
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ডিপার্টমেন্ট অব ফার্মেসি এবং ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ, ইনোভেশন, ইনকিউবেশন অ্যান্ড কমার্শিয়ালাইজেশনের (আইরিক) উদ্যোগে ‘স্মার্টএএমআর: অ্যাডভান্সিং ডিজিটাল হেল্থকেয়ার উইথ এআই-ড্রিভেন ইনটেলিজেন্স টু মেডিকেল অ্যাডহিরেন্স, মিনিমাইজ প্রেসক্রিপশন এরর, অ্যান্ড রিডিউস অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কনসালটেটিভ ও কো-ডিজাইন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর হোটেল সারিনায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।
ওয়ার্কশপে ৬০ জনেরও বেশি চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট, প্রকৌশলী, সরকারি কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী এবং একাডেমিশিয়ান অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, ব্যবহারযোগ্যতা এবং বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এটিকে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে একটি সম্ভাবনাময় রূপান্তরমূলক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন তারা।
স্মার্টএএমআর প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত (হিট হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফর্মেশন) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ডের (এটিএফ) অধীনে পরিচালিত এ প্রকল্পের লক্ষ্য, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা।
স্মার্টএএমআর প্রকল্পটির অধীনে একটি আধুনিক এআই-ভিত্তিক সমন্বিত ডিজিটাল সিস্টেম উন্নয়ন করা হচ্ছে—যা প্রেসক্রিপশনে ত্রুটি কমানো, রোগীর নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। প্রস্তাবিত হাইব্রিড এআই ফ্রেমওয়ার্ক প্রেসক্রিপশন তৈরির সময় রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ত্রুটি, ভুল ডোজ এবং ক্ষতিকর ওষুধের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা প্রদান করবে। পাশাপাশি, একটি এআই-চালিত পার্সোনালাইজড হেলথ ট্রায়াজ সিস্টেম রোগীর উপসর্গ বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করবে এবং অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো, চিকিৎসাসেবার নিরাপত্তা ও মান উন্নয়নের পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা হ্রাস করা, যার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় একটি টেকসই ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।




