মাননীয় স্পিকার, একটি মুরগি তার সারা জীবন ডিম দেয়। নিজের বুকের মাংস দিয়ে সে পোলাওকে সুস্বাদু করে। কিন্তু পরিবেশনের সময় বাবুর্চি হাঁক দিয়ে বলে—এই, ভিআইপি টেবিলে দুইটা মোরগ পোলাও দে! এটা কি পিতৃতন্ত্রের চরম আস্ফালন নয়? অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়ার এই পুরুষতান্ত্রিক কুম্ভীলকবৃত্তি আমরা আর মেনে নিতে পারি না।
আগামী ৩১ মে জাতীয় সংসদে এভাবেই বক্তব্য রাখছিলেন জাতীয় মুরগিমন্ত্রী খকখক। তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে আজ বাঙালির রন্ধনশিল্পের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ও অভাবনীয় অধ্যায়ের সূচনা হলো।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা রন্ধনতান্ত্রিক বৈষম্য এবং ভাষাগত পুরুষতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে জাতীয় সংসদে বিপুল করতালির মধ্য দিয়ে পাস হয়েছে ‘পোল্ট্রি নামকরণ (সংশোধন ও জেন্ডার সমতা) বিল-২০২৬’। এই বিলের সবচেয়ে আলোচিত ধারা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের সীমানার ভেতর আর কোথাও ‘মোরগ পোলাও’ বিক্রি, পরিবেশন বা বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না। এর পরিবর্তে সর্বস্তরে বাধ্যতামূলকভাবে ‘মুরগি পোলাও’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে।
সংসদের চলতি অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করা হলে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তুমুল হাস্যরসাত্মক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত লিঙ্গসমতা, ভাষাতাত্ত্বিক সততা এবং ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের যুক্তিতে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়ে যায়।
পিতৃতান্ত্রিক কুম্ভীলকবৃত্তি ও বিলের প্রেক্ষাপট
বিলের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে যত ‘মোরগ পোলাও’ বিক্রি হয়, তার ৯৯ দশমকি ৯ শতাংশ রান্না হয় ব্রয়লার, সোনালি বা লেয়ার মুরগি দিয়ে। দেশি মোরগ দিয়ে পোলাও রান্নার প্রচলন আজ কেবলই রূপকথার অংশ। কিন্তু যুগ যুগ ধরে পাতিলের ভেতর জীবন দিচ্ছে নিরীহ স্ত্রী-মুরগি, অথচ মেন্যু কার্ডে বড় বড় অক্ষরে নাম লেখা হচ্ছে ‘মোরগ’-এর।
সংসদে বিলটি উত্থাপনকালে মুরগিমন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তার আবেগঘন বক্তৃতায় বলেন, মাননীয় স্পিকার, আপনি একবার ভেবে দেখুন। একটি মুরগি সারা জীবন ডিম দেয়। এরপর যখন তার ডিম দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, তখন তাকে জবাই করে পোলাওয়ের হাঁড়িতে ফেলে দেওয়া হয়। নিজের বুকের মাংস দিয়ে সে পোলাওকে সুস্বাদু করে। কিন্তু পরিবেশনের সময় বাবুর্চি হাঁক দিয়ে বলে—এই, ভিআইপি টেবিলে দুইটা মোরগ পোলাও দে! মাননীয় স্পিকার, এটা কি পিতৃতন্ত্রের চরম আস্ফালন নয়? অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়ার এই পুরুষতান্ত্রিক কুম্ভীলকবৃত্তি আমরা আর মেনে নিতে পারি না।
তার এই বক্তব্যের পর সংসদের নারী সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে সমর্থন জানান।
ভোক্তা অধিকার ও সত্যের জয়
এই বিল পাসের পেছনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল দেশের বেশ কয়েকটি অধিকার রক্ষা সংগঠন। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন যে, এই মিথ্যা নামকরণের মাধ্যমে মূলত ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে।
বিল পাসের পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফোরামের মুখপাত্র বলেন, আমরা সবসময় ভোক্তাদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার। একজন ভোক্তা যখন রেস্তোরাঁয় গিয়ে কষ্টার্জিত টাকা খরচ করেন, তখন তার অধিকার আছে এটা জানার যে, তিনি আসলে কী খাচ্ছেন। আপনি মেন্যুতে লিখছেন ‘মোরগ’, কিন্তু ভোক্তার প্লেটে দিচ্ছেন ‘মুরগি’। এটি সুস্পষ্টভাবে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’-এর লঙ্ঘন। এই বিল পাসের মাধ্যমে ভোক্তারা দীর্ঘদিনের একটি কাঠামোগত প্রতারণা থেকে মুক্তি পেলেন।
তিনি রেস্তোরাঁ মালিকদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এখন থেকে কোনো ভোক্তা যদি অভিযোগ করেন যে, তিনি মুরগি পোলাওয়ের দাম দিয়ে মোরগ পেয়েছেন, তবে রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
সংসদীয় বিতর্ক: যা বললেন আইনপ্রণেতারা
সংসদে বিলটি নিয়ে বেশ চমকপ্রদ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধী দলের একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য বিলের বিরোধিতা করে বলেন, মাননীয় স্পিকার, মোরগ পোলাও আমাদের ঐতিহ্য। ঢাকার নবাবরা মোরগ পোলাও খেতেন। এই নাম পরিবর্তন করলে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর চরম আঘাত আসবে। আগামীকাল হয়তো বলা হবে ‘হাঁস-বুনো’ নাম পরিবর্তন করে ‘হাঁসী-বুনো’ করতে হবে! আমরা কি আমাদের ভাষাকে পোল্ট্রি ফার্ম বানিয়ে ফেলব?
জবাবে সরকারি দলের এক তরুণ সাংসদ দাঁড়িয়ে বলেন, মাননীয় স্পিকার, বিরোধী দলের সদস্য ঐতিহ্যের দোহাই দিচ্ছেন। কিন্তু তিনি কি জানেন, নবাবরা আসলেই দেশি মোরগ খেতেন। তাদের বাবুর্চিরা আস্ত দেশি মোরগ দমে বসাতেন। কিন্তু বর্তমান যুগে রেস্তোরাঁর মালিকরা ফার্মের যে মুরগি দিয়ে পোলাও রাঁধেন, তাকে মোরগ বলাটা নবাবদেরও অপমান। আমরা নবাবদের অপমান করতে চাই না। আমরা কেবল সত্যটাকে মেন্যু কার্ডে তুলে আনতে চাই।
আরেকজন সাংসদ একধাপ এগিয়ে প্রস্তাব করেন, মাননীয় স্পিকার, শুধু মুরগি পোলাও কেন? যারা ব্রয়লার খায়, তাদের মেন্যুতে লেখা উচিত ‘উভলিঙ্গ ব্রয়লার পোলাও’। কারণ ব্রয়লারের আসলে কোনো নির্দিষ্ট জেন্ডার আইডেন্টিটি নেই, তারা কেবল মাংসের পিণ্ড!
অবশ্য স্পিকার এই প্রস্তাবটি মূল বিল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
পুরান ঢাকায় শোকের ছায়া ও বাবুর্চিদের প্রতিক্রিয়া
সংসদে এই বিল পাসের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরই পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ পাড়া নাজিরাবাজার, চকবাজার ও লালবাগে এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বংশ পরম্পরায় যারা মোরগ পোলাও রান্না করে আসছেন, তারা এই সিদ্ধান্তকে ‘ঢাকাইয়া সংস্কৃতির ওপর ডিজিটাল আগ্রাসন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
নাজিরাবাজারের বিখ্যাত ‘মখমল বাবুর্চি’ তার ডেকচির সামনে বসে অশ্রুসজল চোখে সাংবাদিকদের বলেন, আমাগো দাদাজান রাঁধতো মোরগ পোলাও, আব্বাজান রাঁধতো মোরগ পোলাও। আমরাও রাইন্ধা আইলাম। এহন কাস্টমার আইসা যদি কয়, এই মিয়া এক প্লেট মুরগি পোলাও দাও, তাইলে কি ইজ্জত থাকে কন? মুরগি তো রাঁধে মায়েরা, ঘরে। আমরা তো উস্তাদ মানুষ, আমরা রাঁধমু মোরগ। আইনে পাস হইছে বইলা কি আর হাঁড়ির সোয়াদ বদলাইয়া যাইব?
পুরান ঢাকার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আগামী রোববার আধাবেলা ‘ডেকচি ধর্মঘট’-এর ডাক দেওয়া হয়েছে। তারা হুমকি দিয়েছেন, নাম পরিবর্তন না করলে তারা পোলাওয়ে আলু বোখারা দেওয়া বন্ধ করে দেবেন।
ছাপাখানা ও অর্থনীতির ওপর আকস্মিক প্রভাব
এই আইন পাসের সাথে সাথে বাংলাবাজার ও ফকিরাপুলের ছাপাখানাগুলোতে রাতারাতি ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। কারণ, দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা লাখ লাখ রেস্তোরাঁর মেন্যু কার্ড, নিয়ন সাইন এবং বিলবোর্ড পরিবর্তন করতে হবে।
ফকিরাপুলের এক প্রেস মালিক হাসিমুখে বলেন, করোনার পর আমাদের ব্যবসা একদম বসে গিয়েছিল। এই ‘মুরগি পোলাও’ আইন আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। কাল রাত থেকে অন্তত দশ হাজার রেস্তোরাঁর মেন্যু কার্ড নতুন করে ছাপানোর অর্ডার পেয়েছি। তবে বানানের ব্যাপারে সবাই খুব সতর্ক। কেউ কেউ ‘মুরগী’ দীর্ঘ-ঈ কার দিয়ে ছাপাতে চাইলেও, আমরা বাংলা একাডেমির নিয়ম মেনে হ্রস্ব-ই কার দিয়ে ‘মুরগি পোলাও’ ছাপিয়ে দিচ্ছি।
অর্থনীতিবিদরা ধারণা করছেন, শুধুমাত্র মেন্যু কার্ড ও সাইনবোর্ড পরিবর্তনের এই হিড়িকের কারণে দেশের জিডিপিতে অন্তত ০.০১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল ও কূটনৈতিক রেশ
নাম পরিবর্তনের এই ঘটনা শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও এর ঢেউ লেগেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক ফিনান্সিয়াল সামিটে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে যে নৈশভোজের আয়োজন করার কথা ছিল, তার মেন্যু রাতারাতি পরিবর্তন করা হয়েছে। সেখানে আগে ইংরেজিতে লেখা ছিল 'Traditional Morog Polao (Rooster Pilaf)', যা পরিবর্তন করে 'Empowered Hen Pilaf (মুরগি পোলাও) - A Tribute to Gender Equality in Culinary Arts' করা হয়েছে।
জাতিসংঘের ‘উইমেন এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড পোল্ট্রি রাইটস’ (WEPR) নামক একটি অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশের এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। তারা এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, বাংলাদেশ দেখিয়ে দিল কীভাবে রান্নাঘর থেকে জেন্ডার সমতার শুরু হতে পারে। পিতৃতান্ত্রিক রন্ধনশৈলী ভেঙে মুরগিদের তাদের প্রাপ্য সম্মান বুঝিয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ গোটা বিশ্বের জন্য অনুকরণীয়।
তবে আন্তর্জাতিক রন্ধন সমালোচক গর্ডন রামজে এক সাক্ষাৎকারে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ইট ডাজন্ট ম্যাটার হোয়াট ইউ কল ইট! মোরগ অর মুরগি! জাস্ট ডোন্ট ওভারকুক দ্য ড্যাম রাইস!
বিকল্প প্রস্তাবনা: জেন্ডার-নিউট্রাল ‘পাখি পোলাও’
সংসদে বিল পাসের আগে ভাষাতাত্ত্বিকদের একটি প্যানেল ডাকা হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্ব বিভাগের এক প্রবীণ অধ্যাপক প্রস্তাব করেছিলেন যে, মোরগ বা মুরগি কোনোটিতেই না গিয়ে মূল ফারসি শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ করা হোক।
তিনি যুক্তি দেখান, ফারসি ‘মুর্গ’ মানে যেকোনো পাখি। তাই জেন্ডার-নিউট্রাল অবস্থান নিতে চাইলে এর নাম দেওয়া উচিত ‘পাখি পোলাও’ বা ‘পক্ষী পোলাও’।
তবে রেস্তোরাঁ মালিকরা এই প্রস্তাব তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের যুক্তি ছিল, ‘পাখি পোলাও’ নাম শুনলে ভোক্তারা ভাবতে পারেন যে তাদের কাক, শালিখ বা চড়ুই পাখি দিয়ে পোলাও খাওয়ানো হচ্ছে, যা ব্যবসায় মারাত্মক ধস নামাবে। এরপরই ‘মুরগি পোলাও’ নামটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড়
বিলটি পাস হওয়ার পর থেকে ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার) এবং ইউটিউবে রীতিমতো মিমের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। নেটিজেনরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
একদল হ্যাশট্যাগ চালু করেছেন #JusticeForMurgi এবং #MurgiPolaoEra নামে। তারা বলছেন, এতোদিন ধরে মুরগি খেয়ে মোরগের নাম জপার মতো হিপোক্রেসি আর হতে পারে না।
আরেকদল, যারা মূলত ভোজনরসিক, তারা #SaveMorogPolao নামে ক্যাম্পেইন চালাচ্ছেন। তাদের একজন লিখেছেন, ভাই, আমি যখন রোস্টের আস্ত রানটা ছিঁড়ে মুখে দিই, তখন আমার ফিলিং আসে যে আমি কোনো নবাব বা রাজা-বাদশাহ! মোরগ পোলাও নামটার মধ্যে একটা রাজকীয় ভাইব আছে। ‘মুরগি পোলাও’ শুনলে মনে হয় জ্বর আসার পর আম্মা জোর করে পথ্য খাওয়াচ্ছে। আমার ভাইব নষ্ট করার অধিকার সরকারের নেই!
কিছু কিছু টিকটকার এরই মধ্যে ‘মুরগি পোলাও ডান্স’ নামে নতুন ট্রেন্ড চালু করেছেন, যা মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ পাচ্ছে।
নতুন যুগের সূচনা
সব বিতর্ক, হাসি-ঠাট্টা আর আক্ষেপের পর একটি বিষয় পরিষ্কার—বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে একটি আইকনিক যুগের অবসান ঘটল। আজ থেকে বিয়েবাড়ির গেটে দাঁড়িয়ে কোনো মুরব্বি আর চিৎকার করে বলবেন না, এই বাবুর্চি, বরযাত্রীর টেবিলে জলদি মোরগ পোলাও দে! বরং তাকে বলতে হবে, বরযাত্রীদের জন্য মুরগি পোলাও পরিবেশন করা হোক।
হয়তো উচ্চারণে একটু হোঁচট খেতে হবে প্রথম প্রথম। হয়তো নস্টালজিয়ায় ভুগে অনেকেই দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন। কিন্তু ইতিহাসের সত্য এটাই যে, অবশেষে বাংলার হাঁড়িগুলোতে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেই মুরগি তার জীবন উৎসর্গ করে পোলাওকে সুস্বাদু করছে, মেন্যু কার্ডে আজ তারই নাম খোদিত হলো।
একটি নিছক খাদ্য কীভাবে রাজনীতি, অর্থনীতি, ভাষা ও লিঙ্গসমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে, ‘মুরগি পোলাও বিল-২০২৬’ তার এক ধ্রুপদী উদাহরণ হয়ে থাকবে। এখন কেবল দেখার অপেক্ষা, আগামী ঈদে শাশুড়িরা তাদের জামাইদের পাতে ‘আস্ত মুরগি’ তুলে দেওয়ার সময় কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।




