ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

রাজধানীতে আসছে কঠোর ট্রাফিক আইন, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক

  ০৩ মে ২০২৬, ১৬:৪২
ছবি : এআই জেনারেটেড

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নজরদারি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আরও কঠোর করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন আইন ভাঙলে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ বা স্থিরচিত্রের মাধ্যমে অটো নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির বা জরিমানা না দিলে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক সতর্কীকরণ গণবিজ্ঞপ্তিতে জারি করেছে সংস্থাটি। এতে এসব বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লালবাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো এবং বাঁ লেন দখলের মতো অপরাধগুলো ভিডিও বা স্থিরচিত্রের মাধ্যমে শনাক্ত করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকের ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।

নোটিশ প্রাপ্তির পর মালিক বা চালকদের ডিএমপি সদর দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে উপস্থিত হয়ে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

তবে নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কেউ হাজির না হন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির মতো পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

ডিএমপি সতর্ক করে বলেছে, এই প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মামলার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান না করতে। কোনো ব্যক্তি বা চক্র প্রতারণার উদ্দেশ্যে টাকা দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সিগন্যাল ও ক্রসিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে ডিজিটাল মামলাপ্রক্রিয়া শুরু করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে নগরবাসীর কাছ থেকে সহযোগিতা কামনা করেছেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
বিশ্বে বায়ুদূষিত শহরের তালিকায় সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টায় শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকার নাম। একইসঙ্গে এ সময়ে বাতাসের মান ছিল ১৮৪। বায়ুর মান বিচারে এ মাত্রাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। বৈশ্বিক বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) লাইভ আপডেট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া একিউআই স্কোর ১৫৬ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান করছে ভারতের দিল্লি, ১৫৩ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয়। পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তানের লাহোর ও করাচি। তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। ঢাকায় এমন ভয়াবহ বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াবহ এই দূষণের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
ঢাকা মেডিকেলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢাবি) ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারের (ওসেক) পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।  নিহতের বয়স আনুমানিক ৮০ বছর এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আইয়ুব আলী বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বৃদ্ধকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরদেহের পরিচয় শনাক্তে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ঢাকা মেডিকেলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
হলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের নামে ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ডিএমডি গ্রেপ্তার
আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।  শনিবার (৯ মে) রাতে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হায়দার কবির মিথুন (৫৪) দক্ষিণখান এলাকার উত্তর ফায়দাবাদের বাসিন্দা। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। রোববার (১০ মে) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ মামলার তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড উত্তরখান এলাকায় ১০ কাঠা জমির ওপর একটি বহুতল ভবন নির্মাণের কথা বলে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির প্রলোভনে পড়ে বাদীসহ বিভিন্ন গ্রাহক উত্তরা সেক্টর-৪ এ অবস্থিত কোম্পানির অফিসে গিয়ে অর্থ বিনিয়োগ করেন। বাদী বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। এ ছাড়া তার এক বন্ধু আরও ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার পর কোম্পানি মানি রিসিট ও চেক দিলেও প্রতিশ্রুত জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। পরে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-স্টার হোটেল ও জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শিশির আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান। একই সঙ্গে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে পূর্ববর্তী আর্থিক লেনদেনের দায় অস্বীকার করা হয়। সিআইডির তদন্তে জানা যায়, হায়দার কবির মিথুন সরাসরি প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ও আত্মসাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মামলা দায়েরের পর তিনি আত্মগোপনে থেকে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ করে বিদেশে পালিয়ে যান। সিআইডি আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী ও উত্তরা এলাকায় একাধিক প্রতারণা মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। বর্তমানে তাকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে। মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিট। প্রতারণা চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
হলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের নামে ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ডিএমডি গ্রেপ্তার
কড়াইল বস্তি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর বনানী থানাধীন কড়াইল বস্তির বিটিসিএম কলোনির একটি টিনশেড বাসা থেকে মোছা. মারজিয়া খাতুন নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) রাতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনা সম্পর্কে বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ শেখ জানান, শনিবার বিকেলে কড়াইল বস্তির বিটিসিএম কলোনিতে আবুল খায়েরের টিনশেড দোতলা বাসা থেকে মারজিয়ার (৩১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিহতের স্বামী নয়ন সৌদি প্রবাসী। দুপুরে মোবাইল ফোনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারজিয়া নিজ কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিহতের ভাতিজা মো. রনি জানান, তার চাচি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। স্বামী বিদেশে থাকায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই কথা হতো। ঘটনার দিন মোবাইলে কথা-কাটাকাটির পর তিনি ঘরে গিয়ে ফাঁস দেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মারজিয়ার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার বেড়া থানার ঢালারচর এলাকায়। তিনি বাহাদুর মোল্লার মেয়ে। বর্তমানে বনানীর কড়াইল বস্তির বিটিসিএম কলোনিতে আবুল খায়েরের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
কড়াইল বস্তি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
উত্তরায় রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ির ধাক্কায় পোশাক শ্রমিক নিহত
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এয়ারপোর্ট এপিবিএন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী একটি গাড়ির ধাক্কায় মো. নুর আলম (৩২) নামে এক পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ভাই মো. কাসিম মিয়া জানান, নুর আলম একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে এপিবিএন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, নুর আলমের গ্রামের বাড়ি শিবচর উপজেলার মোল্লাকান্দি এলাকায়। তিনি ইরফান আলীর ছেলে। বর্তমানে উত্তরার এয়ারপোর্ট এলাকায় বসবাস করতেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
উত্তরায় রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ির ধাক্কায় পোশাক শ্রমিক নিহত
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
বিশ্বে বায়ুদূষিত শহরের তালিকায় সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টায় শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকার নাম। একইসঙ্গে এ সময়ে বাতাসের মান ছিল ১৮৪। বায়ুর মান বিচারে এ মাত্রাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। বৈশ্বিক বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) লাইভ আপডেট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া একিউআই স্কোর ১৫৬ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান করছে ভারতের দিল্লি, ১৫৩ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয়। পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তানের লাহোর ও করাচি। তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। ঢাকায় এমন ভয়াবহ বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াবহ এই দূষণের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
ঢাকা মেডিকেলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢাবি) ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারের (ওসেক) পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।  নিহতের বয়স আনুমানিক ৮০ বছর এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আইয়ুব আলী বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বৃদ্ধকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরদেহের পরিচয় শনাক্তে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
হলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের নামে ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ডিএমডি গ্রেপ্তার
হলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের নামে ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ডিএমডি গ্রেপ্তার
আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।  শনিবার (৯ মে) রাতে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হায়দার কবির মিথুন (৫৪) দক্ষিণখান এলাকার উত্তর ফায়দাবাদের বাসিন্দা। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। রোববার (১০ মে) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ মামলার তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড উত্তরখান এলাকায় ১০ কাঠা জমির ওপর একটি বহুতল ভবন নির্মাণের কথা বলে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির প্রলোভনে পড়ে বাদীসহ বিভিন্ন গ্রাহক উত্তরা সেক্টর-৪ এ অবস্থিত কোম্পানির অফিসে গিয়ে অর্থ বিনিয়োগ করেন। বাদী বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। এ ছাড়া তার এক বন্ধু আরও ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার পর কোম্পানি মানি রিসিট ও চেক দিলেও প্রতিশ্রুত জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। পরে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-স্টার হোটেল ও জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শিশির আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান। একই সঙ্গে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে পূর্ববর্তী আর্থিক লেনদেনের দায় অস্বীকার করা হয়। সিআইডির তদন্তে জানা যায়, হায়দার কবির মিথুন সরাসরি প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ও আত্মসাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মামলা দায়েরের পর তিনি আত্মগোপনে থেকে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ করে বিদেশে পালিয়ে যান। সিআইডি আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী ও উত্তরা এলাকায় একাধিক প্রতারণা মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। বর্তমানে তাকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে। মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিট। প্রতারণা চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
কড়াইল বস্তি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
কড়াইল বস্তি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর বনানী থানাধীন কড়াইল বস্তির বিটিসিএম কলোনির একটি টিনশেড বাসা থেকে মোছা. মারজিয়া খাতুন নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) রাতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনা সম্পর্কে বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ শেখ জানান, শনিবার বিকেলে কড়াইল বস্তির বিটিসিএম কলোনিতে আবুল খায়েরের টিনশেড দোতলা বাসা থেকে মারজিয়ার (৩১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিহতের স্বামী নয়ন সৌদি প্রবাসী। দুপুরে মোবাইল ফোনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারজিয়া নিজ কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিহতের ভাতিজা মো. রনি জানান, তার চাচি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। স্বামী বিদেশে থাকায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই কথা হতো। ঘটনার দিন মোবাইলে কথা-কাটাকাটির পর তিনি ঘরে গিয়ে ফাঁস দেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মারজিয়ার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার বেড়া থানার ঢালারচর এলাকায়। তিনি বাহাদুর মোল্লার মেয়ে। বর্তমানে বনানীর কড়াইল বস্তির বিটিসিএম কলোনিতে আবুল খায়েরের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।