ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নরের পরিচয়

অনলাইন ডেস্ক
  ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫৭
এশিয়া পোস্ট গ্রাফিক্স

দেশের আর্থিক খাতের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট’স অর্ডার নং ১২৭ অব ১৯৭২)-এর ১০(৫) ধারা অনুযায়ী, অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাকে যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগকালীন সময়ে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ করবেন। এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

শিক্ষাগত ও পেশাগত পরিচয়

মো. মোস্তাকুর রহমান ১৯৬৬ সালের ১২ মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৮৭ সালে বিকম (সম্মান) এবং ১৯৮৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি এ প্রতিষ্ঠানের একজন ফেলো সদস্য (এফসিএমএ)।

দীর্ঘ ৩৩ বছরের বেশি সময়ের পেশাগত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট আর্থিক সুশাসন, করপোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। ম্যানুফ্যাকচারিং, রিয়েল এস্টেট, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং শিল্প খাতে বিনিয়োগ তদারকি ও আর্থিক পরিকল্পনায় তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ব্যবসা ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা

পেশায় উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমান বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত রপ্তানিমুখী পরিবেশবান্ধব কারখানা ‘হেরা সোয়েটার্স লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি আবাসন খাতেও তার ব্যবসা রয়েছে।

তিনি তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া রিহ্যাব, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সদস্য হিসেবে বিভিন্ন কমিটিতে কাজ করেছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের বোর্ড সদস্য ছিলেন।

মোস্তাকুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন।

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। বুধবার (৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, সবশেষ গত ৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।  নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবশেষ গত ২৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।  এ ছাড়া গত ২৩ এপ্রিল তিন হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা।  
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক সেমিনারে সম্প্রতি দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ দিচ্ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা চাইলে গভর্নর বলেন, টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন। এ সময় পাচার হওয়া অর্থ ফেরানো কঠিন জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সেসব অর্থ যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সেই চেষ্টা সরকার করছে। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকঋণ নিচ্ছে এ ধারণা সঠিক নয়। ভুল তথ্যের কারণে দেশের ক্রেডিট রেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া একটি নিয়মিত বিষয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ ধরনের অর্থনীতির কারণে দেশের সম্পদ অলিগার্কদের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। অতীতে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে কিছু লোকের হাতে বিপুল অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়।  অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে দারিদ্র্যের হার ধীরে ধীরে কমছে। তবে অনেক ব্যবসায়ী এখনও কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং ব্যাংকঋণ পরিশোধেও সমস্যায় পড়ছেন। অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় অভাবনীয় সাফল্য দেখা গেছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশটি তার বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে পেরেছে বলে জানাচ্ছে চীনা সংবাদমাধ্যম সিএমজি। প্রথম ত্রৈমাসিকে চীনের বন্দরগুলোতে পণ্য ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, দৈনিক গড় হিসাবে কন্টেইনার প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ, দৈনিক পণ্যপ্রবাহ বেড়েছে গড়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ছাড়া চীনের প্রধান বন্দরগুলোতে আগত ও বহির্গামী জাহাজের ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশ ছেড়ে যাওয়া জাহাজের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনের পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী। চীনের রপ্তানি বাণিজ্যের এই উন্নতির পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে উচ্চ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, এখন আর সাধারণ পণ্য নয় বরং স্মার্ট প্রযুক্তি, ইলেকট্রিক যানবাহন, লিথিয়াম ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম রপ্তানিতে চীন বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রথম প্রান্তিকে এই ধরনের ‘নতুন তিন’ পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রথাগত বাজারের বাইরেও নতুন নতুন অঞ্চলে চীনের বাণিজ্য বাড়ছে বলে জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। বেল্ট অ্যান্ড রোডের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ২০ শতাংশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২০ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ। চীনের অভ্যন্তরীণ বন্দরের আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও উচ্চ মূল্যের পণ্য তৈরির সক্ষমতা দেশটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক অপরাজেয় অবস্থানে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতেও দেশটির অর্থনীতিতে এই ধারা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।  তবে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাসসহ অন্যান্য ভাতা পরিশোধ ও রপ্তা‌নি বিল বিক্র‌য়ের সুবিধার্থে পোশাকশিল্প এলাকায় ১৮ ও ১৯ মার্চ সী‌মিত প‌রিস‌রে ব্যাংক খোলা রাখ‌তে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জা‌রি করেছে।   নির্দেশনায় বলা হয়, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তৈরি পােশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা ও রপ্তানি বিল ক্রয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ঈদের আগের সরকারি ছুটির দিন ১৮ ও ১৯ মার্চ সীমিত পরিসরে খােলা থাকবে। ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পােশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ছুটির দিন খোলা থাকবে।
ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। বুধবার (৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, সবশেষ গত ৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।  নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবশেষ গত ২৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।  এ ছাড়া গত ২৩ এপ্রিল তিন হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা।  
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন: গভর্নর
টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক সেমিনারে সম্প্রতি দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ দিচ্ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা চাইলে গভর্নর বলেন, টাকা ছাপানোর বিষয়টি ভিত্তিহীন। এ সময় পাচার হওয়া অর্থ ফেরানো কঠিন জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সেসব অর্থ যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সেই চেষ্টা সরকার করছে। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকঋণ নিচ্ছে এ ধারণা সঠিক নয়। ভুল তথ্যের কারণে দেশের ক্রেডিট রেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া একটি নিয়মিত বিষয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ ধরনের অর্থনীতির কারণে দেশের সম্পদ অলিগার্কদের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। অতীতে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে কিছু লোকের হাতে বিপুল অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়।  অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে দারিদ্র্যের হার ধীরে ধীরে কমছে। তবে অনেক ব্যবসায়ী এখনও কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং ব্যাংকঋণ পরিশোধেও সমস্যায় পড়ছেন। অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
চীনের বন্দরে পণ্য ও কন্টেইনারের প্রবাহ বেড়েছে
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় অভাবনীয় সাফল্য দেখা গেছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশটি তার বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে পেরেছে বলে জানাচ্ছে চীনা সংবাদমাধ্যম সিএমজি। প্রথম ত্রৈমাসিকে চীনের বন্দরগুলোতে পণ্য ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, দৈনিক গড় হিসাবে কন্টেইনার প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ, দৈনিক পণ্যপ্রবাহ বেড়েছে গড়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ছাড়া চীনের প্রধান বন্দরগুলোতে আগত ও বহির্গামী জাহাজের ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশ ছেড়ে যাওয়া জাহাজের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনের পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী। চীনের রপ্তানি বাণিজ্যের এই উন্নতির পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে উচ্চ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, এখন আর সাধারণ পণ্য নয় বরং স্মার্ট প্রযুক্তি, ইলেকট্রিক যানবাহন, লিথিয়াম ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম রপ্তানিতে চীন বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রথম প্রান্তিকে এই ধরনের ‘নতুন তিন’ পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রথাগত বাজারের বাইরেও নতুন নতুন অঞ্চলে চীনের বাণিজ্য বাড়ছে বলে জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। বেল্ট অ্যান্ড রোডের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ২০ শতাংশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২০ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ। চীনের অভ্যন্তরীণ বন্দরের আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও উচ্চ মূল্যের পণ্য তৈরির সক্ষমতা দেশটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক অপরাজেয় অবস্থানে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতেও দেশটির অর্থনীতিতে এই ধারা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।