ত্রুটিপূর্ণ গর্ভধারণে সমস্যা ও প্রতিরোধ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সাইন্টিফিক সেমিনার হয়েছে।
ত্রুটিপূর্ণ গর্ভধারণ প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে সম্যক ধারণা দিতে রোববার (১৯ এপ্রিল) সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ঢামেক হাসপাতালের গাইনী বিভাগের ফিটোমেটারনাল মেডিসিন ইউনিট এর আয়োজন করে।
‘ত্রুটি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু আমাদের কণ্ঠ এক—সচেতনতা, সহানুভূতি এবং সমান সুযোগের দাবি’ এ স্লোগানে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফিটোমেটারনাল মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক ডা. উম্মে সালমা।
সেমিনারে অবস্ট্রেটিকাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিকাল সোসাইটি এবং ফিটোমেটারনাল সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ফিরোজা বেগম জন্মগত ত্রুটি নিরাময়ে স্ক্রিনিং, সঠিক সময় রোগ নির্ণয় এবং যারা আক্রান্ত তাদের প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিটোমিটারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাবাসসুম পারভিন জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, রোগী ও রোগীর পরিবারের ইতিহাস জানতে হবে, ফলিক এসিড নামক একটি ওষুধ সেবন এবং গর্ভকালীন স্ক্রিনিং জরুরি।
সেমিনারে বক্তব্য দেন ঢাকা মেডিকেলের অধ্যক্ষ ডা. মাজহারুল শাহীন, উপাধ্যক্ষ ও গাইনী বিভাগীয় প্রধান ডা. মুসাররাত সুলতানা, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, প্রসূতি মায়ের জেনেটিক, পুষ্টিহীনতা, কেমিকেল, টিন ফুড, পরিবেশ দূষণ, বেশি বয়সে গর্ভধারণসহ বিভিন্ন কারণে নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটি থাকতে পারে। ত্রুটি নিরাময়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সুস্থ সন্তান জন্মের জন্য যথাসময়ে চিকিৎসা প্রয়োজন।
এ ছাড়া ত্রুটিসম্পন্ন প্র্যাকটিকাল রোগীদের নিয়ে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক দিনা লায়লা ও আরিফা শারমিন মায়া। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাজমিরা সুলতানা।
সেমিনারের পাশাপাশি জন্মগত ত্রুটির প্রকারভেদ, কারণ, প্রতিরোধ ও সম্ভাব্য চিকিৎসাসহ সামগ্রিক বিষয় সহজভাবে তুলে ধরার জন্য নাটিকা প্রদর্শিত হয়। ফিটোমেটারনাল মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক ডা. আরিফা শারমিন মায়া নাটিকাটি রচনা ও পরিচালনা করেন।




