ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

শাওন-ডিবি হারুনসহ ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

কালবেলা প্রতিবেদক

  ২২ মে ২০২৫, ১৬:২২
শাওন ও ডিবি হারুন। ছবি : সংগৃহীত

সৎ মা নিশি ইসলামের করা মামলায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বৃহস্পতিবার (২২ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছানাউল্ল্যাহ বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অপর আসামিরা হলেন-ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি ইউনিটের সাবেক এডিসি নাজমুল ইসলাম, মেহের আফরোজ শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মো. আলী, বোন মাহিন আফরোজ শিঞ্জন, সেঁজুতি, সাব্বির, সুব্রত দাস, মাইনুল হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপপরিদর্শক শাহ আলম এবং মোখলেছুর রহমান মিল্টন।

এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও শাহ আলম জামিনে আছেন। অপর ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গত ২২ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি পারভেজ সুমন জানান, এদিন মামলার তারিখ ধার্য ছিল। মামলা চলমান থাকাবস্থায় আসামিরা যেন দেশের বাইরে যেতে না পারেন এজন্য তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট মো. পিন্টু আসামিদেরর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আগামী ১ জুলাই মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে। এদিকে এদিন জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজিরা দেন।

জানা যায়, গত ১৩ মার্চ শাওনের সৎ মা নিশি ইসলাম হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে ১২ জনকে আসামি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী পূর্বের স্ত্রীর কথা গোপন রেখে ও প্রতারণা করে, প্রলোভন দেখিয়ে নিশি ইসলামকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন মো. আলী পূর্বেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন যা তিনি গোপন করেন। তার পূর্বের একটি পুত্র ও তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি তার প্রথম বিয়ে সম্পর্কে জানাতে বিভিন্ন রকমের ছলনা ও প্রতারণার আশ্রয় নেন এবং তার সকল প্রতারণার কথা স্বীকার করেন।

পরবর্তীতে ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি শাওনের বোন শিঞ্জন ও তার স্বামী সাব্বির বাদীর বাড়িতে এসে বিয়ের সম্পর্ক গোপন রাখার জন্য হুমকি দেয়। এরপর ৪ মার্চ মো. আলী নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে বাদীকে গুলশানের বাসায় যাওয়ার জন্য বলেন। তখন তার পূর্বের স্ত্রীকে দেখে আসামির প্রতারণার বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পান। এসময় অন্যান্য আসামিরা তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেন। পরদিন আবারও শাওন ও এডিসি নাজমুলসহ অন্য আসামিরা বাদীর বাড়িতে ঢুকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে। স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানানোতে শাওন তাকে বেধড়ক মারধর করেন। এর ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে গেলে আসামিরা পালিয়ে যায়। এরপর ওই বছরের ২৪ এপ্রিল বাদীকে ডিবির অফিসে ডেকে নেন ডিবি পরিদর্শক শাহ জালাল।

সেখানেও শাওনসহ অন্যান্য আসামিরা মারধর করেন। এসময় ডিবি প্রধান হারুন বাড্ডা থানার ওসিকে বাদীর বিরুদ্ধে মামলা নিতে বলেন। পরে এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে এবং মাদক ব্যবসায়ী সাজায়।

আমুর খালাতো ভাই রাহাত কারাগারে  
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জহিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টা মামলায় বিগত সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর খালাতো ভাই ডা. খন্দকার রাহাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৩ মে) বিকেলে আসামিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার সাব-ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। রাহাত হোসেনের পক্ষে তার আইনজীবী মহসিন রেজা পলাশ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তবে মামলার মূল নথি না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। নথি পাওয়ার পর জামিনের বিষয়ে শুনানি হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে খন্দকার রাহাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, তিনি আওয়ামী লীগের ‘কট্টরপন্থি’ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের ‘আস্থাভাজন’ ব্যক্তি। পরে তাকে জহিরুল ইসলামকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ২২ জুলাই দুপুর আড়াইটা  দিকে রামপুরা ব্রিজ ও বনশ্রী এলাকায় আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পরে সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরতদের ওপর হামলা করে। এতে অনেকে আহত হন।  জহিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রামপুরা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
আমুর খালাতো ভাই রাহাত কারাগারে  
সরাসরি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউট ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটররা গ্রেপ্তার করতে পারবেন-এমন ক্ষমতা দিয়ে ২০১০ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কার্যপ্রণালী বিধিমালায় সংশোধন আনা হয়েছে। এ সংশোধনীর মাধ্যমে তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি প্রসিকিউটরদেরকে ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা ছাড়াই সরাসরি আসামি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) এ সংশোধিত কার্যপ্রণালী বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সদস্য এম মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী ও মো. শফিউল আলম মাহমুদের আদেশে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ এস এম রুহুল ইমরান এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ২০১০ সালের কার্যপ্রণালী বিধিমালার ২৪টি বিধিতে সংশোধন আনা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বিধি একেবারেই বিলুপ্ত এবং বাকি ১৯টি বিধি আংশিক বা পুরোপুরি বিলুপ্ত করে নতুন কার্যপ্রণালী বিধি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বিধি ৬।  ২০১০ সালের বিধি ৬ বিলুপ্ত করে প্রতিস্থাপন করা বিধি ৬-এ বলা হয়েছে, ‘যদি তদন্ত কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ থাকে যেকোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তাহলে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন, মামলার তথ্য ও পরিস্থিতি তদন্ত করবেন এবং অভিযুক্ত সন্দেহভাজন বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করতে পারবেন।’ এই বিধিতে আরও বলা হয়েছে, ‘তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার, আবিষ্কার এবং জব্দ করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তাও চাইতে পারেন।’ একইভাবে আগের কার্যপ্রণালী বিধির ৯(১) বিধি বিলুপ্ত করে তা নতুনভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। সংশোধিত ৯(১) বিধিতে বলা হয়েছে, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা তদন্তকারী কর্মকর্তা অথবা আইনের ৮(২) ধারার অধীনে তদন্তকারী প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।’ সংশোধিত বিধির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘আগের বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত, সন্দেভাজন ব্যক্তিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করতে পারতেন না। কাউকে গ্রেপ্তার করতে হলে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হতো। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করে পরোয়ানা জারি করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে গ্রেপ্তার করতে হতো। এখন তা করতে হবে না। ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা ছাড়াই সন্দেভাজন অভিযুক্তকে তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করতে পারবেন। পাশাপাশি পরোয়ানাভুক্ত অসামিকে এখন থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি তদন্ত সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটররাও গ্রেপ্তার করতে পারবেন।’ এ ছাড়া সংশোধিত বিধিতে ‘অভিযুক্ত’ হিসেবে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকেও রাখা হয়েছে। আর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে চিফ প্রসিকিউটরকে কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই প্রসিকিউটর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ কার্যপ্রণালী বিধি-২০১০ (সংশোধিত) অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরাসরি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউট ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা
ছাত্রলীগ নেতা রিপন-নাঈমসহ ১০ জন কারাগারে
রাজধানীর পল্টনে ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রিপন বাবু ও নড়াইলের সভাপতি মো. নাঈম ভূঁইয়াসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের ১০ জনকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।   বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্লাহ এ আদেশ দেন।   আসামিরা হলেন রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন বাবু, নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাঈম ভূঁইয়া, ছাত্রলীগ নেতা মো. রবিউল ইসলাম ও দিপু মোল্লা, যুবলীগ নেতা মিরাজ হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাজমুল হাসান সোহাগ, কুমিল্লা জেলা উত্তর শ্রমিক লীগের সাবেক সদস্য সচিব মো. আল আমিন, মো. আব্দুল আলিম ওরফে সোহাগ সিকদার, আরিফ হোসেন ও মো. রবিউল করিম কনক। এদিন আসামিদের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ।  এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আবুল কালাম আজাদ। এসময় আসামিপক্ষে রিমান্ড জামিন চেয়ে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ আরও কয়েকজন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।  মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে বিকেলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্যরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য রাজধানীর পল্টন থানাধীন বায়তুল মোকাররম ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়ে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রচারণা চালায়। এসময় ছাত্র জনতার সহযোগিতায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটের আশপাশের এলাকা থেকে আটজন আসামিকে আটক করেন পুলিশ। এছাড়াও এজাহার নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জন আসামি বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সাথে থাকা এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। পরে ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাকিদের গ্রেফতার করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় ২০০৯ সালের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ খান।
ছাত্রলীগ নেতা রিপন-নাঈমসহ ১০ জন কারাগারে
এনএসআইর সাবেক ডিজির আত্মীয়সহ দুজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল টিএম জোবায়েরের ভায়রা খন্দকার আবুল কাইয়ূম ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য আবু সাঈদ মো. মুস্তাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। দুদকের পরিচালক মো. মনজুর আলম এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, টিএম জোবায়েরের বিরুদ্ধে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণপূর্বক বিভিন্ন পদে চাকরি প্রদান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রদর্শন পূর্বক কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ডে লন্ডনে বাড়ি ক্রয়সহ বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগটির অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।  অনুসন্ধানে জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য আবু সাঈদ মো. মুস্তাক নিজে এবং খন্দকার আবুল কাইয়ূম বিভিন্ন পন্থায় ব্যাংক হিসাবসমূহের মাধ্যমে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মেজর জেনারেল টি এম জোবায়েরের অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তর করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হয়। আবু সাঈদ ও কাইয়ূম দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।
এনএসআইর সাবেক ডিজির আত্মীয়সহ দুজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক মামুনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ও তার স্ত্রী নিগার সুলতানার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।  এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির পরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূঞা তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা করাসহ ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করছেন। সে কারণে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা আবশ্যক।
ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক মামুনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
আমুর খালাতো ভাই রাহাত কারাগারে  
আমুর খালাতো ভাই রাহাত কারাগারে  
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জহিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টা মামলায় বিগত সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর খালাতো ভাই ডা. খন্দকার রাহাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৩ মে) বিকেলে আসামিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার সাব-ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। রাহাত হোসেনের পক্ষে তার আইনজীবী মহসিন রেজা পলাশ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তবে মামলার মূল নথি না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। নথি পাওয়ার পর জামিনের বিষয়ে শুনানি হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে খন্দকার রাহাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, তিনি আওয়ামী লীগের ‘কট্টরপন্থি’ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের ‘আস্থাভাজন’ ব্যক্তি। পরে তাকে জহিরুল ইসলামকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ২২ জুলাই দুপুর আড়াইটা  দিকে রামপুরা ব্রিজ ও বনশ্রী এলাকায় আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পরে সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরতদের ওপর হামলা করে। এতে অনেকে আহত হন।  জহিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রামপুরা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
সরাসরি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউট ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা
সরাসরি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউট ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটররা গ্রেপ্তার করতে পারবেন-এমন ক্ষমতা দিয়ে ২০১০ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কার্যপ্রণালী বিধিমালায় সংশোধন আনা হয়েছে। এ সংশোধনীর মাধ্যমে তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি প্রসিকিউটরদেরকে ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা ছাড়াই সরাসরি আসামি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) এ সংশোধিত কার্যপ্রণালী বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সদস্য এম মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী ও মো. শফিউল আলম মাহমুদের আদেশে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ এস এম রুহুল ইমরান এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ২০১০ সালের কার্যপ্রণালী বিধিমালার ২৪টি বিধিতে সংশোধন আনা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বিধি একেবারেই বিলুপ্ত এবং বাকি ১৯টি বিধি আংশিক বা পুরোপুরি বিলুপ্ত করে নতুন কার্যপ্রণালী বিধি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বিধি ৬।  ২০১০ সালের বিধি ৬ বিলুপ্ত করে প্রতিস্থাপন করা বিধি ৬-এ বলা হয়েছে, ‘যদি তদন্ত কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ থাকে যেকোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তাহলে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন, মামলার তথ্য ও পরিস্থিতি তদন্ত করবেন এবং অভিযুক্ত সন্দেহভাজন বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করতে পারবেন।’ এই বিধিতে আরও বলা হয়েছে, ‘তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার, আবিষ্কার এবং জব্দ করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তাও চাইতে পারেন।’ একইভাবে আগের কার্যপ্রণালী বিধির ৯(১) বিধি বিলুপ্ত করে তা নতুনভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। সংশোধিত ৯(১) বিধিতে বলা হয়েছে, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা তদন্তকারী কর্মকর্তা অথবা আইনের ৮(২) ধারার অধীনে তদন্তকারী প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।’ সংশোধিত বিধির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘আগের বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত, সন্দেভাজন ব্যক্তিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করতে পারতেন না। কাউকে গ্রেপ্তার করতে হলে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হতো। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করে পরোয়ানা জারি করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে গ্রেপ্তার করতে হতো। এখন তা করতে হবে না। ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা ছাড়াই সন্দেভাজন অভিযুক্তকে তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করতে পারবেন। পাশাপাশি পরোয়ানাভুক্ত অসামিকে এখন থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি তদন্ত সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটররাও গ্রেপ্তার করতে পারবেন।’ এ ছাড়া সংশোধিত বিধিতে ‘অভিযুক্ত’ হিসেবে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকেও রাখা হয়েছে। আর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে চিফ প্রসিকিউটরকে কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই প্রসিকিউটর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ কার্যপ্রণালী বিধি-২০১০ (সংশোধিত) অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছাত্রলীগ নেতা রিপন-নাঈমসহ ১০ জন কারাগারে
ছাত্রলীগ নেতা রিপন-নাঈমসহ ১০ জন কারাগারে
রাজধানীর পল্টনে ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রিপন বাবু ও নড়াইলের সভাপতি মো. নাঈম ভূঁইয়াসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের ১০ জনকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।   বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্লাহ এ আদেশ দেন।   আসামিরা হলেন রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন বাবু, নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাঈম ভূঁইয়া, ছাত্রলীগ নেতা মো. রবিউল ইসলাম ও দিপু মোল্লা, যুবলীগ নেতা মিরাজ হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাজমুল হাসান সোহাগ, কুমিল্লা জেলা উত্তর শ্রমিক লীগের সাবেক সদস্য সচিব মো. আল আমিন, মো. আব্দুল আলিম ওরফে সোহাগ সিকদার, আরিফ হোসেন ও মো. রবিউল করিম কনক। এদিন আসামিদের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ।  এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আবুল কালাম আজাদ। এসময় আসামিপক্ষে রিমান্ড জামিন চেয়ে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ আরও কয়েকজন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।  মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে বিকেলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্যরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য রাজধানীর পল্টন থানাধীন বায়তুল মোকাররম ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়ে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রচারণা চালায়। এসময় ছাত্র জনতার সহযোগিতায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটের আশপাশের এলাকা থেকে আটজন আসামিকে আটক করেন পুলিশ। এছাড়াও এজাহার নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জন আসামি বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সাথে থাকা এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। পরে ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাকিদের গ্রেফতার করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় ২০০৯ সালের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ খান।
এনএসআইর সাবেক ডিজির আত্মীয়সহ দুজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
এনএসআইর সাবেক ডিজির আত্মীয়সহ দুজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল টিএম জোবায়েরের ভায়রা খন্দকার আবুল কাইয়ূম ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য আবু সাঈদ মো. মুস্তাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। দুদকের পরিচালক মো. মনজুর আলম এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, টিএম জোবায়েরের বিরুদ্ধে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণপূর্বক বিভিন্ন পদে চাকরি প্রদান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রদর্শন পূর্বক কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ডে লন্ডনে বাড়ি ক্রয়সহ বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগটির অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।  অনুসন্ধানে জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য আবু সাঈদ মো. মুস্তাক নিজে এবং খন্দকার আবুল কাইয়ূম বিভিন্ন পন্থায় ব্যাংক হিসাবসমূহের মাধ্যমে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মেজর জেনারেল টি এম জোবায়েরের অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তর করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হয়। আবু সাঈদ ও কাইয়ূম দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।