ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

ইশরাকের শপথ ইস্যু

হাইকোর্টের রায়ের পর সারজিসের স্ট্যাটাস

কালবেলা ডেস্ক

  ২২ মে ২০২৫, ১১:৫৬
সারজিস আলম ও ইশরাক হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বৃহস্পতিবার (২২ মে) ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

পোস্টে সারজিস আলম লিখেন, ‘মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি?’

উল্লেখ্য, এদিন বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ করেন। এর ফলে মেয়র পদে ইশরাকের শপথে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আদালত।

ইশরাকের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, এই আদেশের ফলে মেয়র পদে ইশরাকের শপথে বাধা নেই। এ সময় আগামী ২৬ মের মধ্যে ইশরাককে শপথ না পড়ালে আদালত অবমাননা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন এবং বাংলাদেশ-বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিন বলে আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডা. পিনাকী ভট্টাচার্য, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ইউটিউবার ও বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এবং প্রবাসে বসবাসরত সাংবাদিক কনক সারোয়ার। শুক্রবার (২৩ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে লাল ক্রস চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দলীয় একটি পতাকাও যুক্ত করে দেওয়া হয়। পোস্টে তারা বলেন, ‘দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি-বিরোধী; ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ আন্দোলনে সদা সক্রিয়; এবং বাংলাদেশ-বিরোধী ইন্ডিয়ার সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার দলগুলোকে নিয়ে, দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন। এর আগে দেশের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তবে পিনাকী-ইলিয়াস-কনক একসঙ্গে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ ঘোষণা দেন তিনি। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দেশের প্রয়োজন হলে এবং অধ্যাপক ইউনূসের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিলে পিনাকী ভট্টাচার্য, সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও লেখক ইলিয়াস হোসেন একসঙ্গে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।’ একই বার্তা দিয়েছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পিনাকীর দেওয়ার ফেসবুক কার্ডটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ।’
পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে, এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তাদের মামলা এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং চূড়ান্ত রায় দেননি আদালত। তাই রায় হওয়ার আগেই ফাঁসি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ এক প্রতিবেদনে এই তথ্যকে ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করেছে। জানা যায়, কোনো মামলায় বিচারিক আদালতে রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা এসব আপিল ও আবেদনের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। সিনহা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর রায়সহ নথিপত্র ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছে, যা একই বছর ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স মামলা শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়। পেপারবুক প্রস্তুতসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে প্রধান বিচারপতি মামলাটি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি সগির হোসেনের সমন্বয়ে  হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে নির্ধারণ করে দেন। এই দ্বৈত বেঞ্চে ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকে দাবি করছেন, এই ছবিগুলো আসলে তিন বছর আগের, কিন্তু আওয়ামীপন্থি অনেকে এগুলোকে সাম্প্রতিক ছবি দাবি করে গুজব ছড়াচ্ছে। ‘দৈনিক আমার দেশ’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকেও এই দাবিটি প্রচার হতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ছবিগুলো তিন বছরের পুরোনো নয় বরং, গত ১৮ থেকে ২১ মে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের ছবি। এই বিষয়ে অনুসন্ধানে, দ্য ডেইলি স্টারের বাংলা সংস্করণে গত ২১ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আলোচিত তিনটি ছবিই খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের ১৫ সদস্যকে নিয়ে চার দিনের একটি যৌথ উদ্ধার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৮ মে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ গত বুধবার (২১ মে) শেষ হয়। বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্তদের উদ্ধারকাজ পরিচালনা নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দেশের অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমেও একই তথ্য জানানো হয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়েবসাইটে ৫ মে প্রকাশিত একটি অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে ১৮ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত কক্সবাজারে ‘Swift Water Rescue Training’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিট থেকে ১৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত করা হয়। এই ছবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। তিনি জানান, ছবিগুলো চলতি বছরেরই এবং সদ্য অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সময় তোলা। তবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন নয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে বিভিন্ন সময় এ রকম প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়ে থাকে। রিউমর স্ক্যানারের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গতকাল (২১ মে) রিউমর স্ক্যানারের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে সম্প্রতি বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবিকে তিন বছর পুরোনো বলে দাবি করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
দেশে এক-এগারোর পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা উল্লেখ করেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘১/১১-এর পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না, দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এরূপ অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনী অতীতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন করে আরো ভোগান্তি ডেকে আনা ঠিক হবে না।’ উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের গত বুধবার দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই ঝড়ের আঁচড় খোদ সরকারের ওপর পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। টানা চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে চলমান সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। দিনভর নানা অলোচনার পর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে পদত্যাগ করতে চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এমন প্রেক্ষাপটে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এমন মন্তব্য করেন।
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
‘প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে লেখা স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত মতামত’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ সংক্রান্ত বিষয়ে ফেসবুকে যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, তা ব্যক্তিগত মতামত বলে জানিয়েছেন তার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শুক্রবার (২৩ মে) বিকালে একই আইডিতে পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লেখেন নতুন পোস্টে লেখেন, ‘ডিসক্লেইমার— মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা স্যারের বিষয়ে দেওয়া স্ট্যাটাসটি আমার ব্যক্তিগত মতামত। এটাকে নিউজ না করার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। ধন্যবাদসহ।’
‘প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে লেখা স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত মতামত’
পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন এবং বাংলাদেশ-বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিন বলে আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডা. পিনাকী ভট্টাচার্য, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ইউটিউবার ও বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এবং প্রবাসে বসবাসরত সাংবাদিক কনক সারোয়ার। শুক্রবার (২৩ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে লাল ক্রস চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দলীয় একটি পতাকাও যুক্ত করে দেওয়া হয়। পোস্টে তারা বলেন, ‘দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি-বিরোধী; ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ আন্দোলনে সদা সক্রিয়; এবং বাংলাদেশ-বিরোধী ইন্ডিয়ার সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার দলগুলোকে নিয়ে, দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন। এর আগে দেশের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তবে পিনাকী-ইলিয়াস-কনক একসঙ্গে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ ঘোষণা দেন তিনি। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দেশের প্রয়োজন হলে এবং অধ্যাপক ইউনূসের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিলে পিনাকী ভট্টাচার্য, সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও লেখক ইলিয়াস হোসেন একসঙ্গে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।’ একই বার্তা দিয়েছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পিনাকীর দেওয়ার ফেসবুক কার্ডটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ।’
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে, এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তাদের মামলা এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং চূড়ান্ত রায় দেননি আদালত। তাই রায় হওয়ার আগেই ফাঁসি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ এক প্রতিবেদনে এই তথ্যকে ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করেছে। জানা যায়, কোনো মামলায় বিচারিক আদালতে রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা এসব আপিল ও আবেদনের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। সিনহা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর রায়সহ নথিপত্র ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছে, যা একই বছর ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স মামলা শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়। পেপারবুক প্রস্তুতসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে প্রধান বিচারপতি মামলাটি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি সগির হোসেনের সমন্বয়ে  হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে নির্ধারণ করে দেন। এই দ্বৈত বেঞ্চে ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকে দাবি করছেন, এই ছবিগুলো আসলে তিন বছর আগের, কিন্তু আওয়ামীপন্থি অনেকে এগুলোকে সাম্প্রতিক ছবি দাবি করে গুজব ছড়াচ্ছে। ‘দৈনিক আমার দেশ’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকেও এই দাবিটি প্রচার হতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ছবিগুলো তিন বছরের পুরোনো নয় বরং, গত ১৮ থেকে ২১ মে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের ছবি। এই বিষয়ে অনুসন্ধানে, দ্য ডেইলি স্টারের বাংলা সংস্করণে গত ২১ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আলোচিত তিনটি ছবিই খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের ১৫ সদস্যকে নিয়ে চার দিনের একটি যৌথ উদ্ধার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৮ মে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ গত বুধবার (২১ মে) শেষ হয়। বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্তদের উদ্ধারকাজ পরিচালনা নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দেশের অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমেও একই তথ্য জানানো হয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়েবসাইটে ৫ মে প্রকাশিত একটি অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে ১৮ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত কক্সবাজারে ‘Swift Water Rescue Training’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিট থেকে ১৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত করা হয়। এই ছবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। তিনি জানান, ছবিগুলো চলতি বছরেরই এবং সদ্য অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সময় তোলা। তবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন নয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে বিভিন্ন সময় এ রকম প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়ে থাকে। রিউমর স্ক্যানারের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গতকাল (২১ মে) রিউমর স্ক্যানারের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে সম্প্রতি বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবিকে তিন বছর পুরোনো বলে দাবি করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
দেশে এক-এগারোর পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা উল্লেখ করেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘১/১১-এর পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না, দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এরূপ অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনী অতীতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন করে আরো ভোগান্তি ডেকে আনা ঠিক হবে না।’ উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের গত বুধবার দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই ঝড়ের আঁচড় খোদ সরকারের ওপর পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। টানা চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে চলমান সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। দিনভর নানা অলোচনার পর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে পদত্যাগ করতে চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এমন প্রেক্ষাপটে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এমন মন্তব্য করেন।