
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া লেবানন ও ইসরায়েলের পরবর্তী বৈঠককে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনার শুরু হিসেবে দেখছে লেবানন। বৈরুত থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন আলজাজিরার প্রতিনিধি জেইনা খোদর।
তিনি জানান, এটি হবে দুই দেশের প্রতিনিধিদের তৃতীয় বৈঠক। তবে আগের বৈঠকগুলোর মতো এটি শুধুই প্রস্তুতিমূলক আলোচনা হবে না। এবার মূল আলোচনায় প্রবেশ করবে দুই পক্ষ।
খোদরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্ট অনুযায়ী, লেবাননের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির আইনজীবী ও সাবেক যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূত সাইমন কারাম। তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেয়েছেন।
লেবাননের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন এই আলোচনা আর প্রাথমিক বৈঠক নয়, বরং আনুষ্ঠানিক আলোচনার সূচনা। একই সঙ্গে তারা অর্থবহ যুদ্ধবিরতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। তবে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি মেনে না চললেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর শুক্রবার জানিয়েছে, আগামী ১৪ ও ১৫ মে লেবানন ও ইসরায়েল সরকারের মধ্যে নিবিড় আলোচনা আয়োজন ও তদারকিতে সহায়তা করবে ওয়াশিংটন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে একটি সমন্বিত শান্তি ও নিরাপত্তা চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে সীমান্ত সংঘাত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




