ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

সহোদরের হাতে বড় ভাই খুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

  ২২ মে ২০২৫, ২২:৪১
পুলিশের হাতে আটক জাহেদ ও তার স্ত্রী তাসমিন বিনতে আসলাম। ছবি : কালবেলা

জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় ছুরিকাঘাতে নিহত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছোট ভাইকে তার স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বুধবার (২১ মে) রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের বি-ব্লকে নিজ বাসার চতুর্থ তলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত সাহেদ (৩৫) তার সহোদর ছোট ভাই জাহেদ রাউজান থানার নোয়াপাড়া এলাকার মৃত জালাল আহম্মদের ছেলে। এ ঘটনায় জাহেদ ও তার স্ত্রী তাসমিন বিনতে আসলাম চান্দগাঁও থানায় আটক রয়েছেন।

এসব তথ্য কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন। তিনি জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ স্থানীয়দের কল পেয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ চমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি আফতাব উদ্দিন বলেন, নিহত সাহেদ ও তার ছোট ভাই জাহেদ এক সময় পরিবারের সঙ্গে দুবাই থাকতেন। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় তাদের দুটি ফ্ল্যাট আছে। একটি ভাড়া দিয়েছেন। আরেকটিতে গত দুই বছর ধরে দুই ভাই তাদের স্ত্রীসহ থাকতেন। গত বছর বড় ভাই সাহেদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

তিনি আরও বলেন, আশপাশের লোকজনের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ছোট ভাই প্রায়ই মাদক সেবন করে বাসায় চিৎকার চেঁচামেচি করতেন। গতকাল তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাহেদ তার বড় ভাই সাহেদকে বুকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্ত্রীসহ দুজন বড় ভাইয়ের লাশ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।

শিশুরাই শহর রক্ষার বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে : চসিক মেয়র
শিশুরা যদি পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা পায়, তাহলে তারাই শহর রক্ষার সবচেয়ে বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, একটি শিশু যখন তার মা-বাবাকে বলবে ময়লা রাস্তার বদলে ডাস্টবিনে ফেলতে, তখন সেই শিশু হবে আসল পরিবর্তনের দূত।  শুক্রবার (২৩ মে) চট্টগ্রাম কোর্টহিল আইনজীবী মিলনায়তন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হেলথ কার্ড বিডি বৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  ইমরানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর। উদ্বোধক ছিলেন লায়ন তালুকদার কামরুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম জনি, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম ও কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন। এ সময় মেয়র বলেন, ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি, হেলদি সিটি ও নিরাপদ সিটি গড়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো নাগরিকের সচেতনতার অভাব। আমরা যদি শিশুদের ক্লাস রুম লেভেল থেকেই স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষা দিতে পারি, তাহলে তারাই পরিবার ও সমাজকে বদলে দিতে পারবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে মেয়র বলেন, নগরে যেখানে-সেখানে ডাবের খোসা, প্লাস্টিক ও পানির বোতল ফেলে রাখা হয়। যেখানে বৃষ্টির পানি জমে, সেখানেই এডিস মশার প্রজনন হয়। আমাদের এ অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। তিন মাসে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার ড্রেন ও খাল পরিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, এসব খালে পাওয়া গেছে টিভির কাভার, পোশাক, ফ্রিজের অংশসহ নানা রকমের বর্জ্য। এসবের জন্যই খাল দ্রুত ভরে যায়।
শিশুরাই শহর রক্ষার বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি রাহাত, সম্পাদক ফারহানুল
চট্টগ্রাম রোটারেক্ট ক্লাবের ২০২৫-২৬ বর্ষের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়েছে। এতে ৪৯তম সভাপতি নির্বাচিত হন আশেক রসুল রাহাত এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ফারহানুল আলম। বৃহস্পতিবার (২২ মে) ক্লাবের ৯৬১তম বিশেষ সভায় এ পরিষদ গঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের চিফ অ্যাডভাইজার শফিকুল ইসলাম রিফাত, রোটারেক্টর শাহাদাত হোসেন এবং সাবেক সভাপতি এমরান আহমেদ তামিম। জানা গেছে, ২০২৫-২৬ বর্ষে নবনির্বাচিত এ কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তারা আগামী জুলাই মাসে দায়িত্ব নেবেন। নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের বাকিরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি আজিজুল হক আজাদ, সহসভাপতি আশরাফুল হক আকিব, যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান ফারসি, আন্তর্জাতিক সেবা পরিচালক মেহেদী হাসান, কোষাধ্যক্ষ সাজিদ বিন দিদার, চিফ সার্জেন্ট-এট-আর্মস মো. মুহিতুল হাসিব, ক্লাব সেবা পরিচালক আবরার ইবনে নোমান মাহি, কমিউনিটি সেবা পরিচালক মো. নাজমুল হক হৃদয়, প্রফেশনাল সেবা পরিচালক মোহাম্মদ রাকিব, আইসিটি সেবা পরিচালক মো. রাশেদুল হায়দার রাফি, সম্পাদক ফাতিমা সুলতানা ও অর্থ পরিচালক ত্রিনা পালিত।
চট্টগ্রাম রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি রাহাত, সম্পাদক ফারহানুল
সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামে জলজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী
সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা। বৃষ্টিপাত থামার কয়েক ঘণ্টা পরও সড়কে জমে ছিল পানি। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী।  বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুর ১২টার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপর কোথাও ভারি আবার কোথাও মাঝারি থেকে হালকা, থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হতে থাকে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গার প্রধান আবহাওয়া কার্যালয়ের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া কালবেলাকে বলেন, দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহরে ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। যার ফলে ঝড়ো বাতাসের আশঙ্কা আছে। এ জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।  এ দিন বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলজটের সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায় সড়ক। আবার নিচু এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ির নিচতলায়ও পানি ঢুকে পড়ে। নগরীর কাতালগঞ্জ, বাকলিয়া, শোলকবহর, কাপাসগোলা, জিইসি, দুই নম্বর গেট, আগ্রাবাদ, হালিশহর, চকবাজার, বাকলিয়া, বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এসব এলাকায় অফিস থেকে বাসাগামী লোকজন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেরত শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছেন। নগরীর জিইসি এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুর রহমান বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকায় পানি উঠে যায়। আর আমাদের ভোগান্তির অন্ত থাকে না। এ সমস্যার কোনো সমাধান হবে কি না, জানা নেই। কাতালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা ফাহমিদা বেগম বলেন, অফিস থেকে ফিরতে ভয় লাগে। রাস্তায় কোথায় ড্রেন তা বোঝা যায় না। এবার জলাবদ্ধতা হবে না বলে শুনে আসছি; কিন্তু এখন তো দেখছি বর্ষা আসার আগেই পানি উঠে যাচ্ছে।  জানা গেছে, চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে ১৬ হাজার ৭৭১ কোটি টাকার চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোয় খাল পুনঃখনন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, রেগুলেটর স্থাপন এবং সড়ক নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় থাকা খাল-নালা দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে কোনো সময় নালায় তলিয়ে, আবার কোনো সময় জলাবদ্ধতার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লোকজন মারা যাচ্ছেন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম কালবেলাকে বলেন, আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ ২৬ সালের জুন পর্যন্ত আছে। এবার আমরা টার্গেট করেছি, এ বছর গতবারের তুলনায় অন্তত ৫০ শতাংশ ইম্প্রুভমেন্ট করব। ৩৬টা খালের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২২ থেকে ২৪টা খালের কাজ শেষ হয়েছে। সব খালের কাজ শেষ না হলে ফল দৃশ্যমান হবে না। তবে কিছুটা ইম্প্রুভমেন্ট অবশ্যই দেখা যাবে। গতবার ১০০ জায়গায় পানি উঠলে এবার ৫০ জায়গায় উঠবে। আর এ পানি গতবারের তুলনায় অর্ধেক সময় আগে সরে যাবে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টাও টার্গেট দিয়েছেন যেন গতবারের তুলনায় অর্ধেক ইম্প্রুভ করতে পারি।
সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামে জলজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী
চট্টগ্রামে নতুন ভোটার বেড়েছে সাড়ে ৩ লাখ
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ের ওপর নির্ভর করছে নতুন ভোটারদের ভাগ্য। ভোটার তালিকা হালনাগাদে চট্টগ্রামে নতুন ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ। হালনাগাদের পর চট্টগ্রাম জেলায় মোট ভোটার ভোটার সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ৬৮ লাখ। গত ২০ জানুয়ারি থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ হয়। একই সঙ্গে মৃত ভোটারদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার তথ্য সংগ্রহ করা হয়। নতুন ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ জনের মধ্যে এর মধ্যে ১৮ বছরের নিচে রয়েছে ৭৭ হাজার ৬৭০ জন। হালনাগাদ তালিকা থেকে মৃত্যুর কারণে বাদ পড়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৭ জন। চট্টগ্রাম জেলায় স্থানান্তরের কারণে নতুনভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ২৪ হাজার ৭৯৯ জন। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের জারি হওয়া পরিপত্র অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম কিংবা যারা আগের ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম থেকে বাদ পড়েছেন, তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, নতুন ভোটারের মধ্যে নগরের ছয় থানায় নতুন ভোটার হয়েছেন ৫২ হাজার। এরমধ্যে বেশি ভোটার হয়েছেন ডবলমুরিং ও পাঁচলাইশ থানায়। ডবলমুরিং থানায় ১২ হাজার ৯১৪ জন ও পাঁচলাইশ থানায় ৯ হাজার ৬৫৫ জন। চান্দগাঁও থানায় ৯ হাজার ১১৫ জন। পাহাড়তলীতে ৭ হাজার ৭২২ জন, বন্দর থানায় ৭ হাজার ১৯৪ জন, কোতোয়ালীতে ৫ হাজার ৪০০ জন।  উপজেলাভিত্তিক তথ্যমতে,  জেলার ১৫ উপজেলায় নতুন ভোটার হয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ২৯৩ জন। এরমধ্যে বাঁশখালীতে নতুন ভোটার হয়েছেন ২৪ হাজার ৮২২ জন, আনোয়ারায় ২৪ হাজার ৩২৭ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ২১ হাজার ৩৭৬ জন, লোহাগাড়ায় ২১ হাজার ২১৪ জন, সাতকানিয়ায় ১৮ হাজার ৮৩ জন, ফটিকছড়িতে ১৭ হাজার ৭৪০ জন, পটিয়ায় ১৭ হাজার ১৬ জন, সীতাকুণ্ডে ১৬ হাজার ৬২ জন, হাটহাজারীতে ১৬ হাজার ৭৪৮ জন, মিরসরাইয়ে ১৫ হাজার ৫১ জন, সন্দ্বীপে ১৩ হাজার ৭৯৬ জন, রাউজানে ১৩ হাজার ৯৭৯ জন, চন্দনাইশে ১২ হাজার ৮০৫ জন, বোয়ালখালীতে ১২ হাজার ১৭ জন এবং কর্ণফুলীতে ৭ হাজার ২৪৭ জন। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, গত ১৬ বছর ধরে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে একতরফা নির্বাচন, ভোটকেন্দ্র দখল, ভোটারদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতার কারণে ভোটবিমুখ হয়ে পড়েছেন ভোটাররা। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ভোটার ছিল ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৩ জন। সেই ভোটার তালিকা থেকে হালনাগাদে ৯৩ হাজার ৮৩৭ জন মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর ২৪ হাজার ৭৯৯ জন ভোটার স্থান বদল করেছেন। একই সঙ্গে ১৮ বছরের কম বয়সী ৭৭ হাজার ৬৭০ জন নাগরিকের নিবন্ধন করা হয়েছে। ১৮ বছর পূর্ণ হলেই তারা ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমেদ কালবেলাকে বলেন, হালনাগাদে নতুন করে তিন লাখের বেশি নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছে। তাদের মধ্যে যারা ১৮ বছরের নিচে তারা ভোট দানে যোগ্য হবে না। যাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি তারা ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোটদানের যোগ্য হবেন।
চট্টগ্রামে নতুন ভোটার বেড়েছে সাড়ে ৩ লাখ
‘সাংবাদিক নাসিরুল আলম ছিলেন আদর্শের বাতিঘর’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মানুষ মারা গেলেও তার আদর্শগত কাজ কখনো মারা যায় না। একজন আদর্শবাদী মানুষ মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকেন তার কাজ ও সততার প্রতিচ্ছবিতে। প্রয়াত মো. নাসিরুল আলম ছিলেন একজন পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান ও নীতিবান সাংবাদিক। আজকের এই শোকসভায় সাংবাদিকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই প্রমাণ করে, তিনি কেবল একজন সহকর্মী ছিলেন না, ছিলেন একজন আদর্শের বাতিঘর। বুধবার (২১ মে) সন্ধ্যায় নগরীর নুর আহমদ সড়কে টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (টিসিজেএ) চট্টগ্রামের মিলনায়তনে সংগঠনের প্রয়াত সহসভাপতি মো. নাসিরুল আলম স্মরণে আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। টিসিজেএ সভাপতি শফিক আহমেদ সাজীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা টেলিভিশনের চট্টগ্রাম অফিসের ডেপুটি ইনচার্জ তারেক মাহমুদ এবং দিগন্ত টেলিভিশনের সাবেক চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান গোলাম মাওলা মুরাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন টিসিজেএ সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল আলম চৌধুরী মামুন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর। আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন এখন টেলিভিশনের ভিডিও জার্নালিস্ট মো. নবাব মিয়া, টিসিজেএ নির্বাহী সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইমুন আল মুরাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাশ বাবু, মো. ফরিদ উদ্দিন, সহসভাপতি মো. আলী আকবর এবং সাবেক সভাপতি এনামুল হক। আলোচকরা বলেন, প্রয়াত নাসিরুল আলম তার পেশাগত জীবনে সততা, নিরপেক্ষতা এবং সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন ক্যামেরার পেছনের নীরব নায়ক। তিনি নিরলসভাবে সংবাদ সংগ্রহ করে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টিসিজেএ সাংগঠনিক সম্পাদক বাসু দেব, দপ্তর সম্পাদক মো. পারভেজ রহমান, রবিউল হোসেন টিপুসহ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতারা। শোকসভা শেষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রয়াত সাংবাদিক মো. নাসিরুল আলমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম জোনের মসজিদের ইমাম ক্বারি মাওলানা মো. মুহিব্বুল্লাহ।
‘সাংবাদিক নাসিরুল আলম ছিলেন আদর্শের বাতিঘর’
শিশুরাই শহর রক্ষার বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে : চসিক মেয়র
শিশুরাই শহর রক্ষার বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে : চসিক মেয়র
শিশুরা যদি পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা পায়, তাহলে তারাই শহর রক্ষার সবচেয়ে বড় যোদ্ধা হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, একটি শিশু যখন তার মা-বাবাকে বলবে ময়লা রাস্তার বদলে ডাস্টবিনে ফেলতে, তখন সেই শিশু হবে আসল পরিবর্তনের দূত।  শুক্রবার (২৩ মে) চট্টগ্রাম কোর্টহিল আইনজীবী মিলনায়তন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হেলথ কার্ড বিডি বৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  ইমরানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর। উদ্বোধক ছিলেন লায়ন তালুকদার কামরুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম জনি, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম ও কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন। এ সময় মেয়র বলেন, ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি, হেলদি সিটি ও নিরাপদ সিটি গড়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো নাগরিকের সচেতনতার অভাব। আমরা যদি শিশুদের ক্লাস রুম লেভেল থেকেই স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষা দিতে পারি, তাহলে তারাই পরিবার ও সমাজকে বদলে দিতে পারবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে মেয়র বলেন, নগরে যেখানে-সেখানে ডাবের খোসা, প্লাস্টিক ও পানির বোতল ফেলে রাখা হয়। যেখানে বৃষ্টির পানি জমে, সেখানেই এডিস মশার প্রজনন হয়। আমাদের এ অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। তিন মাসে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার ড্রেন ও খাল পরিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, এসব খালে পাওয়া গেছে টিভির কাভার, পোশাক, ফ্রিজের অংশসহ নানা রকমের বর্জ্য। এসবের জন্যই খাল দ্রুত ভরে যায়।
চট্টগ্রাম রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি রাহাত, সম্পাদক ফারহানুল
চট্টগ্রাম রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি রাহাত, সম্পাদক ফারহানুল
চট্টগ্রাম রোটারেক্ট ক্লাবের ২০২৫-২৬ বর্ষের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়েছে। এতে ৪৯তম সভাপতি নির্বাচিত হন আশেক রসুল রাহাত এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ফারহানুল আলম। বৃহস্পতিবার (২২ মে) ক্লাবের ৯৬১তম বিশেষ সভায় এ পরিষদ গঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের চিফ অ্যাডভাইজার শফিকুল ইসলাম রিফাত, রোটারেক্টর শাহাদাত হোসেন এবং সাবেক সভাপতি এমরান আহমেদ তামিম। জানা গেছে, ২০২৫-২৬ বর্ষে নবনির্বাচিত এ কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তারা আগামী জুলাই মাসে দায়িত্ব নেবেন। নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের বাকিরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি আজিজুল হক আজাদ, সহসভাপতি আশরাফুল হক আকিব, যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান ফারসি, আন্তর্জাতিক সেবা পরিচালক মেহেদী হাসান, কোষাধ্যক্ষ সাজিদ বিন দিদার, চিফ সার্জেন্ট-এট-আর্মস মো. মুহিতুল হাসিব, ক্লাব সেবা পরিচালক আবরার ইবনে নোমান মাহি, কমিউনিটি সেবা পরিচালক মো. নাজমুল হক হৃদয়, প্রফেশনাল সেবা পরিচালক মোহাম্মদ রাকিব, আইসিটি সেবা পরিচালক মো. রাশেদুল হায়দার রাফি, সম্পাদক ফাতিমা সুলতানা ও অর্থ পরিচালক ত্রিনা পালিত।
সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামে জলজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী
সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামে জলজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী
সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা। বৃষ্টিপাত থামার কয়েক ঘণ্টা পরও সড়কে জমে ছিল পানি। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী।  বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুর ১২টার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপর কোথাও ভারি আবার কোথাও মাঝারি থেকে হালকা, থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হতে থাকে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গার প্রধান আবহাওয়া কার্যালয়ের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া কালবেলাকে বলেন, দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহরে ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। যার ফলে ঝড়ো বাতাসের আশঙ্কা আছে। এ জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।  এ দিন বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলজটের সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায় সড়ক। আবার নিচু এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ির নিচতলায়ও পানি ঢুকে পড়ে। নগরীর কাতালগঞ্জ, বাকলিয়া, শোলকবহর, কাপাসগোলা, জিইসি, দুই নম্বর গেট, আগ্রাবাদ, হালিশহর, চকবাজার, বাকলিয়া, বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এসব এলাকায় অফিস থেকে বাসাগামী লোকজন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেরত শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছেন। নগরীর জিইসি এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুর রহমান বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকায় পানি উঠে যায়। আর আমাদের ভোগান্তির অন্ত থাকে না। এ সমস্যার কোনো সমাধান হবে কি না, জানা নেই। কাতালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা ফাহমিদা বেগম বলেন, অফিস থেকে ফিরতে ভয় লাগে। রাস্তায় কোথায় ড্রেন তা বোঝা যায় না। এবার জলাবদ্ধতা হবে না বলে শুনে আসছি; কিন্তু এখন তো দেখছি বর্ষা আসার আগেই পানি উঠে যাচ্ছে।  জানা গেছে, চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে ১৬ হাজার ৭৭১ কোটি টাকার চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোয় খাল পুনঃখনন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, রেগুলেটর স্থাপন এবং সড়ক নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় থাকা খাল-নালা দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে কোনো সময় নালায় তলিয়ে, আবার কোনো সময় জলাবদ্ধতার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লোকজন মারা যাচ্ছেন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম কালবেলাকে বলেন, আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ ২৬ সালের জুন পর্যন্ত আছে। এবার আমরা টার্গেট করেছি, এ বছর গতবারের তুলনায় অন্তত ৫০ শতাংশ ইম্প্রুভমেন্ট করব। ৩৬টা খালের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২২ থেকে ২৪টা খালের কাজ শেষ হয়েছে। সব খালের কাজ শেষ না হলে ফল দৃশ্যমান হবে না। তবে কিছুটা ইম্প্রুভমেন্ট অবশ্যই দেখা যাবে। গতবার ১০০ জায়গায় পানি উঠলে এবার ৫০ জায়গায় উঠবে। আর এ পানি গতবারের তুলনায় অর্ধেক সময় আগে সরে যাবে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টাও টার্গেট দিয়েছেন যেন গতবারের তুলনায় অর্ধেক ইম্প্রুভ করতে পারি।
চট্টগ্রামে নতুন ভোটার বেড়েছে সাড়ে ৩ লাখ
চট্টগ্রামে নতুন ভোটার বেড়েছে সাড়ে ৩ লাখ
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ের ওপর নির্ভর করছে নতুন ভোটারদের ভাগ্য। ভোটার তালিকা হালনাগাদে চট্টগ্রামে নতুন ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ। হালনাগাদের পর চট্টগ্রাম জেলায় মোট ভোটার ভোটার সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ৬৮ লাখ। গত ২০ জানুয়ারি থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ হয়। একই সঙ্গে মৃত ভোটারদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার তথ্য সংগ্রহ করা হয়। নতুন ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ জনের মধ্যে এর মধ্যে ১৮ বছরের নিচে রয়েছে ৭৭ হাজার ৬৭০ জন। হালনাগাদ তালিকা থেকে মৃত্যুর কারণে বাদ পড়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৭ জন। চট্টগ্রাম জেলায় স্থানান্তরের কারণে নতুনভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ২৪ হাজার ৭৯৯ জন। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের জারি হওয়া পরিপত্র অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম কিংবা যারা আগের ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম থেকে বাদ পড়েছেন, তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, নতুন ভোটারের মধ্যে নগরের ছয় থানায় নতুন ভোটার হয়েছেন ৫২ হাজার। এরমধ্যে বেশি ভোটার হয়েছেন ডবলমুরিং ও পাঁচলাইশ থানায়। ডবলমুরিং থানায় ১২ হাজার ৯১৪ জন ও পাঁচলাইশ থানায় ৯ হাজার ৬৫৫ জন। চান্দগাঁও থানায় ৯ হাজার ১১৫ জন। পাহাড়তলীতে ৭ হাজার ৭২২ জন, বন্দর থানায় ৭ হাজার ১৯৪ জন, কোতোয়ালীতে ৫ হাজার ৪০০ জন।  উপজেলাভিত্তিক তথ্যমতে,  জেলার ১৫ উপজেলায় নতুন ভোটার হয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ২৯৩ জন। এরমধ্যে বাঁশখালীতে নতুন ভোটার হয়েছেন ২৪ হাজার ৮২২ জন, আনোয়ারায় ২৪ হাজার ৩২৭ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ২১ হাজার ৩৭৬ জন, লোহাগাড়ায় ২১ হাজার ২১৪ জন, সাতকানিয়ায় ১৮ হাজার ৮৩ জন, ফটিকছড়িতে ১৭ হাজার ৭৪০ জন, পটিয়ায় ১৭ হাজার ১৬ জন, সীতাকুণ্ডে ১৬ হাজার ৬২ জন, হাটহাজারীতে ১৬ হাজার ৭৪৮ জন, মিরসরাইয়ে ১৫ হাজার ৫১ জন, সন্দ্বীপে ১৩ হাজার ৭৯৬ জন, রাউজানে ১৩ হাজার ৯৭৯ জন, চন্দনাইশে ১২ হাজার ৮০৫ জন, বোয়ালখালীতে ১২ হাজার ১৭ জন এবং কর্ণফুলীতে ৭ হাজার ২৪৭ জন। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, গত ১৬ বছর ধরে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে একতরফা নির্বাচন, ভোটকেন্দ্র দখল, ভোটারদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতার কারণে ভোটবিমুখ হয়ে পড়েছেন ভোটাররা। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ভোটার ছিল ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৩ জন। সেই ভোটার তালিকা থেকে হালনাগাদে ৯৩ হাজার ৮৩৭ জন মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর ২৪ হাজার ৭৯৯ জন ভোটার স্থান বদল করেছেন। একই সঙ্গে ১৮ বছরের কম বয়সী ৭৭ হাজার ৬৭০ জন নাগরিকের নিবন্ধন করা হয়েছে। ১৮ বছর পূর্ণ হলেই তারা ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমেদ কালবেলাকে বলেন, হালনাগাদে নতুন করে তিন লাখের বেশি নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছে। তাদের মধ্যে যারা ১৮ বছরের নিচে তারা ভোট দানে যোগ্য হবে না। যাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি তারা ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোটদানের যোগ্য হবেন।