ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

চীনের এআই অ্যাপ, কাঁপছে হলিউড

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:২২
ছবি : সংগৃহীত

চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স-এর (ByteDance) তৈরি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মডেল হলিউডে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। শুধু প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কারণেই নয়, বরং সৃজনশীল শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের তৈরি সিড্যান্স ২.০ (Seedance 2.0) নামের এই এআই মডেল খুব অল্প লিখিত নির্দেশনা (prompt) থেকেই সিনেমার মতো মানসম্পন্ন ভিডিও তৈরি করতে পারে। ভিডিওর সঙ্গে থাকে সংলাপ ও সাউন্ড ইফেক্টও। কয়েকটি ছোট নির্দেশনা দিয়েই উচ্চমানের দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব বলে দাবি করা হচ্ছে।

সিড্যান্স দিয়ে তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে জনপ্রিয় চরিত্র যেমন স্পাইডার ম্যান ও ডেডপুলকে। এসব ভিডিও প্রকাশের পর বড় স্টুডিও যেমন Disney ও Paramount Pictures কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।

তবে বিতর্ক কেবল আইনি জটিলতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর প্রভাব আরও গভীর।

সিড্যান্স কী এবং কেন এত আলোচনা

২০২৫ সালের জুনে সিড্যান্স প্রথম চালু হলেও আট মাস পর আসা দ্বিতীয় সংস্করণই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আগের এআই ভিডিও মডেলগুলোর তুলনায় আরও সমন্বিত।

এআই দিয়ে ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে আগে থেকেই কিছু টুল ছিল, যেমন মিডওয়ে-জার্নি (Midjourney) এবং সোরা (Sora)। তবে সিড্যান্স একই সঙ্গে লেখা, ছবি ও শব্দকে একটি সিস্টেমে একত্র করেছে, যা একে আলাদা করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিড্যান্সের তৈরি অ্যাকশন দৃশ্যগুলো বেশ বাস্তবসম্মত এবং বড় বাজেটের সিনেমার মতো মনে হয়। এমনকি অভিনেতা উইল স্মিথ-এর পাস্তা খাওয়ার দৃশ্য তৈরি করে তা বাস্তবের মতো দেখাতে সক্ষম হয়েছে এআই-টি। এবং এই ধরনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা মনে করছেন, ভিডিও তৈরির প্রযুক্তিতে এটি নতুন অধ্যায় সূচনা করতে পারে।

সম্ভাবনা যেমন আছে, চ্যালেঞ্জও আছে

এই প্রযুক্তি যেমন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলছে, তেমনি কপিরাইট ও নৈতিকতার প্রশ্নও তুলছে।

হলিউডের স্টুডিওগুলো অভিযোগ করেছে, তাদের মালিকানাধীন চরিত্র অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, জাপানেও জনপ্রিয় অ্যানিমে চরিত্র নিয়ে তৈরি ভিডিওর কারণে তদন্ত চলছে।

এমন পরিস্থিতি নতুন নয়। ২০২৩ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অভিযোগ তোলে যে তাদের লেখা অনুমতি ছাড়া এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছে। একইভাবে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম রেডিট (Reddit)–ও এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ব্যবহারকারীদের পোস্ট সংগ্রহের অভিযোগে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আকর্ষণীয় ভিডিও বানানোই যথেষ্ট নয়। কনটেন্টের স্বচ্ছ লেবেলিং, লাইসেন্সিং ও ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

ছোট নির্মাতাদের জন্য সুযোগ

বড় স্টুডিওর উদ্বেগ থাকলেও ছোট প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে কম বাজেটের স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও ও মাইক্রো ড্রামার ক্ষেত্রে।

এশিয়ায় দুই মিনিটের কম দৈর্ঘ্যের বহু পর্বের মাইক্রো ড্রামা জনপ্রিয় হচ্ছে, যেগুলো সাধারণত সীমিত বাজেটে তৈরি হয়। আগে বাজেটের কারণে রোমান্স বা পারিবারিক গল্পেই সীমাবদ্ধ থাকতে হতো। কিন্তু উন্নত এআই ব্যবহার করে এখন বিজ্ঞান কল্পকাহিনি, ঐতিহাসিক নাটক কিংবা অ্যাকশনধর্মী কনটেন্টও তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ইউটিউব, ফেসবুক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে স্বল্প বাজেটের কনটেন্ট নির্মাতারা এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করলে মান উন্নয়ন সম্ভব হতে পারে। তবে এর সঙ্গে আইনি ও নৈতিক সচেতনতা জরুরি।

চীন কি তবে এগিয়ে যাচ্ছে

সিড্যান্স নতুন করে চীনের প্রযুক্তি খাতকে আলোচনায় এনেছে। এর আগে চীনা এআই মডেল ডিপসিক (DeepSeek) বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছিল।

চীন সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সকে অর্থনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করছে। উন্নত চিপ উৎপাদন, অটোমেশন ও জেনারেটিভ এআইতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বড় বিনিয়োগ।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সাল চীনে এআই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মোড় ঘোরানোর বছর হতে পারে। শুধু চ্যাটবট নয়, দৈনন্দিন কাজ, লেনদেন, কোডিং ও ভিডিও তৈরিতেও এআই নিয়মিত ব্যবহৃত হতে পারে।

সিড্যান্স ২.০ দেখিয়ে দিয়েছে, এআই প্রযুক্তি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে সিনেমার মতো মানের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। এটি যেমন সৃজনশীলতার নতুন দুয়ার খুলছে, তেমনি কপিরাইট, নৈতিকতা ও কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই প্রযুক্তি বড় সুযোগ হতে পারে, যদি তা দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা হয়। ভবিষ্যতের সৃজনশীল জগতে মানুষ ও এআইয়ের সহাবস্থানই সম্ভবত হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা।

সূত্র : বিবিসি

চ্যাটবট কি আপনাকে ‘সুপারওয়ার্কার’ বানাতে পারে
কল্পনা করুন, আপনার মতোই চিন্তা করতে পারে, আপনার কাজের ধরন বোঝে এবং আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে—এমন একটি ডিজিটাল সংস্করণ। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এখন এ ধারণাটি আর কল্পনা নয়। রিচার্ড স্কেলেট নামের একজন প্রযুক্তি বিশ্লেষক গত তিন বছরে নিজের একটি এআই সংস্করণ তৈরি করেছেন, যার নাম তিনি দেন ‘ডিজিটাল রিচার্ড’। এটি একটি ছোট ভাষা মডেল, যা তার মিটিং, ডকুমেন্ট, প্রেজেন্টেশনসহ বিভিন্ন তথ্য থেকে শেখানো হয়েছে। ফলে এটি তার মতো করে চিন্তা করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতে পারে। কীভাবে কাজ করে এই ডিজিটাল টুইন এই চ্যাটবট বা ডিজিটাল সংস্করণটি মূলত একটি টেক্সট-ভিত্তিক সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারী প্রশ্ন করলে এটি সেই ব্যক্তির জ্ঞান ও চিন্তার ধরন অনুযায়ী উত্তর দেয়। এটি শুধু অফিসের কাজেই নয়, ব্যক্তিগত কাজ ব্যবস্থাপনাতেও সাহায্য করতে পারে। এমনকি কিছু অংশ আলাদা করে রাখা যায়, যাতে নির্দিষ্ট তথ্য অন্যদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকে। এই প্রযুক্তির ব্যবহার এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ‘ডিজিটাল সংস্করণ’ বা ‘ডিজিটাল টুইন’ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা কাজের গতি বাড়াতে পারে। কর্মক্ষেত্রে এর ব্যবহার ডিজিটাল টুইনের মাধ্যমে অনেক নতুন সুবিধা তৈরি হচ্ছে। যেমন—অবসর নিতে যাওয়া কর্মী ধীরে ধীরে কাজ কমাতে পারেন, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা কর্মীরা কাজ চালিয়ে নিতে পারেন এবং কোনো তথ্য জানার জন্য মিটিং বা ইমেইলের প্রয়োজন কমে যায়। ব্লোর রিসার্চ (Bloor Research) এরই মধ্যে তাদের কর্মীদের জন্য এ ধরনের ‘ডিজিটাল মি’ চালু করেছে। আরও অনেক প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে। যশ বার্সিন (Josh Bersin) এ ধারণাটিকে ‘সুপারওয়ার্কার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, এআই একজন কর্মীর সক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। ডিজিটাল টুইন থাকলে যে কোনো সময় কাজের তথ্য পাওয়া যায়, এমনকি রাতেও। এতে কাজের গতি বাড়ে এবং নতুন লোক নিয়োগের প্রয়োজন কমে যায়। সুবিধা থাকলেও প্রশ্নও আছে এই প্রযুক্তি যতই আকর্ষণীয় হোক, এর সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও জড়িত। ডিজিটাল টুইনের মালিক কে হবে বা এর মাধ্যমে বেশি কাজ করলে কর্মীর পারিশ্রমিক কীভাবে নির্ধারিত হবে। অথবা কে কোন তথ্য ব্যবহার করতে পারবে বা কোনো ভুল হলে দায় কার। Gartner-এর গবেষকরা মনে করেন, এই প্রযুক্তির সুবিধা পেতে হলে সঠিক নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ খুব জরুরি। আইনি ও নৈতিক চ্যালেঞ্জ আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল টুইন তৈরি করতে গেলে ব্যক্তিগত তথ্য, কাজের মালিকানা এবং চাকরির নিয়ম নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদি কোনো ডিজিটাল টুইন ভুল কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তার দায় কার ওপর পড়বে, এ বিষয়েও এখনো স্পষ্ট কোনো নিয়ম নেই। ভবিষ্যতে আদালতের মাধ্যমে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এটি একজন কর্মীর কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়িয়ে তাকে ‘সুপারওয়ার্কার’-এ পরিণত করতে পারে। তবে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে প্রযুক্তির পাশাপাশি নৈতিকতা, আইনি কাঠামো এবং ব্যক্তিগত অধিকার; সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রাখা জরুরি। সূত্র : বিবিসি
চ্যাটবট কি আপনাকে ‘সুপারওয়ার্কার’ বানাতে পারে
নতুন গুগল অ্যাপে ইন্টারনেট ছাড়াই করুন ভয়েস টাইপিং
ইন্টারনেট ছাড়া ভয়েস টাইপিং করা আগে বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন তা অনেক সহজ হয়ে গেছে। সম্প্রতি গুগল একটি নতুন ‘এআই ডিকটেশন অ্যাপ’ এনেছে, যার মাধ্যমে অফলাইনেও কথা বলে লেখা তৈরি করা সম্ভব। ‘গুগল এআই এজ এলোকোয়েন্ট’ (Google AI Edge Eloquent) নামের এই অ্যাপটি আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে আইওএস (iOS) প্ল্যাটফর্মে চালু হয়েছে। এটি একটি অফলাইন-ফার্স্ট ডিকটেশন অ্যাপ, যা ব্যবহারকারীর কথা তাৎক্ষণিকভাবে লেখায় রূপান্তর করতে পারে। কীভাবে কাজ করে এই অ্যাপ অ্যাপটি ডাউনলোড করার পর প্রয়োজনীয় ভয়েস মডেল ইনস্টল করতে হয়। এরপর ইন্টারনেট ছাড়াই ভয়েস টাইপিং করা যায়। এতে গুগলের গেমা (Gemma) ভিত্তিক স্পিচ রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে আপনি কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে লাইভ লেখা দেখতে পারবেন। যেসব ফিচার এটিকে আলাদা করে পরিষ্কার ও গুছানো লেখা : কথা বলার সময় আমরা অনেক সময় উম বা আহ এর মতো শব্দ ব্যবহার করি। অ্যাপটি সেগুলো নিজে থেকেই বাদ দিয়ে লেখাকে আরও পরিষ্কার করে। লেখার স্টাইল বদলানোর সুবিধা : চাইলেই একই লেখাকে ছোট, বড় বা আরও আনুষ্ঠানিকভাবে সাজানো যায়। অফলাইন ও ক্লাউড দুই সুবিধাই : ইন্টারনেট চালু থাকলে ক্লাউড প্রসেসিং ব্যবহার করা যায়। আর বন্ধ থাকলে পুরো কাজটি ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়, যা গোপনীয়তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত ডিকশনারি যুক্ত করার সুবিধা : ব্যবহারকারী তার জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে নাম বা গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যোগ করতে পারেন। এতে বারবার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে। পুরোনো লেখা সংরক্ষণ ও খোঁজার সুবিধা : অ্যাপটি আগের ট্রান্সক্রিপশন সংরক্ষণ করে এবং সহজে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ দেয়। পাশাপাশি কত শব্দ বলা হয়েছে বা প্রতি মিনিটে কত শব্দ বলা হয়েছে, সেটাও দেখা যায়। বর্তমানে এটি শুধু আইওএস-এ সীমাবদ্ধ। তবে ভবিষ্যতে অ্যান্ড্রয়েডে এলে এটি ডিফল্ট কিবোর্ড হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ভয়েস টাইপিং আরও সহজ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, ইন্টারনেট ছাড়াই ভয়েস টাইপিং এখন আর কল্পনা নয়। নতুন এই প্রযুক্তি দৈনন্দিন কাজকে আরও দ্রুত এবং সহজ করে তুলতে পারে। সূত্র : টেক ক্রান্চ 
নতুন গুগল অ্যাপে ইন্টারনেট ছাড়াই করুন ভয়েস টাইপিং
হোয়াটসঅ্যাপে অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট চালু করবেন যেভাবে
বর্তমান সময়ে মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে নতুন নতুন ফিচার যোগ হওয়া যেন নিত্যদিনের ব্যাপার। ব্যবহারকারীদের সুবিধা বাড়াতে প্রতিনিয়ত আপডেট নিয়ে আসছে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। এবার তারা এনেছে এমন একটি ফিচার, যা অনেকের দৈনন্দিন ব্যবহারকে আরও সহজ করে তুলবে। অনেক সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যখন ফোনে আসা ভয়েস মেসেজ শোনা সম্ভব হয় না—হয়তো আশপাশে প্রচণ্ড শব্দ, অথবা আপনি এমন জায়গায় আছেন যেখানে অডিও শোনা সুবিধাজনক নয়। এই সমস্যার সমাধানেই হোয়াটসঅ্যাপ চালু করেছে অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট (Voice Message Transcript) নামের নতুন সুবিধা। এর মাধ্যমে এখন আর ভয়েস মেসেজ শোনার প্রয়োজন নেই। চাইলেই সেটিকে লেখায় রূপান্তর করে পড়ে নেওয়া যাবে। কী এই অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট ফিচার? এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যে কোনো ভয়েস মেসেজকে টেক্সটে রূপান্তর করতে পারবেন। ফলে অডিও না শুনেই সহজে বার্তার বিষয়বস্তু জানা সম্ভব হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে—এই ট্রান্সক্রিপশন সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারকারীর নিজের ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ কোনো অডিও বা টেক্সট সার্ভারে পাঠানো হয় না, যা গোপনীয়তা রক্ষার দিক থেকে বড় সুবিধা। কীভাবে চালু করবেন ফিচারটি হোয়াটসঅ্যাপ খুলে Settings-এ যান Chats অপশনে প্রবেশ করুন Voice message transcripts-এ ট্যাপ করুন ফিচারটি On/Off করুন Choose language থেকে পছন্দের ভাষা নির্বাচন করুন পরে ভাষা পরিবর্তন করতে চাইলে: Settings > Chats > Transcript language-এ গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে কীভাবে ভয়েস মেসেজকে লেখায় রূপান্তর করবেন আগে নিশ্চিত করুন ফিচারটি চালু আছে যে কোনো ভয়েস মেসেজে ট্যাপ করে ধরে রাখুন Transcribe অপশন নির্বাচন করুন এরপর মেসেজের নিচেই টেক্সট দেখা যাবে। বড় হলে সেটি প্রসারিত করে পড়া যাবে। কোন কোন ভাষায় কাজ করে অ্যান্ড্রয়েডে: ইংরেজি, পর্তুগিজ, স্প্যানিশ ও রুশ। হয়তো ধীরে ধীরে আরও ভাষা যুক্ত হবে।  আইফোনে (iOS 16 থেকে): ইংরেজি, আরবি, চীনা, ফরাসি, জার্মান, ইতালিয়ান, জাপানি, কোরিয়ান, পর্তুগিজ, রুশ, স্প্যানিশ, তুর্কি iOS 17 বা পরবর্তী ভার্সনে: দানি, ডাচ, ফিনিশ, হিব্রু, মালয়, নরওয়েজিয়ান, সুইডিশ, থাইসহ আরও ভাষা যুক্ত হয়েছে। মনে রাখবেন, আইফোনে এই ফিচার ব্যবহার করতে Siri চালু থাকতে হবে।  কখন ট্রান্সক্রিপশন নাও দেখা যেতে পারে  নির্বাচিত ভাষা ভয়েস মেসেজের ভাষার সাথে না মিললে  ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি শব্দ থাকলে  ভাষাটি সাপোর্টেড না হলে  কখনও কখনও স্বয়ংক্রিয় ভুল হতে পারে ভয়েস মেসেজ শোনার ঝামেলা কমাতে হোয়াটসঅ্যাপের এই নতুন ফিচার নিঃসন্দেহে একটি বড় সুবিধা। বিশেষ করে ব্যস্ততা বা শব্দপূর্ণ পরিবেশে এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কার্যকর হবে। প্রযুক্তির এই ছোট পরিবর্তনই অনেক সময় ব্যবহার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করে তোলে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
হোয়াটসঅ্যাপে অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট চালু করবেন যেভাবে
ব্যবহারকারীদের জন্য জিমেইলের নতুন চমক
গুগল অবশেষে জিমেইল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এনেছে। এখন থেকে ব্যবহারকারীরা তাদের জিমেইল অ্যাকাউন্টের ইউজার নেম, অর্থাৎ @gmail.com-এর আগের অংশটি পরিবর্তন করতে পারবেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের পুরোনো বা অপছন্দের ইমেইল আইডি বদলে নতুন নাম ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই ফিচার ব্যবহারের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি। জিমেইল ইউজার নেম পরিবর্তনের পর কী হবে ইউজার নেম পরিবর্তন করার পর কয়েকটি বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটবে: আপনার পুরোনো জিমেইল ঠিকানাটি একটি অল্টারনেট ইমেইল হিসেবে থেকে যাবে নতুন ও পুরোনো; দুটো ঠিকানাতেই পাঠানো ইমেইল আপনি পাবেন আপনার অ্যাকাউন্টের কোনো ডাটা, যেমন ছবি, মেইল বা ফাইল, মুছে যাবে না আপনি চাইলে যে কোনো সময় পুরোনো ইমেইলে ফিরে যেতে পারবেন তবে নতুন জিমেইল ইউজার নেম তৈরি করার সুযোগ ১২ মাসে একবার নতুন ইমেইল ডিলিট করা যাবে না জিমেইল, ম্যাপস, ইউটিউব, গুগল ড্রাইভসহ সব গুগল সার্ভিসে পুরোনো ও নতুন - দুটো দিয়েই লগইন করা যাবে পরিবর্তনের আগে যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন ইউজারনেম পরিবর্তনের আগে গুগল কিছু সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে: কিছু অ্যাপ সেটিংস রিসেট হতে পারে নতুন ডিভাইসে লগইন করার মতো কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে আগের ইমেইল অনেক জায়গায় থেকেই যেতে পারে, যেমন পুরোনো ক্যালেন্ডার ইভেন্টে ডাটা ব্যাকআপ রাখা ভালো, যাতে কোনো সমস্যা হলে পুনরুদ্ধার করা যায় যেভাবে জিমেইলের ইউজার নেম পরিবর্তন করবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ৫ করে সহজেই ইউজার নেম পরিবর্তন করা যায়: ধাপ ১: আপনার ডিভাইস থেকে Google Account সেটিংসে যান ধাপ ২: Personal info অপশনে ক্লিক করুন ধাপ ৩: মেইল সেকশনে গিয়ে Google Account email নির্বাচন করুন ধাপ ৪: Change Google Account email অপশন থাকলে সেটিতে ক্লিক করুন ধাপ ৫: সম্ভাব্য সমস্যা বা সতর্কতা ভালোভাবে পড়ে নিন ধাপ ৬: নতুন ইউজার নেম লিখুন (যেটি আগে কেউ ব্যবহার করেনি) ধাপ ৭: Change মেইলে ক্লিক করে নিশ্চিত করুন প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনার নতুন জিমেইল ঠিকানা চালু হবে এবং পুরোনোটি অল্টারনেট হিসেবে যুক্ত থাকবে। সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর কতবার জিমেইল ইউজার নেম পরিবর্তন করা যাবে? ১২ মাসে একবার নতুন ইউজার নেম তৈরি করা যাবে, সর্বোচ্চ তিনবার। পুরোনো ইমেইলে মেইল আসবে? হ্যাঁ, পুরোনো ও নতুন- দুটো ঠিকানাতেই মেইল আসবে। পুরোনো ইমেইল কি অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে? না, এটি আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গেই যুক্ত থাকবে এবং অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। পুরোনো ইমেইল থেকে মেইল পাঠানো যাবে? হ্যাঁ, চাইলে পুরোনো ঠিকানা থেকেও ইমেইল পাঠানো সম্ভব। জিমেইল ইউজার নেম পরিবর্তনের এই নতুন সুবিধা ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ উপকারী। তবে এটি ব্যবহার করার আগে নিয়ম-কানুন এবং সম্ভাব্য পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। নতুন এই আপডেটের মাধ্যমে জিমেইল ব্যবহার আরও নমনীয় হয়েছে। অনেক দিন ধরে যাদের ইমেইল আইডি পরিবর্তনের ইচ্ছা ছিল, তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ। তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, আগে সব দিক বিবেচনা করে তারপর ইউজারনেম পরিবর্তন করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও বুদ্ধিমানের কাজ। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
ব্যবহারকারীদের জন্য জিমেইলের নতুন চমক
শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের পরিকল্পনা অস্ট্রিয়ার
বিশ্বজুড়ে শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্য, আসক্তি এবং অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে একের পর এক দেশ শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার কথা ভাবছে। এই ধারাবাহিকতায় এবার ১৪ বছরের নিচের শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে অস্ট্রিয়া। যদিও এই নিষেধাজ্ঞা কবে এবং কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অস্ট্রিয়ার উপ-চ্যান্সেলর আন্দ্রেয়াস বাবলার বলেছেন, সরকার আর চুপচাপ বসে থাকতে পারে না, যখন সোশ্যাল মিডিয়া শিশুদের আসক্ত করে তুলছে এবং তাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে। তিনি মনে করেন, শিশুদের সুরক্ষার দায়িত্ব সরকারের। তার মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার বিষয়টি মদ বা তামাকের মতোই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত এবং এ ক্ষেত্রেও স্পষ্ট নিয়ম থাকা প্রয়োজন। তার ভাষায়, ভবিষ্যতে ১৪ বছরের নিচের শিশুদের এমন অ্যালগরিদম থেকে দূরে রাখা হবে, যা তাদের আসক্ত করে তোলে। বিশ্বজুড়ে একই প্রবণতা অস্ট্রিয়া একা নয়। ইতোমধ্যে আরও কয়েকটি দেশ শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার উদ্যোগ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করেছে ফ্রান্স ১৫ বছরের নিচে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছে যুক্তরাজ্য ১৬ বছরের নিচে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করছে ডেনমার্ক, গ্রিস, স্পেন ও আয়ারল্যান্ডও একই ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকা ক্ষতিকর কনটেন্ট শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা এসব উদ্যোগের মূল কারণ। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর অবস্থান সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো দাবি করে, তাদের প্ল্যাটফর্মে ১৩ বছরের নিচে ব্যবহারকারীদের অনুমতি নেই। তবে বাস্তবে এই নিয়ম কতটা কার্যকরভাবে মানা হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেক প্ল্যাটফর্মে অভিভাবক নিয়ন্ত্রণের সুবিধাও দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাতেও সমস্যার পুরো সমাধান হচ্ছে না। বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করা। অস্ট্রিয়া সরকার এ জন্য প্রযুক্তিগত সমাধান খুঁজছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সিস্টেম প্রস্তুত থাকলে তা ব্যবহার করা হতে পারে, না হলে দেশীয় পদ্ধতি তৈরি করা হবে। বিরোধিতা ও সমর্থন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে কিছু রাজনৈতিক নেতা বলছেন, এটি তরুণদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে অভিভাবকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। শিক্ষা খাতে পরিবর্তন এই পরিকল্পনার পাশাপাশি অস্ট্রিয়া সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তনের কথাও বলেছে। এর মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্র ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে নতুন পাঠ যোগ করা এবং কিছু বিষয় কমিয়ে আনা। শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের বিষয়টি এখন একটি বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। একদিকে যেমন প্রযুক্তির সুবিধা রয়েছে, অন্যদিকে এর ঝুঁকিও কম নয়। অস্ট্রিয়ার এই উদ্যোগ দেখাচ্ছে, সরকারগুলো এখন শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে এর বাস্তবায়ন এবং সচেতনতার ওপর। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, পরিবার, সমাজ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান—সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। সূত্র : বিবিসি
শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের পরিকল্পনা অস্ট্রিয়ার
চ্যাটবট কি আপনাকে ‘সুপারওয়ার্কার’ বানাতে পারে
চ্যাটবট কি আপনাকে ‘সুপারওয়ার্কার’ বানাতে পারে
কল্পনা করুন, আপনার মতোই চিন্তা করতে পারে, আপনার কাজের ধরন বোঝে এবং আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে—এমন একটি ডিজিটাল সংস্করণ। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এখন এ ধারণাটি আর কল্পনা নয়। রিচার্ড স্কেলেট নামের একজন প্রযুক্তি বিশ্লেষক গত তিন বছরে নিজের একটি এআই সংস্করণ তৈরি করেছেন, যার নাম তিনি দেন ‘ডিজিটাল রিচার্ড’। এটি একটি ছোট ভাষা মডেল, যা তার মিটিং, ডকুমেন্ট, প্রেজেন্টেশনসহ বিভিন্ন তথ্য থেকে শেখানো হয়েছে। ফলে এটি তার মতো করে চিন্তা করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতে পারে। কীভাবে কাজ করে এই ডিজিটাল টুইন এই চ্যাটবট বা ডিজিটাল সংস্করণটি মূলত একটি টেক্সট-ভিত্তিক সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারী প্রশ্ন করলে এটি সেই ব্যক্তির জ্ঞান ও চিন্তার ধরন অনুযায়ী উত্তর দেয়। এটি শুধু অফিসের কাজেই নয়, ব্যক্তিগত কাজ ব্যবস্থাপনাতেও সাহায্য করতে পারে। এমনকি কিছু অংশ আলাদা করে রাখা যায়, যাতে নির্দিষ্ট তথ্য অন্যদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকে। এই প্রযুক্তির ব্যবহার এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ‘ডিজিটাল সংস্করণ’ বা ‘ডিজিটাল টুইন’ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা কাজের গতি বাড়াতে পারে। কর্মক্ষেত্রে এর ব্যবহার ডিজিটাল টুইনের মাধ্যমে অনেক নতুন সুবিধা তৈরি হচ্ছে। যেমন—অবসর নিতে যাওয়া কর্মী ধীরে ধীরে কাজ কমাতে পারেন, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা কর্মীরা কাজ চালিয়ে নিতে পারেন এবং কোনো তথ্য জানার জন্য মিটিং বা ইমেইলের প্রয়োজন কমে যায়। ব্লোর রিসার্চ (Bloor Research) এরই মধ্যে তাদের কর্মীদের জন্য এ ধরনের ‘ডিজিটাল মি’ চালু করেছে। আরও অনেক প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে। যশ বার্সিন (Josh Bersin) এ ধারণাটিকে ‘সুপারওয়ার্কার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, এআই একজন কর্মীর সক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। ডিজিটাল টুইন থাকলে যে কোনো সময় কাজের তথ্য পাওয়া যায়, এমনকি রাতেও। এতে কাজের গতি বাড়ে এবং নতুন লোক নিয়োগের প্রয়োজন কমে যায়। সুবিধা থাকলেও প্রশ্নও আছে এই প্রযুক্তি যতই আকর্ষণীয় হোক, এর সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও জড়িত। ডিজিটাল টুইনের মালিক কে হবে বা এর মাধ্যমে বেশি কাজ করলে কর্মীর পারিশ্রমিক কীভাবে নির্ধারিত হবে। অথবা কে কোন তথ্য ব্যবহার করতে পারবে বা কোনো ভুল হলে দায় কার। Gartner-এর গবেষকরা মনে করেন, এই প্রযুক্তির সুবিধা পেতে হলে সঠিক নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ খুব জরুরি। আইনি ও নৈতিক চ্যালেঞ্জ আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল টুইন তৈরি করতে গেলে ব্যক্তিগত তথ্য, কাজের মালিকানা এবং চাকরির নিয়ম নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদি কোনো ডিজিটাল টুইন ভুল কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তার দায় কার ওপর পড়বে, এ বিষয়েও এখনো স্পষ্ট কোনো নিয়ম নেই। ভবিষ্যতে আদালতের মাধ্যমে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এটি একজন কর্মীর কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়িয়ে তাকে ‘সুপারওয়ার্কার’-এ পরিণত করতে পারে। তবে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে প্রযুক্তির পাশাপাশি নৈতিকতা, আইনি কাঠামো এবং ব্যক্তিগত অধিকার; সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রাখা জরুরি। সূত্র : বিবিসি
নতুন গুগল অ্যাপে ইন্টারনেট ছাড়াই করুন ভয়েস টাইপিং
নতুন গুগল অ্যাপে ইন্টারনেট ছাড়াই করুন ভয়েস টাইপিং
ইন্টারনেট ছাড়া ভয়েস টাইপিং করা আগে বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন তা অনেক সহজ হয়ে গেছে। সম্প্রতি গুগল একটি নতুন ‘এআই ডিকটেশন অ্যাপ’ এনেছে, যার মাধ্যমে অফলাইনেও কথা বলে লেখা তৈরি করা সম্ভব। ‘গুগল এআই এজ এলোকোয়েন্ট’ (Google AI Edge Eloquent) নামের এই অ্যাপটি আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে আইওএস (iOS) প্ল্যাটফর্মে চালু হয়েছে। এটি একটি অফলাইন-ফার্স্ট ডিকটেশন অ্যাপ, যা ব্যবহারকারীর কথা তাৎক্ষণিকভাবে লেখায় রূপান্তর করতে পারে। কীভাবে কাজ করে এই অ্যাপ অ্যাপটি ডাউনলোড করার পর প্রয়োজনীয় ভয়েস মডেল ইনস্টল করতে হয়। এরপর ইন্টারনেট ছাড়াই ভয়েস টাইপিং করা যায়। এতে গুগলের গেমা (Gemma) ভিত্তিক স্পিচ রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে আপনি কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে লাইভ লেখা দেখতে পারবেন। যেসব ফিচার এটিকে আলাদা করে পরিষ্কার ও গুছানো লেখা : কথা বলার সময় আমরা অনেক সময় উম বা আহ এর মতো শব্দ ব্যবহার করি। অ্যাপটি সেগুলো নিজে থেকেই বাদ দিয়ে লেখাকে আরও পরিষ্কার করে। লেখার স্টাইল বদলানোর সুবিধা : চাইলেই একই লেখাকে ছোট, বড় বা আরও আনুষ্ঠানিকভাবে সাজানো যায়। অফলাইন ও ক্লাউড দুই সুবিধাই : ইন্টারনেট চালু থাকলে ক্লাউড প্রসেসিং ব্যবহার করা যায়। আর বন্ধ থাকলে পুরো কাজটি ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়, যা গোপনীয়তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত ডিকশনারি যুক্ত করার সুবিধা : ব্যবহারকারী তার জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে নাম বা গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যোগ করতে পারেন। এতে বারবার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে। পুরোনো লেখা সংরক্ষণ ও খোঁজার সুবিধা : অ্যাপটি আগের ট্রান্সক্রিপশন সংরক্ষণ করে এবং সহজে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ দেয়। পাশাপাশি কত শব্দ বলা হয়েছে বা প্রতি মিনিটে কত শব্দ বলা হয়েছে, সেটাও দেখা যায়। বর্তমানে এটি শুধু আইওএস-এ সীমাবদ্ধ। তবে ভবিষ্যতে অ্যান্ড্রয়েডে এলে এটি ডিফল্ট কিবোর্ড হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ভয়েস টাইপিং আরও সহজ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, ইন্টারনেট ছাড়াই ভয়েস টাইপিং এখন আর কল্পনা নয়। নতুন এই প্রযুক্তি দৈনন্দিন কাজকে আরও দ্রুত এবং সহজ করে তুলতে পারে। সূত্র : টেক ক্রান্চ 
হোয়াটসঅ্যাপে অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট চালু করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপে অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট চালু করবেন যেভাবে
বর্তমান সময়ে মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে নতুন নতুন ফিচার যোগ হওয়া যেন নিত্যদিনের ব্যাপার। ব্যবহারকারীদের সুবিধা বাড়াতে প্রতিনিয়ত আপডেট নিয়ে আসছে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। এবার তারা এনেছে এমন একটি ফিচার, যা অনেকের দৈনন্দিন ব্যবহারকে আরও সহজ করে তুলবে। অনেক সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যখন ফোনে আসা ভয়েস মেসেজ শোনা সম্ভব হয় না—হয়তো আশপাশে প্রচণ্ড শব্দ, অথবা আপনি এমন জায়গায় আছেন যেখানে অডিও শোনা সুবিধাজনক নয়। এই সমস্যার সমাধানেই হোয়াটসঅ্যাপ চালু করেছে অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট (Voice Message Transcript) নামের নতুন সুবিধা। এর মাধ্যমে এখন আর ভয়েস মেসেজ শোনার প্রয়োজন নেই। চাইলেই সেটিকে লেখায় রূপান্তর করে পড়ে নেওয়া যাবে। কী এই অডিও মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট ফিচার? এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যে কোনো ভয়েস মেসেজকে টেক্সটে রূপান্তর করতে পারবেন। ফলে অডিও না শুনেই সহজে বার্তার বিষয়বস্তু জানা সম্ভব হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে—এই ট্রান্সক্রিপশন সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারকারীর নিজের ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ কোনো অডিও বা টেক্সট সার্ভারে পাঠানো হয় না, যা গোপনীয়তা রক্ষার দিক থেকে বড় সুবিধা। কীভাবে চালু করবেন ফিচারটি হোয়াটসঅ্যাপ খুলে Settings-এ যান Chats অপশনে প্রবেশ করুন Voice message transcripts-এ ট্যাপ করুন ফিচারটি On/Off করুন Choose language থেকে পছন্দের ভাষা নির্বাচন করুন পরে ভাষা পরিবর্তন করতে চাইলে: Settings > Chats > Transcript language-এ গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে কীভাবে ভয়েস মেসেজকে লেখায় রূপান্তর করবেন আগে নিশ্চিত করুন ফিচারটি চালু আছে যে কোনো ভয়েস মেসেজে ট্যাপ করে ধরে রাখুন Transcribe অপশন নির্বাচন করুন এরপর মেসেজের নিচেই টেক্সট দেখা যাবে। বড় হলে সেটি প্রসারিত করে পড়া যাবে। কোন কোন ভাষায় কাজ করে অ্যান্ড্রয়েডে: ইংরেজি, পর্তুগিজ, স্প্যানিশ ও রুশ। হয়তো ধীরে ধীরে আরও ভাষা যুক্ত হবে।  আইফোনে (iOS 16 থেকে): ইংরেজি, আরবি, চীনা, ফরাসি, জার্মান, ইতালিয়ান, জাপানি, কোরিয়ান, পর্তুগিজ, রুশ, স্প্যানিশ, তুর্কি iOS 17 বা পরবর্তী ভার্সনে: দানি, ডাচ, ফিনিশ, হিব্রু, মালয়, নরওয়েজিয়ান, সুইডিশ, থাইসহ আরও ভাষা যুক্ত হয়েছে। মনে রাখবেন, আইফোনে এই ফিচার ব্যবহার করতে Siri চালু থাকতে হবে।  কখন ট্রান্সক্রিপশন নাও দেখা যেতে পারে  নির্বাচিত ভাষা ভয়েস মেসেজের ভাষার সাথে না মিললে  ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি শব্দ থাকলে  ভাষাটি সাপোর্টেড না হলে  কখনও কখনও স্বয়ংক্রিয় ভুল হতে পারে ভয়েস মেসেজ শোনার ঝামেলা কমাতে হোয়াটসঅ্যাপের এই নতুন ফিচার নিঃসন্দেহে একটি বড় সুবিধা। বিশেষ করে ব্যস্ততা বা শব্দপূর্ণ পরিবেশে এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কার্যকর হবে। প্রযুক্তির এই ছোট পরিবর্তনই অনেক সময় ব্যবহার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করে তোলে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
ব্যবহারকারীদের জন্য জিমেইলের নতুন চমক
ব্যবহারকারীদের জন্য জিমেইলের নতুন চমক
গুগল অবশেষে জিমেইল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এনেছে। এখন থেকে ব্যবহারকারীরা তাদের জিমেইল অ্যাকাউন্টের ইউজার নেম, অর্থাৎ @gmail.com-এর আগের অংশটি পরিবর্তন করতে পারবেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের পুরোনো বা অপছন্দের ইমেইল আইডি বদলে নতুন নাম ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই ফিচার ব্যবহারের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি। জিমেইল ইউজার নেম পরিবর্তনের পর কী হবে ইউজার নেম পরিবর্তন করার পর কয়েকটি বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটবে: আপনার পুরোনো জিমেইল ঠিকানাটি একটি অল্টারনেট ইমেইল হিসেবে থেকে যাবে নতুন ও পুরোনো; দুটো ঠিকানাতেই পাঠানো ইমেইল আপনি পাবেন আপনার অ্যাকাউন্টের কোনো ডাটা, যেমন ছবি, মেইল বা ফাইল, মুছে যাবে না আপনি চাইলে যে কোনো সময় পুরোনো ইমেইলে ফিরে যেতে পারবেন তবে নতুন জিমেইল ইউজার নেম তৈরি করার সুযোগ ১২ মাসে একবার নতুন ইমেইল ডিলিট করা যাবে না জিমেইল, ম্যাপস, ইউটিউব, গুগল ড্রাইভসহ সব গুগল সার্ভিসে পুরোনো ও নতুন - দুটো দিয়েই লগইন করা যাবে পরিবর্তনের আগে যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন ইউজারনেম পরিবর্তনের আগে গুগল কিছু সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে: কিছু অ্যাপ সেটিংস রিসেট হতে পারে নতুন ডিভাইসে লগইন করার মতো কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে আগের ইমেইল অনেক জায়গায় থেকেই যেতে পারে, যেমন পুরোনো ক্যালেন্ডার ইভেন্টে ডাটা ব্যাকআপ রাখা ভালো, যাতে কোনো সমস্যা হলে পুনরুদ্ধার করা যায় যেভাবে জিমেইলের ইউজার নেম পরিবর্তন করবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ৫ করে সহজেই ইউজার নেম পরিবর্তন করা যায়: ধাপ ১: আপনার ডিভাইস থেকে Google Account সেটিংসে যান ধাপ ২: Personal info অপশনে ক্লিক করুন ধাপ ৩: মেইল সেকশনে গিয়ে Google Account email নির্বাচন করুন ধাপ ৪: Change Google Account email অপশন থাকলে সেটিতে ক্লিক করুন ধাপ ৫: সম্ভাব্য সমস্যা বা সতর্কতা ভালোভাবে পড়ে নিন ধাপ ৬: নতুন ইউজার নেম লিখুন (যেটি আগে কেউ ব্যবহার করেনি) ধাপ ৭: Change মেইলে ক্লিক করে নিশ্চিত করুন প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনার নতুন জিমেইল ঠিকানা চালু হবে এবং পুরোনোটি অল্টারনেট হিসেবে যুক্ত থাকবে। সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর কতবার জিমেইল ইউজার নেম পরিবর্তন করা যাবে? ১২ মাসে একবার নতুন ইউজার নেম তৈরি করা যাবে, সর্বোচ্চ তিনবার। পুরোনো ইমেইলে মেইল আসবে? হ্যাঁ, পুরোনো ও নতুন- দুটো ঠিকানাতেই মেইল আসবে। পুরোনো ইমেইল কি অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে? না, এটি আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গেই যুক্ত থাকবে এবং অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। পুরোনো ইমেইল থেকে মেইল পাঠানো যাবে? হ্যাঁ, চাইলে পুরোনো ঠিকানা থেকেও ইমেইল পাঠানো সম্ভব। জিমেইল ইউজার নেম পরিবর্তনের এই নতুন সুবিধা ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ উপকারী। তবে এটি ব্যবহার করার আগে নিয়ম-কানুন এবং সম্ভাব্য পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। নতুন এই আপডেটের মাধ্যমে জিমেইল ব্যবহার আরও নমনীয় হয়েছে। অনেক দিন ধরে যাদের ইমেইল আইডি পরিবর্তনের ইচ্ছা ছিল, তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ। তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, আগে সব দিক বিবেচনা করে তারপর ইউজারনেম পরিবর্তন করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও বুদ্ধিমানের কাজ। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া