ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রায় ৩৫ বিলিয়ন শেকেল (সাড়ে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) খরচ হয়েছে বলে প্রাথমিক হিসাব দিয়েছে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়। মূলত সামরিক অভিযান এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে এ হিসাব ধরা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। ইসরায়েলি অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, এই ব্যয়ের ফলে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে সরকারি ঋণের বোঝা।
মন্ত্রণালয় প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, মোট খরচের সিংহভাগ অর্থাৎ প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে। এই অর্থ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অভিযানের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। ২০২৬ সালের জাতীয় বাজেটে এই অতিরিক্ত অর্থ ইতোমধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অর্থ ইতোমধ্যে ২০২৬ সালের রাষ্ট্রীয় বাজেটের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটে যোগ করা হয়েছে।
সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলাজনিত ক্ষতি, ব্যবসায়িক উৎপাদন হ্রাস এবং কর্মীদের অবৈতনিক ছুটির জন্য সরকারের ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনার মোট ব্যয় প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে।
বেসামরিক খাতে আরও প্রায় ৩২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করা হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের কার্যক্রম, জরুরি সেবা এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের খরচ।
খরচ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এই পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তিনি বলেন, অর্থনীতির সঠিক ব্যবস্থাপনা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। তার মতে, ইরানের বিরুদ্ধে এই বিশাল সাফল্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মীরাও সমান ভাগীদার।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

