ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ক্লাসে পূর্বঘোষিত নির্ধারিত কোর্সের শিট না আনার অভিযোগে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর এক ছাত্রী প্যানিক অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে (মেডিকেলে) ভর্তি করা হয়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোর্সের ক্লাস চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শিক্ষকের নির্দেশে শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরপরই এক ছাত্রী হঠাৎ প্যানিক অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। এ সময় তার সহপাঠীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে নিয়ে যান। এ সময় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তবে ক্লাসের সহপাঠীরা জানান, ওই ছাত্রী আগে থেকেই দুর্বল মনের অধিকারী ছিলেন। এর আগেও প্যানিক অ্যাটাকের নজির রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. এস এম শাহেদ হাসান জানান, এক শিক্ষার্থীকে আনলে চেক করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্যানিক অ্যাটাক টাইপের রোগ। তবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার শেষে এখন শঙ্কা মুক্ত আছে সে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট কোর্সের শিক্ষক ড. সঞ্জয় সরকার বলেন, আমি আগের ক্লাসেই বলে দিয়েছিলাম একটি নির্ধারিত শিট আনার জন্য। ক্লাসে কে কে শিট নিয়ে আসেনি তা জানতে চেয়ে হাত তুলতে বললে কেউ হাত তোলেনি। পরে একসময় দেখতে পাই একজনের শিট নেই। এরপর চেক করে দেখা যায় ১৭-১৮ জনের মতো শিক্ষার্থী শিট আনেনি। শিট না আনা এবং মিথ্যা বলার অপরাধে আমি তাদের ক্লাস থেকে বের হয়ে যেতে বলি। পরে জানতে পারি, বাইরে গিয়ে এক শিক্ষার্থী প্যানিক অ্যাটাক করেছে।




