টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালকে ঘিরে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই ভিন্ন এক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন গ্লেন ফিলিপস। নিউজিল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার বলছেন, মাত্র পাঁচ মিলিয়নের একটু বেশি জনসংখ্যার দেশ হয়ে ক্রিকেট শক্তিধর ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে লড়াই করাটাই নিউজিল্যান্ডের বড় অর্জন।
রোববার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। ম্যাচের আগে অনুশীলনের ফাঁকে ফিলিপস বলেন, ভারতের বিপুল জনসংখ্যা এবং প্রতিভার ভান্ডার তাদের অন্যদের তুলনায় আলাদা সুবিধা দেয়।
‘আমাদের দেশে খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার জন্য মানুষ তুলনামূলক অনেক কম। তাই আমাদের হাই-পারফরম্যান্স প্রোগ্রামটা খুব নির্দিষ্টভাবে সাজাতে হয়, আমাদের জনসংখ্যা অনুযায়ী,’ বলেন তিনি।
ভারতের জনসংখ্যা যেখানে ১৪০ কোটির বেশি, সেখানে নিউজিল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র প্রায় ৫৩ লাখ। এমনকি ফাইনালের ভেন্যু আহমেদাবাদ শহরের জনসংখ্যাই প্রায় ৯৩ লাখ—যা নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।
তবে ফিলিপস ভারতের ক্রিকেট শক্তিকেও স্বীকার করেছেন। তার মতে, ভারতের প্রতিভার ভাণ্ডার এতটাই বড় যে তারা চাইলে একই মানের তিনটি দলও গঠন করতে পারে।
‘ভারত থেকে যে প্রতিভা বেরিয়ে আসে তা অসাধারণ। তারা চাইলে এমন তিনটি দল বানাতে পারবে, যেগুলো এই বিশ্বকাপেও সমানভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত,’ বলেন এই কিউই অলরাউন্ডার।
তবে ছোট জনসংখ্যা নিয়েও বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারাটা নিউজিল্যান্ডের জন্য গর্বের বিষয় বলেই মনে করেন ফিলিপস। তার মতে, এটাই প্রমাণ করে যে সীমিত সম্পদ নিয়েও সঠিক পরিকল্পনায় বড় সাফল্য পাওয়া সম্ভব।
রোববারের ফাইনালে তাই শুধু দুই দলের লড়াই নয়, এক অর্থে ছোট দেশের সংগঠিত ক্রিকেট কাঠামোর সঙ্গে বিশাল ক্রিকেট শক্তিরও এক প্রতীকী মুখোমুখি লড়াই হতে যাচ্ছে।




