ইরানে নিখোঁজ মার্কিন বিমান সেনার অবস্থান শনাক্ত করার মিশনে নিয়োজিত একটি মার্কিন বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছিল ইরান। ইরানের সূত্রমতে, বিমানটি কোনো সাধারণ যুদ্ধবিমান ছিল না, বরং এটি ছিল একটি দানবীয় সি-১৩০ ক্লাসের কার্গো বা ট্রান্সপোর্ট বিমান।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসফাহান প্রদেশে মার্কিন বিমানটি সফলভাবে ভূপাতিত ও ধ্বংস করেছে তাদের বিশেষ বাহিনী।
অবাক করা বিষয় হলো, ইরান দাবি করেছে, এই বিমানটি ভূপাতিত করার কৃতিত্ব তাদের নিয়মিত সেনাবাহিনীর নয়, বরং ‘ফারাজ রেঞ্জার্স’ নামক একটি পুলিশ কমান্ডো ইউনিটের। কমান্ডোদের এই ইউনিটটি অত্যন্ত নিপুণভাবে আক্রমণ চালিয়ে বিমানটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংসপ্রাপ্ত বিমানটি ওই সময় ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করা মার্কিন বাহিনীর বিশেষ ইউনিট বা তথাকথিত ‘মন্দ হানাদারদের’ জ্বালানি সরবরাহ করছিল। তেহরান এই ঘটনাকে ‘মাতৃভূমির পবিত্র মাটিতে’ বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি বড় প্রতিরোধ হিসেবে তুলে ধরছে।
এর আগে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আরও একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি থেকে পাইলটকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, এ-১০ ওয়ার্টহগ মডেলের এই বিমানটি হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইরানে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছে। পরে জানা যায়, বিমানটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল মডেলের।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

