ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE
ঈদে হাট কাঁপাতে আসছে ‘লালু সর্দার’ ও ‘কালিয়া’
ঈদে হাট কাঁপাতে আসছে ‘লালু সর্দার’ ও ‘কালিয়া’
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে দুটি ব্যতিক্রমী কোরবানির ষাঁড়—‘লালু সর্দার’ ও ‘কালিয়া’। বিশাল আকৃতি, স্বাস্থ্যবান গঠন এবং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালিত হওয়ায় ইতোমধ্যেই এই ষাঁড় দুটির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় হাটবাজার থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই দুটি ষাঁড় লালনপালন করছে নিশ্চিন্তপুর গ্রামে খামার ‘এম এইচ বি এম এগ্রো’, যার কর্ণধার মেহেদী হাসান বাবু মিয়াজী। তিনি জানান, কোনো প্রকার কৃত্রিম হরমোন বা ওষুধ ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে এবং প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে পশুগুলোর পরিচর্যা করা হয়েছে। গরুগুলোর প্রতি রয়েছে সন্তানের মতো ভালোবাসা। খামারে প্রতিটি গরুর দেখভাল করা হয় নিবিড়ভাবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সম্পূর্ণ মানবিক পদ্ধতিতে। লাল
মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণার ফাঁদ, অতঃপর
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণার ফাঁদ, অতঃপর
‘যারা আজ সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত, তারাই মাকে দূরে রাখতে চায়’
‘যারা আজ সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত, তারাই মাকে দূরে রাখতে চায়’
চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতার পদত্যাগ
চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতার পদত্যাগ
পতেঙ্গা সৈকতে গোলাগুলি, ঢাকাইয়া আকবরসহ গুলিবিদ্ধ ২
পতেঙ্গা সৈকতে গোলাগুলি, ঢাকাইয়া আকবরসহ গুলিবিদ্ধ ২
কারাবন্দি সোহাগের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
কারাবন্দি সোহাগের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
কাপ্তাই হ্রদে পানির অভাব, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপর্যয়
রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার। ষাটের দশকে দেশের একমাত্র পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এ জলাধারের সৃষ্টি।  এই হ্রদ রাঙামাটির পরিবেশ, সমাজ ও অর্থনীতির চালিকাশক্তি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে পানি হ্রাস পাওয়ায় তা হয়ে উঠেছে দুর্ভোগের উৎস। পাহাড়ি অঞ্চলের জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী, কৃষক, পরিবহনকর্মী এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী- সবাই এখন এই সংকটের সরাসরি ভুক্তভোগী। বৃষ্টির অভাবে হ্রদে পানির স্তর দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হ্রদনির্ভর যাতায়াত প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। কাপ্তাই উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, জেটিঘাট বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পানি কমে যাওয়ায় ইঞ্জিনচালিত বোটগুলো স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছে না। ভাড়া বেড়েছে কয়েকগুণ। স্থানীয় বোটচালক মো. সোহেল জানান, ‘অনেক জায়গায় বোট আটকে যাচ্ছে, ঠেলে নিয়ে যেতে হয়। বড় বোট যেতে পারছে না, তাই ছোট বোটে চলাফেরা করতে হয়। এতে আমাদের কষ্ট হয়, আর যাত্রীদেরও অনেক ভোগান্তি হয়।’ তার সঙ্গে একমত রতন দাশ। তিনি বলেন, ‘পানি যেভাবে কমছে, তাতে অনেক পাহাড়ি জায়গায় যাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব। কাপ্তাই হ্রদের নিচে কাদায় বোট বসে যাচ্ছে, ঠেলা না দিলে চলে না। এ অবস্থা আগে হতো না।’ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহারকারী আয়েশা বেগম, চিংনু মারমা এবং সুব্রত বড়ুয়া বলেন, ‘এই দুর্ভোগ প্রতি বছর হয়। সরকার শুধু আশ্বাস দেয়, বাস্তবে কিছুই করে না। ড্রেজিংয়ের কথা বহুবার শুনেছি, কিন্তু কাজ এখনো শুরু হয়নি।’ কাপ্তাই জেটিঘাট বাজার তিন পার্বত্য জেলার বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু পানির অভাবে নৌপথে ফসল ও সরঞ্জাম পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাজার কার্যত অচল। আগের মতো এখন আর পাহাড়ি অঞ্চল থেকে মৌসুমি ফল, কাঁচামাল ও কৃষিপণ্য আসছে না। ফলে চাষিরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবীরাও। মো. আকবর নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে দিনে ৪-৫টি ট্রিপে মাল আনতাম। এখন সপ্তাহে একটা ট্রিপও হয় না। পাহাড় থেকে ফসল আসে না, কাজ নেই। আয় একেবারে কমে গেছে।’ রহমত আলী বলেন, ‘পানি কম, বোট চলে না। ফলে চাষিরাও আর আসতে চান না। তারা বলেন, বোট ভাড়া বেশি, লাভ হয় না। আমরাও কাজ না পেয়ে বসে থাকি।’ হারাধন দাশ বলেন, ‘ছোট বোটে সামান্য মাল আনা যায়, তা বিক্রি করে ফায়দা পাওয়া যায় না। সবকিছু মিলে শ্রমিকদের দুর্দশা বাড়ছে।’ বিদ্যুৎ উৎপাদনে চরম বিপর্যয় : দেশের একমাত্র পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদের পানির সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যর্থ। পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে মাত্র একটি সচল। বিদ্যুৎ উৎপাদন নেমে এসেছে দৈনিক ৩৫-৪০ মেগাওয়াটে, যেখানে পূর্ণ সক্ষমতায় এটি উৎপাদন করতে পারে ২২০-২৪০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ‘পানির উচ্চতা না বাড়লে বাকি ইউনিটগুলো চালু করা সম্ভব নয়।’ ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব সারা দেশে পড়ছে। চট্টগ্রামের পানিতেও প্রভাব : বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর কাপ্তাই হ্রদের পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হয় এবং এই নদীর পানি শোধন করে চট্টগ্রাম ওয়াসা নগরবাসীর জন্য সরবরাহ করে। নদীর প্রবাহ কমে গেলে লবণাক্ততা বাড়ে। ফলে পরিশোধিত পানির গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এভাবেই কাপ্তাই হ্রদের পানির স্বল্পতা চট্টগ্রামের প্রায় অর্ধকোটি মানুষের পানীয়জল ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে। পলিমাটিতে হারিয়ে যাচ্ছে গভীরতা : স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, হ্রদের কিছু অংশে দীর্ঘদিনের পলি জমে গভীরতা কমে গেছে। ফলে হ্রদ এখন তার পানি ধারণক্ষমতা হারাতে বসেছে। এই বিষয়ে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ কালবেলাকে বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে গেলে ৩-৪টি উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, আবার বেশি পানি হলে কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। এটি একটি স্ট্র্যাটেজিক সমস্যা। এর সমাধান ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব। এরই মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাজ চলছে। সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হয়েছে। আমরা আশাবাদী, কাজটি শিগগির শুরু হবে।’ সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কাপ্তাই হ্রদের আদর্শ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত হ্রদের পানি মাত্র ৭৬.৭৯ এমএসএল ছিল, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১৬.১১ এমএসএল কম। এই বিশাল ঘাটতি শুধু স্থানীয় জনগণ নয়, দেশের জ্বালানি ও জল সরবরাহ ব্যবস্থার জন্যও হুমকি। কাপ্তাই হ্রদের পানির এই সংকট শুধু একটি অঞ্চলের সমস্যা নয়, এটি জাতীয় পর্যায়ের একটি পরিবেশ, জ্বালানি ও অর্থনীতিনির্ভর সংকট। নৌপথ সচল রাখা, কৃষক ও শ্রমজীবীদের রক্ষা করা, বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা এবং চট্টগ্রামে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ, বিশেষ করে ড্রেজিং প্রকল্প বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
‘ষড়যন্ত্র করে জুলাই বিপ্লব ধ্বংস করা যাবে না’
‘জুলাইয়ের প্রেরণা দিতে হবে ঘোষণা, জুলাই বিপ্লব ধ্বংস করা যাবে না’ স্লোগানে মুখরিত চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লাহ মোড়। মিছিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, এনসিপি এবং ছাত্রফ্রন্টসহ সব সংগঠন অংশগ্রহণ করে। এছাড়া বিক্ষোভ মিছিলের অগ্রভাগে জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী নেতারা ছিলেন। শুক্রবার (২৩ মে) জুমার পর নগরীর আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদের সামনে থেকে জুলাই ঐক্যের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে জুলাই ঐক্য বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর আন্দরকিল্লাহ মোড় থেকে জামালখান মোড় প্রদক্ষিণ করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা খবর পাচ্ছি একটি পক্ষ নতুন বাংলাদেশ গড়ে ওঠার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এই সরকারের কাছে আমরা দাবি জানাই যে, নতুন বাংলাদেশ গড়ে ওঠার পথে ওই প্রতিবন্ধকতাকারী পক্ষটি চিহ্নিত করে মুখোশ উন্মোচন করা হোক। আজকের যে ঐক্য সেই ঐক্যকে ধরে রাখতে হবে, না হয় বাংলাদেশ আবারও ভুলপথে যাবে। বক্তারা দাবি করেন, গত দুই দিন যে ষড়যন্ত্র চলছে সেটি ভারতের। এই ষড়যন্ত্রকে কোনোভাবে মেনে নেওয়া হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে যেভাবে দেশ সংগঠিত হয়েছে সেই ঐক্য ধরে রেখে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। যে ভুল বুঝাবুঝি বিভিন্ন দলের সঙ্গে হয়েছে অর্থাৎ জুলাই ঐক্যের সমর্থনে যে দলগুলো রয়েছে তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে যে সমালোচনা হচ্ছে সেগুলো বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে যেতে দেব না। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ১৪০০ শহীদ এবং ২০ হাজার নেতা আহতের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ দুয়েক দিনের ষড়যন্ত্রে ভেঙে পড়তে পারে না।   বক্তারা বলেন, এখনো দৃশ্যমান বিচার হয়নি, সংস্কারও হয়নি। যারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তাদের আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই চট্টগ্রামে জুলাই ঐক্য জাগ্রত আছে। আমরা জানিয়ে দিতে চাই জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান বিচার ও দৃশ্যমান সংস্কার পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বরতরা যথাযথভাবে পালন করবেন। অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের। আমরা এখনো বিচার ও সংস্কারের গতি দেখিনি। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, সরকার যেন জুলাইয়ে আহত, শহীদদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে কাজ করে এবং দৃশ্যমান বিচার-সংস্কারের গতি দেখতে পাই। জুলাই নিয়ে যে ষড়যন্ত্র চলছে সে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা সজাগ আছি। যদি জুলাই স্পিডকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয় তাহলে আবার জুলাই নেমে আসবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন বলেন, আমাদের জুলাইয়ের ঘোষণাপত্রের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ঠিক তখনই দেশের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র ও ভারতীয় ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমাদের জুলাইয়ের সহযোদ্ধারা দেশে থাকবে। এই দেশে ভারতীয় কোনো প্রেসক্রিপশন এবং ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেব না। নির্দিষ্ট তারিখে আমাদের জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র ঘোষণা করতে হবে, অন্যথায় এর চাইতে কঠিন কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য হব। ভারতীয় আধিপত্য এখনো চলমান রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র এখনো চলমান রয়েছে। অনেক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসার জন্য ভারতীয় প্রেসক্রিপসন বাস্তবায়ন করতে চায়। কিন্তু আমরা জুলাইয়ের সহযোদ্ধারা থাকতে সেটি কখনো বাস্তবায়ন হবে না।
শিশুরাই শহর রক্ষার বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে : চসিক মেয়র
শিশুরা যদি পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা পায়, তাহলে তারাই শহর রক্ষার সবচেয়ে বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, একটি শিশু যখন তার মা-বাবাকে বলবে ময়লা রাস্তার বদলে ডাস্টবিনে ফেলতে, তখন সেই শিশু হবে আসল পরিবর্তনের দূত।  শুক্রবার (২৩ মে) চট্টগ্রাম কোর্টহিল আইনজীবী মিলনায়তন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হেলথ কার্ড বিডি বৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  ইমরানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর। উদ্বোধক ছিলেন লায়ন তালুকদার কামরুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম জনি, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম ও কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন। এ সময় মেয়র বলেন, ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি, হেলদি সিটি ও নিরাপদ সিটি গড়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো নাগরিকের সচেতনতার অভাব। আমরা যদি শিশুদের ক্লাস রুম লেভেল থেকেই স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষা দিতে পারি, তাহলে তারাই পরিবার ও সমাজকে বদলে দিতে পারবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে মেয়র বলেন, নগরে যেখানে-সেখানে ডাবের খোসা, প্লাস্টিক ও পানির বোতল ফেলে রাখা হয়। যেখানে বৃষ্টির পানি জমে, সেখানেই এডিস মশার প্রজনন হয়। আমাদের এ অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। তিন মাসে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার ড্রেন ও খাল পরিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, এসব খালে পাওয়া গেছে টিভির কাভার, পোশাক, ফ্রিজের অংশসহ নানা রকমের বর্জ্য। এসবের জন্যই খাল দ্রুত ভরে যায়।
পারকি সমুদ্রসৈকত, পরিকল্পনায় পার ৩০ বছর
সৈকতের বালু লুট, ঝাউগাছ কর্তন, মাটি বিক্রি ও মৎস্য ঘেরের নামে দখলদারিত্ব চলছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত চট্টগ্রামের আনোয়ারা পারকি সৈকত। কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হওয়ার পর দখলের মহোৎসব শুরু হয়েছে। প্রভাবশালীরা সৈকতের বাঁধ পর্যন্ত কেটে নিয়েছে।  বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বাড়তি ৪৯ কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করছে নতুন কংক্রিটের বাঁধ। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন পারকিকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করে নানা পরিকল্পনা ও বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু ৩০ বছরেও সরকার কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেনি। উল্টো সৈকতে চলছে প্রভাবশালীদের দখল-বাণিজ্য।  সম্প্রতি সরেজমিনে সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, সৈকতের প্রবেশমুখে বেড়িবাঁধ ঘেঁষে এক্সক্যাভেটর দিয়ে চলছে খনন কাজ। সৈকতের ঝাউগাছগুলো অধিকাংশই কেটে নিয়ে গেছে। মৎস্য ঘেরের নামে সৈকতের উত্তর পাশে মাটি কেটে নিয়ে পুকুর বানিয়ে ফেলেছে। সৈকতের উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তজুড়ে দখলের মহোৎসব। জানা যায়, আনোয়ারা উপকূলকে রক্ষা করার জন্য বন বিভাগ ১৯৯৩-৯৪ সালে প্রায় ৮০ হেক্টর জায়গায় ঝাউগাছ রোপণ করে। আর্কিটেকচারাল পদ্ধতিতে লাগানো এ গাছ বড় হয়ে উঠলে পরে পারকি পর্যটন এলাকা হিসেবে রূপ লাভ করে। পারকির ঝাউবনে বসে একসঙ্গে বহির্নোঙরের জাহাজ সারির আসা-যাওয়া ও সৈকতের লাল কাঁকড়ার বিচরণ উপভোগ করা যায়। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত কর্ণফুলী টানেল পারকির আকর্ষণ বাড়িয়েছে বহুগুণ। সৈকতের কোলজুড়ে গড়ে উঠেছে টানেল সার্ভিস এরিয়া নামে আধুনিক ভবন ও বিনোদন কেন্দ্র। এতে ভিআইপি হোটেল, মিলনায়তন ও বিনোদন কেন্দ্রসহ অত্যাধুনিক সব ব্যবস্থা রয়েছে। চট্টগ্রাম শহর থেকে টানেল হয়ে মাত্র তিন মিনিটে সৈকতে আসা যায় বলে পর্যটকদের কাছে এর গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেছে। সরকার ও পর্যটন করপোরেশন পারকি সৈকতকে আধুনিক পর্যটন এলাকায় পরিণত করতে ৩০ বছর ধরে পরিকল্পনার শেষ রাখেনি। পর্যটন করপোরেশন ও পাউবোর বরাদ্দও থেমে নেই। কিন্তু এসব পরিকল্পনা ও বরাদ্দে পারকি সৈকতে উন্নয়নের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি। বরং দখল করে সৈকত প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন প্রভাবশালীরা। রাত হলেই চলে সৈকতের বালু উত্তোলন, খাসজমির মাটি খননে ডাম্প ট্রাক আর এক্সক্যাভেটরের ঘড়ঘড় শব্দ। সৈকতের বেড়িবাঁধ ফুলতলী মৌজার ৫২৯ দাগে প্রায় সাড়ে ১০ একর জায়গাজুড়ে পানি চলাচলের জন্য একটি জলাধার ছিল। এ জলাধারটি ফুলতলী থেকে পারকি খালে এসে মিলিত হয়। এ জায়গার মালিকানা পাউবোর। কিন্তু ভূমি কার্যালয়ের খাতায় জলাধার থাকলেও সরেজমিন এর কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। জলাধারের জমিতে এখন গড়ে উঠেছে প্রভাবশালীদের মৎস্য ঘের আর বিনোদন কেন্দ্র। সৈকতের রিংবাঁধ কেটে মৎস্য ঘেরের পানিপ্রবাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে করে সৈকতের বালু ও ঝাউগাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে পারকি সৈকত। এজন্য পাউবোকে নতুন করে ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ফুলতলী মৌজায় তিন হাজার ৮৮৩ একর খাসজমির মধ্যে পারকি সমুদ্রসৈকত ট্যুরিজম জোন গড়ে তোলার কাজ চলছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সৈকত এলাকায় ১৩ দশমিক ৩৩ একর জায়গায় ৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পারকি পর্যটন কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৬ বছরে দুইবার মেয়াদ আর বরাদ্দ বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ কাজও শেষ করতে পারেনি পর্যটন করপোরেশন। কাজ যতটুকু শেষ হয়েছে, তা-ও নিম্নমানের। এরই মধ্যে সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। নির্মাণকাজে অনিয়মের খবরে পর্যটনমন্ত্রী থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা পরিদর্শনে এলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; কাজের অগ্রগতিও বাড়েনি।  গত ১৫ মে উপজেলা মিলনায়তনে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকতে ট্যুরিজমের সম্ভাবনা নিয়ে কনসালটেশন সভায় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান জানান, পারকি সমুদ্রসৈকত অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা। কর্ণফুলী টানেল, টানেল সার্ভিস এরিয়া, বিভিন্ন কল-কারখানাসহ এখানে পর্যটনের জন্য যেসব উপকরণ রয়েছে, তাতে বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। ইকো ট্যুরিজম ও কৃষিভিত্তিক ট্যুরিজমেরও সুযোগ রয়েছে এখানে।  দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেন, পারকি সৈকত চট্টগ্রামকে পর্যটন নগরে রূপ দিয়েছে। দখলদারিত্ব ও ভূমিদস্যুদের দমন করতে না পারলে সৈকতের সৌন্দর্য হারিয়ে যাবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা দরকার। পাউবো চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলে, অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। পারকি সৈকত রক্ষায় সৈকত ঘেঁষে ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পাথরের বাঁধ নির্মাণকাজ চলছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে পারকির ঝাউগাছসহ সৈকত অনেকটা নিরাপদ হবে। আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার কালবেলাকে বলেন, পারকি সৈকত পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভাবনাময় এলাকা। সরকারের গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে পারকি দেশসেরা পর্যটন নগরীতে পরিণত হবে। এ সৈকত রক্ষায় সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান ইউএনও।
বৃষ্টির সময় টিনের ঘর বিদ্যুতায়িত হয়ে ২ জনের মৃত্যু
চাঁদপুর শহরের পুরান বাজার এলাকায় বৃষ্টির সময় টিনের ঘর বিদ্যুতায়িত হয়ে ২ জন মারা গেছেন। শুক্রবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পশ্চিম জাফরাবাদ গ্রামের ঢালী বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. মন্টু ঢালী (৭০) ওই বাড়ির মৃত আব্দল ঢালীর ছেলে ও মো. আনোয়ার হোসেন খান (৫৫) একই এলাকার খান বাড়ির আমিন খানের ছেলে।   নিহত মন্টু ঢালীর ছেলে আল আমিন ও তার স্ত্রী ফাহিমা বেগম জানান, বৃষ্টির সময় বসতঘর বিদ্যুতায়িত হয়েছিল। ওই সময় আনোয়ার খান কথাবার্তা শেষ করে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ঘরের বেড়ার টিনের মধ্যে হাত দিলে বিদ্যুতায়িত হন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে মন্টু ঢালীও বিদ্যুতায়িত হন। পরে দুজনকেই আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিবুল আহসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন। এদিকে খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহসীন আলম উভয় মরদেহের সুরতহাল তৈরি করেন। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, এই ঘটনায় নিহত দুই পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। থানায় দুটি পৃথক অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। স্বজনরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (এডিএম) কাছে আবেদন করায় মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জুমার নামাজের সময় গৃহবধূকে বেঁধে স্বর্ণালংকার লুট, নারীসহ আটক ২ 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জুমার নামাজের সময় পুরুষশূন্য বাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূকে বেঁধে স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে। পালানোর সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন এক যুবক ও তরুণী।  শুক্রবার (২৩ মে) পৌর এলাকার নারায়ণপুর গ্রামের জয়নাল মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।  আটকরা হলেন- কসবা উপজেলার আব্দুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম শাহীন (২৪) এবং তার স্ত্রী পরিচয়দানকারী সুমাইয়া (১৮)। তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আখাউড়া পৌরশহরের কলেজপাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুমার নামাজের সময় অধিকাংশ পুরুষ মসজিদে থাকায় এক তরুণী পানি চাওয়ার অজুহাতে জয়নাল মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করেন। তিনি ভেতরে অবস্থান নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার সঙ্গে থাকা যুবক ঘরে ঢুকে পড়েন। তখন ঘরে কেবল গৃহবধূ ছিলেন। ওই যুবক সঙ্গে থাকা দড়ি দিয়ে গৃহবধূকে বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে দেন। তার হাতে গ্লাভস ও দুটি ধারালো অস্ত্র ছিল। এরপর তারা ঘরের স্বর্ণালংকার লুট করে পালানোর চেষ্টা করেন। এদিকে গৃহবধূ কোনোভাবে নিজেকে মুক্ত করে রাস্তায় বের হয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে অভিযুক্ত দুজনকে ধরে ফেলেন। পরে তাদের আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। বাড়ির মালিক জয়নাল মিয়া জানান, জুমার নামাজে সবাই মসজিদে ছিলাম। এই সুযোগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তারা বাড়িতে ঢুকে স্বর্ণালংকার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। আমার স্ত্রী চিৎকার করলে স্থানীয়রা এসে তাদের আটক করে। কিছু মালামাল উদ্ধার হলেও অনেক কিছু এখনো পাওয়া যায়নি। আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  
দেশে ফিরেই বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা
আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ গিয়াস উদ্দিন। শুক্রবার (২৩ মে) ভোর ৫টায় আমেরিকা থেকে স্ত্রীসহ ফেরার পথে মিরসরাই থানায় করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার গিয়াস মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন।  গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী তাহমিনা গিয়াস জানান, দীর্ঘদিন আমেরিকায় থাকার পর তারা দেশে ফিরছিলেন। বিমান থেকে নামার পরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে মিরসরাই থানায় খবর দেয়। মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, মিরসরাই উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিনকে শুক্রবার ভোরে বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করেছে। ওইখান থেকে নিয়ে আসার জন্য পুলিশের একটি টিম ঢাকা রওনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।
আরও