ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-২ আসন (ফুলপুর-তারাকান্দা) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী এই সংসদ সদস্য এশিয়া পোস্টের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। আলোচনায় উঠে এসেছে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক সমীকরণ, কওমি সনদধারীদের সরকারি চাকরিতে সুযোগ তৈরি, নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রায়হান রাশেদ
এশিয়া পোস্ট: প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এশিয়া পোস্টের পক্ষ থেকে আপনাকে অভিনন্দন। কওমি মাদ্রাসার যে চারজন আলেম এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে আপনিও একজন। অনুভূতি কী?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: আলহামদুলিল্লাহ। অনুভূতি অনুভব করা যায়, বর্ণনা করা যায় না। সংসদে গিয়ে বুঝতে পেরেছি, দেশ-জাতির কল্যাণে কিছু করতে হলে সেখানে যাওয়া প্রয়োজন। সেখানে গেলে দেশ-জাতির জন্য কাজের পথ প্রশস্ত হয়। এবার আমরা চারজন কওমির আলেম সংসদ সদস্য হয়েছি। আশা করি, সামনে সংখ্যাটা আরও বাড়বে। কাজের মাধ্যমে জনগণ আমাদের চিনবে, আমাদের পথ তৈরি করবে।
এশিয়া পোস্ট: সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে বেশি জোর দেবেন?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: সব বিষয়ে সৎ থাকব। জনসম্পৃক্ত প্রতিটি কাজই যথাসাধ্য করার চেষ্টা করব। জনগণের সেবায় আপসহীন থাকব। তাদের জন্য বরাদ্দের একটি পয়সাও এদিক-সেদিক করব না। কাজ দিয়ে সফলতা অর্জন করতে চাই। মানুষ যে আশা ও দায়িত্ব দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আদায় করব।
এশিয়া পোস্ট: আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হেভিওয়েট বেশ কয়েকজন প্রার্থী। জনগণ শেষ পর্যন্ত কেন আপনাকে বেছে নিয়েছে বলে মনে করেন?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: অনেক কারণ আছে। প্রথমত আমার ব্যক্তিত্ব। হাদিসে আছে, ‘দাতার হাত গ্রহীতার চেয়ে উত্তম’। আমি বড় হওয়ার পর থেকে দাতা হয়েছি। কারও কাছে কখনও হাত পাতিনি, সেটা মাদ্রাসা-মসজিদ পরিচালনা কিংবা অন্য যে কোনো কাজে। ব্যবসা শুরুর পর প্রয়োজনীয় টাকা রেখে অতিরিক্ত টাকা মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি। আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও মাদ্রাসা-মসজিদে সবসময় দান করেছি। এর মাধ্যমে আমার প্রতি মানুষের সুধারণা জন্ম নিয়েছে। দ্বিতীয়ত, বক্তা হিসেবে এলাকায় প্রচুর মাহফিল করেছি। সেখান থেকে মানুষ আমাকে চেনে। তৃতীয়ত, আল্লামা মামুনুল হকের দলের প্রার্থী আমি। মামুনুল হকের ব্যক্তিত্বের প্রভাব আমার বাক্সে ভোট এনে দিয়েছে। চতুর্থত, বিএনপিতে কোন্দল। কোন্দলের কারণে তাদের অনেক ভোট আমি পেয়েছি। পঞ্চম, বিএনপির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ে মানুষ অসন্তুষ্ট ছিল। মানুষ মনে করেছে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেড়ে যাবে।
এশিয়া পোস্ট: ইসলামপন্থি দলগুলো নির্বাচনের আগে জোট করেছিল। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ইসলামী আন্দোলন সেই জোট থেকে সরে দাঁড়ায়। ইসলামপন্থিদের ভোট কেন এক বাক্সে গেল না?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: মোটামুটি সব রাজনৈতিক দলই দলকানা। জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থীর বাইরে নমনীয় ছিল। এটা প্রায় সবাই জানত, বাংলাদেশে যদি রিকশার দু-একটি আসনও জিতে, তাহলে আমারটি জিতবে। এটা জানার পরও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নিজেকে বেশ বড় করে প্রচার করত। দাবি করত, সে ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রার্থী। সে দশ মিনিটের বক্তব্যে নয় মিনিটই আমার বিরুদ্ধে কথা বলত। বিএনপিও যেটা আমাদের বিরুদ্ধে বলেনি, সেটা আমাদের ‘জাতি’ ভাইয়েরা বলেছে। এটা তারা করেছে দলকানা হওয়ার কারণে।
এশিয়া পোস্ট: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দলকানা নয়?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: না। আমরা প্রতিটি আসনেই দলীয় প্রার্থী এবং জোটের প্রার্থীর জন্য কাজ করেছি। নিজের পরিচিতি এবং আত্মীয়স্বজনদের কাজে লাগিয়েছি।
এশিয়া পোস্ট: আলেমরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে—নির্বাচনি প্রচারে এমন কথা অনেক শোনা গেছে। অনেক মানুষও মনে করেন, আলেমদের হাত ধরে দেশ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত হবে। আপনার এলাকায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দমনে আপনার পদক্ষেপ কী হবে?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: এগুলো দমনে আমি নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছি। সমস্যা হলো, আমরা তো বিরোধী দলের। সরকারি দলের প্রার্থী এবং সমর্থকরা প্রতিটি কাজে আমাদের বাধা দিচ্ছে। পথে পথে কাঁটা বিছিয়ে দিচ্ছে। একদম শুরু থেকেই তারা প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা মামলা-হামলা করছে। আমার সমর্থকদের আক্রমণ করছে। আমি ধৈর্য ধরছি। এর চেয়ে বড় শক্তি পৃথিবীতে নেই। তারা একসময় ক্লান্ত হবে। আমরা তাদের পথ অনুসরণ করলে এলাকায় বিশৃঙ্খলা হবে, মারামারি হবে। আমি আমার নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে বলেছি। আশা করছি, তারা একসময় ক্লান্ত হবে। আমাদের গতিতে আমরা নতুন করে শুরু করব।
এশিয়া পোস্ট: তাহলে কী তারা ক্লান্ত হওয়ার আগে আপনাদের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেবেন না?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস এখনই দমন আছে। থানার ওসি, ইউএনওসহ সবাইকে বলেছি, কোথাও চাঁদাবাজি হলে এর দায় আপনাদের নিতে হবে। চাঁদাবাজির টাকা আপনাদের ফেরত দিতে হবে। তারা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাচ্ছে, সেক্ষেত্রেও আমরা দূরত্ব বজায় রাখছি।
এশিয়া পোস্ট: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মূল স্লোগান ‘আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা’ বা খেলাফতব্যবস্থা কায়েম করা। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মধ্য দিয়ে খেলাফত প্রতিষ্ঠা কী আদৌ? সংসদে খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপ নেবেন কীভাবে?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: এটার জন্য সংসদে ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। গণতন্ত্রের ভেতর দিয়ে খেলাফত প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। গণতন্ত্রের হাত ধরে ক্ষমতায় বসে মানুষকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার কিছু নমুনা এবং সুফল দেখাতে এসেছি। মানুষ যেন বুঝে, খেলাফত প্রতিষ্ঠা হলে কতটুকু শান্তি আসবে। গণতন্ত্রের সরকারের মাধ্যমে খেলাফত প্রতিষ্ঠা হবে, এ রকম আশা করার সুযোগ নেই।
এশিয়া পোস্ট: কওমি মাদ্রাসার একজন আলেম হিসেবে সংসদে গেছেন তাই আপনাদের প্রতি এ অঙ্গনের মানুষের প্রত্যাশাও বেশি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্সের সমমান মর্যাদা দিলেও সরকারি কিংবা বেসরকারি চাকরির বাজারে এ সনদের গ্রহণযোগ্যতা নেই বললেই চলে। এ বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছেন?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: সংসদে আমাদের দলের প্রার্থী দুজন। খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলনের একজন করে। মরহুম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, তিনি বেঁচে থাকলে আমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি সংসদে এলাম, আল্লাহ তাকে নিয়ে নিলেন। তার মতো দেশপ্রেমিক দেশে আর কেউ আছে কিনা জানি না। তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দেখে আমি বুঝতে পেরেছি, তিনি জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হবেন, একইসঙ্গে ইসলামবান্ধব এবং কওমিবান্ধবও হবেন। আমরা চারজন যদি ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সনদের বিষয়টি বলি, সেখানে যদি কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্যদেরও নিতে পারি, আশা করি প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা রাখবেন। কওমি গ্র্যাজুয়েটদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করবেন। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির বাজারে আবেদনের সুযোগ সৃষ্টি করবেন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
এশিয়া পোস্ট: প্রতি বছরের বাজেটে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কোনো বরাদ্দ থাকে না। সংসদে কওমি শিক্ষাব্যবস্থায় বাজেট বরাদ্দের ব্যাপারে কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে আপনার?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব। সেটা কার্যকর হবে বলে মনে হয় না। চেষ্টা করব যেন কার্যকর হয়।
এশিয়া পোস্ট: কেন কার্যকর হবে না বলে মনে করছেন?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: আমাদের পক্ষে কণ্ঠস্বর কম। বিরোধী দলের সবাই যদি জোরালোভাবে বলেন, তাহলে হয়তো কার্যকর হবে। আমরা চারজন যদি গলা ফাটাই, আর অন্যরা যদি সায় না দেন, তাহলে কার্যকর কম হবে। কওমি মাদ্রাসার জন্য আলাদা বরাদ্দ না থাকলেও সরকারের শিক্ষাবান্ধব ভালো বরাদ্দ থাকে। সংসদে কওমির আলেম না থাকার কারণে সে বরাদ্দ পায় না। শিক্ষাবান্ধব বরাদ্দের সঠিক বণ্টল হলে কওমি মাদ্রাসা বঞ্চিত হবে না।
এশিয়া পোস্ট: আপনার নির্বাচনি এলাকায় নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও তাদের কর্মসংস্থান নিয়ে পরিকল্পনা কী?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: নারী শিক্ষার বিষয়ে কয়েকটি পরিকল্পনা আছে আমার। কওমি শিক্ষাধারার মহিলা মাদ্রাসাকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করা হবে। স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরি পেতে সুযোগ সৃষ্টি করব। সরকারি চাকরি পেতে সহযোগিতা করব। ফুলপুর-তারাকান্দায় নারীদের শিক্ষা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের জন্য দুয়েকটি ইনস্টিটিউট করব। দক্ষতা অনুযায়ী তাদের গড়ে তোলা হবে। তাদের জন্য ফুলপুর-তারাকান্দাকে নিরাপদ নগরী করে গড়ে তোলা হবে।
এশিয়া পোস্ট: সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে কী ভাবছেন?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: নির্বাচনের আগে বিভিন্ন হিন্দু পাড়ায় গিয়েছি, তাদের পুরোহিতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি, তারা বলেছেন, আগেরকার সরকার তাদের ভয় দেখাত এ বলে যে, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না এলে তোমাদেরকে এ দেশে থাকতে দেবে না। তোমাদের ওপর নির্যাতন করবে ইত্যাদি। বিশেষকরে ইসলামপন্থিদের বিষয়ে অনেক ভয়ভীতি দেখাত।’ ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর এ দেশের আলেম সমাজ এবং ইসলামপন্থি দল তাদেরকে শেল্টার দিয়েছে। তাদের মন্দির পাহারা দিয়েছে। এখন তারা আফসোস করে বলে, ‘আমরা বিশ বছর আগে এটা বুঝলে আমাদের দেশ আরও উন্নত হতো।’ এখন তারা আমাদের সঙ্গে আছে। আমরা তাদের এখানে যাই। অনুদান দিই। আশা করি, তাদের এতটুকু আশ্বস্ত করতে পেরেছি, আমরা তাদের জন্য শতভাগ নিরাপদ। অন্যান্য দলের লোকদের চেয়ে আমাদের প্রতি তাদের আস্থা এবং বিশ্বাস বেশি। আমি তাদের বলেছি, তাদের ধর্মীয় অনুভূতিসহ জায়গাজমি ও ধনসম্পদের একচুলও কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। তাদের ওপর কেউ আঘাত করতে পারবে না।
এশিয়া পোস্ট: নির্বাচনের পরও আপনাকে নিজ এলাকায় নানা ঝুট-ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। গত ৩ মার্চ আপনার ইফতার মাহফিলে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব কেন হচ্ছে?
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: নির্বাচনি ইশতেহারে আমি বলেছিলাম, পাস করলে ফুলপুর-তারাকান্দায় কারও বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা হবে না। সবাইকে নিয়ে কাজ করবোব। কিন্তু আমার বিরোধীপক্ষের লোকজন সেই আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন না। তারা বরং আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে। আমার ইফতার মাহফিলেও ভাঙচুর চালিয়েছে।
আমার মনে হচ্ছে, থানার ওসিরা বেকায়দায় পড়ে গেছে। তারা আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলছে, ‘স্যার আমাদেরকে সম্মান নিয়ে বাঁচতে দিন।’ বিএনপির গুন্ডাদের হুমকি-ধমকিতে তারাও সম্মান হারানোর ভয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সবখানে আমি এ সংবাদ দেব, তারা যেন এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি না করে, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে। নিরীহ মানুষকে যেন আওয়ামী দোসরের ট্যাগ লাগিয়ে হয়রানি না করে।
বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের প্রতি আহ্বান জানাব, ফুলপুর-তারাকান্দায় বিএনপির যারা বিশৃঙ্খলা করছে, তাদের দমন করুন। তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করুন। এলাকার মানুষকে শান্তিতে থাকার ব্যবস্থা করে দিন। নইলে উন্নয়নকাজ ব্যাহত হবে। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না।
এশিয়া পোস্ট: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ: এশিয়া পোস্ট এবং আপনাকেও ধন্যবাদ।



