কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ক্রিশ্চিয়ান বুয়েগার বলেছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধের ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট প্রতিরোধে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) তিনি আলজাজিরাকে এসব কথা বলেন।
ক্রিশ্চিয়ান বুয়েগার বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ইউরোপ একটি বড় জ্বালানি সরবরাহ সংকটের দিকে যাচ্ছে। পারমাণবিক প্রযুক্তিতে পুনঃবিনিয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকট নিরসনে ইরানের জন্য একমাত্র কার্যকর বিকল্প পথ হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। কারণ কোনো (বিভিন্ন দেশের) নৌবাহিনী এ অঞ্চলে চলাচলরত জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না। এ ছাড়া লোহিত সাগরে হুতিদের আক্রমণের শঙ্কা আছে।
ক্রিশ্চিয়ান বুয়েগার বলেন, ছোট পরিসরে জাহাজগুলোকে নৌবাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা দিতে পারে। কিন্তু যখন তারা প্রণালির ভেতরে এবং আশপাশে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্পিডবোটসহ বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য হুমকির মুখোমুখি হবে, তখন আর নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না।
তিনি আরও বলেন, যদি দ্রুত সংঘাতের অবসান না হয়, তবে জ্বালানি ও জাহাজ চলাচলের সংকট সপ্তাহ এবং মাস ধরে চলতে থাকবে। কারণ, আজ যদি হরমুজ প্রণালি খুলেও দেওয়া হয়, তবুও এর ভেতরে এবং আশপাশে যানজট থাকবে।


-1778455118-16678_1778455263.webp)

