যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে ইরানের যোগাযোগের বিষয়ে নতুন তথ্য মিলেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের ওপর ‘অবৈধ সামরিক হামলার’ আগেই মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তার সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি বলে দাবি করেছে ইরান। এ বিষয়ে মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে আরাঘচি বলেন, এর বিপরীত যে কোনো দাবি শুধু তেল ব্যবসায়ী এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি প্রতিবেদনের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উইটকফ এবং আরাঘচি যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে টেক্সট মেসেজ আদান-প্রদান করেছেন। এটা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তাদের মধ্যে প্রথম সরাসরি যোগাযোগ। তবে ইরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।
চলমান এ যুদ্ধে ইরানিরা আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকার করেছে। দেশটির প্রতিশোধমূলক হামলায় বিমান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থবির হয়ে পড়েছে জ্বালানি সরবরাহ। এছাড়া তেল পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বড় আকারের হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ আক্রমণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এ ছাড়া ১৫০ জনেরও বেশি স্কুলছাত্রী এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান।
ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং সামরিক কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করেছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি শহরগুলোতেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

