
চলতি বছরে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবন র্যাংকিংয়ে (ডব্লিউইউআরআই) বাংলাদেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। বিশ্ববিদ্যালয়টি বৈশ্বিকভাবে ৩৬তম অবস্থান লাভ করেছে। এর মাধ্যমে ইউল্যাব ডব্লিউইউআরআই টপ ৪০-এ স্থান পাওয়া বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে।
একইসঙ্গে বৈশ্বিক সেরা ১০০ উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬তম স্থান অর্জনের মাধ্যমে ইউল্যাব টানা ছয় বছর ধরে ডব্লিউইউআরআই-এর বৈশ্বিক সেরা ১০০ তালিকায় থাকা বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ ঘোষণা দেন ডব্লিউইউআরআই-এর প্রেসিডেন্ট কিউং-সুং কিম।
গত কয়েক বছরে ইউল্যাব ধারাবাহিকভাবে এই র্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছে। ২০২১ সালে ইউল্যাবের অবস্থান ছিল ১০০তম, ২০২২ সালে ৯৬তম, ২০২৩ সালে ৭৫তম, ২০২৪ সালে ৬৯তম এবং ২০২৫ সালে ৫৪তম। ২০২৬ সালে ৩৬তম স্থানে উন্নীত হওয়া ইউল্যাবের উদ্ভাবন, গবেষণা এবং বাস্তবমুখী শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
২০২৬ সালের ৬ থেকে ৮ মে তাইওয়ানের নানতোউতে ন্যাশনাল চি নান ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘হ্যানসিয়াটিক লীগ অব ইউনিভার্সিটিজ (এইচএলইউ)-এর ষষ্ঠ বার্ষিক সম্মেলন ও ডব্লিউইউআরআই ২০২৬ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান’-এ এ অর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ডব্লিউইউআরআই র্যাংকিং ২০২৬-এ বিশ্বের ৯৬টি দেশের মোট ১ হাজার ৯২৭টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে, যেখানে বাংলাদেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নেয়।
সামগ্রিক র্যাংকিংয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতেও ইউল্যাব উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। যেখানে জ্ঞান স্থানান্তরের মাধ্যমে সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিতে ৫ম, সংকট ব্যবস্থাপনায় ৩০তম, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবিষ্যতমুখী উদ্যোগে ৫৫তম, ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় ৫৮তম, কৌশল ও ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রূপান্তরে ৬১তম, নৈতিকতা ও সততায় ৬৬তম, আর্থিক প্রভাবভিত্তিক প্রযুক্তি স্থানান্তরে ৭৯তম এবং ক্ষমতায়নভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় ১০০তম।
এই অর্জন উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি, নৈতিকতা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউল্যাবের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।




