আইসিইউতে জরুরি সেবা দেওয়ার জন্য করোনা মহামারির সময় ১৪১ কোটি টাকায় ৭০টি অক্সিজেন জেনারেটর কিনেছিল সরকার। প্রতিটির গড় দাম পড়ে প্রায় ২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৩টি অক্সিজেন জেনারেটরের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
সরকারের ২৬ কোটি টাকার এই সম্পদ কোথায় গেল তার সঠিক তথ্যও নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। বাকি ৫৭টির মধ্যে ২২টি অচল পড়ে আছে। বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে মাত্র ৩৫টি। তবে সচল ৩৫টির মধ্যে একটিও চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারছে না। হদিস না মেলা অক্সিজেন জেনারেটরের বিষয়ে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায় অক্সিজেন জেনারেটর বণ্টন করা ৭০টি হাসপাতালে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য পেয়েছে এশিয়া পোস্ট।
তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ। ওই সময়ে করোনা সংক্রমণ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়লে শুরুতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেনি তৎকালীন সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ২০২১ সালের ১৯ মে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারকে (সিএমএসডি) ৪০টি অক্সিজেন জেনারেটর মেশিন কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে আরও ৩০টি বাড়িয়ে কেনা হয় ৭০টি।
সিএমএসডি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে পাঁচটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৭০টি অক্সিজেন জেনারেটর মেশিন কেনা হয়েছে। প্রতিটির দাম ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ২ কোটি ২২ লাখ টাকা পর্যন্ত। সব মিলিয়ে ব্যয় হয় ১৪১ কোটি ৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে আনিফকো হেলথ কেয়ার ৩৫টি, আল মদিনা ট্রেডার্স ১৯টি, এস এস সায়েন্টিফিক করপোরেশন ৭টি, এস. টেক ৬টি এবং ফরমোসা ট্রেডিং বিডি লিমিটিড সরবরাহ করে ৩টি মেশিন।
কেনার সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, প্রতিটি অক্সিজেন জেনারেটর মেশিনের মাধ্যমে একসঙ্গে ১০০ জন রোগীকে ২৪ ঘণ্টা উচ্চপ্রবাহের অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব। একই সঙ্গে এসব জেনারেটর সহজে বহনযোগ্য ও ব্যবহার করা সহজ। তবে বাস্তবতা বলছে উল্টো। সক্ষমতা যাচাই না করে কেনায় কাজে আসছে না এসব যন্ত্র। অক্সিজেন জেনারেটর থাকা হাসপাতালগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এগুলো মাসে সর্বোচ্চ ৫০০ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে। এটি প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য।
সিএমএসডি বলছে, হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করা অক্সিজেন জেনারেটরের প্রতিটি সচল রয়েছে। তবে সরেজমিনে ৭০টি হাসপাতালের তথ্য সংগ্রহ করেছে এশিয়া পোস্ট। এতে দেখা যায়, অর্ধেকের মতো মেশিন বর্তমানে চালু অবস্থায় রয়েছে। অনেক মেশিন পড়ে আছে বিকল অবস্থায়। আবার বড় একটি অংশের অস্তিত্বই মেলেনি।
পাওয়া যাচ্ছে না ১৩টি
সিএমএসডির দেওয়া তালিকা ধরে সারা দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখেছেন এশিয়া পোস্টের প্রতিনিধিরা। তাদের অনুসন্ধানে ১৩টি হাসপাতালে অক্সিজেন জেনারেটরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে একটি ছাড়া বাকি ১২টিই ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতাল।
ঢাকায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অক্সিজেন জেনারেটরের কোনো অস্তিত্ব মেলেনি। ঢাকার বাইরের ১২টি হচ্ছে: নোয়াখালীর ভাসানচর ২০ শয্যা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল।
অচল পড়ে আছে ২২টি
ঢাকার হাসপাতালগুলোর মধ্যে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অক্সিজেন জেনারেটরটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুই মাস ধরে এটি কাজ করছে না। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেওয়া হলেও মেরামতের ব্যবস্থা করা হয়নি।
একই অবস্থা রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল ও জাতীয় নাক, কান, গলা ইনস্টিটিউটে। এই তিন হাসপাতালের বিকল জেনারেটর মেরামত করতে সিএমএসডি, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখায় দফায় দফায় চিঠি দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল না হলেও স্থাপনের পর থেকেই ব্যবহার হচ্ছে না বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে থাকা অক্সিজেন জেনারেটরটি। হাসপাতালটির অক্সিজেন সরবরাহ বিভাগের ইনচার্জ খোরশেদ আলম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘সারা দেশের রোগী আসেন এ হাসপাতালে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রসহ (আইসিইউ) প্রতি মাসে এখানে ৮০ থেকে ৯০ হাজার লিটার অক্সিজেনের চাহিদা রয়েছে। সেখানে অক্সিজেন জেনারেটর দিতে পারে সর্বোচ্চ ৫০০ লিটার। এটি দিয়ে দুটি আইসিইউ শয্যারও চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। তাই কোটি টাকার এই যন্ত্রটি পড়ে আছে।’
ঢাকার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন জেলার ১৭টি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে অচলাবস্থায় পড়ে আছে সরকারের সরবরাহ করা অক্সিজেন জেনারেটরগুলো। এই ১৭ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: বরিশাল শের-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল, বরগুনার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা হাসপাতাল, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাগেরহাটের ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল, পটুয়াখালী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল, বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মুনছুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবর রহমান জানান, ‘২০২২ সালের বন্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত একমাত্র অক্সিজেন জেনারেটরটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। বর্তমানে বাইরে থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে সেবা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।’ বাগেরহাট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় রোগীদের সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।’
সচল ৩৫ হাসপাতালে
ঢাকার চারটি হাসপাতালে অক্সিজেন জেনারেটর সচল রয়েছে বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। এ হাসপাতালগুলো হলো—জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর), ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল।
তবে নিটোরে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালটির দুটি ভবনের একটিতে অক্সিজেন জেনারেটরের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা যাচ্ছে। পুরাতন ভবনে চালু থাকলেও সক্ষমতার অভাবে নেই নতুন ভবনে নেই। সেখানে তরল গ্যাসই ভরসা।
চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন সরবরাহ না করতে পারলেও ঢাকার বাইরে ৩১টি হাসপাতালে অক্সিজেন জেনারেটর চালু পাওয়া গেছে। এই তালিকায় রয়েছে গাজীপুরের কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল। তালিকায় আরও আছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতাল। মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পাবনা জেনারেল হাসপাতাল, পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল, রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতাল, সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতাল, ঠাকুরওগাঁও আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল, নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালও রয়েছে এই তালিকায়। মেশিন সচল থাকা বাকি হাসপাতালগুলো হচ্ছে: ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল, জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, ফেনী ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, লক্ষ্মীপুর ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল, লালমনিরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, নাটোর ২৫০ শয্যা আধুনিক সদর হাসপাতাল, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নড়াইল জেলা হাসপাতাল, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২৫০ শয্যার নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
যা বলছে কর্তৃপক্ষ
সিএমএসডির সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘হাসপাতালগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমরা তালিকা হালনাগাদ করি। সেখানে তারা কেন ভুল তথ্য দিল বোধগম্য নয়। যেখানে সচল দেখানো হয়েছে সেখানে না থাকা, এটা বড় সমস্যা। অবশ্যই হাসপাতালগুলোতে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএমএসডির আরেক সহকারী পরিচালক এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘করোনা মহামারির সময়ে অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিলে অক্সিজেন জেনারেটরগুলো কেনা হয়। ওই সময়ের সব কেনাকাটাই ছিল জরুরি। ফলে অনেক সময় সক্ষমতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।’
ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সিএমএসডির কাজ সরবরাহ করা। ঠিকমতো সেবা পাওয়া, সংরক্ষণ সবকিছুই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে। তারপরও কেন এমন বড় ফারাক বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অবশ্য বলছে, যন্ত্র নষ্ট নাকি সচল সেটি দেখার দায়িত্ব তাদের নয়। অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘যন্ত্র গ্রহণ করে হাসপাতাল, সেটি নষ্ট হলে মেরামতের দায়িত্বও তাদের। এ জন্য হাসপাতালে নির্দিষ্ট বরাদ্দ থাকে। বরাদ্দের বাইরের হলে নিমিউ অ্যান্ড টিসিকে (ন্যাশনাল ইলেকট্রো- মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ এন্ড ট্রেনিং সেন্টার) চিঠি দিতে পারে। এখানে অধিদপ্তরের কিছু করার নেই।’
স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘অক্সিজেন জেনারেটরের তালিকা নেওয়া হয়েছে। একটি টিম করে প্রতিটি হাসপাতালে খতিয়ে দেখা হবে, কেন এগুলো অচল অবস্থায় আছে। তবে যন্ত্র না থাকার তথ্য আমার কাছে নেই।’
তিনি বলেন, ‘৭০টির বাইরে আরও ২৯টি স্থাপন করা হয়েছে, যার সবগুলো চালু রয়েছে বলে জানিয়েছে সিএমএসডি। তারপরও আমরা বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করব। এগুলোর সক্ষমতা কতটুকু, কারা সরবরাহ করেছে সবগুলো যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




