ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

কালবেলা প্রতিবেদক

  ২৪ মে ২০২৫, ০০:০০

পরিস্থিতি যেরকমই হোক, নিজেদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। তারা বলেছেন, একতাবদ্ধ থাকলে অনেক অসাধ্য সাধন করা যায়। তাই নিজেদের মধ্যে কোনো বিভক্তি-বিভাজন নয়। একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে তারা সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। গতকাল দুপুরে রাজধানীর টিকাটুলীতে শ্রীশ্রী স্বামী ভোলানন্দগিরি আশ্রমে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হিন্দু নেতারা।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সম্মিলিত সনাতন পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও অভিষেক উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং ১৮ সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হয়। এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠনের একটি সম্মিলিত জোট।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালন পর্ষদের সভাপতি বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকতে পারে; কিন্তু সনাতনীদের স্বার্থে আমরা এক ও অভিন্ন। কখনো যেন না ভাবি, আমরা দুর্বল। দুর্বলতাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, একতাবদ্ধ থাকলে অনেক অসাধ্য সাধন করা যায়। সুতরাং নিজেদের মধ্যে কোনো বিভক্তি নয়। ঐক্যই হবে আমাদের শক্তি।

স্বামী ভোলানন্দগিরি আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি ও গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমরা সনাতনী সমাজের ঐক্য চাই। আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই। আমরা একে অপরের সহযোগী। সুতরাং আমাদের মধ্যে বিভক্তি-বিভাজন যেন না হয়, সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় আমাদের ওপর ঝড় বয়ে যায়। সামনে আমাদের অনেক দূর এগোতে হবে। পরিস্থিতি রাজনৈতিক কারণে যেখানেই যাক কিংবা যেমনই হোক, আমাদের ঐক্যটা যেন অটুট থাকে। একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ১০ হাজার একর দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল রয়েছে। যারা দখল করে রেখেছেন, তাদের অনুরোধ করব, এসব সম্পত্তি ছেড়ে দিন।

সম্মিলিত সনাতন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার আচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও লেখিকা বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়ন্তী রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন দেব প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) গোকুল ভি কের থাকার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। তবে তিনি আয়োজকদের কাছে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র রায়কে নির্বাহী সভাপতি এবং ড. জে কে পাল, অধ্যাপক অশোক তরু, অসিত কুমার মুকুট মণি, সাধন দেবনাথ, জিতেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ, রতন চন্দ্র পাল (আর সি পাল), সাধন চন্দ্র মণ্ডল, বিকাশেন্দু সরকার, বীজন কান্তি ধর, বরুন সরকার ও গৌরহরি সাহাকে সহসভাপতি করা হয়েছে। উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ, চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী, কান্তিবন্ধু ব্রহ্মচারী, সংগীতানন্দ মহারাজ, সুব্রত ঠাকুর, বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার, প্রফেসর ড. দুর্গাপ্রসাদ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক কল্যাণময় সরকার, অ্যাডভোকেট প্রবীর হালদার প্রমুখ।

গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
নগরবাসীর জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে গাজীপুরের দীর্ঘতম ও প্রাচীন মোগর খাল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে খালটির উৎসমুখ মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এ সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেলসহ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে মোগর খালটি পূর্ব চান্দনা, খাইলকুর, হায়দারাবাদসহ বেশ কিছু এলাকা অতিক্রম করে হায়দারাবাদ খালে মিলিত হয়। পরে এটি নিমতলী খাল হয়ে টঙ্গী নদীতে পতিত হয়। ম্যাপে এটি গাছা খাল হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়। মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এ খালটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বর্তমানে এটি সবচেয়ে বেশি অবৈধ দখল ও দূষণের শিকার। এ কারণে স্থানীয় এবং ঢাকার বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন, খালপাড়ের মানুষ এ খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খননের দাবি জানিয়ে আসছিল। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ খনন ও ময়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছে। খালের অপসারিত মাটি ও অন্যান্য বর্জ্য খালের পাশে না ফেলে ট্রাক দিয়ে সরাসরি ডাম্পিং পয়েন্টে নিয়ে ফেলা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, নাগরিক সুবিধার জন্য জলাবদ্ধতামুক্ত ও পরিবেশ রক্ষায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছি। আশা করা যায়, এ কাজটি সম্পন্ন হলে এই খালের আশপাশের মানুষের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও নানা রকম দূষণের কারণে দুর্ভোগ লাঘব হবে। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, মোগর খালটি সিটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। কিন্তু বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক বর্জ্য, অবৈধ দখল ইত্যাদি কারণে খালটি মৃতপ্রায়। এসব কারণে বেলা, রিভার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন সীমানা নির্ধারণ করে খনন এবং পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ মামলা করে হয়রানির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক তিন চেয়ারম্যান ও এক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে বগুড়ায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়া জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলার চাঁদপুর গ্রামের বুলবুল আহম্মেদের ছেলে আতিকুর রহমান। আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১০ জুলাই তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান মনজুর এবং সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউদ্দীন আহম্মেদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব বলেন, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে এ মামলা করা হয়, যা আইনবিরুদ্ধ। এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
ঘোড়দৌড়, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ লড়াই এমনকি মই নিয়ে গরুর দৌড় প্রতিযোগিতার কথা সবাই জানেন। অনেকে দেখেছেনও। তবে ছাগলের দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়টি একেবারেই নতুন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এমন ব্যতিক্রম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যশোরের কেশবপুরে। এলাকাবাসীকে বিনোদন দিতে উপজেলার আটন্ডা যুব সমাজ এ আয়োজন করে। ছাগলের দৌড় দেখার জন্য দুপুরের পরপরই আটন্ডা গ্রামে মাঠের দুই পাশে ভিড় করেন নারী-পুরুষ, শিশুসহ শত শত উৎসুক মানুষ। ওই এলাকায় প্রতিযোগিতা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মাঠ সাজানো হয় বর্ণিল সাজে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এলাকার অন্তত ৩০টি পোষা ছাগল। চেনার সুবিধার্থে ছাগলগুলোকে দাঁড় করিয়ে গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সিরিয়াল সংবলিত নম্বর কার্ড। অনুষ্ঠানে ছাগলের মালিকদের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় পাঁচ ধাপে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আটন্ডা গ্রামের মাহফুজ হোসেনের ছাগল প্রথম, শহিদুল ইসলামের ছাগল দ্বিতীয় ও সাইফুল ইসলামের ছাগল তৃতীয় স্থান অধিকার করে। বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ঘড়ি, পানির জগ ও মগ। বিজয়ী ছাগলের মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাজার পাড়ায় যৌথ মাছ ব্যবসার আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মনির আহমদ (৪৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ী খুন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মাছ ব্যবসায়ী মনির আহমদ চকরিয়া পৌরসভার বাজারপাড়া এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে। গতকাল শুক্রবার হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানায়, যৌথ মাছ ব্যবসায় আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে একই এলাকার গনু মিয়ার ছেলে আজাদ (বাবু) ও মারুফের ছুরির আঘাতে মনির আহমদ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুজনই পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
বিএমডিএ চেয়ারম্যান মারা গেছেন
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামান মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজশাহীর উপশহরের ভাড়া বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। আসাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত সহকারী ও বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানান, আসাদুজ্জামান কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। কয়েকদিন ধরে তার জ্বরও ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তার আগেই তিনি মারা যান। ড. আসাদুজ্জামান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার দুই সন্তানই আমেরিকায় থাকেন। ছেলে জাতিসংঘের বড় পদে চাকরি করেন। সন্তানরা দেশে ফেরার পর দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম।
বিএমডিএ চেয়ারম্যান মারা গেছেন
গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
গাজীপুরের মোগর খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু
নগরবাসীর জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে গাজীপুরের দীর্ঘতম ও প্রাচীন মোগর খাল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে খালটির উৎসমুখ মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এ সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেলসহ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে মোগর খালটি পূর্ব চান্দনা, খাইলকুর, হায়দারাবাদসহ বেশ কিছু এলাকা অতিক্রম করে হায়দারাবাদ খালে মিলিত হয়। পরে এটি নিমতলী খাল হয়ে টঙ্গী নদীতে পতিত হয়। ম্যাপে এটি গাছা খাল হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়। মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এ খালটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বর্তমানে এটি সবচেয়ে বেশি অবৈধ দখল ও দূষণের শিকার। এ কারণে স্থানীয় এবং ঢাকার বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন, খালপাড়ের মানুষ এ খালটির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খননের দাবি জানিয়ে আসছিল। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ খনন ও ময়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছে। খালের অপসারিত মাটি ও অন্যান্য বর্জ্য খালের পাশে না ফেলে ট্রাক দিয়ে সরাসরি ডাম্পিং পয়েন্টে নিয়ে ফেলা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, নাগরিক সুবিধার জন্য জলাবদ্ধতামুক্ত ও পরিবেশ রক্ষায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছি। আশা করা যায়, এ কাজটি সম্পন্ন হলে এই খালের আশপাশের মানুষের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও নানা রকম দূষণের কারণে দুর্ভোগ লাঘব হবে। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, মোগর খালটি সিটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। কিন্তু বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক বর্জ্য, অবৈধ দখল ইত্যাদি কারণে খালটি মৃতপ্রায়। এসব কারণে বেলা, রিভার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন সীমানা নির্ধারণ করে খনন এবং পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
মামলার আসামি দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ মামলা করে হয়রানির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক তিন চেয়ারম্যান ও এক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে বগুড়ায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়া জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলার চাঁদপুর গ্রামের বুলবুল আহম্মেদের ছেলে আতিকুর রহমান। আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১০ জুলাই তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান মনজুর এবং সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউদ্দীন আহম্মেদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব বলেন, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে এ মামলা করা হয়, যা আইনবিরুদ্ধ। এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
ছাগলের দৌড় দেখতে ভিড়
ঘোড়দৌড়, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ লড়াই এমনকি মই নিয়ে গরুর দৌড় প্রতিযোগিতার কথা সবাই জানেন। অনেকে দেখেছেনও। তবে ছাগলের দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়টি একেবারেই নতুন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এমন ব্যতিক্রম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যশোরের কেশবপুরে। এলাকাবাসীকে বিনোদন দিতে উপজেলার আটন্ডা যুব সমাজ এ আয়োজন করে। ছাগলের দৌড় দেখার জন্য দুপুরের পরপরই আটন্ডা গ্রামে মাঠের দুই পাশে ভিড় করেন নারী-পুরুষ, শিশুসহ শত শত উৎসুক মানুষ। ওই এলাকায় প্রতিযোগিতা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মাঠ সাজানো হয় বর্ণিল সাজে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এলাকার অন্তত ৩০টি পোষা ছাগল। চেনার সুবিধার্থে ছাগলগুলোকে দাঁড় করিয়ে গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সিরিয়াল সংবলিত নম্বর কার্ড। অনুষ্ঠানে ছাগলের মালিকদের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় পাঁচ ধাপে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আটন্ডা গ্রামের মাহফুজ হোসেনের ছাগল প্রথম, শহিদুল ইসলামের ছাগল দ্বিতীয় ও সাইফুল ইসলামের ছাগল তৃতীয় স্থান অধিকার করে। বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ঘড়ি, পানির জগ ও মগ। বিজয়ী ছাগলের মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী খুন
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাজার পাড়ায় যৌথ মাছ ব্যবসার আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মনির আহমদ (৪৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ী খুন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মাছ ব্যবসায়ী মনির আহমদ চকরিয়া পৌরসভার বাজারপাড়া এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে। গতকাল শুক্রবার হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানায়, যৌথ মাছ ব্যবসায় আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে একই এলাকার গনু মিয়ার ছেলে আজাদ (বাবু) ও মারুফের ছুরির আঘাতে মনির আহমদ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুজনই পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।