ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দায়িত্ব দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মূলত, বর্তমান মার্কিন সরকারের সবচেয়ে উচ্চতম পদগুলোর একটি হচ্ছে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ। শনিবার (১১ এপ্রিল) আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গেছে, ট্রাম্প চাচ্ছেন এ আলোচনায় ভ্যান্স নেতৃত্ব দিয়ে যুদ্ধের সমাপ্তি টানুন এবং একটি সফল শান্তি চুক্তি করেন।
বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দায়িত্ব দিয়ে ট্রাম্প এ শান্তি আলোচনার গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়টি যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে ট্রাম্পের ব্যগ্রতার বিষয়টিকে স্পষ্ট করেছে।
জেডি ভ্যান্সের এই মিশনে তার সঙ্গে থাকছেন জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ। তবে ভাইস প্রেসিডেন্টকে সরাসরি পাঠানোর মাধ্যমে ট্রাম্প এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে, তার প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি সম্পন্ন করতে চায়।
যুক্তরাষ্ট্রে এই ইরান-মার্কিন যুদ্ধ একটি অজনপ্রিয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী এক-তৃতীয়াংশেরও কম আমেরিকান এই সংঘাতকে সমর্থন করছেন। এ কারণে ট্রাম্প দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে আগ্রহী।
পাকিস্তান সফরে গিয়ে জেডি ভ্যান্স মূলত তিনটি প্রধান শর্তের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা চালাবেন। সে শর্তগুলো হলো—একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানো, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা ও যাতায়াত স্বাভাবিক করা এবং ইরান যেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে না পারে তা নিশ্চিত করা।
মূলত, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান লক্ষ্য হলো এই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে একটি কূটনৈতিক বিজয় অর্জন করা। আর এই লক্ষ্য অর্জনে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং সেখানে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এখন তার প্রশাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

