ইরান-মার্কিন শান্তি আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল নিয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানা গেছে।
রয়টার্স ও আলজাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ২-তে চেপে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ওয়াশিংটন থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হয় মার্কিন প্রতিনিধিদলটি। দলে জেডি ভ্যান্স ও অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলটির যাত্রা শুরুর পর এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মার্কিন প্রতিনিধিদলকে কিছু স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলটির রওনা হওয়ার কিছু সময় আগে পাকিস্তানে পৌঁছে গেছে ইরানি প্রতিনিধিদল। ইসলামাবাদে চলমান ইরান-মার্কিন শান্তি আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
এই দলে আরও আছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি, ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল ডিফেন্স কাউন্সিলের সচিব আলী আকবর আহমদিয়ান, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কেজেম ঘারিবাবাদি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসলাইল বাঘাইসহ মোট ৭১ জন কর্মকর্তা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) জিও নিউজ জানিয়েছে ইসলামাবাদে পৌঁছালে ইরানি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি।
প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে ইসহাক দার গঠনমূলক আলোচনার আশা প্রকাশ করেন। তিনি একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই আলোচনাকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি ‘চূড়ান্ত সুযোগ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আজ থেকেই উভয়পক্ষের শীর্ষ নেতৃত্ব ইসলামাবাদে এই আলোচনায় বসছেন।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

