ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

এক ঘণ্টার চার্জে দুই দিন চলে যে স্মার্টফোন

কালবেলা ডেস্ক

  ২২ মে ২০২৫, ২২:৩৬
ছবি : সংগৃহীত

তরুণদের কাছে পছন্দের টেক ব্র্যান্ড রিয়েলমি। এবার দেশের বাজারে শক্তিশালী ব্যাটারিযুক্ত নতুন মডেলের স্মার্টফোন এনেছে তারা। ‘রিয়েলমি সি৭১’ মডেলের স্মার্টফোনে ৬ হাজার ৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি থাকায় এক ঘণ্টা চার্জ করলে ব্যবহার করা যায় টানা দুই দিন।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এ ছাড়া ৪৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি থাকায় দ্রুত চার্জও করা যায় ফোনটিতে। ফলে ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হওয়া নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হয় না।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রিয়েলমি বাংলাদেশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড ১৫ অপারেটিং সিস্টেম-নির্ভর ফোনটির পর্দার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ। এতে ফোনটিতে সহজেই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। আইপি৬৪ রেটিংযুক্ত ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স সুবিধা থাকায় ফোনটি হাত থেকে পড়ে গেলেও ভাঙে না বা পানিতে নষ্ট হয় না।

এআই নয়েজ রিডাকশন কল সুবিধা থাকায় ভিড়ের মধ্যেও স্বচ্ছন্দে কথা বলা যায় ফোনটিতে। এর পাশাপাশি ফোনটিতে জেমিনি চ্যাটবটসহ এআই ইমেজ ম্যাটিং, এআই ইরেজার ভিডিও এডিটিং সুবিধা থাকায় সহজেই ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করা যায়।

রিয়েলমি সি৭১-এর পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের এআই ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভালো মানের ছবি তোলা যায়। ১২৮ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটি দুটি সংস্করণে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

সংস্করণভেদে ৪ ও ৬ গিগাবাইট র‍্যামযুক্ত ফোনটির দাম যথাক্রমে ১৪ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।

ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে সচেষ্ট সরকার : আইসিটি সচিব
ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে অন্তর্বর্তী সরকার সচেষ্ট আছে বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২২ মে) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) সভাকক্ষে বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।  আইসিটি সচিব বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা খাত আমাদের অর্থনীতির জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। বিপিও খাত তরুণ সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচন করছে, যেখানে দক্ষতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার অপার সুযোগ রয়েছে। আশা করি এবারের সম্মেলনে আমরা কেবল নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার সঙ্গে পরিচিত হবো না বরং দেশের তরুণদের বিপিও খাতে সম্পৃক্ত করতে একটি কার্যকরী কর্মপরিকল্পনার দিকেও এগিয়ে যাব। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বলেন, আমাদের তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প খাতের বিভিন্ন  কাজ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। বিপিও সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম যেখানে  তরুণরা অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবে এবং এই শিল্পে ক্যারিয়ার গড়ার  প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাবে।  উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের আয়োজনে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল’ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অবভ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্কো) উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে আগামী ২১-২২ জুন রাজধানীর সেনাপ্রাঙ্গণ ভেনুতে বিপিও সামিট বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হবে।  বরাবরের মত এবারেও চাকুরি মেলার মধ্য দিয়ে বিপিও শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের সিভি সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া যোগ্য প্রার্থীদের জন্য থাকবে নিয়োগেরও ব্যবস্থা। আউটসোর্সিং শিল্পের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ফ্রিল্যান্সারদের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং সফলতার গল্প নিয়ে থাকছে বিভিন্ন সেমিনার। সম্মেলনে ৩০টি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি/বিপিও প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও  এবং সেবা প্রদর্শনীতে উপস্থাপন করার সুযোগ পাচ্ছে। থাকছে, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ৯টি সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।  যেখানে আইটিইএস ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি খাতের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞগণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন, যা সম্মেলনকে বিশ্বমানের একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে। ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং বিষয়ক কর্মশালাগুলোতে বিপিও শিল্পের সম্ভাবনাময় দিকগুলো শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরে এ খাতে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে উৎসাহ যোগানো হবে।
ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে সচেষ্ট সরকার : আইসিটি সচিব
গ্রাহক পর্যায়ে আরও কমল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম
গ্রাহক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম আরও কমিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গত ১৮ মে বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের জারি করা পরিপত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্য যুক্তিসংগত পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রাহক বান্ধব ইন্টারনেট ট্যারিফ প্রণয়নে সরকারি/বেসরকারি সব ধরনের ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীদের (আইএসপি) জন্য বিটিআরসি কর্তৃক একটি খসড়া প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো হয় এবং পরে সরকার কর্তৃক ট্যারিফটি অনুমোদিত হয়। নতুন দর অনুযায়ী, এখন থেকে ৫ এমবিপিএস সংযোগে ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএসে ৮০০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস সংযোগে মাসিক ১ হাজার ২০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ১০০ টাকা দিতে হবে গ্রাহকদের। ট্যারিফের শর্তে যা রয়েছে * বিটিআরসির লাইসেন্সধারী সব সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য উল্লেখিত ট্যারিফটি আগামী ১ জুলাই প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। পরে নতুন করে ট্যারিফ নির্ধারিত না হলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে তা বলবৎ থাকবে। তবে কমিশন বাজার চাহিদা ও গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় যেকোনো এটা পরিবর্তন করতে পারবে। * গ্রাহক সেবা ও সেবার মান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় শর্তসহ কোয়ালিটি অব সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি সেবার মানদণ্ড নির্ধারণে বর্ণিত গ্রেড এ, বি, সি মোতাবেক বজায় রাখতে বাধ্য থাকবে। সব ধরনের আইএসপির ক্ষেত্রে গ্রাহক পাঁচ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মাসিক বিল ৫০ শতাংশ দেবে, ১০ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মাসিক বিলের ২৫ শতাংশ দেবে এবং ১৫ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসে কোনো মাসিক বিল দেবে না। * সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ট্যারিফের আদলে সব লাইসেন্সধারী আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে কমিশন হতে প্রয়োজনীয় ট্যারিফ অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।   * সরকারের অনুমোদিত ইন্টারনেট স্পিড সর্বনিম্ন সীমা ৫ এমবিপিএস বিদ্যমান রেখে ট্যারিফের তালিকা অনুযায়ী সংযোগ রেশিও ১ দশমিক ৮ আনুপাতিক হারে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে কমিশনের অনুমোদনক্রমে গ্রাহকদের সেবা দেওয়া যাবে।   * কমিশন থেকে অনুমোদিত ট্যারিফ চার্জ নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং অনুমোদিত সেবা বা ট্যারিফে কোন ধরনের পরিবর্তন বা সংযোজন গ্রহণযোগ্য নয়।   * ট্যারিফের বাইরে অনুমোদন ছাড়া কোনো সেবা পরিচালনা করলে বাংলদেশ টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। এর আগে গত ২১ এপ্রিল নতুন তিন স্তরে ইন্টারনেটের দাম কমছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। তিনি জানান, ফাইবার অ্যাট হোমের ম্যানেজমেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে- আইটিসি পর্যায়ে ১০ শতাংশ, আইআইজি পর্যায়ে ১০ শতাংশ এবং এনটিটিএন বা ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ মূল্য হ্রাস করবেন তারা। আইএসপি লাইসেন্স প্রাপ্ত কোম্পানিগুলোর অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাঁচ এমবিপিএসের পরিবর্তে ৫০০ টাকায় ১০ এমবিপিএস ইন্টারনেট প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তারও আগে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে পর্যায়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি সকল আইআইজি এবং আইএসপি গ্রাহকদের জন্য ১০ শতাংশ এবং পাইকারি গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত ১০ শতাংশসহ মোট ২০ শতাংশ দাম কমিয়েছে।
গ্রাহক পর্যায়ে আরও কমল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম
স্টারলিংকের সংযোগ পেতে যেভাবে অর্ডার করবেন
কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ইন্টারনেট-সেবা দিয়ে থাকে ইলন মাস্কের স্টারলিংক। মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশেও স্টারলিংকের দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সেবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্টারলিংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত তথ্য ও নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে সরাসরি অর্ডার করতে পারবেন আগ্রহীরা। যেভাবে অর্ডার করবেন স্টারলিংক সংযোগের অর্ডার করতে প্রথমে স্টারলিংক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ঠিকানা লিখে বা কারেন্ট লোকেশন আইকনে ক্লিক করলেই অর্ডার নেওয়ার পেজে পেমেন্ট অপশন দেখা যাবে। এবার পছন্দের প্যাকেজ নির্বাচন করে চেক আউট বাটনে ক্লিক করার পর যোগাযোগের ঠিকানা ও স্থানীয় ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া পেমেন্টের বিস্তারিত তথ্য লিখে অর্ডার করতে হবে। অর্ডার নেওয়ার সময় স্টারলিংক থেকে জানানো হচ্ছে, সেবা গ্রহণের জন্য ফটো আইডির কপি জমা দিতে হবে। ইন্টারনেট–সেবার রাউটার ও অন্যান্য যন্ত্র তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছে দেবে স্টারলিংক। অর্ডারের জন্য স্টারলিংক স্ট্যান্ডার্ড কিট কেনার জন্য ৪৭ হাজার টাকা ও শিপিং চার্জ ২ হাজার ৮০০ টাকা অর্থাৎ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা জমা দিতে হবে। এ ছাড়া চাইলে স্টারলিংকের কাছ থেকে পিভট মাউন্ট, ওয়াল মাউন্ট বা পাইপ অ্যাডাপ্টরও কেনা যাবে। পণ্যগুলো কিনতে খরচ হবে যথাক্রমে ৬ হাজার ৭০০, ৫ হাজার ৯০০ ও ২ হাজার ৬০০ টাকা। সংযোগ চালুর পর প্রতি মাসে নির্ধারিত প্যাকেজ অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে হবে। স্টারলিংক সংযোগ পেতে আগেই প্রি-বুক বা অগ্রিম নিবন্ধন করতে হয়। পরে ইমেইলে কনফারমেশন পাঠানো হলে সব টাকা পরিশোধ করতে হয়। অর্ডার করার সময় পেমেন্টে স্থানীয় ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থাকলে তা সহায়ক হয়। রাজধানীতে বসবাসকারী ফ্রিল্যান্সার মো. রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ঢাকার খিলগাঁওয়ে থাকি। আমি আজ সকালে স্টারলিংক সংযোগের অর্ডার করেছি। ওয়েবসাইট থেকে খুব দ্রুত অর্ডার করা যাচ্ছে। সহজ পদ্ধতি হওয়ায় স্টারলিংক সংযোগের অর্ডার দিতে আমার মাত্র তিন মিনিট সময় লেগেছে।’
স্টারলিংকের সংযোগ পেতে যেভাবে অর্ডার করবেন
ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে সচেষ্ট সরকার : আইসিটি সচিব
ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে সচেষ্ট সরকার : আইসিটি সচিব
ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে অন্তর্বর্তী সরকার সচেষ্ট আছে বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২২ মে) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) সভাকক্ষে বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।  আইসিটি সচিব বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা খাত আমাদের অর্থনীতির জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। বিপিও খাত তরুণ সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচন করছে, যেখানে দক্ষতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার অপার সুযোগ রয়েছে। আশা করি এবারের সম্মেলনে আমরা কেবল নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার সঙ্গে পরিচিত হবো না বরং দেশের তরুণদের বিপিও খাতে সম্পৃক্ত করতে একটি কার্যকরী কর্মপরিকল্পনার দিকেও এগিয়ে যাব। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বলেন, আমাদের তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প খাতের বিভিন্ন  কাজ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। বিপিও সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম যেখানে  তরুণরা অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবে এবং এই শিল্পে ক্যারিয়ার গড়ার  প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাবে।  উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের আয়োজনে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল’ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অবভ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্কো) উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে আগামী ২১-২২ জুন রাজধানীর সেনাপ্রাঙ্গণ ভেনুতে বিপিও সামিট বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হবে।  বরাবরের মত এবারেও চাকুরি মেলার মধ্য দিয়ে বিপিও শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের সিভি সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া যোগ্য প্রার্থীদের জন্য থাকবে নিয়োগেরও ব্যবস্থা। আউটসোর্সিং শিল্পের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ফ্রিল্যান্সারদের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং সফলতার গল্প নিয়ে থাকছে বিভিন্ন সেমিনার। সম্মেলনে ৩০টি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি/বিপিও প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও  এবং সেবা প্রদর্শনীতে উপস্থাপন করার সুযোগ পাচ্ছে। থাকছে, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ৯টি সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।  যেখানে আইটিইএস ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি খাতের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞগণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন, যা সম্মেলনকে বিশ্বমানের একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে। ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং বিষয়ক কর্মশালাগুলোতে বিপিও শিল্পের সম্ভাবনাময় দিকগুলো শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরে এ খাতে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে উৎসাহ যোগানো হবে।
গ্রাহক পর্যায়ে আরও কমল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম
গ্রাহক পর্যায়ে আরও কমল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম
গ্রাহক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম আরও কমিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গত ১৮ মে বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের জারি করা পরিপত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্য যুক্তিসংগত পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রাহক বান্ধব ইন্টারনেট ট্যারিফ প্রণয়নে সরকারি/বেসরকারি সব ধরনের ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীদের (আইএসপি) জন্য বিটিআরসি কর্তৃক একটি খসড়া প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো হয় এবং পরে সরকার কর্তৃক ট্যারিফটি অনুমোদিত হয়। নতুন দর অনুযায়ী, এখন থেকে ৫ এমবিপিএস সংযোগে ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএসে ৮০০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস সংযোগে মাসিক ১ হাজার ২০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ১০০ টাকা দিতে হবে গ্রাহকদের। ট্যারিফের শর্তে যা রয়েছে * বিটিআরসির লাইসেন্সধারী সব সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য উল্লেখিত ট্যারিফটি আগামী ১ জুলাই প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। পরে নতুন করে ট্যারিফ নির্ধারিত না হলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে তা বলবৎ থাকবে। তবে কমিশন বাজার চাহিদা ও গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় যেকোনো এটা পরিবর্তন করতে পারবে। * গ্রাহক সেবা ও সেবার মান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় শর্তসহ কোয়ালিটি অব সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি সেবার মানদণ্ড নির্ধারণে বর্ণিত গ্রেড এ, বি, সি মোতাবেক বজায় রাখতে বাধ্য থাকবে। সব ধরনের আইএসপির ক্ষেত্রে গ্রাহক পাঁচ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মাসিক বিল ৫০ শতাংশ দেবে, ১০ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মাসিক বিলের ২৫ শতাংশ দেবে এবং ১৫ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসে কোনো মাসিক বিল দেবে না। * সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ট্যারিফের আদলে সব লাইসেন্সধারী আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে কমিশন হতে প্রয়োজনীয় ট্যারিফ অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।   * সরকারের অনুমোদিত ইন্টারনেট স্পিড সর্বনিম্ন সীমা ৫ এমবিপিএস বিদ্যমান রেখে ট্যারিফের তালিকা অনুযায়ী সংযোগ রেশিও ১ দশমিক ৮ আনুপাতিক হারে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে কমিশনের অনুমোদনক্রমে গ্রাহকদের সেবা দেওয়া যাবে।   * কমিশন থেকে অনুমোদিত ট্যারিফ চার্জ নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং অনুমোদিত সেবা বা ট্যারিফে কোন ধরনের পরিবর্তন বা সংযোজন গ্রহণযোগ্য নয়।   * ট্যারিফের বাইরে অনুমোদন ছাড়া কোনো সেবা পরিচালনা করলে বাংলদেশ টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। এর আগে গত ২১ এপ্রিল নতুন তিন স্তরে ইন্টারনেটের দাম কমছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। তিনি জানান, ফাইবার অ্যাট হোমের ম্যানেজমেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে- আইটিসি পর্যায়ে ১০ শতাংশ, আইআইজি পর্যায়ে ১০ শতাংশ এবং এনটিটিএন বা ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ মূল্য হ্রাস করবেন তারা। আইএসপি লাইসেন্স প্রাপ্ত কোম্পানিগুলোর অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাঁচ এমবিপিএসের পরিবর্তে ৫০০ টাকায় ১০ এমবিপিএস ইন্টারনেট প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তারও আগে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে পর্যায়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি সকল আইআইজি এবং আইএসপি গ্রাহকদের জন্য ১০ শতাংশ এবং পাইকারি গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত ১০ শতাংশসহ মোট ২০ শতাংশ দাম কমিয়েছে।
স্টারলিংকের সংযোগ পেতে যেভাবে অর্ডার করবেন
স্টারলিংকের সংযোগ পেতে যেভাবে অর্ডার করবেন
কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ইন্টারনেট-সেবা দিয়ে থাকে ইলন মাস্কের স্টারলিংক। মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশেও স্টারলিংকের দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সেবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্টারলিংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত তথ্য ও নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে সরাসরি অর্ডার করতে পারবেন আগ্রহীরা। যেভাবে অর্ডার করবেন স্টারলিংক সংযোগের অর্ডার করতে প্রথমে স্টারলিংক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ঠিকানা লিখে বা কারেন্ট লোকেশন আইকনে ক্লিক করলেই অর্ডার নেওয়ার পেজে পেমেন্ট অপশন দেখা যাবে। এবার পছন্দের প্যাকেজ নির্বাচন করে চেক আউট বাটনে ক্লিক করার পর যোগাযোগের ঠিকানা ও স্থানীয় ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া পেমেন্টের বিস্তারিত তথ্য লিখে অর্ডার করতে হবে। অর্ডার নেওয়ার সময় স্টারলিংক থেকে জানানো হচ্ছে, সেবা গ্রহণের জন্য ফটো আইডির কপি জমা দিতে হবে। ইন্টারনেট–সেবার রাউটার ও অন্যান্য যন্ত্র তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছে দেবে স্টারলিংক। অর্ডারের জন্য স্টারলিংক স্ট্যান্ডার্ড কিট কেনার জন্য ৪৭ হাজার টাকা ও শিপিং চার্জ ২ হাজার ৮০০ টাকা অর্থাৎ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা জমা দিতে হবে। এ ছাড়া চাইলে স্টারলিংকের কাছ থেকে পিভট মাউন্ট, ওয়াল মাউন্ট বা পাইপ অ্যাডাপ্টরও কেনা যাবে। পণ্যগুলো কিনতে খরচ হবে যথাক্রমে ৬ হাজার ৭০০, ৫ হাজার ৯০০ ও ২ হাজার ৬০০ টাকা। সংযোগ চালুর পর প্রতি মাসে নির্ধারিত প্যাকেজ অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে হবে। স্টারলিংক সংযোগ পেতে আগেই প্রি-বুক বা অগ্রিম নিবন্ধন করতে হয়। পরে ইমেইলে কনফারমেশন পাঠানো হলে সব টাকা পরিশোধ করতে হয়। অর্ডার করার সময় পেমেন্টে স্থানীয় ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থাকলে তা সহায়ক হয়। রাজধানীতে বসবাসকারী ফ্রিল্যান্সার মো. রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ঢাকার খিলগাঁওয়ে থাকি। আমি আজ সকালে স্টারলিংক সংযোগের অর্ডার করেছি। ওয়েবসাইট থেকে খুব দ্রুত অর্ডার করা যাচ্ছে। সহজ পদ্ধতি হওয়ায় স্টারলিংক সংযোগের অর্ডার দিতে আমার মাত্র তিন মিনিট সময় লেগেছে।’