
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গত কয়েক বছরে টলিপাড়ার তারকাদের সক্রিয় উপস্থিতি ক্রমশই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সোমবার (৪ মে) রাজ্যে বিজেপির জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই তাদের প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর পড়েছে সাধারণ মানুষের। এই প্রেক্ষিতে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী তার মতামত প্রকাশ করেছেন।
আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম থেকেই সরব ছিলেন মিমি। তিনি সামাজিকমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘এই ঘটনার অপরাধীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার কথা ভাবতেও ভয় পায়।’ প্রতিবাদে সরব হওয়ার জন্য তাকে নানা হুমকির মুখেও পড়তে হয়।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নির্যাতিতার মা। ৪ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তার জয়ে সমর্থন জানিয়ে মিমি সামাজিকমাধ্যমে লেখেন, ‘এই জয় তার কাছে ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যদিও কোনো জয়ই সেই পরিবারের ক্ষতি পূরণ করতে পারে না।’
আরজি করের নির্যাতিত মা রত্না দেবনাথ চমক দেখিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় তুলে নিয়েছেন। রত্না দেবনাথ ২৮ হাজার ৮৩৬ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে ইতিহাস গড়েছেন।
প্রতিবাদের সময় মিমিকে কুরুচিকর মন্তব্য ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। যার প্রতিক্রিয়াও জানান মিমি। তিনি জানান, হুমকি বা গালাগাল দিয়ে তাকে থামানো যাবে না এবং নারীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের মানসিকতার বিরুদ্ধেই তার লড়াই। একইসঙ্গে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন মিমি। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।




