
উত্তরা ইউনিভার্সিটি ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে ফর ইনোভেশন-উরিতে (World University Rankings for Innovation-WURI) আবারও ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ৬৪ ধাপ এগিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯৩তম স্থান অর্জন করেছে।
২০২৫ সালের উরি র্যাংকিংয়ে যেখানে উত্তরা ইউনিভার্সিটির অবস্থান ছিল ২৫৭তম, সেখান থেকে এই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশ্বিক শীর্ষ ২০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এরই মধ্য দিয়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটি বিশ্বের অন্যতম উদ্ভাবনী ও দ্রুত অগ্রসরমান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে পেরেছে।
২০২৪ সালের উরি র্যাংকিংয়ে উত্তরা ইউনিভার্সটি বিশ্বের শীর্ষ ৩০০ উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭৬তম স্থান অর্জন করে, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও উদ্ভাবনী উৎকর্ষতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রমাণ বহন করে। এর বাইরেও বিশ্ববিদ্যালয়টি উরি র্যাংকিংয়ে আরও একটা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে এবার।
উত্তরা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট সাপোর্ট অ্যান্ড এনগেজমেন্ট ক্যাটাগরিতে বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। উরি র্যাংকিংয়ে অসামান্য এই স্বীকৃতিই প্রমাণ করে, উত্তরা ইউনিভার্সিটি মূলত শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠান। এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমলূক এবং তাদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিবেদিত একটা সামগ্রিক ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, এই বিশেষ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বহু খ্যাতনামা ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও অতিক্রম করেছে। ফলে উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে একটা বিশ্বমানের ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বৈশ্বিক নেতৃত্বের আসনে বসার যে সুযোগ, সেটি তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অর্জন নিয়ে দারুণভাবে গর্বিত উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা। তিনি বলেন, ‘স্টুডেন্ট সাপোর্ট অ্যান্ড এনগেজমেন্ট’ ক্যাটাগরিতে বিশ্বসেরা হওয়া, একইসঙ্গে ৬৪ ধাপ এগিয়ে যাওয়া এবং বিশ্ব র্যাংকিংয়ে সেরা ২০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতর স্থান পাওয়া উত্তরা ইউনিভার্সিটি পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষের সম্মিলিত চেষ্টা, আন্তরিক শ্রম আর নিষ্ঠার ফলাফল। আমরা বরাবরই শিক্ষার্থীদেরকে আমাদের সকল কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছি। তাদেরকে সামনে রেখেই আমরা একটা রূপান্তরমলূক উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হতে চেয়েছি এবং পেরেছি। আমি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি যে, এই ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অঙ্গীকারই আমাদের মাত্র এক বছরে ৬৪ ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দিয়েছে।’
শুধু বই-খাতায় নয়, বরং বাস্তব জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে সক্ষম, এমন বিশ্বমানের প্রগতিশীল মানুষ তৈরিতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানান ড. ইয়াসমীন আরা লেখা।
উত্তরা ইউনিভার্সিটির ইন্সটিটিউশনাল র্যাংকিংয়ে সেল-আইআরসি (Institutional Ranking Cell-IRC) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি শীর্ষ ৪০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থাকলেও এবারের উরি র্যাংকিংয়ে এর ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির রূপান্তরমলূক অগ্রযাত্রার প্রতিফলন। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে উত্তরা ইউনিভার্সিটিকে একটা অগ্রগামী পথপ্রদর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।




