ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

থমকে গেল ইসলামাবাদ শান্তি আলোচনা, কারণ জানাল ইরান

অরেঞ্জবিডি ডেস্ক

  ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৯
যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়েছে। তবে এ বৈঠকে কোনো সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ছেড়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ফলে আলোচনা এ পর্যায়ে থমকে গেছে। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী চাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

রোববার (১২ এপ্রিল) ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। ইরানি সূত্রের দাবি, মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব দাবির’ কারণেই সমঝোতা সম্ভব হয়নি।

গাজার উত্তরে এখনো খাবার যায়নি, আরও মৃত্যু ৭৬
ইসরায়েলি হামলায় শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় অন্তত ৭৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আল-জাজিরাকে স্থানীয় একটি চিকিৎসা সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। হামলা অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ছে। গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে এক পরিবারকে লক্ষ্য করে চালানো বোমাবর্ষণে প্রায় ৫০ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মজা করে বেসামরিক লোকজনকে হত্যা করছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, গাজার পরিস্থিতি এখন এই ‘নিষ্ঠুর সংঘর্ষের সবচেয়ে নিষ্ঠুর পর্যায়ে’ পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরা অভুক্ত থেকে মরছে, অথচ ইসরায়েল সাহায্য হিসেবে কেবল ‘এক চামচ ত্রাণ’ প্রবেশ করতে দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত অবরুদ্ধ উত্তর গাজায় কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৩ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৮২ জন। তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০-এর বেশি হতে পারে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ চাপা পড়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখের হামলায় প্রায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০ জনেরও বেশি মানুষ বন্দি হন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গাজার উত্তরে এখনো খাবার যায়নি, আরও মৃত্যু ৭৬
নির্বাচনের রাস্তায় আর নয়- ফের জানালেন এরদোয়ান
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ফের জানিয়ে দিলেন, তিনি আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে চান না।  বৃহস্পতিবার (২২ মে) হাঙ্গেরি সফর শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরদোয়ান স্পষ্টভাবে বলেন, আবার নির্বাচিত হওয়া বা প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই। দেশের সুনাম বৃদ্ধি করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। শুক্রবার (২৩ মে) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।  প্রসঙ্গত, প্রায় দুই যুগ ধরে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রিত্ব ও প্রেসিডেন্ট পদে আছেন এরদোয়ান। একাধারে ২৫ বছর দেশ পরিচালনার পর তার এমন ঘোষণা নতুন রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কেবল নির্বাচন প্রসঙ্গেই থেমে থাকেননি তিনি। দেশের সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও জোর দিয়ে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তুরস্ক বদলে যাচ্ছে, বিশ্ব বদলে যাচ্ছে। আমরা একটি নতুন যুগে বাস করছি। অভ্যুত্থানের সময় তৈরি এবং অভ্যুত্থানবাদী মানসিকতা ধারণ করা একটি সংবিধান দিয়ে তুরস্ক আর এগোতে পারবে না। বিরোধী দলগুলোকেও নতুন সংবিধান তৈরিতে সহায়তার আহ্বান জানান এরদোয়ান। তার ভাষায়, আমাদের এমন একটি সংবিধান দরকার, যা আসবে জনগণের কাছ থেকে, অভ্যুত্থানকারীদের কাছ থেকে নয়। এরদোয়ান ২০২৩ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ই বলেছিলেন, এটি তার শেষ নির্বাচন। যদিও তুর্কি সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আনা হলে তার জন্য আরেকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ রয়েছে। তবে এরদোয়ানের এই ঘোষণার বাস্তবতা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। কারণ, ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ বেড়েছে। বিশেষ করে ইস্তাম্বুলের মেয়র এবং সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী একরেম ইমামোগলুর গ্রেপ্তার ও তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ এরদোয়ানের ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে জনমনে সংশয় সৃষ্টি করেছে। নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিলেও, এরদোয়ানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এরদোয়ানের এই বার্তা হয়তো রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের চাপে ফেলতেই দেওয়া। এখন দেখার বিষয়, এই ঘোষণা আদৌ বাস্তবে রূপ নেয় কি না।
নির্বাচনের রাস্তায় আর নয়- ফের জানালেন এরদোয়ান
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ত্রাণ পাহারায় থাকা ৬ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণবাহী ট্রাক পাহারায় থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি।  ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতরা সবাই একটি নিরাপত্তা দলের সদস্য ছিলেন, যারা সীমিত পরিসরে আসা ত্রাণসামগ্রী লুটপাট থেকে রক্ষা করতে নিয়োজিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২২ মে) ইসরায়েলের সেনারা জানায়, কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে গাজায় প্রবেশ করেছে ১০৭টি ত্রাণবাহী ট্রাক, যাতে ছিল ময়দা, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি খাদ্যসামগ্রী। তবে বাস্তবে সেই ত্রাণ মানুষের কাছে পৌঁছানো এখনো বেশ কঠিন হয়ে আছে। হামাস বলছে, ইসরায়েলি অবরোধের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করাই যেখানে বিশাল চ্যালেঞ্জ, সেখানে নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফিলিস্তিনে ত্রাণ বিতরণে নিযুক্ত সংস্থাগুলোর জোট জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সোমবার থেকে ইসরায়েল অবরোধ কিছুটা শিথিল করে। এরপর থেকে মোট ১১৯টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। তবে লুটপাটের কারণে এসব ত্রাণ সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা যাচ্ছে না। কিছু লুটপাটকারীর হাতে অস্ত্র থাকায় পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে উঠেছে। সংস্থাগুলোর দাবি, লুটপাটকারীরা শিশু ও অনাহারে থাকা পরিবারগুলোর জন্য পাঠানো খাদ্যসামগ্রী ছিনিয়ে নিচ্ছে। তারা ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের টার্গেট করায় ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গাজার ভেতরে ৭৫টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করছে, তারা এখন পর্যন্ত ৩০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। তবে ত্রাণ সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বহু ট্রাক কেরেম শালোম সীমান্তেই আটকে আছে এবং ত্রাণ সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা ইসরায়েলের ত্রাণ অনুমতিকে আন্তর্জাতিক চাপ এড়ানোর প্রতারণামূলক কৌশল বলেও আখ্যা দিয়েছে। মার্চের শুরুতে হামাসের বিরুদ্ধে ‘ত্রাণ আত্মসাতের’ অভিযোগ এনে গাজায় অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল। যদিও হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বরং তাদের দাবি, বহু যোদ্ধা জীবন দিয়েছেন ত্রাণবাহী ট্রাকের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে। ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের সূচনা ঘটে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ওইদিন ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে গাজায় বন্দি করে নেওয়া হয় বলে দাবি করে তেলআবিব। এর জবাবে ইসরায়েল শুরু করে একতরফা সামরিক অভিযান। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলি অভিযানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৬০০। ত্রাণ সংস্থাগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, গাজার বিপুল জনগোষ্ঠী এখন খাদ্য, ওষুধ ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে। বহু শিশুর শরীরে দেখা যাচ্ছে চরম অপুষ্টির লক্ষণ। এই প্রেক্ষাপটে ত্রাণ পরিবহনে নিযুক্ত কর্মীদের ওপর হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। সহায়তা পৌঁছাতে অবরুদ্ধ গাজায় একটি ‘নিরাপদ ও কার্যকর মানবিক করিডর’ গঠনের দাবিও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ত্রাণ পাহারায় থাকা ৬ ফিলিস্তিনি নিহত
কবে ঈদুল আজহার চাঁদ দেখা যাবে জানাল আমিরাত
পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন মুসলিম জাহান। আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে  ঈদুল আজহা পালিত হয়। এ ঈদের চাঁদ দেখা যাবে কবে তা জানিয়েছে আরব আমিরাত।  শুক্রবার (২৩ মে) খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ইব্রাহিম আল জারওয়ান জ্যোতির্বিদ্যার হিসাবের ভিত্তিতে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছেন। তিনি জানান, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ২৮ মে বুধবার জিলহজ মাস শুরু হতে পারে। এ হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যে আগামী ৬ জুন শুক্রবার উদযাপিত হতে পারে ঈদুল আজহা। আল এমারাত আল ইয়াওম নামের আরবি সংবাদপত্রকে আল জারওয়ান বলেন, ২৭ মে মঙ্গলবার আমিরাতের স্থানীয় সকাল ৭টা ২ মিনিটে জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ উদিত হবে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ আকাশে থাকবে এবং প্রায় ৩৮ মিনিট দৃশ্যমান থাকবে। এ সময় চাঁদ দেখার জন্য যথেষ্ট।  তিনি জোর দিয়ে বলেন, চাঁদ দেখার মাধ্যমে ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইসলামি শরিয়ার নীতিমালার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই প্রদান করে থাকে।  এর আগে খালিজ টাইমস জানায়, কাতারে ছুটি শুরু হবে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ থেকে, যা ইসলামে আরাফাত দিবস হিসেবে পরিচিত এবং অন্যতম পবিত্র দিন হিসেবে বিবেচিত। যেহেতু ইসলামিক বর্ষপঞ্জি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, তাই এখনো কাতারে ঈদের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি। ঈদুল আজহা পালিত হয় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে। সে অনুযায়ী, কাতারে ঈদের সম্ভাব্য দিন হতে পারে ৬ জুন। ২৭ মে সন্ধ্যায় কাতারের চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠকে বসবে। ওইদিন চাঁদ দেখা গেলে ৬ জুন ঈদ হবে, আর যদি চাঁদ না দেখা যায়, তাহলে ঈদ উদযাপন হবে ৭ জুন।
কবে ঈদুল আজহার চাঁদ দেখা যাবে জানাল আমিরাত
অবশেষে গাজায় প্রবেশ করছে ত্রাণবাহী ট্রাক
টানা ১১ সপ্তাহের অবরোধের পর অবশেষে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করেছে মানবিক সহায়তা। বৃহস্পতিবার (২২ মে) জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পাঠানো ১০৭টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজার দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তের কেরেম শালোম ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করে। খবর বিবিসির। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর অধীনস্থ সংস্থা ‘কোগাট’ নিশ্চিত করেছে, এ ত্রাণগুলো গাজার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আমরা গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করছি। তবে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, এই ত্রাণ যেন কোনোভাবে হামাসের হাতে না পড়ে। ইসরায়েল বরাবরই দাবি করে আসছে, হামাস তাদের দেওয়া ত্রাণ জব্দ করে এবং নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে। তবে হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। যদিও কেরেম শালোম দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে, তবে জাতিসংঘ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি যে এই ত্রাণ গাজার সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছেছে কি না। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার (ডব্লিউএফপি) কর্মকর্তা অতওয়ান রেনার্ড বিবিসিকে বলেন, প্রতিদিন অন্তত ১০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রয়োজন শুধু খাদ্যের ন্যূনতম চাহিদা পূরণের জন্য। এই সরবরাহ এক দিনের জন্য হলেও সহায়ক, তবে সামগ্রিক চাহিদার তুলনায় এটি অতি সামান্য। বিবিসির বর্ষীয়ান সংবাদদাতা জেরেমি বোয়েন মন্তব্য করেছেন, ২০ লাখের বেশি গাজাবাসীর জন্য এই ত্রাণ মোট চাহিদার তুলনায় একফোঁটা পানির মতো। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গাজায় প্রায় ৫০০টি ট্রাক প্রবেশ করত, যেগুলোর মধ্যে খাদ্য, ওষুধ, শিশু খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী থাকত। বর্তমানে জাতিসংঘ মনে করছে, এই সংকট মোকাবিলায় প্রতিদিন অন্তত ৬০০টি ট্রাক দরকার। ইসরায়েল মার্চ মাসের শুরু থেকেই গাজার সব ত্রাণ প্রবেশ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ও বিভিন্ন এনজিও সতর্ক করে বলছে, গাজার ২১ লাখ মানুষ মারাত্মক খাদ্য সংকটে রয়েছে। অনেক এলাকায় দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে গেছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। জাতিসংঘ-সমর্থিত সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেইজ ক্লাসিফিকেশন (আপিসি) জানিয়েছে, আগামী মাসে গাজায় অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে। অপুষ্টির মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যে, ক্ষুধা, দুর্বলতা ও মৃত্যুহার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাবে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো দ্রুত ও স্থায়ীভাবে মানবিক সহায়তার প্রবাহ চালুর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, এককালীন ট্রাক প্রবেশ নয়, বরং ধারাবাহিক ও অব্যাহত সহায়তা ছাড়া এই সংকট নিরসন সম্ভব নয়। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মানুষ আজ শুধু একটি বেঁচে থাকার সুযোগ চায়। ত্রাণ প্রবেশের এই সামান্য অগ্রগতি হয়তো আশার আলো, তবে পুরো আলোর জন্য এখনো অনেক পথ বাকি।
অবশেষে গাজায় প্রবেশ করছে ত্রাণবাহী ট্রাক
গাজার উত্তরে এখনো খাবার যায়নি, আরও মৃত্যু ৭৬
গাজার উত্তরে এখনো খাবার যায়নি, আরও মৃত্যু ৭৬
ইসরায়েলি হামলায় শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় অন্তত ৭৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আল-জাজিরাকে স্থানীয় একটি চিকিৎসা সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। হামলা অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ছে। গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে এক পরিবারকে লক্ষ্য করে চালানো বোমাবর্ষণে প্রায় ৫০ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মজা করে বেসামরিক লোকজনকে হত্যা করছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, গাজার পরিস্থিতি এখন এই ‘নিষ্ঠুর সংঘর্ষের সবচেয়ে নিষ্ঠুর পর্যায়ে’ পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরা অভুক্ত থেকে মরছে, অথচ ইসরায়েল সাহায্য হিসেবে কেবল ‘এক চামচ ত্রাণ’ প্রবেশ করতে দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত অবরুদ্ধ উত্তর গাজায় কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৩ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৮২ জন। তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০-এর বেশি হতে পারে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ চাপা পড়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখের হামলায় প্রায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০ জনেরও বেশি মানুষ বন্দি হন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নির্বাচনের রাস্তায় আর নয়- ফের জানালেন এরদোয়ান
নির্বাচনের রাস্তায় আর নয়- ফের জানালেন এরদোয়ান
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ফের জানিয়ে দিলেন, তিনি আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে চান না।  বৃহস্পতিবার (২২ মে) হাঙ্গেরি সফর শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরদোয়ান স্পষ্টভাবে বলেন, আবার নির্বাচিত হওয়া বা প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই। দেশের সুনাম বৃদ্ধি করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। শুক্রবার (২৩ মে) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।  প্রসঙ্গত, প্রায় দুই যুগ ধরে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রিত্ব ও প্রেসিডেন্ট পদে আছেন এরদোয়ান। একাধারে ২৫ বছর দেশ পরিচালনার পর তার এমন ঘোষণা নতুন রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কেবল নির্বাচন প্রসঙ্গেই থেমে থাকেননি তিনি। দেশের সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও জোর দিয়ে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তুরস্ক বদলে যাচ্ছে, বিশ্ব বদলে যাচ্ছে। আমরা একটি নতুন যুগে বাস করছি। অভ্যুত্থানের সময় তৈরি এবং অভ্যুত্থানবাদী মানসিকতা ধারণ করা একটি সংবিধান দিয়ে তুরস্ক আর এগোতে পারবে না। বিরোধী দলগুলোকেও নতুন সংবিধান তৈরিতে সহায়তার আহ্বান জানান এরদোয়ান। তার ভাষায়, আমাদের এমন একটি সংবিধান দরকার, যা আসবে জনগণের কাছ থেকে, অভ্যুত্থানকারীদের কাছ থেকে নয়। এরদোয়ান ২০২৩ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ই বলেছিলেন, এটি তার শেষ নির্বাচন। যদিও তুর্কি সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আনা হলে তার জন্য আরেকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ রয়েছে। তবে এরদোয়ানের এই ঘোষণার বাস্তবতা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। কারণ, ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ বেড়েছে। বিশেষ করে ইস্তাম্বুলের মেয়র এবং সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী একরেম ইমামোগলুর গ্রেপ্তার ও তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ এরদোয়ানের ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে জনমনে সংশয় সৃষ্টি করেছে। নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিলেও, এরদোয়ানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এরদোয়ানের এই বার্তা হয়তো রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের চাপে ফেলতেই দেওয়া। এখন দেখার বিষয়, এই ঘোষণা আদৌ বাস্তবে রূপ নেয় কি না।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ত্রাণ পাহারায় থাকা ৬ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ত্রাণ পাহারায় থাকা ৬ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণবাহী ট্রাক পাহারায় থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি।  ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতরা সবাই একটি নিরাপত্তা দলের সদস্য ছিলেন, যারা সীমিত পরিসরে আসা ত্রাণসামগ্রী লুটপাট থেকে রক্ষা করতে নিয়োজিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২২ মে) ইসরায়েলের সেনারা জানায়, কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে গাজায় প্রবেশ করেছে ১০৭টি ত্রাণবাহী ট্রাক, যাতে ছিল ময়দা, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি খাদ্যসামগ্রী। তবে বাস্তবে সেই ত্রাণ মানুষের কাছে পৌঁছানো এখনো বেশ কঠিন হয়ে আছে। হামাস বলছে, ইসরায়েলি অবরোধের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করাই যেখানে বিশাল চ্যালেঞ্জ, সেখানে নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফিলিস্তিনে ত্রাণ বিতরণে নিযুক্ত সংস্থাগুলোর জোট জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সোমবার থেকে ইসরায়েল অবরোধ কিছুটা শিথিল করে। এরপর থেকে মোট ১১৯টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। তবে লুটপাটের কারণে এসব ত্রাণ সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা যাচ্ছে না। কিছু লুটপাটকারীর হাতে অস্ত্র থাকায় পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে উঠেছে। সংস্থাগুলোর দাবি, লুটপাটকারীরা শিশু ও অনাহারে থাকা পরিবারগুলোর জন্য পাঠানো খাদ্যসামগ্রী ছিনিয়ে নিচ্ছে। তারা ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের টার্গেট করায় ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গাজার ভেতরে ৭৫টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করছে, তারা এখন পর্যন্ত ৩০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। তবে ত্রাণ সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বহু ট্রাক কেরেম শালোম সীমান্তেই আটকে আছে এবং ত্রাণ সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা ইসরায়েলের ত্রাণ অনুমতিকে আন্তর্জাতিক চাপ এড়ানোর প্রতারণামূলক কৌশল বলেও আখ্যা দিয়েছে। মার্চের শুরুতে হামাসের বিরুদ্ধে ‘ত্রাণ আত্মসাতের’ অভিযোগ এনে গাজায় অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল। যদিও হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বরং তাদের দাবি, বহু যোদ্ধা জীবন দিয়েছেন ত্রাণবাহী ট্রাকের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে। ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের সূচনা ঘটে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ওইদিন ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে গাজায় বন্দি করে নেওয়া হয় বলে দাবি করে তেলআবিব। এর জবাবে ইসরায়েল শুরু করে একতরফা সামরিক অভিযান। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলি অভিযানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৬০০। ত্রাণ সংস্থাগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, গাজার বিপুল জনগোষ্ঠী এখন খাদ্য, ওষুধ ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে। বহু শিশুর শরীরে দেখা যাচ্ছে চরম অপুষ্টির লক্ষণ। এই প্রেক্ষাপটে ত্রাণ পরিবহনে নিযুক্ত কর্মীদের ওপর হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। সহায়তা পৌঁছাতে অবরুদ্ধ গাজায় একটি ‘নিরাপদ ও কার্যকর মানবিক করিডর’ গঠনের দাবিও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
কবে ঈদুল আজহার চাঁদ দেখা যাবে জানাল আমিরাত
কবে ঈদুল আজহার চাঁদ দেখা যাবে জানাল আমিরাত
পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন মুসলিম জাহান। আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে  ঈদুল আজহা পালিত হয়। এ ঈদের চাঁদ দেখা যাবে কবে তা জানিয়েছে আরব আমিরাত।  শুক্রবার (২৩ মে) খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ইব্রাহিম আল জারওয়ান জ্যোতির্বিদ্যার হিসাবের ভিত্তিতে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছেন। তিনি জানান, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ২৮ মে বুধবার জিলহজ মাস শুরু হতে পারে। এ হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যে আগামী ৬ জুন শুক্রবার উদযাপিত হতে পারে ঈদুল আজহা। আল এমারাত আল ইয়াওম নামের আরবি সংবাদপত্রকে আল জারওয়ান বলেন, ২৭ মে মঙ্গলবার আমিরাতের স্থানীয় সকাল ৭টা ২ মিনিটে জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ উদিত হবে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ আকাশে থাকবে এবং প্রায় ৩৮ মিনিট দৃশ্যমান থাকবে। এ সময় চাঁদ দেখার জন্য যথেষ্ট।  তিনি জোর দিয়ে বলেন, চাঁদ দেখার মাধ্যমে ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইসলামি শরিয়ার নীতিমালার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই প্রদান করে থাকে।  এর আগে খালিজ টাইমস জানায়, কাতারে ছুটি শুরু হবে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ থেকে, যা ইসলামে আরাফাত দিবস হিসেবে পরিচিত এবং অন্যতম পবিত্র দিন হিসেবে বিবেচিত। যেহেতু ইসলামিক বর্ষপঞ্জি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, তাই এখনো কাতারে ঈদের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি। ঈদুল আজহা পালিত হয় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে। সে অনুযায়ী, কাতারে ঈদের সম্ভাব্য দিন হতে পারে ৬ জুন। ২৭ মে সন্ধ্যায় কাতারের চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠকে বসবে। ওইদিন চাঁদ দেখা গেলে ৬ জুন ঈদ হবে, আর যদি চাঁদ না দেখা যায়, তাহলে ঈদ উদযাপন হবে ৭ জুন।