বিশ্বের অন্যতম উন্নত শহর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাড়ছে ভিক্ষুকের সংখ্যা। এমনকি এসব দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিরা হাত পাততে শহরের বিভিন্ন খাবারের হোটেলে ঢুকে পড়ছেন।
তারা ক্রেতাদের কাছ থেকে খাবার চেয়ে খাচ্ছেন। কর্মচারীরা তাদের তাড়িয়ে দিলেও সহসা যেতে চাচ্ছেন না। রেস্তোরাঁর কর্মীরা জানান, সাধারণত বিকেল ৪টার পর যখন গরম একটু কমে আসে, তখন এসব ভিক্ষুকদের দেখা মেলে।
তবে সম্প্রতি যে বিষয়টি নতুন করে দেখা যাচ্ছে, তা হলো একদল নারী ছোট শিশুদের নিয়ে ভিক্ষা করছেন। এসব শিশু পথচারীদের টার্গেট করে তাদের কাছে হাত পাতছে। এ গ্রুপটি সাধারণত প্রচলিত ভবঘুরেদের থেকে বেপরোয়া। তারা মানুষের কাছে সরাসরি ভিক্ষা দাবি করে বসে। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোও।
একজন নারী ক্রেতা অভিযোগ করেন, তিনি একদিন তার বন্ধুকে নিয়ে একটি রেস্তোরাঁয় রাতে খাওয়ার সময় এক নারী হঠাৎ টেবিল টেবিলে গিয়ে ভিক্ষা চাইতে থাকে। ওই ভিক্ষুক নারী নিজেকে ফিলিস্তিনি বলে পরিচয় দিলেও সে হিন্দিতে কথা বলছিল। এমনকি তার সঙ্গে থাকা শিশুটি সব সময় ঘুমিয়ে থাকার বিষয়টিও ছিল সন্দেহজনক। জেনিফার নামের ওই ক্রেতা ভিক্ষা দিতে অস্বীকার করলেও ভিক্ষুক তাকে বারবার তাগাদা দিচ্ছিল। তিনি বলেন, ১০ মিনিট পর একইভাবে একটি ঘুমন্ত শিশুকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করে আরও এক নারী ভিক্ষুক।
ভিক্ষুকদের এ গ্রুপটিকে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ইন্ডিয়া মসজিদের সামনে ভিক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। এ ছাড়া কেবল রাস্তা কিংবা হোটেল-রেস্তোরাঁই নয়, কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন স্থানেই এ ধরনের ভিক্ষুকের সংখ্যা বেড়েছে।




