
ইরানের অপরিশোধিত তেল ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ খার্গ দ্বীপের উপকূলে পারস্য উপসাগরে বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, দ্বীপটিতে তেল মজুত করার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এতে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা ও জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের মধ্যে ইরানের তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্রের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের উপকূলে বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়ছে। দ্বীপটির পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এই তেল নিঃসরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অরবিটাল ইওএস অনুমান করেছে, বৃহস্পতিবার নাগাদ এই তেল ৫২ বর্গকিলোমিটারের (২০ বর্গমাইল) বেশি এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, এই তেল দক্ষিণ দিকে সৌদি আরবের জলসীমার দিকে ভেসে যাচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ছড়িয়ে পড়া এই তেলের পরিমাণ ৩ হাজার ব্যারেলের বেশি।
বিশ্বের অন্যতম কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তেল ট্রানজিট পয়েন্ট হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত চলমান নৌ অবরোধের ফলে ইরানের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামো ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক পথগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় ট্যাংকারগুলো আটকা পড়েছে। ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে মজুতের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই জটের কারণে মজুত কেন্দ্র এবং অফশোর টার্মিনালগুলোতে তেল নিঃসরণ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে থাকতে পারে।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

