ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা হবে হবে অবস্থায় আর হয়ে ওঠল না। এরইমধ্যে নতুন করে প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
এই পরিস্থিতির মধ্যে আপাতত থমকে আছে শান্তি আলোচনা। কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত থামানোর কোনো কার্যকর উপায় না মেলায় টানা সপ্তম দিনের মতো অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ বাজার শুরুর সময় অনুযায়ী জুন মাসে সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪৫ সেন্ট তথা শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। এই হিসাব অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০৮ দশমিক ৬৮ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিন ২ দশমিক ৮ শতাংশ দাম বাড়ার পর এ নিয়ে টানা সপ্তম দিনের মতো তেলের দাম বাড়ল।
এদিকে, জুন মাসে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৫৮ সেন্ট শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬ দশমিক ৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আগের কার্যদিবসে রেকর্ড ২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধির সঙ্গে আরও অতিরিক্ত ডলার খরচ যুক্ত হলো।
বাজার পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন, রান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না আসলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কায় তেল সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত। গত এক সপ্তাহ ধরে তেলের বাজারে যে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে, তা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

