
পাকিস্তানি গ্ল্যামার ভুবনের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ শায়েস্তা লোধি বোল্ড লুকে ধরা দিলেন। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর মায়াবী চাহনিতে বুঁদ সব শ্রেণির দর্শক। ভারতের একটি টিভি নাটকে রোমান্টিক দৃশ্যে তার সাহসী অভিনয়ের প্রসঙ্গ সম্প্রতি আলোচনা জন্ম দেয়। এর পরপরই বিষয়টি ভাইরাল হয়।
এক সময় ভারতে শায়েস্তা লোধির একটি নাটক ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে সেখানে অনুষ্ঠানটি নিষিদ্ধ করা হয়। ওই নাটকের একটি প্রেমের দৃশ্যে সাহসী অভিনয় করেন। পরে শায়েস্তার মা আর তার ভারতীয় আত্মীয়স্বজন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালে বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়। সূত্র: বলিউড লাইফ
শায়েস্তা লোধি এক সাক্ষাৎকারে জানান, ভারতে থাকা তার কাজিনরা টেলিভিশন সিরিজ ‘পরদেশ’-এর একটি সাহসী দৃশ্যের কথা তার মাকে জানিয়ে দেয়। এতে মা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং এ ধরনের বোল্ড দৃশ্যে অভিনয় করার ব্যাপারে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন।
অভিনেত্রী ও ছোটপর্দার উপস্থাপিকা শায়েস্তা লোধি পাকিস্তানের করাচির বাসিন্দা। বিনোদন জগতে আসার আগে তিনি জিন্নাহ সিন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শায়েস্তা ‘উঠো জাগো পাকিস্তান’ নামক একটি মর্নিং শোর সঞ্চালিকা ছিলেন। চিকিৎসা পেশায় জড়িত থাকা অবস্থায় তিনি অভিনয় শুরু করেন।
২০১২ সালে ওয়াকার ওয়াহিদিদের সঙ্গে শায়েস্তার বিয়ে হলেও তাদের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিবাহবিচ্ছেদে গড়ায়। এরপর অভিনেত্রী ২০১৫ সালে আদনান লোধিকে বিয়ে করেন।
অভিনেত্রী তার ব্যক্তিগত, কর্মজীবন এবং তার প্রাক্তন মর্নিং শো ঘিরে বিতর্ক নিয়েও কথা বলেছেন।
‘ওয়াদা’, ‘ফানাহ’, ‘পরদেশ’-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করে তিনি র্দমকহৃদয় জয় করেন। তার একমাত্র টেলিফিল্ম ‘উফ ইয়ে বিউইয়ান’ ২০২১ সালে জনপ্রিয়তা পায়।
২০১৪ সালে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে জিও টিভির ‘উঠো জাগো পাকিস্তান’ মর্নিং শো বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তার ভয়ে পাকিস্তান ছেড়ে পালিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় আশ্রয় নেন। সেখান থেকে ফিরে এসে ২০১৭ সাল থেকে জিও-তে ‘সুবাহ পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা শুরু করেন।




