ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

অনিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নথি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

লিটন ইসলাম, ঢাবি

  ২৪ মে ২০২৫, ০০:০০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠার পর থেকে কাগজের ওপর নির্ভরশীল হলেও ২০২০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কিছু শাখায় ডিজিটালাইজেশনের ছোঁয়া লাগে। তবে অবহেলিত অবস্থায় রয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটির সার্টিফিকেট, মার্কশিট ও ট্রান্সক্রিপ্ট সেবা শাখাগুলো। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) না থাকা, জরাজীর্ণ পরিবেশ, কাগজে নির্ভরশীল হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সব নথি।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এ তিন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অতিরিক্ত গরমের কারণে রুমগুলোর আর্দ্রতা বেড়ে যায়। যার ফলে ৪০ থেকে ৫০ বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বের হওয়া সাবেক শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট, মার্কশিট ও ট্যাবুলেশন শিটসহ গুরুত্বপূর্ণ সব নথি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শত বছরের পুরোনো নথির অনেকগুলো আবার ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।

সার্টিফিকেট শাখায় কর্মরত সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, ২০২২-২৩ সাল থেকে আমরা প্রিন্ট সার্টিফিকেট দিচ্ছি। কিন্তু এর আগের অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যারা সার্টিফিকেট নিতে আসতেছে, তাদের হাতে লেখা সার্টিফিকেট দিতে হচ্ছে। ২০২৩ সালে এখানে কম্পিউটার দেওয়া হয়। এর আগে ২০২২ সালে আমরা অন্য জায়গা থেকে সার্টিফিকেট প্রিন্ট করে নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের দিতাম।

সার্টিফিকেট শাখার এক কর্মচারী ১৯৬২ সালের একটি ফাইল দেখালেন। যেখানে দেখা যায়, ফাইলের সব পাতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক পাতা টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। তিনি জানালেন, এসি না থাকায় অতিরিক্ত গরমে এ অবস্থা হয়েছে।

মার্কশিট ট্যাবুলেশন শাখার সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, আমাদের এখানে ১০ হাজারের অধিক ট্যাবুলেশন শিট রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোর শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিস্টারের ফল নিয়ে তৈরি করা হয় এসব ট্যাবুলেশন শিট। এর মধ্যে অনেক শিট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ৪০ বছরের বেশি বয়সের শিটগুলো নষ্ট হচ্ছে বেশি। কারণ হিসেবে তিনি জানান, অতিরিক্ত গরমের কারণে এরকম হচ্ছে। পাশাপাশি এগুলো নষ্ট হয়ে গেলে বিকল্প হিসেবে নেই কোনো ব্যবস্থা।

জানা যায়, সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য প্রতিদিন ২০০টির বেশি আবেদন জমা হয় সার্টিফিকেট শাখায়। এর মধ্যে ১০০ থেকে ১৫০ জনকে প্রিন্ট সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। বাকিগুলো হাতে লেখা সার্টিফিকেট দিতে হয়। তিন শাখা মিলিয়ে প্রতিদিন ১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সেবা নিতে এসব শাখায় আসেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল আর্কাইভ হলে যুগ যুগ ধরে এসব কাগজপত্র টিকে থাকবে। এতে করে এসব শাখার কাজে যেমন গতিশীলতা আসবে পাশাপাশি কাজের চাপও কমবে। যার যা তথ্য দিতে না পারলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিপদে পড়বে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী কালবেলাকে বলেন, অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ডিজিটাল আর্কাইভ না হওয়ায় অনেক মূল্যবান নথি নষ্ট হচ্ছে। যদি কোনো দুর্ঘটনা হয়, তাহলে এসব নথি দেওয়ার উপায় থাকবে না। এসব সমস্যা সমাধান করা গেলে এসব শাখার কাজেও গতি আসবে, পাশাপাশি সেবার মানও বাড়বে। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতেছি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। তিনি কালবেলাকে বলেন, এগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ। এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও বিশ্ববিদ্যালয়ের। আমি এ বিষয়ে শাখা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব। পুরোপুরি সমাধান না করতে পারলেও আপাতত যতটুকু পারা যায় ততটুকু করব।

গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
নগরবাসীর জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে গাজীপুরের দীর্ঘতম ও প্রাচীন মোগর খাল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে খালটির উৎসমুখ মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এ সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেলসহ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে মোগর খালটি পূর্ব চান্দনা, খাইলকুর, হায়দারাবাদসহ বেশ কিছু এলাকা অতিক্রম করে হায়দারাবাদ খালে মিলিত হয়। পরে এটি নিমতলী খাল হয়ে টঙ্গী নদীতে পতিত হয়। ম্যাপে এটি গাছা খাল হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়। মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এ খালটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বর্তমানে এটি সবচেয়ে বেশি অবৈধ দখল ও দূষণের শিকার। এ কারণে স্থানীয় এবং ঢাকার বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন, খালপাড়ের মানুষ এ খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খননের দাবি জানিয়ে আসছিল। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ খনন ও ময়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছে। খালের অপসারিত মাটি ও অন্যান্য বর্জ্য খালের পাশে না ফেলে ট্রাক দিয়ে সরাসরি ডাম্পিং পয়েন্টে নিয়ে ফেলা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, নাগরিক সুবিধার জন্য জলাবদ্ধতামুক্ত ও পরিবেশ রক্ষায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছি। আশা করা যায়, এ কাজটি সম্পন্ন হলে এই খালের আশপাশের মানুষের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও নানা রকম দূষণের কারণে দুর্ভোগ লাঘব হবে। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, মোগর খালটি সিটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। কিন্তু বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক বর্জ্য, অবৈধ দখল ইত্যাদি কারণে খালটি মৃতপ্রায়। এসব কারণে বেলা, রিভার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন সীমানা নির্ধারণ করে খনন এবং পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ মামলা করে হয়রানির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক তিন চেয়ারম্যান ও এক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে বগুড়ায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়া জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলার চাঁদপুর গ্রামের বুলবুল আহম্মেদের ছেলে আতিকুর রহমান। আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১০ জুলাই তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান মনজুর এবং সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউদ্দীন আহম্মেদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব বলেন, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে এ মামলা করা হয়, যা আইনবিরুদ্ধ। এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
ঘোড়দৌড়, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ লড়াই এমনকি মই নিয়ে গরুর দৌড় প্রতিযোগিতার কথা সবাই জানেন। অনেকে দেখেছেনও। তবে ছাগলের দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়টি একেবারেই নতুন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এমন ব্যতিক্রম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যশোরের কেশবপুরে। এলাকাবাসীকে বিনোদন দিতে উপজেলার আটন্ডা যুব সমাজ এ আয়োজন করে। ছাগলের দৌড় দেখার জন্য দুপুরের পরপরই আটন্ডা গ্রামে মাঠের দুই পাশে ভিড় করেন নারী-পুরুষ, শিশুসহ শত শত উৎসুক মানুষ। ওই এলাকায় প্রতিযোগিতা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মাঠ সাজানো হয় বর্ণিল সাজে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এলাকার অন্তত ৩০টি পোষা ছাগল। চেনার সুবিধার্থে ছাগলগুলোকে দাঁড় করিয়ে গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সিরিয়াল সংবলিত নম্বর কার্ড। অনুষ্ঠানে ছাগলের মালিকদের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় পাঁচ ধাপে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আটন্ডা গ্রামের মাহফুজ হোসেনের ছাগল প্রথম, শহিদুল ইসলামের ছাগল দ্বিতীয় ও সাইফুল ইসলামের ছাগল তৃতীয় স্থান অধিকার করে। বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ঘড়ি, পানির জগ ও মগ। বিজয়ী ছাগলের মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাজার পাড়ায় যৌথ মাছ ব্যবসার আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মনির আহমদ (৪৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ী খুন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মাছ ব্যবসায়ী মনির আহমদ চকরিয়া পৌরসভার বাজারপাড়া এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে। গতকাল শুক্রবার হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানায়, যৌথ মাছ ব্যবসায় আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে একই এলাকার গনু মিয়ার ছেলে আজাদ (বাবু) ও মারুফের ছুরির আঘাতে মনির আহমদ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুজনই পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
বিএমডিএ চেয়ারম্যান মারা গেছেন
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামান মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজশাহীর উপশহরের ভাড়া বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। আসাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত সহকারী ও বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানান, আসাদুজ্জামান কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। কয়েকদিন ধরে তার জ্বরও ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তার আগেই তিনি মারা যান। ড. আসাদুজ্জামান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার দুই সন্তানই আমেরিকায় থাকেন। ছেলে জাতিসংঘের বড় পদে চাকরি করেন। সন্তানরা দেশে ফেরার পর দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম।
বিএমডিএ চেয়ারম্যান মারা গেছেন
গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
নগরবাসীর জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে গাজীপুরের দীর্ঘতম ও প্রাচীন মোগর খাল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে খালটির উৎসমুখ মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এ সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেলসহ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে মোগর খালটি পূর্ব চান্দনা, খাইলকুর, হায়দারাবাদসহ বেশ কিছু এলাকা অতিক্রম করে হায়দারাবাদ খালে মিলিত হয়। পরে এটি নিমতলী খাল হয়ে টঙ্গী নদীতে পতিত হয়। ম্যাপে এটি গাছা খাল হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়। মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এ খালটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বর্তমানে এটি সবচেয়ে বেশি অবৈধ দখল ও দূষণের শিকার। এ কারণে স্থানীয় এবং ঢাকার বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন, খালপাড়ের মানুষ এ খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খননের দাবি জানিয়ে আসছিল। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ খনন ও ময়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছে। খালের অপসারিত মাটি ও অন্যান্য বর্জ্য খালের পাশে না ফেলে ট্রাক দিয়ে সরাসরি ডাম্পিং পয়েন্টে নিয়ে ফেলা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, নাগরিক সুবিধার জন্য জলাবদ্ধতামুক্ত ও পরিবেশ রক্ষায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছি। আশা করা যায়, এ কাজটি সম্পন্ন হলে এই খালের আশপাশের মানুষের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও নানা রকম দূষণের কারণে দুর্ভোগ লাঘব হবে। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, মোগর খালটি সিটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। কিন্তু বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক বর্জ্য, অবৈধ দখল ইত্যাদি কারণে খালটি মৃতপ্রায়। এসব কারণে বেলা, রিভার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন সীমানা নির্ধারণ করে খনন এবং পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ মামলা করে হয়রানির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক তিন চেয়ারম্যান ও এক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে বগুড়ায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়া জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলার চাঁদপুর গ্রামের বুলবুল আহম্মেদের ছেলে আতিকুর রহমান। আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১০ জুলাই তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান মনজুর এবং সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউদ্দীন আহম্মেদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব বলেন, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে এ মামলা করা হয়, যা আইনবিরুদ্ধ। এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
ঘোড়দৌড়, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ লড়াই এমনকি মই নিয়ে গরুর দৌড় প্রতিযোগিতার কথা সবাই জানেন। অনেকে দেখেছেনও। তবে ছাগলের দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়টি একেবারেই নতুন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এমন ব্যতিক্রম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যশোরের কেশবপুরে। এলাকাবাসীকে বিনোদন দিতে উপজেলার আটন্ডা যুব সমাজ এ আয়োজন করে। ছাগলের দৌড় দেখার জন্য দুপুরের পরপরই আটন্ডা গ্রামে মাঠের দুই পাশে ভিড় করেন নারী-পুরুষ, শিশুসহ শত শত উৎসুক মানুষ। ওই এলাকায় প্রতিযোগিতা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মাঠ সাজানো হয় বর্ণিল সাজে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এলাকার অন্তত ৩০টি পোষা ছাগল। চেনার সুবিধার্থে ছাগলগুলোকে দাঁড় করিয়ে গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সিরিয়াল সংবলিত নম্বর কার্ড। অনুষ্ঠানে ছাগলের মালিকদের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় পাঁচ ধাপে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আটন্ডা গ্রামের মাহফুজ হোসেনের ছাগল প্রথম, শহিদুল ইসলামের ছাগল দ্বিতীয় ও সাইফুল ইসলামের ছাগল তৃতীয় স্থান অধিকার করে। বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ঘড়ি, পানির জগ ও মগ। বিজয়ী ছাগলের মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাজার পাড়ায় যৌথ মাছ ব্যবসার আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মনির আহমদ (৪৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ী খুন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মাছ ব্যবসায়ী মনির আহমদ চকরিয়া পৌরসভার বাজারপাড়া এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে। গতকাল শুক্রবার হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানায়, যৌথ মাছ ব্যবসায় আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে একই এলাকার গনু মিয়ার ছেলে আজাদ (বাবু) ও মারুফের ছুরির আঘাতে মনির আহমদ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুজনই পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।