ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি প্রয়োজনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৫:৪২
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে স্থায়ী বা অপরিবর্তনীয় কিছু হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন ধারা সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তনের সুযোগ সবসময়ই থাকে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বুধবার (৪ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে পুরোপুরি ইতিবাচক বা নেতিবাচক—এমন কোনো একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা ঠিক হবে না। সাধারণত যে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতেই কিছু ধারা একটি পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়, আবার কিছু ধারা অন্য পক্ষের জন্য অনুকূল থাকে। আলোচনার মাধ্যমেই দুই পক্ষ এমন একটি অবস্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করে যেখানে উভয়ের জন্য লাভজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত ওই চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে আলাদা করে কোনো বিশদ আলোচনা হয়নি বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তার ভাষায়, এটি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি এবং কার্যকর হওয়ার আগে কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার বিষয় রয়েছে।

চুক্তির নির্দিষ্ট কিছু ধারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্যারিফ আরোপের বিষয়টি নিয়েও বর্তমানে একটি পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ আদালত জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত কিছু ট্যারিফের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তা সরকার পর্যবেক্ষণ করছে।

ভিসা বন্ড সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পড়ে। তবে বাংলাদেশ সব সময়ই চায়, দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা যেন সহজে পারস্পরিক যাতায়াত করতে পারেন এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় বাধা সৃষ্টি না হয়।

নতুন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করতে আগ্রহী বলেও বৈঠকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বাজারে আরও বেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কিছু নন-ট্যারিফ বাধা দূর করা গেলে মার্কিন বিনিয়োগ আরও সহজ হবে বলে তারা মত দিয়েছে।

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। বুধবার (৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, সবশেষ গত ৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।  নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবশেষ গত ২৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।  এ ছাড়া গত ২৩ এপ্রিল তিন হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা।  
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক সেমিনারে সম্প্রতি দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ দিচ্ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা চাইলে গভর্নর বলেন, টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন। এ সময় পাচার হওয়া অর্থ ফেরানো কঠিন জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সেসব অর্থ যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সেই চেষ্টা সরকার করছে। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকঋণ নিচ্ছে এ ধারণা সঠিক নয়। ভুল তথ্যের কারণে দেশের ক্রেডিট রেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া একটি নিয়মিত বিষয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ ধরনের অর্থনীতির কারণে দেশের সম্পদ অলিগার্কদের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। অতীতে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে কিছু লোকের হাতে বিপুল অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়।  অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে দারিদ্র্যের হার ধীরে ধীরে কমছে। তবে অনেক ব্যবসায়ী এখনও কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং ব্যাংকঋণ পরিশোধেও সমস্যায় পড়ছেন। অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় অভাবনীয় সাফল্য দেখা গেছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশটি তার বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে পেরেছে বলে জানাচ্ছে চীনা সংবাদমাধ্যম সিএমজি। প্রথম ত্রৈমাসিকে চীনের বন্দরগুলোতে পণ্য ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, দৈনিক গড় হিসাবে কন্টেইনার প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ, দৈনিক পণ্যপ্রবাহ বেড়েছে গড়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ছাড়া চীনের প্রধান বন্দরগুলোতে আগত ও বহির্গামী জাহাজের ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশ ছেড়ে যাওয়া জাহাজের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনের পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী। চীনের রপ্তানি বাণিজ্যের এই উন্নতির পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে উচ্চ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, এখন আর সাধারণ পণ্য নয় বরং স্মার্ট প্রযুক্তি, ইলেকট্রিক যানবাহন, লিথিয়াম ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম রপ্তানিতে চীন বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রথম প্রান্তিকে এই ধরনের ‘নতুন তিন’ পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রথাগত বাজারের বাইরেও নতুন নতুন অঞ্চলে চীনের বাণিজ্য বাড়ছে বলে জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। বেল্ট অ্যান্ড রোডের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ২০ শতাংশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২০ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ। চীনের অভ্যন্তরীণ বন্দরের আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও উচ্চ মূল্যের পণ্য তৈরির সক্ষমতা দেশটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক অপরাজেয় অবস্থানে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতেও দেশটির অর্থনীতিতে এই ধারা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।  তবে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাসসহ অন্যান্য ভাতা পরিশোধ ও রপ্তা‌নি বিল বিক্র‌য়ের সুবিধার্থে পোশাকশিল্প এলাকায় ১৮ ও ১৯ মার্চ সী‌মিত প‌রিস‌রে ব্যাংক খোলা রাখ‌তে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জা‌রি করেছে।   নির্দেশনায় বলা হয়, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তৈরি পােশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা ও রপ্তানি বিল ক্রয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ঈদের আগের সরকারি ছুটির দিন ১৮ ও ১৯ মার্চ সীমিত পরিসরে খােলা থাকবে। ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পােশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ছুটির দিন খোলা থাকবে।
ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। বুধবার (৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, সবশেষ গত ৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।  নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবশেষ গত ২৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।  এ ছাড়া গত ২৩ এপ্রিল তিন হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা।  
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক সেমিনারে সম্প্রতি দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ দিচ্ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা চাইলে গভর্নর বলেন, টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন। এ সময় পাচার হওয়া অর্থ ফেরানো কঠিন জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সেসব অর্থ যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সেই চেষ্টা সরকার করছে। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকঋণ নিচ্ছে এ ধারণা সঠিক নয়। ভুল তথ্যের কারণে দেশের ক্রেডিট রেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া একটি নিয়মিত বিষয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ ধরনের অর্থনীতির কারণে দেশের সম্পদ অলিগার্কদের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। অতীতে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে কিছু লোকের হাতে বিপুল অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়।  অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে দারিদ্র্যের হার ধীরে ধীরে কমছে। তবে অনেক ব্যবসায়ী এখনও কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং ব্যাংকঋণ পরিশোধেও সমস্যায় পড়ছেন। অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় অভাবনীয় সাফল্য দেখা গেছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশটি তার বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে পেরেছে বলে জানাচ্ছে চীনা সংবাদমাধ্যম সিএমজি। প্রথম ত্রৈমাসিকে চীনের বন্দরগুলোতে পণ্য ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, দৈনিক গড় হিসাবে কন্টেইনার প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ, দৈনিক পণ্যপ্রবাহ বেড়েছে গড়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ছাড়া চীনের প্রধান বন্দরগুলোতে আগত ও বহির্গামী জাহাজের ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশ ছেড়ে যাওয়া জাহাজের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনের পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী। চীনের রপ্তানি বাণিজ্যের এই উন্নতির পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে উচ্চ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, এখন আর সাধারণ পণ্য নয় বরং স্মার্ট প্রযুক্তি, ইলেকট্রিক যানবাহন, লিথিয়াম ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম রপ্তানিতে চীন বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রথম প্রান্তিকে এই ধরনের ‘নতুন তিন’ পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রথাগত বাজারের বাইরেও নতুন নতুন অঞ্চলে চীনের বাণিজ্য বাড়ছে বলে জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। বেল্ট অ্যান্ড রোডের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ২০ শতাংশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২০ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ। চীনের অভ্যন্তরীণ বন্দরের আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও উচ্চ মূল্যের পণ্য তৈরির সক্ষমতা দেশটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক অপরাজেয় অবস্থানে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতেও দেশটির অর্থনীতিতে এই ধারা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।