ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

ছেলের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে অপপ্রচারের শিকার মা

কালবেলা ডেস্ক

  ২১ মে ২০২৫, ২৩:৪৫
রিউমার স্ক্যানারের ফ্যাক্ট চেক। ছবি : সংগৃহীত

গত ১৫ মে (বৃহস্পতিবার) রাত আড়াইটার দিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন (১৬ মে) দুপুর ৩টা ৪৩ মিনিটে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) সহ-মুখপাত্র ফারদিন হাসান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দেন।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সাদ্দামের বাবা মারা গেসে নিউজটা অসত্য। এদের সবার বাপ তো মারা গেসে সেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট।’

ফারদিনের পোস্টের মন্তব্য ঘরেই তার পরিবারের নারী সদস্যদের, বিশেষ করে তিনি ও তার মায়ের একটি ছবি ঘিরে আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত একাধিক ফেসবুক প্রোফাইল থেকে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়।

ওই পোস্টের দুই ঘণ্টা পরেই ফেসবুকে আপত্তিকর নাম দিয়ে একটি পেজ সক্রিয় হতে দেখা যায়। পেজটির ট্রান্সপারেন্সি সেকশন অনুযায়ী, এটি ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ‘উর্দু কোচিং সেন্টার, বাংলাদেশ শাখা’ নামে তৈরি হয়েছিল। ১৬ মে ফারদিনের আলোচিত পোস্টের পরেই পেজটির নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নাম রাখা হয়। পেজটির প্রোফাইল ছবিতে ফারদিন ও তার মায়ের ওই আলোচিত ছবিটি ব্যবহার করা হয়। কভার ছবিতে ফারদিনসহ তার পরিবারের নারী সদস্যদের আরও একটি ছবি যুক্ত করা হয়।

নাম পরিবর্তনের পর থেকেই পেজটিতে ফারদিনের সঙ্গে বিভিন্ন নারীর ছবি সংগ্রহ করে আপত্তিকর ক্যাপশনসহ পোস্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে ফারদিনের মায়ের সঙ্গে তার শৈশবের একটি ছবিও রয়েছে। ১৬ মে রাত ৯টা ২৯ মিনিটে ফারদিন ও তার মায়ের চুম্বনের দৃশ্য দাবিতে পেজটিতে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়।

তবে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানারের বিশ্লেষণে জানা যায়, ভিডিওটি বাস্তব নয়। ফারদিন ও তার মায়ের ছবি ব্যবহার করে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, ভিডিওটিতে এআই ব্যবহারের একাধিক লক্ষণ পাওয়া গেছে। যেমন: কিছু ফ্রেমে হাতের আঙুল গায়েব হয়ে যাওয়া বা আকৃতি পরিবর্তন, মুখের নড়াচড়া থাকলেও শরীরের ভঙ্গি অপরিবর্তিত থাকা এবং পোশাকের গঠন এক রকম থাকা। বিষয়টি আরও নিশ্চিত হতে ভিডিওটি ডিপফেক শনাক্তকারী ‘ডিপফেক-ও-মিটার’ টুলের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। টুলটির ‘DSP-FWA (2019)’ মডেল অনুযায়ী, ভিডিওটিতে এআই ব্যবহারের সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। একই টুলের আরও চারটি ভিন্ন মডেলেও ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা (৭০ শতাংশের বেশি) শনাক্ত হয়।

১৭ মে ফেসবুক পেজটিতে লাল শাড়ি পরা এক নারীর ছবি পোস্ট করে দাবি করা হয়, এটি ফারদিন হাসানের মায়ের। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছবিটি অন্য একজন নারীর। রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে ছবি শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইমগুরে ছবিটির মূল সংস্করণ পাওয়া যায়। মূল ছবিতে থাকা নারীর মুখ ফারদিনের মায়ের সঙ্গে মেলে না। দুই ছবির তুলনামূলক বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা ওই নারীর ছবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ‘ফেস-সোয়াপ’ পদ্ধতি ব্যবহার করে ফারদিনের মায়ের মুখ বসিয়ে প্রচার করা হয়েছে।

একই দিন ফেসবুক পেজটিতে ফারদিনের মায়ের ছবি দাবি করে আরও দুটি ছবি পোস্ট করা হয়। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই ছবিগুলোও এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি। এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল সাইট ইঞ্জিনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিগুলোতে ‘ফেস ম্যানিপুলেশন’ বা মুখ বিকৃতির সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। প্ল্যাটফর্মটি এগুলোকে সম্ভাব্য ডিপফেক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে এই ফেসবুক পেজ থেকে অপপ্রচার শুরু হয়। এই প্রতিবেদন লেখার সময় (২১ মে) পর্যন্ত চার দিন পেরিয়ে গেলেও আপত্তিকর কনটেন্টগুলো ফেসবুক থেকে সরানো হয়নি। এমনকি পেজটি থেকে ছড়ানো আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অন্যান্য ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত প্রোফাইলেও ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে ফারদিন ও তার মায়ের চুম্বনের দৃশ্য দাবি করে প্রচারিত এআই-তৈরি ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে।

পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন এবং বাংলাদেশ-বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিন বলে আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডা. পিনাকী ভট্টাচার্য, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ইউটিউবার ও বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এবং প্রবাসে বসবাসরত সাংবাদিক কনক সারোয়ার। শুক্রবার (২৩ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে লাল ক্রস চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দলীয় একটি পতাকাও যুক্ত করে দেওয়া হয়। পোস্টে তারা বলেন, ‘দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি-বিরোধী; ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ আন্দোলনে সদা সক্রিয়; এবং বাংলাদেশ-বিরোধী ইন্ডিয়ার সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার দলগুলোকে নিয়ে, দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন। এর আগে দেশের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তবে পিনাকী-ইলিয়াস-কনক একসঙ্গে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ ঘোষণা দেন তিনি। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দেশের প্রয়োজন হলে এবং অধ্যাপক ইউনূসের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিলে পিনাকী ভট্টাচার্য, সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও লেখক ইলিয়াস হোসেন একসঙ্গে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।’ একই বার্তা দিয়েছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পিনাকীর দেওয়ার ফেসবুক কার্ডটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ।’
পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে, এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তাদের মামলা এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং চূড়ান্ত রায় দেননি আদালত। তাই রায় হওয়ার আগেই ফাঁসি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ এক প্রতিবেদনে এই তথ্যকে ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করেছে। জানা যায়, কোনো মামলায় বিচারিক আদালতে রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা এসব আপিল ও আবেদনের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। সিনহা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর রায়সহ নথিপত্র ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছে, যা একই বছর ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স মামলা শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়। পেপারবুক প্রস্তুতসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে প্রধান বিচারপতি মামলাটি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি সগির হোসেনের সমন্বয়ে  হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে নির্ধারণ করে দেন। এই দ্বৈত বেঞ্চে ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকে দাবি করছেন, এই ছবিগুলো আসলে তিন বছর আগের, কিন্তু আওয়ামীপন্থি অনেকে এগুলোকে সাম্প্রতিক ছবি দাবি করে গুজব ছড়াচ্ছে। ‘দৈনিক আমার দেশ’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকেও এই দাবিটি প্রচার হতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ছবিগুলো তিন বছরের পুরোনো নয় বরং, গত ১৮ থেকে ২১ মে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের ছবি। এই বিষয়ে অনুসন্ধানে, দ্য ডেইলি স্টারের বাংলা সংস্করণে গত ২১ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আলোচিত তিনটি ছবিই খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের ১৫ সদস্যকে নিয়ে চার দিনের একটি যৌথ উদ্ধার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৮ মে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ গত বুধবার (২১ মে) শেষ হয়। বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্তদের উদ্ধারকাজ পরিচালনা নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দেশের অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমেও একই তথ্য জানানো হয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়েবসাইটে ৫ মে প্রকাশিত একটি অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে ১৮ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত কক্সবাজারে ‘Swift Water Rescue Training’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিট থেকে ১৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত করা হয়। এই ছবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। তিনি জানান, ছবিগুলো চলতি বছরেরই এবং সদ্য অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সময় তোলা। তবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন নয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে বিভিন্ন সময় এ রকম প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়ে থাকে। রিউমর স্ক্যানারের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গতকাল (২১ মে) রিউমর স্ক্যানারের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে সম্প্রতি বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবিকে তিন বছর পুরোনো বলে দাবি করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
দেশে এক-এগারোর পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা উল্লেখ করেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘১/১১-এর পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না, দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এরূপ অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনী অতীতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন করে আরো ভোগান্তি ডেকে আনা ঠিক হবে না।’ উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের গত বুধবার দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই ঝড়ের আঁচড় খোদ সরকারের ওপর পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। টানা চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে চলমান সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। দিনভর নানা অলোচনার পর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে পদত্যাগ করতে চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এমন প্রেক্ষাপটে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এমন মন্তব্য করেন।
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
‘প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে লেখা স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত মতামত’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ সংক্রান্ত বিষয়ে ফেসবুকে যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, তা ব্যক্তিগত মতামত বলে জানিয়েছেন তার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শুক্রবার (২৩ মে) বিকালে একই আইডিতে পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লেখেন নতুন পোস্টে লেখেন, ‘ডিসক্লেইমার— মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা স্যারের বিষয়ে দেওয়া স্ট্যাটাসটি আমার ব্যক্তিগত মতামত। এটাকে নিউজ না করার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। ধন্যবাদসহ।’
‘প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে লেখা স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত মতামত’
পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
পিনাকী, ইলিয়াস ও কনকের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান
দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন এবং বাংলাদেশ-বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিন বলে আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডা. পিনাকী ভট্টাচার্য, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ইউটিউবার ও বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এবং প্রবাসে বসবাসরত সাংবাদিক কনক সারোয়ার। শুক্রবার (২৩ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে লাল ক্রস চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দলীয় একটি পতাকাও যুক্ত করে দেওয়া হয়। পোস্টে তারা বলেন, ‘দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি-বিরোধী; ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ আন্দোলনে সদা সক্রিয়; এবং বাংলাদেশ-বিরোধী ইন্ডিয়ার সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার দলগুলোকে নিয়ে, দেশপ্রেমিক ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলুন। এর আগে দেশের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তবে পিনাকী-ইলিয়াস-কনক একসঙ্গে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ ঘোষণা দেন তিনি। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দেশের প্রয়োজন হলে এবং অধ্যাপক ইউনূসের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিলে পিনাকী ভট্টাচার্য, সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও লেখক ইলিয়াস হোসেন একসঙ্গে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।’ একই বার্তা দিয়েছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পিনাকীর দেওয়ার ফেসবুক কার্ডটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ।’
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
সাবেক ওসি প্রদীপের ফাঁসি কার্যকর দাবিতে প্রচার, যা জানা গেছে
মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে, এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তাদের মামলা এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং চূড়ান্ত রায় দেননি আদালত। তাই রায় হওয়ার আগেই ফাঁসি কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ এক প্রতিবেদনে এই তথ্যকে ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করেছে। জানা যায়, কোনো মামলায় বিচারিক আদালতে রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা এসব আপিল ও আবেদনের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। সিনহা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর রায়সহ নথিপত্র ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছে, যা একই বছর ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স মামলা শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়। পেপারবুক প্রস্তুতসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে প্রধান বিচারপতি মামলাটি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি সগির হোসেনের সমন্বয়ে  হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে নির্ধারণ করে দেন। এই দ্বৈত বেঞ্চে ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকে দাবি করছেন, এই ছবিগুলো আসলে তিন বছর আগের, কিন্তু আওয়ামীপন্থি অনেকে এগুলোকে সাম্প্রতিক ছবি দাবি করে গুজব ছড়াচ্ছে। ‘দৈনিক আমার দেশ’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকেও এই দাবিটি প্রচার হতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ছবিগুলো তিন বছরের পুরোনো নয় বরং, গত ১৮ থেকে ২১ মে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের ছবি। এই বিষয়ে অনুসন্ধানে, দ্য ডেইলি স্টারের বাংলা সংস্করণে গত ২১ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আলোচিত তিনটি ছবিই খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের ১৫ সদস্যকে নিয়ে চার দিনের একটি যৌথ উদ্ধার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৮ মে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ গত বুধবার (২১ মে) শেষ হয়। বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্তদের উদ্ধারকাজ পরিচালনা নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দেশের অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমেও একই তথ্য জানানো হয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়েবসাইটে ৫ মে প্রকাশিত একটি অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে ১৮ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত কক্সবাজারে ‘Swift Water Rescue Training’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিট থেকে ১৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত করা হয়। এই ছবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। তিনি জানান, ছবিগুলো চলতি বছরেরই এবং সদ্য অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সময় তোলা। তবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন নয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে বিভিন্ন সময় এ রকম প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়ে থাকে। রিউমর স্ক্যানারের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের প্রশিক্ষণ নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গতকাল (২১ মে) রিউমর স্ক্যানারের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে সম্প্রতি বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কয়েকজন সদস্যকে দেওয়া প্রশিক্ষণের তিনটি ছবিকে তিন বছর পুরোনো বলে দাবি করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধানের স্ট্যাটাস
দেশে এক-এগারোর পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা উল্লেখ করেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘১/১১-এর পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না, দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এরূপ অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনী অতীতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন করে আরো ভোগান্তি ডেকে আনা ঠিক হবে না।’ উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের গত বুধবার দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই ঝড়ের আঁচড় খোদ সরকারের ওপর পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। টানা চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে চলমান সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। দিনভর নানা অলোচনার পর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে পদত্যাগ করতে চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এমন প্রেক্ষাপটে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এমন মন্তব্য করেন।