ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE
রিকশাচালকের ছেলের স্বপ্নপূরণে পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান
রিকশাচালকের ছেলের স্বপ্নপূরণে পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান
সিলেট নগরীর একজন হতদরিদ্র রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম। তার জীবিকা থেকে উপার্জন করা টাকা দিয়ে ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠানোর জন্য ভিসার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু ভিসা পাওয়ার পর তিনি জানতে পারলেন, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে ছেলেকে এয়ার টিকিট করে সৌদি আরবে না পাঠালে ভিসাও বাতিল হয়ে যাবে।  এই খবর জানার পর তিনি ছুটে যান নগরী হাউজিং এস্টেটস্থ মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিসিকের সাবেক প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর কার্যালয়ে। আর সে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। এ সময় তিনি সঙ্গে সঙ্গে রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে রফিকুল ইসলামের ছেলের সৌদ আরবের টিকিটের ব্যবস্থা
বড়লেখা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে কঠোর বিজিবি  
বড়লেখা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে কঠোর বিজিবি  
স্কুলে নেই শৌচাগার, যেতে হয় অন্যের বাড়িতে
স্কুলে নেই শৌচাগার, যেতে হয় অন্যের বাড়িতে
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
পরিবেশ রক্ষায় রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার পদক্ষেপ ছিল যুগান্তকারী : মিফতাহ সিদ্দিকী
পরিবেশ রক্ষায় রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার পদক্ষেপ ছিল যুগান্তকারী : মিফতাহ সিদ্দিকী
‘টাঙ্গুয়ার হাওরে টুরিস্ট পুলিশের তথ্যসেবা কেন্দ্র করা হবে’
‘টাঙ্গুয়ার হাওরে টুরিস্ট পুলিশের তথ্যসেবা কেন্দ্র করা হবে’
হবিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২
হবিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২
লেবুর হালি ৪ টাকা হলেও মিলছে না ক্রেতা
সিলেটে এবার পানির দামে বিক্রি হচ্ছে লেবু। টাকা ধরে বিক্রি হলেও লেবুর যেন ক্রেতা নেই বাজারে। অথচ দুই মাস আগে রমজানে ন্যূনতম ১০০ টাকা হালি ছিল লেবুর। সিলেট নগরীর কিন ব্রিজ এলাকায় সেবুল মিয়ার হাতে টসটসে লেবু, হালি মাত্র ৪ টাকা তবুও নেই আগ্রহী ক্রেতা! বিক্রেতারা জানান, এখন মৌসুম বলে দাম কম। এবার লেবুর ফলনও বেশি।  এদিকে ঈদুল আজহায় আবারও দাম বাড়তে পারে বলে জানান বিক্রেতারা। শুধু কিন ব্রিজ এলাকায়ই নয়, কাঁচাবাজারের সবখানেই এখন লেবুর স্তূপ। তবুও ক্রেতারা তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। জানা গেছে, গেল রমজান মাসের এক সপ্তাহ আগ থেকেই সিলেটে এক হালি লেবু কিনতে হয়েছে ৮০-১০০ টাকা। দেড় মাসের ব্যবধানে এই লেবুর হালি এখন বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪ টাকায়। আর মাঝারি লেবুর হালি ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে জারা লেবুর দাম একটু বেশি, আকার ভেদে ১৫০ থেকে দুইশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গেল রমজান মাসে জারা লেবুর হালি হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়েছে। লেবুর মৌসুম থাকায় আমদানি বেশি থাকায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ২০ দিন পরেই কোরবানির ঈদে এই লেবু কত টাকায় বিক্রি হবে তা বলতে পারছেন না কেউ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা থাকলে দাম কিছুটা বাড়বে। বুধবার (২১ মে) সরেজমিন সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট, কাজিটুলা, আম্বরখানা, টুকেরবাজার, মদীনা মার্কেট, বন্দরবাজার, কাজিরবাজার এবং রিকাবীবাজার এলাকা বাজারের লেবুর দামের একই চিত্র দেখা যায়। পাশাপাশি সবজির দামও তুলনামূলক কম। তবে কাঁচা ছোট সাতকড়ার হালি ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাবানা নামের এক ক্রেতা বললেন, লেবুর মৌসুম থাকলেও আগামী ঈদে দেখবেন এই লেবুর হালিও ৫০ টাকার নিচে কেনা যাবে না। জয়নাল আবেদীন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, এখন চাহিদা কম তাই দামও কম। চাহিদা বাড়লেই তারা দাম বাড়িয়ে দেবে। নগরীর বন্দর বাজারে ভ্যানগাড়ি দিয়ে লেবু বিক্রি করছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব আব্দুল করিম। তিনি ১২ পিস লেবু একটি মাঝারি পলিথিনে ভরে বিক্রি করছেন মাত্র ৩০ টাকায়। তিনি কালবেলাকে জানান, লেবুর চাহিদা কম। লেবু এখন পানির দামে বিক্রি হচ্ছে তবুও কেউ নিচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে যে কয়টি এলাকা লেবু উৎপাদনের জন্য পরিচিত, তার একটি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। চাহিদা পূরণে সিলেটের বাজারে আগে শ্রীমঙ্গল ও ময়মনসিংহ থেকে আসত লেবু। এখন সিলেটের বিভিন্ন টিলায় ব্যাপক হারে চাষ হচ্ছে লেবু, যা স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটাচ্ছে। এসব লেবু তাজা অবস্থায় কেনা যায় বলে স্বাদ ও গন্ধ থাকে অটুট। নিজ এলাকায় উৎপাদন হওয়ায় দামেও কম। বর্তমানে সিলেট শহরতলি এলাকা, জৈন্তাপুর, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার থেকে চাহিদার অর্ধেকের বেশি লেবু সরবরাহ করা হচ্ছে স্থানীয় বাজারগুলোতে। লেবু চাষি সামছুল হক, শফিক মিয়া, লিয়াকত আলী জানান, এক সময় সেপ্টেম্বর মাসে লেবুর সিজন শেষ হয়ে যেত, তবে বর্তমানে সারা বছর লেবু থাকে। এখন উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ ও উচ্চ ফলনশীল চারা রোপণের কারণে সারা বছরই লেবু উৎপাদন হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক দীপক দাশ কালবেলাকে বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর সিলেটে লেবুর চাষ ও উৎপাদন বেশি হয়েছে। মৌলভীবাজারেও লেবুর চাষ হয়েছে প্রচুর। সেখান থেকেও সিলেটের বাজারে লেবু আসে। চাহিদার তুলনায় ফলন বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। কমদামে এখন ভোক্তারা লেবু পাচ্ছে।  
মেম্বার থেকে জোর করে চেয়ারম্যান হলেন আ.লীগ নেতা
আইনগত বৈধতা না থাকা সত্ত্বেও জোর করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসলেন মাথিউরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একই ওয়ার্ডের মেম্বার আলতাফ হোসেন। বুধবার (২১ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি নিজেকে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেন।  আলতাফ হোসেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেনের আপন বড়ভাই। মূলত বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেনের ক্ষমতাবলে ইউনিয়ন পরিষদকে তিনি নিজ কব্জায় নিয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ আলতাফ হোসেন মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান-২ ফয়জুল হক নজমুলের মধ্যে সমর্থন জানান অন্যান্য ইউপি সদস্যরা। তবে এ নিয়ে কোনো সাধারণ সভা হয়নি। ইউপি সদস্যরা যে যার মতো করে নিজেদের সমর্থন জানান। মঙ্গলবার দিনভর ইউপি সচিবের কক্ষে ঘণ্টাখানেক পরপর একেক জন সদস্য এসে তাদের সমর্থন জানান। এ প্রক্রিয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।  জানা গেছে, ৫ জন মেম্বার আলতাফ হোসেনের প্রতি সমর্থন জানান এবং ৪ জন মেম্বার ফয়জুল হক নজমুলকে সমর্থন দেন। একজন মেম্বার ভোটদান থেকে বিরত থাকলেও তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে এরকম ভোটাভুটির আইনগত বৈধতা রয়েছে কিনা সেটি জেনে তার সমর্থন প্রদান করবেন। এ অবস্থায় বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন জোর করে চেয়ারম্যানের বন্ধ কার্যালয় খোলে চেয়ারে বসে কার্যক্রম শুরু করেন এবং নিজেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে ঘোষণা করেন। পরিষদের একাধিক সদস্য জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকে ম্যানেজ করে নিজের ভাই সরোয়ার হোসেনের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে একদিনের মধ্যেই সদস্যদের প্রকাশ্যে মতামত দেয়ার আয়োজন করেন। এতে ইউপি সদস্যরা দ্বিমত পোষণ করলেও আলতাফ-সরোয়ার তাদের মামলা-হামলার ভয়ভীতি দেখান এবং জোরপূর্বক ভাইয়ের পক্ষে মতামত দেয়ার নির্দেশ দেন।  ফয়জুল হক নজমুল, সেলিম উদ্দিন, সৈয়দুর রহমানসহ একাধিক ইউপি সদস্য জানান, আলতাফ হোসেন সচিবকে দিয়ে মেম্বারদেরকে বরখাস্ত করার হুমকি দিয়েছেন। তারা সকলেই প্রকাশ্যে মতামত দেয়ার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানানোর পর তিনি ‘দিতে হবে’ উল্লেখ করে জোর দাবি করেন। ইউপি সচিব মো. তাজ উদ্দিন হুমকি-ধমকির বিষয়টি অস্বীকার করে কালবেলাকে জানান, মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অফিসে গিয়ে পায়নি। তবে বুধবার সকালে ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন এসে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওনাকে আর্থিক বিষয় ছাড়া ইউনিয়নের জনবান্ধব বিষয়ের সকল কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে উপজেলা থেকে ইউপি সচিব কোনো নির্দেশনা পাননি বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলতাফ হোসেন কালবেলাকে বলেন, সরাসরি চা খেতে খেতে কথা বলব। মোবাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা মুন্না কালবেলাকে বলেন, আমি ঢাকায় ট্রেনিংয়ে আছি। মাথিউরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কে হবে সেটি নির্ধারণ করবেন সিলেটের জেলা প্রশাসক। আলতাফ হোসেন মেম্বার চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসলে সেটি আইনগতভাবে অবৈধ। কেউ অভিযোগ করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  তিনি আরও বলেন, প্যানেল চেয়ারম্যানদের মধ্যে একজনের বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ আছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ কালবেলাকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। এর আগে, গত ১৯ মে স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমান উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হওয়ায় সিলেটের জেলা প্রশাসক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ক্ষমতা প্রদান করবেন।  
পুলিশের গাড়ি দেখে পালাতে গিয়ে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পুলিশের গাড়ি দেখে দৌড়ে পালাতে গিয়ে যুবলীগ নেতা ফজল উদ্দিন ইমন (৪৫) মারা গেছেন। বুধবার (২১ মে) ভোর রাতে লাখাই উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ফজল উদ্দিন ইমন লাখাই উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে লাখাই থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে। তাদের গাড়ি তেঘরিয়া গ্রামে এলে গ্রেপ্তার এড়াতে ওই গ্রামের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা ফজল উদ্দিন ইমন দৌড়ে পালাতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর রাতে তিনি মারা যান। লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কাজী শামসুল আরেফিন মৃতের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, দৌড়াতে গিয়ে যুবলীগ নেতা ইমন বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। আমরা তাকে কেবল মৃত ঘোষণা করেছি। লাখাই থানার ওসি মো. বন্দে আলী জানান, যুবলীগ নেতা ফজল উদ্দিন ইমনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। পুলিশ তাকে ধরতে কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি। পুলিশের গাড়ি দেখে তিনি মনের ভয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ তাকে ধাওয়া করেনি। শুনেছি তিনি হাসপাতালে মারা গেছেন।
সাদা পাথর লুটপাটে জড়িত ১৪ জনের কারাদণ্ড
সিলেটের কোম্পানিগঞ্জের সাদা পাথর পর্যটন স্পট বাঙ্কার এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাথর লুটপাটে জড়িত ১৪ জনকে দুবছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৬০টি নৌকা ভেঙে পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ মে) দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন নাহারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি ও আরএনবি সদস্যদের সমন্বয়ে টাস্কফোর্সের অভিযান চালানো হয়। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পিজুস কুমার দাস, রিপন মিয়া, মো. মুসা মিয়া, আরিফ মিয়া, মো. মোবারক হোসেন, হযরত আলী, মো. রাসেল মিয়া, মো. জসিম মিয়া, সামছুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম, আলী হোসেন, রাজিব হোসেন, ফয়সল আহমদ ও দেলোয়ার হোসেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়ায় নৌকা দিয়ে সাদাপাথর লুটপাট করে দুর্বৃত্তরা। পাথর লুটপাটের একটি ভিডিও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুপুর ১২টার দিকে প্রশাসনের টাস্কফোর্স অভিযান চালায়। অভিযানে পাথরবোঝাই ইঞ্জিনচালিত বারকি  ৬০টি নৌকা ধ্বংস করা হয়। পাথর লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৪ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযানে অংশগ্রহণকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, সামনে থাকা সাদা পাথরবোঝাই ট্রাক ও স্তূপ করা পাথর জব্দ করার কথা বললেও ইউএনও আগ্রহ দেখাননি। শুধু নৌকায় অভিযান দিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। কিন্তু নদীর পাড়ঘেঁষা হাজার হাজার ঘনফুট পাথর স্তূপ করে রাখা থাকলেও সেগুলো জব্দ করা হয়নি। এ ছাড়া অভিযানের সামনে পাথরবোঝাই ট্রাক থাকলেও সেগুলো আটক করা হয়নি কোনো এক অজানা কারণে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান বলেন, অভিযানের জন্য ইউএনও সকালে আমার কাছে ফোর্স চেয়েছেন আমি দিয়েছি। বিকেলে আরও ফোর্স পাঠানোর জন্য ফোন করে বলেছিলেন। কিন্তু কিছু সময় পর অভিযান শেষ হওয়ায় আর ফোর্স পাঠানো হয়নি। তবে কী জন্য আরও ফোর্স চেয়েছেন তা আর বলেননি। পাথরবোঝাই ট্রাক আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউএনও আমাকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুন নাহার বলেন, সাদাপাথর লুটপাটের বিরুদ্ধে অভিযানে জড়িত ১৪ জনকে আটক করে দুবছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাথর লুটে ব্যবহৃত নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে নদীর তীরে থাকা পাথরবোঝাই গাড়িগুলো ধরতে ওসিকে বলা হয়েছে।
কাজে আসছে না কোটি টাকার ‘লাইটনিং এরেস্টার’
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের ডেমিকান্দি গ্রামের বাসিন্দা তজম আলী মিয়ার পুত্র সাজু মিয়া (২০)। গত ১১ মে বিকেলে বাড়ির পাশে গোসল করার সময় বজ্রপাতে মারা যান তিনি। তজম আলী মিয়া জানান, সাজু বাড়ির পেছনে গোসল সেরে আসার সময় বজ্রপাত শুরু হয়। তখন সে বজ্রপাতের কবলে পড়ে।  শুধু সাজু মিয়াই নন গত পাঁচ বছরে হাওরে ধানকাটা, বাড়ির পাশে জমিতে কাজ করা, পুকুরে মাছ ধরাসহ বিভিন্ন কাজে থাকাকালীন বজ্রপাতে আজমিরীগঞ্জ উপজেলাসহ জেলায় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮১ জন। এদের মধ্যে ৫৫ জনই কৃষক আর সাধারণ কেটে খাওয়া মানুষ।  এ অবস্থায় উপজেলার হাওর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ জীবিকার তাগিদে হাওর, নদী ও হাওরের বিভিন্নস্থানে যেতেই এখন ভয় পাচ্ছেন।  বজ্রপাত থেকে সুরক্ষায় ২০২১-২২ অর্থবছরে হবিগঞ্জ জেলাসহ সারা দেশের ১৫ জেলায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৩৫টি ‘লাইটনিং এরেস্টার’ (বজ্র নিরোধক যন্ত্র) স্থাপন করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর মন্ত্রণালয়। জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, উক্ত প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভা ও পাঁচটি ইউনিয়নে একটি করে মোট ছয়টি, জেলার বানিয়াচংয়ে সাতটি, নবীগঞ্জে ছয়টি, বাহুবলে দুটি, হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় তিনটি, লাখাইয়ে তিনটি, চুনারুঘাটে দুটি, শায়েস্তাগঞ্জে দুটি এবং মাধবপুরে দুটিসহ ৯ উপজেলায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে বসানো হয় ৩৩টি বজ্রনিরোধক দণ্ড।  কিন্তু যেসব জায়গায় এই এরেস্টার বসানো হয়েছে, তা নিয়ে শুরু থেকেই ছিল নানা বিতর্ক। তবে অনেকেই তৎকালীন সময়ে ভয়ে মুখ খোলেননি।  আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, লাইটনিং এরেস্টারগুলো বজ্রনিরোধ করে কিনা সেটি তারা সঠিক  জানেন না।  সরেজমিনে উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের পুকুর পাড়ে একটি, শিবপাশা ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন একটি, জলসুখা বাজারে একটি, কাকাইলছেও বাজারে একটি, সদর ইউনিয়নের পাঁচ ক্ষেরের পতিতে একটিসহ মোট ছয়টি লাইটনিং এরেস্টার বসানো রয়েছে।  এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, এগুলো আসলে কোনো কাজ করে কিনা সেটি আসলে কারোরই জানা নেই।  কাকাইলছেও ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান বলেন, বজ্রনিরোধের জন্য কয়েক বছর আগে বাজারের পাশে এটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু আদৌ এটি কোনো কাজ করে কিনা সেটি আসলে কেউই জানে না। মাস তিনেক আগে মালবাহী গাড়ির ধাক্কায় এটি ভেঙে যায়। এখন পর্যন্ত এটি ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। শিবপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা কাওছার মিয়া জানান, গত মাসে হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে দুই ধানকাটার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এগুলো যদি সঠিক জায়গায় বসানো হতো আর কাজ করত তবে এত প্রাণহানি ঘটত না।  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুবোধ মণ্ডল বলেন, এগুলো আসলে সচল কিনা সেটি আমাদের জানা নেই। এগুলো টেকনিক্যাল বিষয়। এ বিষয়ে পরীক্ষা করা ছাড়া বলা সম্ভব না।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিবিড় রঞ্জন তালুকদার কালবেলাকে বলেন, এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। খুব শিগগিরই হাওরে বজ্রপাত নিরোধ শেল্টার সেন্টার নির্মাণ করা হবে।
এক কাপ চা ২০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১৭০
চা বাগানের শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছেই না। সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু তাদের জীবনের অনিশ্চয়তা কাটেনি। বাসস্থান, চিকিৎসা ও সুপেয় পানির অভাব তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি এখনো মাত্র ১৭০ টাকা। নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য বারবার আন্দোলন করেও তারা আজও ন্যায্য অধিকার পাননি। কিন্তু সিলেটের নামি দামি রেস্টুরেন্টে এক কাপ চায়ের দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। সিলেটের ফুটপাতের চা স্টলগুলোতেও ২০ টাকার কমে এক কাপ চা পাওয়া যায় না। শ্রমিকরা কালবেলাকে জানান, বছরের পর বছর এই বাগানে কাজ করলেও ভূমির অধিকার থেকে আজও বঞ্চিত। এই অধিকার দিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তারা। ন্যায্য মজুরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, সুপেয় জল, স্যানিটেশনসহ কোনো কিছুরই সুবিধা পান না তারা। এক চা শ্রমিক হয়ে পাহাড়ের কোলে জন্ম নেওয়াটাই যেন তাদের ‘অপরাধ’। ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হয় চা শ্রমিকদের। কাঠফাটা রোদ আর বৃষ্টিতে ভিজে দিনভর সংগ্রহ করতে হয় চা পাতা। দুপুরে এক ফাঁকে চা পাতার চাটনি মেখে খান ভাত, কখনো সঙ্গে থাকে মুড়ি কিংবা ভাজা চাল- এভাবেই কাটে চা শ্রমিকের জীবন। খালি পায়ে, জোঁক আর বিষাক্ত সাপের সঙ্গে যুদ্ধ করে চা বাগানকে আঁকড়ে জীবন পার করেন তারা।  সবুজ কুঁড়িবেষ্টিত চা বাগানের সীমানাতেই আটকে আছে তাদের জীবন। বংশ পরম্পরায় যে জমিতে চা শ্রমিকরা বসবাস করেন, সেই জমিতে কখনোই মেলে না অধিকার। তাই মাথা গোঁজার আশ্রয়টুকু ধরে রাখতে হলে পরিবারের কাউকে না কাউকে বাগানে কাজ করতেই হয়। দিনশেষে ২৩ কেজি পাতা তুললেই তবে পূরণ হয় মাথাপিছু লক্ষ্যমাত্রা। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেই তবে ‘হাজিরা’ হিসেবে গণ্য করা হয়। গাছ ছাঁটার সময় সারা দিনে অন্তত ২৫০টা চা গাছ ছাঁটতে হয়। কীটনাশক ছিঁটানোর বেলায় সারা দিনে কমপক্ষে ১ একর জমিতে কীটনাশক ছিটানোর লক্ষ্যমাত্রার বোঝা কাঁধে নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের। চা বাগানের মালিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হলেও শ্রমিকদরে কোনো উন্নয়ন হয় না। ২০২৩ সালের আগস্টে তৎকালীন সরকারের সময় তাদের দৈনিক মজুরি ৫০ টাকা বাড়ে। ফলে তাদের দৈনিক মজুরি দাঁড়ায় ১৭০ টাকায়। মজুরি নির্ধারণ নিয়ে যখন চা শ্রমিকদের আন্দোলন তুঙ্গে, তখন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। বিশদ আলোচনার পর সরকার ৫০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয়। এর আগে স্থানীয় প্রশাসন ও শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের চা শ্রমিক নেতাদের বৈঠকের পর ২৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা দৈনিক মজুরি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু শ্রমিকদের একটি অংশ তাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও বেশিরভাগ শ্রমিক তাতে রাজি হননি। পরে ৫০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসে সরকারের কাছ থেকে। সর্বশেষ ২০২০ সালে যখন চা শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বাগান মালিকদের সংগঠন চা সংসদ মজুরি নিয়ে চুক্তি করেছিল, সে সময় মজুরি বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। সিলেটের মালনীছড়া বাগানের চা শ্রমিক রিপন বুনার্জি বলেন, আমরা অনেক কষ্টে থাকি, যা টাকা পাই সেটা দিয়ে কোনোমতে দিন পার করি। সেটাও মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমাদের না খেয়ে থাকতে হয়। চা বাগানগুলোতে নেই কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির পরিবর্তে এখনো তারা অতিপ্রাকৃত শক্তির ওপর নির্ভর চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এ কারণে অপুষ্টির শিকার হয় শিশুরা। চা বাগানগুলোতে এখনো প্রায় ৬০ ভাগ নারী শ্রমিক কাজ করেন। তাদের মাতৃত্বকালীন চিকিৎসা ও ছুটিও ঠিকমতো দেওয়া হয় না। এ ছাড়া সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী সব চা বাগানে স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেটের অনেক চা বাগানে শিক্ষার আলো ছড়ানোর ব্যবস্থা নেই। যা আছে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংস্থার (আইএলও) বিধান অনুযায়ী, ৮ ঘণ্টা শ্রমের নিয়ম থাকলেও চা শ্রমিকদের কোনো শ্রমঘণ্টা নেই। লাক্কাতুরা চা বাগানের শ্রমিক রুলী বলেন, সকাল ৬টা থেকে বিকেল পর্যন্ত চা পাতা তুলতে হয় আমাদের। পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায় না, বাথরুম নেই। অসুখ হলেও টাকার অভাবে ডাক্তার দেখাতে পারি না। এরপরও আমাদের বেতন বৃদ্ধি হয় না, ঠিকমতো রেশন-ভাতা পাই না। আমাদের বেতন বাড়ানোর দাবি জানাই সরকারে কাছে। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সিলেট ভ্যালির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু গোয়ালা কালবেলাকে বলেন, শ্রমিকরা বাগানগুলোতে যেভাবে পরিশ্রম করেন সেভাবে বেতন-ভাতা পান না। আন্দোলন করে করে আমাদের এই জায়গায় আসতে হয়েছে। এখনো অসঙ্গতি রয়ে গছে। বাজার মূল্যের সঙ্গে মিল রেখে মজুরি নির্ধারণের জন্য তিনি সরকারের প্রতি দাবি জানান। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, চা শ্রমিকরা এ দেশে মানবেতর জীবনযাপন করে থাকেন। তারা যেখানে কাজ করেন সেখানকার ভূমিতে তাদের অধিকার নেই। শ্রমিকদের ব্যবহার করে মালিকপক্ষ ঠিকই লাভবান হচ্ছেন। চা শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। প্রসঙ্গত, ১৮৫৪ সালে ভারতবর্ষের বাংলাদেশ অংশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে। বাংলাদেশ চা উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, দেশে চা বাগান রয়েছে ১৬৭টি। এর বড় অংশটি সিলেট, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার এলাকায় অবস্থিত। এসব বাগানে এক লাখ ৪০ হাজারের মতো শ্রমিক রয়েছেন।
আরও