ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

দেশে পাকিস্তানি সিরিয়াল, কঠোর অবস্থানে আলভী

বিনোদন প্রতিবেদক

  ২১ মে ২০২৫, ২২:৪১
যাহের আলভী। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে তুর্কি সিরিয়ালের পর এবার পাকিস্তানি সিরিয়াল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য আপত্তি জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা যাহের আলভী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি সিরিয়াল সম্প্রচারকারী কোনো চ্যানেলের সঙ্গে তিনি আর কাজ করবেন না।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বুধবার (২১ মে) দেওয়া পোস্টে যাহের আলভী লেখেন, “শুনলাম পাকিস্তানি সিরিয়াল কিনে আনা হচ্ছে আমাদের দেশে, এবং খুব শিগগিরই তা প্রচার শুরু হবে। বলা হচ্ছে, বেশ চড়া দামে কেনা হয়েছে, এমনকি ডাবিং কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।”

তিনি জোরালোভাবে উল্লেখ করেন, আমি, যাহের আলভী, স্পষ্ট ভাষায় বলছি—যেসব চ্যানেল পাকিস্তানি সিরিয়াল আমদানি ও সম্প্রচার করবে, তাদের সঙ্গে আমি কোনো নাটকে অভিনয় করব না। আমার নাটকও তাদের চ্যানেলে যাবে না।

এই অবস্থানের পেছনে যাহের আলভী তুলে ধরেন দেশের নাট্যশিল্পের চলমান সংকটের বিষয়টি। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি মারাত্মক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর নাটকে বিনিয়োগ একেবারেই কমে গেছে। কিছু ব্যক্তি ছাড়া কেউই নিয়মিতভাবে নাটক প্রযোজনায় অর্থ লগ্নি করছেন না। ফলে, নির্মাতা, অভিনেতা, ক্যামেরাম্যান থেকে শুরু করে মেকআপ আর্টিস্ট পর্যন্ত সবাই অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন।
তিনি আরও বলেন, ৯০ শতাংশ শিল্পী ও কলাকুশলী ঘরে বসে আছেন। এ অবস্থায় পাকিস্তানি সিরিয়াল সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত আমাদের শিল্পকে আরও কোণঠাসা করে তুলবে।

বিদেশি কনটেন্টের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যাহের আলভী বলেন, যেখানে আমার দেশের শিল্পীরা কর্মহীন হয়ে দিন কাটাচ্ছেন, সেখানে বিদেশি সিরিয়াল সম্প্রচার মেনে নেওয়া যায় না। এটা শুধু শিল্পীদের নয়, পুরো ইন্ডাস্ট্রির অস্তিত্বের প্রশ্ন।

পোস্টের একপর্যায়ে তিনি নিজের অবস্থানকে লড়াই হিসেবে ব্যাখ্যা করে বলেন, হতে পারে, এটা আমার একার যুদ্ধ। কিন্তু আমি আশা করি, আমার মতো সাহসী শিল্পী যারা রয়েছেন, তারাও এই অবস্থানে আমার পাশে থাকবেন। আগে আমার দেশ, আমার শিল্প, তারপর অন্য কিছু।

যাহের আলভীর এই অবস্থান ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই তার এই প্রতিবাদকে শিল্পীদের প্রতি দায়িত্বশীলতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন।

সুচিত্রা সেন আওয়ামী লীগ করেছেন বলে খবর পাইনি : প্রিন্স মাহমুদ
সম্প্রতি পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ‘সুচিত্রা সেন ছাত্রীনিবাস’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘জুলাই-৩৬ ছাত্রীনিবাস’ রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, কেউ সমর্থন করছেন, কেউ বা কড়া ভাষায় সমালোচনা করছেন। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে নিজের ফেসবুকে প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, “সুচিত্রা সেন ছাত্রীনিবাসের নাম নাকি এখন ‘জুলাই-৩৬ ছাত্রীনিবাস’। বোঝেন অবস্থা! সুচিত্রা সেন শুধু পাবনার না বাংলাদেশের ব্র্যান্ড। তিনি কোনো দিন আওয়ামী লীগ করেছেন বলে খবর পাওয়া যায় নাই। লজ্জা...!” তার এ স্ট্যাটাসে বহু নেটিজেন মন্তব্য করেছেন। একজন মন্তব্য করেন, “নাম বদলের সংস্কার!” এর জবাবে প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, “এ আর নতুন কি? ২০১০ সালে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে ছিল! সেই তো শুরু। ওই যে, মহামূর্খ মহাদুর্জন যে পথে করে গমন হয়েছিল প্রাতঃস্মরণীয়, সেই পথ লক্ষ্য করে স্বীয় কীর্তি ধ্বজা ধরে তারাও হবে বরণীয়।” জানা গেছে, গত ২০ মে, দুপুরে কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল আউয়াল মিয়া তিনটি ছাত্র ও ছাত্রীনিবাসের নতুন নামফলক উদ্বোধন করেন। এ সময় কলেজের উপাধ্যক্ষ আবদুল খালেক, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। নাম পরিবর্তনের তালিকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের নামেও হলের নাম পরিবর্তনের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়ি পাবনায়। পাবনা শহরের বাসিন্দা এবং ভক্তদের অনেকেই মনে করেন, তার নামে ছাত্রীনিবাস থাকা ছিল গর্বের বিষয়। তাই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে।
সুচিত্রা সেন আওয়ামী লীগ করেছেন বলে খবর পাইনি : প্রিন্স মাহমুদ
রবি-আরতির বিচ্ছেদে বিপাকে কেনিশা
চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম আলোচিত জুটি রবি মোহন ও আরতি রবি। যাদের ভালোবাসার গল্প একসময় উদাহরণ ছিল, আজ তাদের বিবাহবিচ্ছেদ এখন তুমুল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কিন্তু এই আইনিভাবে জটিল সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে একজন তৃতীয় ব্যক্তি গায়িকা কেনিশা ফ্রান্সিস। যখন রবি-আরতির বিচ্ছেদের কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছেন কেনিশা। কারণ, আরতির ইঙ্গিতপূর্ণ এক বক্তব্যে,তিনি এক "অন্ধকার" সত্তার আগমনের কথা বলেন। তারপর থেকে নেটদুনিয়ায় কেনিশার দিকে আঙুল তুলেছে। অনেকেই তাকে আখ্যা দিচ্ছেন “ঘরভাঙানো” নারী হিসেবে। এই উত্তাপের মাঝে, কেনিশা ফ্রান্সিস নিজের যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। মৃত্যুহুমকি, দেহ নিয়ে কটাক্ষ, নারীবিদ্বেষ, এবং মিথ্যা রটনার ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান এই শিল্পী। 'আপনারা কি একবারও ভেবেছেন আমি কী সহ্য করছি?'  এই হৃদয়বিদারক প্রশ্নের মাধ্যমে কেনিশা জানান, তিনি পালিয়ে যাবেন না বা মুখ বন্ধ করবেন না। বরং সত্য প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন। একই সঙ্গে, যারা তাকে ঘৃণা করছেন, তাদের ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। এই সমগ্র ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে ২১ মে চেন্নাই ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কোর্টে রবি ও আরতির হাজিরা। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে  জানা যায়, পরবর্তী শুনানি হবে চলতি বছরের ১২ জুন । আরতির পক্ষ থেকে প্রতি মাসে ৪০ লাখ রুপি ভরণপোষণের আবেদনও করা হয়েছে। তিনটি মধ্যস্থতামূলক বৈঠকের ব্যর্থতা এবং আদালতে মামলার পুনরাগমন—সব মিলিয়ে এই বিচ্ছেদ কেবল ব্যক্তিগত নয়, এক বহুমাত্রিক সামাজিক নাটকেও রূপ নিচ্ছে। আর এই নাটকে, কেনিশা ফ্রান্সিস এখন যেন এক অনাকাঙ্ক্ষিত চরিত্র। যার পক্ষে-বিপক্ষে ঝড় বইছে ভার্চুয়াল জগতে।
রবি-আরতির বিচ্ছেদে বিপাকে কেনিশা
আলোচনায় মোশাররফ-বৃষ্টির বউ বেশি বুঝে
অভিনেতা মোশাররফ করিম ও অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি জুটি বেঁধে এরই মধ্যে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্মাতা জুবায়ের ইবনে বকর এই জুটিকে নিয়ে ‘বউ বেশি বুঝে’ শিরোনামে নতুন একটি নাটক নির্মাণ করেন, যা ইউটিউবে প্রচারে আশার সঙ্গে সঙ্গেই দর্শকের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে মোশাররফ করিম বলেন, ‘দাম্পত্য জীবনে ঘটে যাওয়া নানান ধরনের ঘটনা নিয়ে মূলত এই নাটকের গল্প। যে নাটকে স্ত্রী একটু বেশিই বুঝে। একটা সময় গিয়ে স্ত্রী বুঝতে পারে যে তার সব বোঝাই যে সঠিক, এমনটি নয়। কারণ স্ত্রী স্বামীর কথা ঠিকঠাক মতো না শুনেই ব্যবসা শুরু করে। সেই ব্যবসার টাকা নিয়ে একসময় একজন পালিয়ে যায়। যাই হোক গল্পটা সুন্দর সমসাময়িক। বকর চেষ্টা করেছে গল্পটা ঠিকঠাক মতো তুলে ধরতে। আর বৃষ্টি যখন প্রথম আমার সঙ্গে অভিনয় শুরু করে তখন থেকেই মনে হচ্ছিল যে বৃষ্টি খুব ভালো করবে, কারণ তার এক্সপ্রেশন, তার কথা বলার যে স্বতঃস্ফূর্ততা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ—সবকিছুই আসলে জানান দিচ্ছিল সে ভালো করবে। এখন ভালো করছে এবং চরিত্র বুঝে সে অভিনয়টা বেশ ভালোভাবে করতে পারে।’ তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে আমার অভিনীত প্রায় সব নাটকই দর্শকের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই নাটকটিও দর্শকের মনে দাগ কেটেছে। আমি অনেক সাড়া পাচ্ছি। মোশাররফ ভাই আমার ভীষণ ভীষণ প্রিয় একজন অভিনেতা, সহশিল্পী। তিনি এত এত বিষয়ে জ্ঞান রাখেন যে, শুটিং ছাড়া তার সঙ্গে আড্ডা দিতে পারলে আরও অনেক কিছু শেখা যেত।’ মোশাররফ করিম ও বৃষ্টি ছাড়াও নাটকে আরও অভিনয় করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন, সোহেল হাসান এবং সময়ের দর্শকপ্রিয় আলোচিত অভিনেতা আশরাফুল আলম সোহাগ। নাটকটির দৃশ্য ধারনে ছিলেন সাখাওয়াত হোসেইন শাকিব ও আরবি রাকিব। নাটকটির মিউজিক করেছেন আপেল মাহমুদ এমিল।
আলোচনায় মোশাররফ-বৃষ্টির বউ বেশি বুঝে
সবসময় কাজ করার আগ্রহ থাকে না : অহনা
অভিনেত্রী অহনা রহমান। গত ঈদে নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তবে আসন্ন ঈদুল আজহায় অহনাকে বেশকিছু ভালো গল্পের নাটকে দেখা যাবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। এরই মধ্যে পুবাইলে শেষ হলো মহিন খান পরিচালিত ‘মিশন নোয়াখালী’ নাটকের কাজ। এ ছাড়া এর আগে তিনি জিয়াউদ্দিন আলমের পরিচালনায় ‘কেনা জামাই’ ও ‘বউয়ের বদনাম’ নামে দুটি নাটকের কাজসহ জাকিউল ইসলাম রিপনের নির্দেশনায় ‘বউ শাশুড়ি’ নাটকের কাজ এরই মধ্যে শেষ করেছেন। মহিন খানের কাজ শেষে আগামী কয়েকদিন জাকিউল ইসলাম রিপন ও আদিফ হাসানের আরও দুটি নাটকের কাজ করবেন তিনি। বলা যায় সামনের বেশ কয়েকদিন ভীষণ ব্যস্ততা কাটছে তার। যা নিয়ে অহনা রহমান বলেন, ‘গত ঈদেই বেশ কিছু ভালো গল্পের নাটকে কাজ করার জন্য প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার নিজের ব্যবসার দিকে তখন একটু বেশিই ফোকাস দিয়েছিলাম। তাই গত ঈদের জন্য নাটকে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। যে কারণে প্রিয় কয়েকজন পরিচালক আমার ওপর অভিমানও করেছিলেন। তাই আগামী ঈদের জন্য বেশকিছু ভালো গল্পের নাটকে আমি অভিনয় করছি। এরই মধ্যে জাকিউল ইসলাম রিপন, জিয়াউদ্দিন আলম, মহিন খানের নির্দেশনায় কয়েকটি নাটকের কাজ শেষ করেছি। আগামী কয়েকদিনও আমাকে ভীষণ ব্যস্ত থাকতে হবে নাটকের কাজ নিয়ে। সত্যি বলতে কী আমার কাছে ভালো ভালো গল্পের স্ক্রিপ্ট আসে। তবে সবসময় কাজ করার আগ্রহও থাকে না। মাঝে মাঝে নিজের মতো করে থাকতে ইচ্ছা করে। যেহেতু আমার নিজের ব্যবসা আছে। তাই নিজের ব্যবসার দিকেও মনোযোগ দিতে হয়। তবে আমার সত্যিকারের পরিচয় আমি একজন অভিনেত্রী। এই দেশের দর্শক আমাকে ভালোবাসেন, তারা আমার কাজ দেখে প্রশংসা করেন, আমাকে অনুপ্রেরণা দেন—এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। দর্শকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।’ ‘শো স্টপার’ নামক একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে অহনার। যার সঙ্গে আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে কয়েকটি সফল ইভেন্ট শেষ করেছেন অহনা রহমান।
সবসময় কাজ করার আগ্রহ থাকে না : অহনা
জুনে মুক্তি পাচ্ছে ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’
মুক্তি পেয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত হইচই অরিজিনাল সিরিজ বোহেমিয়ান ঘোড়ার ট্রেইলার। প্রায় ২ মিনিটের ট্রেইলারেই দর্শক কিছুটা ধারণা পেয়েছে নিশ্চয়, কী হতে চলেছে সিরিজজুড়ে। নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরীর পরিচালনায় এবং জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমের মুখ্য ভূমিকায় নির্মিত এই সিরিজ এরই মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। ট্রেইলারে দেখা যায়, ট্রাক ড্রাইভার আব্বাস নানা জেলায় নানা পরিস্থিতি পড়ে ৭টা বিয়ে করেছে। প্রতিটি স্ত্রীর জীবনেই আব্বাস এক এক রকম মানুষ। কোনো বউই একে অপরের ব্যাপারে জানে না। তবে আব্বাসের ট্রাকের হেল্পার সেলিম সবই জানে।  ঘটনাচক্রে ৮ নম্বর বিয়ে করার পরই আব্বাসের জীবনে নেমে আসে দুর্যোগের ঘনঘটা। সেই পরিস্থিতি থেকে কি আব্বাস মুক্তি পায়? তার জীবনে কি শান্তি মেলে? এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামী ৫ জুন। সিরিজটিতে  মোশাররফ করিমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন,  রুনা খান, মৌসুমী হামিদ, সাদিয়া আয়মান, তানজিকা আমিন, রোবেনা রেজা জুঁই, ফারহানা হামিদ, অদিতি এবং বৃষ্টি। প্রত্যেকেই সিরিজে তুলে এনেছেন ভিন্ন ভিন্ন স্ত্রীর গল্প, দৃষ্টিভঙ্গি ও আবেগ। মহানগর এর ‘ওসি হারুন’ থেকে ‘মোবারকনামা’র মোবারক (মোশারফ করিম) এতদিন হইচই-র দর্শকদের মনে দাগ কেটেছেন তার সিরিয়াস ও ইনটেন্স চরিত্রে অভিনয় দিয়ে।‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’-তে ট্রাক ড্রাইভার আব্বাস চরিত্রটি হইচই-এর দর্শকদের জন্য হতে যাচ্ছে এক দারুণ চমক। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজটুকু করেছি। এখন অপেক্ষা সিরিজটি দর্শকের কাছে পৌঁছানোর।‘ এই সিরিজে আম্বিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুনা খান। এই সিরিজে তার গরম মেজাজের ও আত্মবিশ্বাসী এক নারীর।  বাস্তব জীবনে তানজিকা আমিন যেমন ঠিক তার বিপরীত চরিত্রে দেখা যাবে তাকে ‘বোহেমিয়া ঘোড়া’-তে । মৌসুমি হামিদকে দেখা যাবে নারী মৌয়ালের চরিত্রে। সাদিয়া আয়মান অভিনয় করেছেন ছটফটে, চঞ্চল এক তরুণীর ভূমিকায়। জুই কে দর্শক দেখবে একদম নতুন আঙ্গিকে। সাথে আছে ফারহানা হামিদ, তার চরিত্রে রয়েছে সংযম, অনুভূতি আর নিঃশব্দ এক অভিজ্ঞান—যা দর্শকদের ছুঁয়ে যাবে। এছাড়া অদিতি ও বৃষ্টি দুইজন নতুন মুখের আবির্ভাব ঘটেছে এই সিরিজে।  সেই সঙ্গে দেখা যাবে রাকিব হোসাইন ইভন, আশোক বেপারি, সুমন পাটোয়ারী, পঙ্কজ মজুমদার, সায়্যেদা, শরীফুল সহ আরও অনেকেই।  কাস্টিং এর সময় কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেছিলেন? বিশেষ করে আব্বাসের চরিত্রটি? এমন প্রশ্নে পরিচালক অমিতাভ রেজা বলেন, ‘যারা অভিনয় করেছে তারা সবাই আমার প্রাণের মানুষ। আব্বাস চরিত্রটি এমন একজন মানুষ যার ব্যক্তিত্বে এক চুম্বকীয় আকর্ষণ আছে। সে সহজেই নারীদের মন জয় করে ফেলে, কিন্তু নিজের জীবনধারা ও সিদ্ধান্ত নিয়ে সে সবসময় এক গভীর দ্বন্দ্বে ভোগে। আমার  একজন অভিনেতা প্রয়োজন ছিল যার অভিনয় ক্ষমতা এমন যে ক্ষণে ক্ষণে চরিত্র এর  রুপ পরিবর্তন করতে পারে। মেথড অভিনয়ের পারদর্শী যা এই শহরে দুই একজনই  আছে, যার মাঝে মোশারফ করিম একজন।‘ ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ সিরিজটি কমেডি, রহস্য ও মানবিক গল্পের এক মিশ্র অভিজ্ঞতা — যেখানে হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে ব্যথা, মিথ্যার ভেতরে লুকিয়ে আছে ভালোবাসা। এই পুরো সিরিজটি আগামী ৫ জুন মুক্তি পাবে হইচই-তে।
জুনে মুক্তি পাচ্ছে ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’
সুচিত্রা সেন আওয়ামী লীগ করেছেন বলে খবর পাইনি : প্রিন্স মাহমুদ
সুচিত্রা সেন আওয়ামী লীগ করেছেন বলে খবর পাইনি : প্রিন্স মাহমুদ
সম্প্রতি পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ‘সুচিত্রা সেন ছাত্রীনিবাস’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘জুলাই-৩৬ ছাত্রীনিবাস’ রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, কেউ সমর্থন করছেন, কেউ বা কড়া ভাষায় সমালোচনা করছেন। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে নিজের ফেসবুকে প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, “সুচিত্রা সেন ছাত্রীনিবাসের নাম নাকি এখন ‘জুলাই-৩৬ ছাত্রীনিবাস’। বোঝেন অবস্থা! সুচিত্রা সেন শুধু পাবনার না বাংলাদেশের ব্র্যান্ড। তিনি কোনো দিন আওয়ামী লীগ করেছেন বলে খবর পাওয়া যায় নাই। লজ্জা...!” তার এ স্ট্যাটাসে বহু নেটিজেন মন্তব্য করেছেন। একজন মন্তব্য করেন, “নাম বদলের সংস্কার!” এর জবাবে প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, “এ আর নতুন কি? ২০১০ সালে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে ছিল! সেই তো শুরু। ওই যে, মহামূর্খ মহাদুর্জন যে পথে করে গমন হয়েছিল প্রাতঃস্মরণীয়, সেই পথ লক্ষ্য করে স্বীয় কীর্তি ধ্বজা ধরে তারাও হবে বরণীয়।” জানা গেছে, গত ২০ মে, দুপুরে কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল আউয়াল মিয়া তিনটি ছাত্র ও ছাত্রীনিবাসের নতুন নামফলক উদ্বোধন করেন। এ সময় কলেজের উপাধ্যক্ষ আবদুল খালেক, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। নাম পরিবর্তনের তালিকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের নামেও হলের নাম পরিবর্তনের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়ি পাবনায়। পাবনা শহরের বাসিন্দা এবং ভক্তদের অনেকেই মনে করেন, তার নামে ছাত্রীনিবাস থাকা ছিল গর্বের বিষয়। তাই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে।
রবি-আরতির বিচ্ছেদে বিপাকে কেনিশা
রবি-আরতির বিচ্ছেদে বিপাকে কেনিশা
চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম আলোচিত জুটি রবি মোহন ও আরতি রবি। যাদের ভালোবাসার গল্প একসময় উদাহরণ ছিল, আজ তাদের বিবাহবিচ্ছেদ এখন তুমুল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কিন্তু এই আইনিভাবে জটিল সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে একজন তৃতীয় ব্যক্তি গায়িকা কেনিশা ফ্রান্সিস। যখন রবি-আরতির বিচ্ছেদের কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছেন কেনিশা। কারণ, আরতির ইঙ্গিতপূর্ণ এক বক্তব্যে,তিনি এক "অন্ধকার" সত্তার আগমনের কথা বলেন। তারপর থেকে নেটদুনিয়ায় কেনিশার দিকে আঙুল তুলেছে। অনেকেই তাকে আখ্যা দিচ্ছেন “ঘরভাঙানো” নারী হিসেবে। এই উত্তাপের মাঝে, কেনিশা ফ্রান্সিস নিজের যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। মৃত্যুহুমকি, দেহ নিয়ে কটাক্ষ, নারীবিদ্বেষ, এবং মিথ্যা রটনার ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান এই শিল্পী। 'আপনারা কি একবারও ভেবেছেন আমি কী সহ্য করছি?'  এই হৃদয়বিদারক প্রশ্নের মাধ্যমে কেনিশা জানান, তিনি পালিয়ে যাবেন না বা মুখ বন্ধ করবেন না। বরং সত্য প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন। একই সঙ্গে, যারা তাকে ঘৃণা করছেন, তাদের ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। এই সমগ্র ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে ২১ মে চেন্নাই ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কোর্টে রবি ও আরতির হাজিরা। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে  জানা যায়, পরবর্তী শুনানি হবে চলতি বছরের ১২ জুন । আরতির পক্ষ থেকে প্রতি মাসে ৪০ লাখ রুপি ভরণপোষণের আবেদনও করা হয়েছে। তিনটি মধ্যস্থতামূলক বৈঠকের ব্যর্থতা এবং আদালতে মামলার পুনরাগমন—সব মিলিয়ে এই বিচ্ছেদ কেবল ব্যক্তিগত নয়, এক বহুমাত্রিক সামাজিক নাটকেও রূপ নিচ্ছে। আর এই নাটকে, কেনিশা ফ্রান্সিস এখন যেন এক অনাকাঙ্ক্ষিত চরিত্র। যার পক্ষে-বিপক্ষে ঝড় বইছে ভার্চুয়াল জগতে।
আলোচনায় মোশাররফ-বৃষ্টির বউ বেশি বুঝে
আলোচনায় মোশাররফ-বৃষ্টির বউ বেশি বুঝে
অভিনেতা মোশাররফ করিম ও অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি জুটি বেঁধে এরই মধ্যে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্মাতা জুবায়ের ইবনে বকর এই জুটিকে নিয়ে ‘বউ বেশি বুঝে’ শিরোনামে নতুন একটি নাটক নির্মাণ করেন, যা ইউটিউবে প্রচারে আশার সঙ্গে সঙ্গেই দর্শকের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে মোশাররফ করিম বলেন, ‘দাম্পত্য জীবনে ঘটে যাওয়া নানান ধরনের ঘটনা নিয়ে মূলত এই নাটকের গল্প। যে নাটকে স্ত্রী একটু বেশিই বুঝে। একটা সময় গিয়ে স্ত্রী বুঝতে পারে যে তার সব বোঝাই যে সঠিক, এমনটি নয়। কারণ স্ত্রী স্বামীর কথা ঠিকঠাক মতো না শুনেই ব্যবসা শুরু করে। সেই ব্যবসার টাকা নিয়ে একসময় একজন পালিয়ে যায়। যাই হোক গল্পটা সুন্দর সমসাময়িক। বকর চেষ্টা করেছে গল্পটা ঠিকঠাক মতো তুলে ধরতে। আর বৃষ্টি যখন প্রথম আমার সঙ্গে অভিনয় শুরু করে তখন থেকেই মনে হচ্ছিল যে বৃষ্টি খুব ভালো করবে, কারণ তার এক্সপ্রেশন, তার কথা বলার যে স্বতঃস্ফূর্ততা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ—সবকিছুই আসলে জানান দিচ্ছিল সে ভালো করবে। এখন ভালো করছে এবং চরিত্র বুঝে সে অভিনয়টা বেশ ভালোভাবে করতে পারে।’ তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে আমার অভিনীত প্রায় সব নাটকই দর্শকের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই নাটকটিও দর্শকের মনে দাগ কেটেছে। আমি অনেক সাড়া পাচ্ছি। মোশাররফ ভাই আমার ভীষণ ভীষণ প্রিয় একজন অভিনেতা, সহশিল্পী। তিনি এত এত বিষয়ে জ্ঞান রাখেন যে, শুটিং ছাড়া তার সঙ্গে আড্ডা দিতে পারলে আরও অনেক কিছু শেখা যেত।’ মোশাররফ করিম ও বৃষ্টি ছাড়াও নাটকে আরও অভিনয় করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন, সোহেল হাসান এবং সময়ের দর্শকপ্রিয় আলোচিত অভিনেতা আশরাফুল আলম সোহাগ। নাটকটির দৃশ্য ধারনে ছিলেন সাখাওয়াত হোসেইন শাকিব ও আরবি রাকিব। নাটকটির মিউজিক করেছেন আপেল মাহমুদ এমিল।
সবসময় কাজ করার আগ্রহ থাকে না : অহনা
সবসময় কাজ করার আগ্রহ থাকে না : অহনা
অভিনেত্রী অহনা রহমান। গত ঈদে নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তবে আসন্ন ঈদুল আজহায় অহনাকে বেশকিছু ভালো গল্পের নাটকে দেখা যাবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। এরই মধ্যে পুবাইলে শেষ হলো মহিন খান পরিচালিত ‘মিশন নোয়াখালী’ নাটকের কাজ। এ ছাড়া এর আগে তিনি জিয়াউদ্দিন আলমের পরিচালনায় ‘কেনা জামাই’ ও ‘বউয়ের বদনাম’ নামে দুটি নাটকের কাজসহ জাকিউল ইসলাম রিপনের নির্দেশনায় ‘বউ শাশুড়ি’ নাটকের কাজ এরই মধ্যে শেষ করেছেন। মহিন খানের কাজ শেষে আগামী কয়েকদিন জাকিউল ইসলাম রিপন ও আদিফ হাসানের আরও দুটি নাটকের কাজ করবেন তিনি। বলা যায় সামনের বেশ কয়েকদিন ভীষণ ব্যস্ততা কাটছে তার। যা নিয়ে অহনা রহমান বলেন, ‘গত ঈদেই বেশ কিছু ভালো গল্পের নাটকে কাজ করার জন্য প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার নিজের ব্যবসার দিকে তখন একটু বেশিই ফোকাস দিয়েছিলাম। তাই গত ঈদের জন্য নাটকে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। যে কারণে প্রিয় কয়েকজন পরিচালক আমার ওপর অভিমানও করেছিলেন। তাই আগামী ঈদের জন্য বেশকিছু ভালো গল্পের নাটকে আমি অভিনয় করছি। এরই মধ্যে জাকিউল ইসলাম রিপন, জিয়াউদ্দিন আলম, মহিন খানের নির্দেশনায় কয়েকটি নাটকের কাজ শেষ করেছি। আগামী কয়েকদিনও আমাকে ভীষণ ব্যস্ত থাকতে হবে নাটকের কাজ নিয়ে। সত্যি বলতে কী আমার কাছে ভালো ভালো গল্পের স্ক্রিপ্ট আসে। তবে সবসময় কাজ করার আগ্রহও থাকে না। মাঝে মাঝে নিজের মতো করে থাকতে ইচ্ছা করে। যেহেতু আমার নিজের ব্যবসা আছে। তাই নিজের ব্যবসার দিকেও মনোযোগ দিতে হয়। তবে আমার সত্যিকারের পরিচয় আমি একজন অভিনেত্রী। এই দেশের দর্শক আমাকে ভালোবাসেন, তারা আমার কাজ দেখে প্রশংসা করেন, আমাকে অনুপ্রেরণা দেন—এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। দর্শকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।’ ‘শো স্টপার’ নামক একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে অহনার। যার সঙ্গে আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে কয়েকটি সফল ইভেন্ট শেষ করেছেন অহনা রহমান।