
সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে খুদে ক্রীড়াবিদদের সামনে তিনি জানান, এই আয়োজনের ভাবনা এসেছিল প্রায় চার থেকে সাড়ে চার বছর আগে, লন্ডনের এক আলাপচারিতায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘এটা প্রায় চার, সাড়ে চার বছর আগের কথা। আজকের এই যে আমাদের স্পোর্টস মিনিস্টার আমিনুল, এই আমিনুল গিয়েছিল লন্ডনে আমার সঙ্গে দেখা করতে। তখন আমি লন্ডনে থাকতাম।’
তিনি জানান, আমিনুলের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তারা একটি রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে বাংলাদেশের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে খেলাধুলা নিয়ে কথা শুরু হয়।
তারেক রহমান বলেন, ‘যেহেতু আমিনুল স্পোর্টসের মানুষ, আমি ওর সঙ্গে স্পোর্টস নিয়ে আলাপ শুরু করলাম। যে স্পোর্টস নিয়ে আমরা কী কী করব, বিভিন্ন বিষয় আলাপ করলাম। আলাপ করতে করতে এক পর্যায়ে আমরা খাবার টেবিলে বসে ঠিক করলাম যে, আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চালু করব বাংলাদেশে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশু-কিশোরদেরই দিনের প্রধান অতিথি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। গ্যালারিতে থাকা খুদে ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনুষ্ঠানের চিফ গেস্ট কারা? এই যে গ্যালারিতে ছোট বন্ধুরা বসে আছো, তোমরা হচ্ছে আজকের অনুষ্ঠানের চিফ গেস্ট।’
শিশুদের নিজেদের স্বপ্ন অনুযায়ী গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা যত সুন্দরভাবে নিজেদেরকে তৈরি করতে পারবে, তোমরা যত শক্তিশালীভাবে নিজেদেরকে তৈরি করতে পারবে, যে খেলোয়াড় হতে চাও তাকে খেলোয়াড় হতে হবে, যে গায়ক হতে চাও তাকে গায়ক হতে হবে, যে মিউজিশিয়ান হতে চাও তাকে মিউজিশিয়ান হতে হবে, যে আর্কিটেক্ট হতে চাও তাকে আর্কিটেক্ট হতে হবে, যে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাও তাকে ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে, যে ডাক্তার হতে চাও তাকে ডাক্তার হতে হবে।’
শিশু-কিশোরদের উন্নতির সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে যুক্ত করে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেককে তোমাদের গড়ে উঠতে হবে, তাহলেই এই বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।’
পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চার ওপরও গুরুত্ব দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘পড়তে হবে, নিজেকে রেডি করতে হবে। আর খেলতে হবে। একই সঙ্গে যে গান শিখতে চায় সে গান শিখবে, সেই ব্যবস্থা আমরা করব। যে মিউজিশিয়ান হতে চায় সে মিউজিশিয়ান হবে, সেই ব্যবস্থা ইনশাআল্লাহ আমরা করব। যে খেলতে চায় সে খেলোয়াড় হবে, সেই ব্যবস্থা আমরা ইনশাআল্লাহ করব।’
শেষে শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের সকলকে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে।’




