জ করার ৫ সহজ নিয়ম
যেকোনো ভাষা তাৎক্ষণিক অনুবাদ করে দেবে স্মার্টফোনের যে ফিচার
যেকোনো ভাষা তাৎক্ষণিক অনুবাদ করে দেবে স্মার্টফোনের যে ফিচার
এখন স্মার্টফোন শুধু ছবি তোলা বা ভিডিও করার যন্ত্র নয়, এটি হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন জীবনের একটি শক্তিশালী সহকারী। বিশেষ করে অপরিচিত ভাষার লেখা বুঝতে এটি দারুণ কাজে লাগে। বিদেশি বই, রাস্তার সাইনবোর্ড, মেন্যু বা যে কোনো নথি, সবকিছুই এখন ক্যামেরা ব্যবহার করে সহজেই অনুবাদ করা সম্ভব। বিশেষ করে গুগল ট্রানাসলেটের মতো অ্যাপ ব্যবহার করলে ক্যামেরা দিয়ে লেখা স্ক্যান করেই সঙ্গে সঙ্গে অনুবাদ পাওয়া সম্ভব। ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুবাদ করার জন্য কী প্রয়োজন: স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে লেখা অনুবাদ করতে হলে প্রথমে একটি ভালো অনুবাদ অ্যাপ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ হলো গুগল ট্রানাসলেট। এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন উভয় ডিভাইসেই পাওয়া যায় এবং এতে ক্যামেরা দিয়ে সরাসরি অনুবাদ করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে অনুবাদ আরও দ্রুত এবং নির্ভুল হয়। গুগল ট্রানাসলেট ব্যবহার করে ক্যামেরা দিয়ে অনুবাদ করার ধাপ: প্রথমে আপনার স্মার্টফোনে গুগল ট্রানাসলেট অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন। এরপর অ্যাপটি চালু করে ক্যামেরা আইকনে ট্যাপ করুন। তখন আপনার ফোনের ক্যামেরা চালু হবে। এখন যে লেখাটি অনুবাদ করতে চান সেটির দিকে ক্যামেরা ধরুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অ্যাপটি সেই লেখাকে শনাক্ত করে আপনার নির্বাচিত ভাষায় অনুবাদ দেখাবে। রিয়েল-টাইম ট্রান্সলেশন সুবিধা: গুগল ট্রানাসলেটের ক্যামেরা ফিচারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো রিয়েল-টাইম ট্রান্সলেশন। অর্থাৎ ক্যামেরা দিয়ে যে লেখার দিকে তাক করবেন, সেটির উপরেই সরাসরি অনুবাদ ভেসে উঠবে। বিদেশে ভ্রমণের সময় রাস্তার সাইনবোর্ড, মেন্যু বা নির্দেশনা বুঝতে এই ফিচারটি খুবই কাজে লাগে। ছবি তুলে পরে অনুবাদ করার সুবিধা: শুধু লাইভ ক্যামেরা নয়, আপনি চাইলে কোনো লেখা ছবি তুলে পরে সেটিও অনুবাদ করতে পারবেন। এ জন্য গুগল ট্রানাসলেটের ক্যামেরা অপশনে গিয়ে ছবি তুলে নিন বা গ্যালারি থেকে ছবি নির্বাচন করুন। এরপর অ্যাপটি ছবির মধ্যে থাকা লেখাগুলো শনাক্ত করে অনুবাদ করে দেখাবে। অফলাইন অনুবাদ ব্যবহারের সুবিধা: ইন্টারনেট না থাকলেও গুগল ট্রানাসলেট অ্যাপে অনেক ভাষার অফলাইন প্যাক ডাউনলোড করে রাখা যায়। একবার ভাষা প্যাক ডাউনলোড করে রাখলে পরে ইন্টারনেট ছাড়াই ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুবাদ করা সম্ভব। ভ্রমণ বা নেটওয়ার্ক সমস্যার সময় এটি খুবই উপকারী একটি সুবিধা। সব মিলিয়ে বলা যায়, স্মার্টফোনের ক্যামেরা এবং গুগল ট্রানাসলেটের মতো অ্যাপের সাহায্যে এখন যেকোনো ভাষার লেখা অনুবাদ করা আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়ে গেছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অজানা ভাষার লেখা বুঝে নেওয়া সম্ভব, যা দৈনন্দিন জীবন এবং ভ্রমণ দুই ক্ষেত্রেই বেশ সহায়ক। সূত্র: প্রযুক্তি
যে কারণে অচেনা মডেলের ফোন ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী, কী আছে এতে
যে কারণে অচেনা মডেলের ফোন ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী, কী আছে এতে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তার হাতে থাকা মোবাইলটি এমন মডেলের ফোন, যা সহজে চোখে পড়ে না। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে দেখা গেছে নানা প্রতিক্রিয়া।  অনলাইন জগতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকা ফোনটি সিরিন ল্যাবসে তৈরি ‘সিরিন ফ্যানি’ মডেলের একটি ফোন।  বিশ্বের প্রথম ব্লকচেইনভিত্তিক স্মার্টফোনগুলোর একটি হলো সিরিন ফ্যানি। এটি প্রথম বাজারে আসে ২০১৮ সালের মে মাসে। একই বছরের শেষের দিকে প্রযুক্তি জগতে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ফোনটিতে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং সিরিন ল্যাবসের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে।  কী আছে এই ফোনে এই ফোনের মূল বিশেষত্ব তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের ফোনটিতে সিরিন অপারেটিং সিস্টেম আছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। এই ফোনে তথ্য হ্যাক হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই। এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তির ফোন। ব্লকচেইনে কোনো তথ্য বিকৃত করা যায় না। নির্ভুল তথ্য থাকে এতে।  ফোনটিতে দুটি স্ক্রিন আছে। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড বা গোপন নম্বর ছাড়া অন্য কেউ ফোনটির কার্যক্রম চালাতে পারবে না। ফোনটি খুলতে গেলে ফোনের উপরিভাগে থাকা একটি স্ক্রিন বেরিয়ে আসে, যা ফোন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। দুই স্ক্রিনের সঙ্গে ব্যবহারকারীর তথ্য মিলে গেলে ফোনটি ব্যবহার করা যাবে।  এই ফোনে একটি কোল্ড স্টোরেজ ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট রয়েছে। এটি ফোনের অ্যান্ড্রয়েড সফ্টওয়্যার এবং ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন। ফোনটিতে টোকেন রূপান্তর পরিষেবা (TCS) আছে। ফলে অনলাইন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে যাওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই সহজে ও সরাসরি ক্রিপ্টোকারেন্সি আদান-প্রদান করা যায়।  দাম কত? সিরিন ল্যাবের তৈরি এই ধরনের ফোনগুলোর দাম সাধারণত ৯৯৯ থেকে ৩৫০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই ফোনটি এখন আর বাজারে তেমন পাওয়া যায় না। তবে সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়া যায়।
মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ প্রতারণা, সতর্ক থাকবেন যেভাবে
মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ প্রতারণা, সতর্ক থাকবেন যেভাবে
আপনার ফোনে পুরো সিগন্যাল আছে, ফাইভ-জি চলছে স্বাভাবিকভাবে। এমন সময় হঠাৎ একটি এসএমএস এল। ব্যাংক কেওয়াইসি আপডেট না করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ, কিংবা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে। বার্তাটি এতটাই বিশ্বাসযোগ্য যে, সন্দেহ করার সুযোগই থাকে না। কিন্তু অজান্তেই তখন আপনার ফোনকে পাশের একটি ভুয়া মোবাইল টাওয়ার জোর করে টু-জি নেটওয়ার্কে নামিয়ে দিয়েছে। আর সে সুযোগেই প্রতারকরা পাঠাচ্ছে ফাঁদ পাতা বার্তা। প্রযুক্তির এই নতুন কৌশলে বিভিন্ন দেশে বাড়ছে এসএমএস জালিয়াতি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্ক মানুষ থেকে শুরু করে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী সবাইকে এখন বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশেও স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু অনেকেই এখনো সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নন। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যবহারকারীরা কৌতূহলবশত যে কোনো লিংকে ক্লিক করে ফেলতে পারেন। তবে শুধু বয়স্করাই নন, যে কোনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এই প্রতারণার শিকার হতে পারেন। কীভাবে কাজ করে এই কৌশল প্রতারকরা ব্যবহার করে একটি বিশেষ যন্ত্র। এর নাম ‘এসএমএস ব্লাস্টার’ বা ‘আইএমএসআই ক্যাচার’। আকারে ছোট ও সহজে বহনযোগ্য হলেও এর কাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক। যন্ত্রটি নিজেকে আসল মোবাইল টাওয়ার হিসেবে পরিচয় দেয়। সাধারণত একটি ফোন আশপাশের বৈধ টাওয়ারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। কিন্তু এসএমএস ব্লাস্টার চালু হলে এটি শক্তিশালী সিগন্যাল ছড়িয়ে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকার ভেতরের ফোনগুলোকে নিজের নেটওয়ার্কে যুক্ত করে নেয়। ব্যবহারকারী বুঝতেই পারেন না, কখন ফোন ফাইভ-জি বা ফোর-জি থেকে টু-জি নেটওয়ার্কে নেমে গেছে। কেন নেটওয়ার্ককে টু-জিতে নামানো হয় টু-জি নেটওয়ার্ক তুলনামূলকভাবে কম নিরাপদ থাকে। এই নেটওয়ার্কে প্রেরকের নকল পরিচয় বানানো সহজ। ফলে বার্তাগুলো একেবারে অফিসিয়াল মনে হয়। যেমন প্রেরকের নামে দেখা যেতে পারে এসবিআই-এসইসি, এইচডিএফসি ব্যাংক বা ইনকাম ট্যাক্স। এসব নাম দেখে অনেকেই সহজে বিশ্বাস করে ফেলেন। যে ধরনের বার্তা পাঠানো হয় ভুয়া টাওয়ার থেকে সাধারণত আতঙ্ক বা লোভ তৈরি করে এমন বার্তা পাঠানো হয়। যেমন— - ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা কেওয়াইসি মেয়াদ শেষের সতর্কতা - বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের হুমকি - কুরিয়ার আটকে আছে এমন দাবি - রিওয়ার্ড পয়েন্ট শেষ হয়ে যাচ্ছে বার্তা - প্রতিদিন মোটা আয়ের পার্ট-টাইম কাজের প্রলোভন আর এর সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি লিংক। একবার সেই লিংকে ক্লিক করলেই বিপদ। প্রতারকরা ব্যাংকের তথ্য, ওটিপি সংগ্রহ করে নিতে পারে মুহূর্তেই। আর সঙ্গে সঙ্গেই  খালি হয়ে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট। ইন্ডিয়া টিভির তথ্য মতে, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে টেলিকম সম্পর্কিত সাইবার জালিয়াতি প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই ভারতীয়রা ৩০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থ হারিয়েছেন এসব চক্রের হাতে। যেভাবে সুরক্ষিত থাকবেন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ - ফোনের সেটিংসে গিয়ে টু-জি কানেক্টিভিটি বন্ধ রাখুন - এসএমএসে আসা অচেনা লিংকে ক্লিক করবেন না - ব্যাংক বা সরকারি কাজের জন্য শুধু অফিসিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন হঠাৎ যদি ফোন ফাইভ-জি বা ফোর-জি থেকে টু-জি নেটওয়ার্কে নেমে যায়, সতর্ক হোন। এটি বড় ধরনের সতর্ক সংকেত হতে পারে। প্রতারকরা এখন প্রযুক্তিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। আপনার ফোনই তাদের লক্ষ্য। তাই সামান্য সচেতনতা ও ধৈর্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পারে। সূত্র: ইন্ডিয়া টিভি
ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করতে চার্জ করার ৫ সহজ নিয়ম
ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করতে চার্জ করার ৫ সহজ নিয়ম
আজকাল আমাদের জীবন অনেকটাই স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল। সারাদিন ফোন ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখার পর রাতেই চার্জে বসানোর এই অভ্যাসের কারণে ফোনের ব্যাটারির ওপর চাপ পড়ে। কিন্তু সঠিক নিয়ম মেনে চার্জ দিলে ব্যাটারি অনেক দিন ভালো থাকে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বেশির ভাগ ব্যবহারকারী এই সহজ নিয়মগুলো জানে না। এর ফলে কয়েক মাসের মধ্যে ব্যাটারিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং ফোনের পারফরম্যান্স কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্যাটারি দ্রুত খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ভুলভাবে চার্জ দেওয়া। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির জন্য কিছু সহজ নিয়ম আছে।  চলুন জেনে নিই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম চার্জ রাখুন ৫০%-৯০%-এর মধ্যে : সর্বোত্তম চার্জ রেঞ্জ হলো ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ। যদি চার্জ ৫০%-এর নিচে নামে, তখনই চার্জ দিতে হবে। সবসময় ১০০% চার্জ দেওয়ার দরকার নেই। পুরো চার্জ দেওয়া এড়িয়ে চলুন : ফোন ১০০% চার্জ দেওয়া বা রাতভর চার্জে রাখা ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। ৯০%-৯৫% চার্জ হলে চার্জার খুলে দিন। ব্যাটারি একেবারে খালি হওয়া থেকে বিরত থাকুন : চার্জ ২০%-এর নিচে নেমে গেলে ব্যাটারি চাপের মুখোমুখি হয়। তাই ২০%-এর আগে ফোন চার্জে দিন। চার্জের সময় ফোন ব্যবহার করবেন না : চার্জের সময় ফোন ব্যবহার করলে অতিরিক্ত গরম হয়। এটি ব্যাটারির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তাই চার্জ দেওয়ার সময় ফোনটি ব্যবহার না করাই ভালো। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখুন : অনেক অ্যাপ পেছনে কাজ করতে থাকে, যা অজান্তে চার্জ শেষ করে দেয়। এখন যে অ্যাপগুলো দরকার নেই সেগুলো বন্ধ বা আনইনস্টল করে দিন। এতে ব্যাটারির ওপর চাপ কমে। সঠিক নিয়ম মেনে চার্জ দিলে ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। আর ব্যাটারি ভালো থাকলে ফোনও আপনাকে দীর্ঘদিন সেবা দেবে। তাই আজ থেকেই এই পাঁচটি নিয়ম মেনে চলুন।