ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

এডুর‍্যাংক ২০২৬

মাইক্রোবায়োলজিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ০৯ মে ২০২৬, ১৩:৪১
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এডুর‍্যাংক (EduRank)- এর ২০২৬ সালের বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ বিষয়ে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

গবেষণা কার্যক্রম, বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা, উদ্ধৃতি (সাইটেশন), একাডেমিক প্রভাব এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করে থাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত র‍্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম এডুর‍্যাংক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের বলেন, এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, আধুনিক গবেষণাগার সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন। উপাচার্য আরও বলেন, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ সব সময় গবেষণানির্ভর শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। আগামী দিনগুলোতে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন, গবেষণা সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক একাডেমিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, এ অর্জন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফল। তিনি আরও বলেন, আমরা মাইক্রোবায়োলজিতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির এই সাফল্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এ স্বীকৃতি দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মাইক্রোবায়োলজিতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আগ্রহী করে তুলবে।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারকের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই র‍্যাংকিং অর্জনের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে দেশীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এই অর্জনে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

এডুর‍্যাংক সম্পর্কে

এডুর‍্যাংক ডটঅর্গ একটি স্বাধীন বৈশ্বিক র‍্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা কার্যক্রম ও একাডেমিক প্রভাবের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১৮৩টি দেশের ১৪ হাজার ১৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং প্রকাশ করে থাকে। এডুর‍্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৪৬টি একাডেমিক বিষয়ের ওপর ১১ কোটি ৯০ লাখের বেশি গবেষণা প্রকাশনা এবং ৩১৬ কোটির বেশি উদ্ধৃতি বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ র‍্যাংকিং প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি একাডেমিক সুনাম, জনসম্পৃক্ততা এবং অ্যালামনাইদের অবদানও বিবেচনা করা হয়।

ওয়ালটন ফ্রিজ-এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা
গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় দুটি ফ্রিজ ও একটি এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তিন জেলার আরও তিন ক্রেতা।  তারা হলেন বান্দরবানের সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ স্কুলশিক্ষক তাহমিনা আক্তার। সুপ্রকাশ চাকমা ও কুদ্দুস হাওলাদার কিনেছিলেন একটি করে ফ্রিজ। অন্যদিকে এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তাহমিনা। সম্প্রতি বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে সুপ্রকাশ চাকমার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এর আগে নরসিংদীর কাউড়িয়া পাড়া পৌর ঈদগাহ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে তাহমিনার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফকিরহাট বাজারে ওয়ালটন প্লাজার সামনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কুদ্দুস হাওলাদারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক বুঝিয়ে দেওয়া হয়।  তাদের প্রত্যেকের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান ফিরোজ আলম, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার তানভীর রহমান, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে চলমান ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর আওতায় তারা এই সুবিধা লাভ করেন। এর আগের সিজনগুলোতে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে আরও ৫০ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।  
ওয়ালটন ফ্রিজ-এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা
গরবিনী মা সম্মাননা পেলেন যারা 
যেসব মায়ের সন্তান সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে, এমন ১১ মাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা ১১ মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর আয়োজন করে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এবার ছিল এ আয়োজনের ত্রয়োদশ আসর।  সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন, প্রশাসন ক্যাটাগরিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের মা বেগম ফরহাত ইসলাম, আইন ও বিচার ক্যাটাগরিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরিশালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মোহা. রকিবুল ইসলামের মা বেগম রোকেয়া রশীদ, আইনশৃঙ্খলা ক্যাটাগরিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার-গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলামের (ডিআইজি) মা মোসা. রাজিফা আজাদ, শিক্ষা ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইম্যান অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হকের মা সেলিমা হক, সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ.কে.এম. মনজুরুল ইসলামের মা রাজিয়া আহমেদ, চিকিৎসা ক্যাটাগরিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদের মা সরস্বতী প্রসাদ, প্রকৌশল ক্যাটাগরিতে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-স্থপতি ও ডিজাইন পেশাজীবী অমিতি কুন্ডুর মা ফাল্গুনী কুন্ডু, সংগীত ক্যাটাগরিতে চ্যানেল আই-সেরাকণ্ঠ ২০০৯ চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনালের মা সায়মা মনির মিনু, অভিনয় (নারী) ক্যাটাগরিতে নন্দিত অভিনেত্রী সংগীত শিল্পী ও মডেল এবং চলচ্চিত্র তারকা তাসনিয়া ফারিণের মা সৈয়দা শারমিন, অভিনয় (পুরুষ) ক্যাটাগরিতে নন্দিত নাট্য অভিনেতা মডেল ও পরিচালক এবং সমাজকর্মী (ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন) জিয়াউল হক পলাশের মা ফাতেমা আক্তার কাজল এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও প্রথম আলো ট্রাস্ট অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত অদম্য মেধাবী খাইরুম ইসলামের মা শিরিন আক্তার (পিয়া)।  অনুষ্ঠানের শুরুতে গরবিনী মায়েদের উত্তরীয় ও মেডেল পরিয়ে দেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। সম্মাননাপ্রাপ্তদের সম্মাননা ক্রেস্ট, মেডেল, ফ্রি মাস্টার হেল্থ চেক-আপ প্যাকেজ, উডেন পিকচার ও উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। এবারের সম্মাননার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন হাসপাতালের হেড অব ব্র্যান্ড সি. এফ. জামান। বিপাশা মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘একটি শিশুর প্রথম পাঠশালা যেমন তার মা, তেমনি জীবনের কঠিনতম সময়ে তার শেষ ভরসাস্থলও তিনি। মায়ের এই যে নিরন্তর ত্যাগ, তা কোনো প্রতিদানের আশা রাখে না। আমাদের কর্তব্য শুধু সারাজীবন শ্রদ্ধা আর মমতায় তাকে আগলে রাখা।’  ডা. জাহিদ উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি এমন সামাজিক আয়োজনের জন্য ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।   ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও বিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গরবিনী মা সম্মাননার প্রধান উদ্যোক্তা ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) এর সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল।  আয়োজকরা জানান, হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তীর মায়ের অসুস্থতায় রোগ মুক্তি কামনায় তারা ২০১৪ সাল থেকে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আসছেন। শুরুতে পাঁচজন গরবিনী মাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। গতবছর এই সম্মাননার এক যুগপূর্তি পালন করা হয়। 
গরবিনী মা সম্মাননা পেলেন যারা 
১৮ বছর পেরিয়ে ১৯-এ জ্যামস গ্রুপ, জমকালো আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
দেশের আবাসন শিল্পের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জ্যামস গ্রুপ ১৮ বছর পেরিয়ে ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই পথচলা ও সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে উদযাপন করতে রাজধানীর জলসিঁড়ি সেন্ট্রাল গলফ ক্লাবে আয়োজন করা হয় এক জমকালো অনুষ্ঠানের। শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রিয়েল এস্টেট খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি দেশের আবাসন খাতের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে জ্যামস গ্রুপকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন জ্যামস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্যাট্রন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ খন্দকার। অনুষ্ঠানে মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘১৮ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ভবিষ্যতেও আমরা আধুনিক ও মানসম্মত আবাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।’ এ সময় জ্যামস গ্রুপ ও প্যাট্রন গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে একটি মেগা প্রকল্পের ঘোষণাও দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রকল্প দেশের আবাসন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তারা আশাবাদী। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
১৮ বছর পেরিয়ে ১৯-এ জ্যামস গ্রুপ, জমকালো আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জমকালো আয়োজনে জ্যামস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
দেশের আবাসন শিল্পের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জ্যামস গ্রুপ ১৮ বছর পেরিয়ে ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই পথচলা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে উদযাপন করতে রাজধানীর জলসিঁড়ি সেন্ট্রাল গল্ফ ক্লাবে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের শীর্ষ ব্যক্তি, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি দেশের আবাসন খাতের একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। জ্যামস গ্রুপের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন জ্যামস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন। এ সময় তার সঙ্গে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্যাট্রন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ খন্দকার। জ্যামস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘১৮ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের মূল শক্তি। ভবিষ্যতে আমরা আরও আধুনিক ও মানসম্মত আবাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।’   অনুষ্ঠানে জ্যামস গ্রুপ ও প্যাট্রন গ্রুপের আসন্ন একটি মেগা প্রজেক্টের ঘোষণা দেওয়া হয়। এই জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্টটি দেশের আবাসন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা জ্যামস ও প্যাট্রন গ্রুপের কর্ণধারদের।  রাতের ডিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
জমকালো আয়োজনে জ্যামস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ানের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার
দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথিকৃৎ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ানের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার (১০ মে) পালিত হবে। ১৯৪২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার কৈলাইন গ্রামে জন্মগ্রহণকারী অধ্যাপক মিয়ান ২০১৭ সালের ১০ মে ইন্তেকাল করেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে জন্মগ্রহণকারী গর্বিত সন্তান এবং মরহুম বীর প্রতীক কর্নেল সফিক উল্যার ছোট ভাই। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা প্রবর্তনের মাধ্যমে অধ্যাপক মিয়ান এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেন। তার উদ্যোগেই ১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটি। অধ্যাপক মিয়ানের শিক্ষা ও পেশাগত জীবনের পরিসর ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বর্ণাঢ্য। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিকম (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৬২ সালে ও এমকম ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৬৩ সালে। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রি (১৯৬৮) এবং যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার স্কুল অব বিজনেস থেকে পিএইচডি ডিগ্রি (১৯৭৬) অর্জন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি দীর্ঘ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি সেন্টার ফর পপুলেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চের (সিপিএমআর) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি শিক্ষক, গবেষক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নকর্মী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি নাইজেরিয়ার আহমাদু বেলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক মিয়ানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আইইউবিএটি ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে তার জীবন ও কর্মের উপর উন্মুক্ত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন আয়োজন। অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান ছিলেন একজন দূরদর্শী শিক্ষাবিদ ও স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার পরিসরে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছেন। তার অগ্রণী চিন্তা, নেতৃত্ব ও অবদান আজও দেশের হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।
আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ানের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার
ওয়ালটন ফ্রিজ-এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা
ওয়ালটন ফ্রিজ-এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা
গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় দুটি ফ্রিজ ও একটি এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তিন জেলার আরও তিন ক্রেতা।  তারা হলেন বান্দরবানের সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ স্কুলশিক্ষক তাহমিনা আক্তার। সুপ্রকাশ চাকমা ও কুদ্দুস হাওলাদার কিনেছিলেন একটি করে ফ্রিজ। অন্যদিকে এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তাহমিনা। সম্প্রতি বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে সুপ্রকাশ চাকমার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এর আগে নরসিংদীর কাউড়িয়া পাড়া পৌর ঈদগাহ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে তাহমিনার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফকিরহাট বাজারে ওয়ালটন প্লাজার সামনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কুদ্দুস হাওলাদারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক বুঝিয়ে দেওয়া হয়।  তাদের প্রত্যেকের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান ফিরোজ আলম, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার তানভীর রহমান, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে চলমান ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর আওতায় তারা এই সুবিধা লাভ করেন। এর আগের সিজনগুলোতে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে আরও ৫০ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।  
গরবিনী মা সম্মাননা পেলেন যারা 
গরবিনী মা সম্মাননা পেলেন যারা 
যেসব মায়ের সন্তান সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে, এমন ১১ মাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা ১১ মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর আয়োজন করে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এবার ছিল এ আয়োজনের ত্রয়োদশ আসর।  সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন, প্রশাসন ক্যাটাগরিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের মা বেগম ফরহাত ইসলাম, আইন ও বিচার ক্যাটাগরিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরিশালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মোহা. রকিবুল ইসলামের মা বেগম রোকেয়া রশীদ, আইনশৃঙ্খলা ক্যাটাগরিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার-গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলামের (ডিআইজি) মা মোসা. রাজিফা আজাদ, শিক্ষা ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইম্যান অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হকের মা সেলিমা হক, সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ.কে.এম. মনজুরুল ইসলামের মা রাজিয়া আহমেদ, চিকিৎসা ক্যাটাগরিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদের মা সরস্বতী প্রসাদ, প্রকৌশল ক্যাটাগরিতে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-স্থপতি ও ডিজাইন পেশাজীবী অমিতি কুন্ডুর মা ফাল্গুনী কুন্ডু, সংগীত ক্যাটাগরিতে চ্যানেল আই-সেরাকণ্ঠ ২০০৯ চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনালের মা সায়মা মনির মিনু, অভিনয় (নারী) ক্যাটাগরিতে নন্দিত অভিনেত্রী সংগীত শিল্পী ও মডেল এবং চলচ্চিত্র তারকা তাসনিয়া ফারিণের মা সৈয়দা শারমিন, অভিনয় (পুরুষ) ক্যাটাগরিতে নন্দিত নাট্য অভিনেতা মডেল ও পরিচালক এবং সমাজকর্মী (ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন) জিয়াউল হক পলাশের মা ফাতেমা আক্তার কাজল এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও প্রথম আলো ট্রাস্ট অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত অদম্য মেধাবী খাইরুম ইসলামের মা শিরিন আক্তার (পিয়া)।  অনুষ্ঠানের শুরুতে গরবিনী মায়েদের উত্তরীয় ও মেডেল পরিয়ে দেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। সম্মাননাপ্রাপ্তদের সম্মাননা ক্রেস্ট, মেডেল, ফ্রি মাস্টার হেল্থ চেক-আপ প্যাকেজ, উডেন পিকচার ও উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। এবারের সম্মাননার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন হাসপাতালের হেড অব ব্র্যান্ড সি. এফ. জামান। বিপাশা মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘একটি শিশুর প্রথম পাঠশালা যেমন তার মা, তেমনি জীবনের কঠিনতম সময়ে তার শেষ ভরসাস্থলও তিনি। মায়ের এই যে নিরন্তর ত্যাগ, তা কোনো প্রতিদানের আশা রাখে না। আমাদের কর্তব্য শুধু সারাজীবন শ্রদ্ধা আর মমতায় তাকে আগলে রাখা।’  ডা. জাহিদ উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি এমন সামাজিক আয়োজনের জন্য ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।   ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও বিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গরবিনী মা সম্মাননার প্রধান উদ্যোক্তা ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) এর সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল।  আয়োজকরা জানান, হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তীর মায়ের অসুস্থতায় রোগ মুক্তি কামনায় তারা ২০১৪ সাল থেকে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আসছেন। শুরুতে পাঁচজন গরবিনী মাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। গতবছর এই সম্মাননার এক যুগপূর্তি পালন করা হয়। 
১৮ বছর পেরিয়ে ১৯-এ জ্যামস গ্রুপ, জমকালো আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
১৮ বছর পেরিয়ে ১৯-এ জ্যামস গ্রুপ, জমকালো আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
দেশের আবাসন শিল্পের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জ্যামস গ্রুপ ১৮ বছর পেরিয়ে ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই পথচলা ও সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে উদযাপন করতে রাজধানীর জলসিঁড়ি সেন্ট্রাল গলফ ক্লাবে আয়োজন করা হয় এক জমকালো অনুষ্ঠানের। শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রিয়েল এস্টেট খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি দেশের আবাসন খাতের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে জ্যামস গ্রুপকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন জ্যামস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্যাট্রন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ খন্দকার। অনুষ্ঠানে মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘১৮ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ভবিষ্যতেও আমরা আধুনিক ও মানসম্মত আবাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।’ এ সময় জ্যামস গ্রুপ ও প্যাট্রন গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে একটি মেগা প্রকল্পের ঘোষণাও দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রকল্প দেশের আবাসন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তারা আশাবাদী। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
জমকালো আয়োজনে জ্যামস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
জমকালো আয়োজনে জ্যামস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
দেশের আবাসন শিল্পের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জ্যামস গ্রুপ ১৮ বছর পেরিয়ে ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই পথচলা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে উদযাপন করতে রাজধানীর জলসিঁড়ি সেন্ট্রাল গল্ফ ক্লাবে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের শীর্ষ ব্যক্তি, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি দেশের আবাসন খাতের একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। জ্যামস গ্রুপের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন জ্যামস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন। এ সময় তার সঙ্গে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্যাট্রন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ খন্দকার। জ্যামস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসাইন গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘১৮ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের মূল শক্তি। ভবিষ্যতে আমরা আরও আধুনিক ও মানসম্মত আবাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।’   অনুষ্ঠানে জ্যামস গ্রুপ ও প্যাট্রন গ্রুপের আসন্ন একটি মেগা প্রজেক্টের ঘোষণা দেওয়া হয়। এই জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্টটি দেশের আবাসন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা জ্যামস ও প্যাট্রন গ্রুপের কর্ণধারদের।  রাতের ডিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।