নারী ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে বড় ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ২০২৬ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য এবার রেকর্ড পরিমাণ পুরস্কার অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, আসন্ন আসরের মোট প্রাইজমানি ধরা হয়েছে ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৫ মার্কিন ডলার, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, আর রানার্সআপ দলের জন্য থাকছে ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল পাবে ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার করে। এ ছাড়া গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া সব দলই ন্যূনতম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ ডলার করে পাবে, যা নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ বাড়ানোর একটি স্পষ্ট বার্তা।
আগামী ১২ জুন ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এই আসর। প্রথমবারের মতো ১২টি দল অংশ নিচ্ছে এই টুর্নামেন্টে। বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলগুলো অংশ নেবে ৩৩ ম্যাচের এই প্রতিযোগিতায়।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের সাতটি ভেন্যুতে প্রায় ২৪ দিন ধরে চলবে টুর্নামেন্টটি।
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে ট্রফি ট্যুরও। লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড থেকে এই যাত্রা শুরু হয়েছে। এরপর ইউরোপের বিভিন্ন শহর ঘুরে মে মাসজুড়ে স্বাগতিক শহরগুলোতে পৌঁছাবে ট্রফি।
এই ট্যুরের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে টুর্নামেন্টকে আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রফি প্রদর্শনের পাশাপাশি ভক্তদের সম্পৃক্ত করার নানা আয়োজন থাকবে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেছেন, নারী ক্রিকেট দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই টুর্নামেন্টে দল সংখ্যা বৃদ্ধি ও পুরস্কার অর্থ বাড়ানো সেই অগ্রগতিরই প্রতিফলন।
অন্যদিকে টুর্নামেন্ট পরিচালক বেথ ব্যারেট-ওয়াইল্ড মনে করেন, এটি নারী ক্রিকেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে। তার মতে, দর্শক উপস্থিতি এবং আগ্রহের দিক থেকেও এই আসর নতুন রেকর্ড গড়তে পারে।




