ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

ফ্রিজে টয়লেট পেপার রাখলে কী হয়

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৪
ছবি : সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন নতুন আইডিয়া খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিছু আইডিয়া বেশ অদ্ভুতও লাগে। যেমন অনেকে এখন ফ্রিজের ভেতরে টয়লেট পেপার রাখছেন। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এর পেছনে একটি নির্দিষ্ট কারণ আছে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

কেন ফ্রিজে টয়লেট পেপার রাখা হয়?

সহজ কথায়, এর মূল কারণ হলো দুর্গন্ধ দূর করা।

ফ্রিজে অনেক সময় খাবারের গন্ধ জমে থাকে। বিশেষ করে খাবার নষ্ট হলে বা অতিরিক্ত আর্দ্রতা থাকলে বাজে গন্ধ তৈরি হয়। টয়লেট পেপার খুব সহজেই পানি বা আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে। তাই এটি ফ্রিজের ভেতরের অতিরিক্ত আর্দ্রতা টেনে নিয়ে কিছুটা গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।

এটি কি সত্যিই কাজ করে?

হ্যাঁ, কিছুটা কাজ করে।

ফ্রিজের ভেতরের অনেক দুর্গন্ধ আসে আর্দ্রতার কারণে, যা থেকে ছত্রাক বা ফাঙ্গাস তৈরি হতে পারে। টয়লেট পেপার সেই আর্দ্রতা শোষণ করে, ফলে গন্ধ কমে।

তবে এটি সবচেয়ে কার্যকর সমাধান নয়।

বেকিং সোডা কি বেশি ভালো?

হ্যাঁ, বেকিং সোডা বেশি কার্যকর। এটি শুধু আর্দ্রতা শোষণ করে না, দুর্গন্ধের কারণ হওয়া অ্যাসিডও নিরপেক্ষ করার কাজ করে। তাই ফ্রিজের গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা সাধারণত বেশি কার্যকর এবং দীর্ঘস্থায়ী।

খরচের দিক থেকে কোনটি ভালো?

টয়লেট পেপার: প্রায় ৩ সপ্তাহ পরপর বদলাতে হয়

বেকিং সোডা: প্রায় ৩ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়

অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদে বেকিং সোডাই বেশি সাশ্রয়ী।

কখন টয়লেট পেপার ব্যবহার করা যেতে পারে?

এটি মূলত জরুরি পরিস্থিতিতে কাজে লাগতে পারে। যেমন, হঠাৎ ফ্রিজে গন্ধ হয়েছে এবং অতিথি আসছে, তখন দ্রুত সমাধান হিসেবে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্যবহার করার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

  • সবসময় নতুন টয়লেট পেপার ব্যবহার করুন
  • লিক হওয়া খাবারের পাশে রাখবেন না
  • ফ্রিজের পেছনের দিকে রাখুন, যেন চোখে না পড়ে
  • ৩ সপ্তাহ পর ফেলে দিন
  • ফ্রিজে রাখা পেপার কখনো বাথরুমে ব্যবহার করবেন না

ফ্রিজের গন্ধ দূর করার আরও কিছু সহজ উপায়

বেকিং সোডা : দুর্গন্ধ দূর করার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়গুলোর একটি।

২ কালোজিরার তেল : ডিশওয়াশিং লিকুইডের সঙ্গে মিশিয়ে ফ্রিজের ভেতরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করলে গন্ধ কমে।

অ্যাক্টিভেটেড চারকোল : এটি আর্দ্রতা ও গন্ধ দুটোই শোষণ করে।

ভ্যানিলা এসেন্স : একটি তুলায় ভ্যানিলা দিয়ে ফ্রিজে রাখলে ভালো গন্ধ ছড়ায়।

সংবাদপত্র : ফ্রিজ খালি করে ভেজা কাগজ রেখে কয়েকদিন বন্ধ রাখলে তীব্র গন্ধ দূর হতে পারে।

ফ্রিজে টয়লেট পেপার রাখা শুনতে অদ্ভুত হলেও এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন নয়। এটি আর্দ্রতা শোষণ করে সাময়িকভাবে গন্ধ কমাতে পারে। তবে এটি স্থায়ী বা সবচেয়ে কার্যকর সমাধান নয়।

ফ্রিজ পরিষ্কার রাখা, নষ্ট খাবার দ্রুত ফেলে দেওয়া এবং নিয়মিত বেকিং সোডা বা অন্যান্য কার্যকর উপায় ব্যবহার করাই দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল দেয়।

সূত্র : প্যারাদে

রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার ৯ সাধারণ কারণ
রেফ্রিজারেটর আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। এটি খাবার সতেজ ও নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু হঠাৎ যদি এটি ঠিকমতো ঠান্ডা না করে, তাহলে তা খুবই বিরক্তিকর হতে পারে। নিচে রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার ৯টি সাধারণ কারণ এবং সেগুলোর সমাধান তুলে ধরা হলো। নোংরা কনডেনসার কয়েল: ফ্রিজের পেছনে বা নিচে থাকে কনডেন্সার কয়েল, যেটা ফ্রিজের গরম বাতাস বাইরে বের করে দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কনডেনসার কয়েলে ধুলা ও ময়লা জমে যায়, ফলে আপনার ফ্রিজার ঠান্ডা করার ক্ষমতা কমে যায়। এক্ষেত্রে মাসে একবার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা ব্রাশ দিয়ে কিছু দিন পর পর কয়েল পরিষ্কার করুন। দরজার সিল নষ্ট: ফ্রিজের দরজার চারপাশে থাকা রাবার সিল ঠান্ডা ভেতরে ধরে রাখে। দরজার রাবার সিল ঠিকমতো কাজ না করলে ফ্রিজার ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে যায়। এতে করে ফ্রিজ ঠান্ডা হয় না। এমন মনে গলে আগে সিল পরীক্ষা করুন, পরিষ্কার করুন এবং নষ্ট হলে পরিবর্তন করুন। এছাড়া সপ্তাহে অন্তত একবার ভেজা কাপড় দিয়ে সিল পরিষ্কার করুন। সিল শুকিয়ে গেলে সামান্য ভেসলিন লাগাতে পারেন, এতে এটা নরম ও কার্যকর থাকবে। এয়ার ভেন্ট ব্লক হওয়া: ফ্রিজ বা ফ্রিজারের ভেতরে কিছু ছোট ছিদ্র বা ভেন্ট থাকে, যেখান দিয়ে ঠান্ডা বাতাস চারপাশে ছড়ায়। কিন্তু আপনি যদি ভেন্টের সামনে খাবার রাখেন, তাহলে ঠান্ডা বাতাস ঠিকমতো ছড়াতে পারে না।  ভেন্ট বন্ধ থাকলে ঠান্ডা বাতাস সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে না। এর সহজ সমাধান হলো, ভেন্টের সামনে রাখা খাবার বা পাত্র সরিয়ে দিন। খাবার এমনভাবে রাখুন যাতে ভেন্টগুলোর পথ খোলা থাকে। এতে আপনার ফ্রিজ ঠান্ডাও থাকবে, মেশিনও চাপমুক্ত থাকবে। ভুল তাপমাত্রা সেটিং: অনেক সময় ভুল সেটিংয়ের কারণে ফ্রিজ ঠান্ডা না হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে ইউজার ম্যানুয়াল দেখে সঠিক তাপমাত্রা সেট করুন। থার্মোস্ট্যাট সমস্যা: আপনার ফ্রিজের থার্মোস্ট্যাট ঠিকভাবে কাজ না করলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয় না। এমন হলে মাল্টিমিটার দিয়ে পরীক্ষা করে প্রয়োজন হলে পরিবর্তন করুন। ফ্যান কাজ না করা: ইভাপোরেটর বা কনডেনসার ফ্যান নষ্ট হলে ঠান্ডা বাতাস চলাচল করতে পারে না, এতে ফ্রিজ ঠান্ডা হতে পারে না। তাই এমন মনে হলে ফ্যান পরীক্ষা করুন এবং কাজ না করলে পরিবর্তন করুন। রেফ্রিজারেন্ট লিক: ফ্রিজের গ্যাস লিক হলে ঠান্ডা কমে যায়। এটি নিজে ঠিক না করে পেশাদার টেকনিশিয়ান দিয়ে ঠিক করান। কম্প্রেসর সমস্যা: কম্প্রেসর নষ্ট হলে পুরো কুলিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রেও টেকনিশিয়ানের সাহায্যে পরীক্ষা ও প্রয়োজনে পরিবর্তন করুন। একেবারে খালি বা একদম ভর্তি করে রাখা: ফ্রিজ একেবারে ফাঁকা রাখলেও সমস্যা, আবার গাদাগাদি করে ভর্তি করলেও সমস্যা। খালি ফ্রিজ ঠান্ডা ধরে রাখতে বেশি শক্তি খরচ করে আর গাদাগাদি হলে বাতাস চলাচলে বাধা পড়ে। এমন হলে ফিজ ঠান্ডা হয় না। তাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস বের করে জায়গা ফাঁকা রাখুন। রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার কারণ আগে বুঝতে পারলে সমাধান করা সহজ হয়। কিছু সমস্যা আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন, তবে জটিল ক্ষেত্রে অবশ্যই দক্ষ টেকনিশিয়ানের সাহায্য নেওয়া উচিত। এতে সময়, টাকা এবং ঝামেলা সবই বাঁচবে। সূত্র: টিসিএল গাইড
রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার ৯ সাধারণ কারণ
রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার ৯ সাধারণ কারণ
রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার ৯ সাধারণ কারণ
রেফ্রিজারেটর আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। এটি খাবার সতেজ ও নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু হঠাৎ যদি এটি ঠিকমতো ঠান্ডা না করে, তাহলে তা খুবই বিরক্তিকর হতে পারে। নিচে রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার ৯টি সাধারণ কারণ এবং সেগুলোর সমাধান তুলে ধরা হলো। নোংরা কনডেনসার কয়েল: ফ্রিজের পেছনে বা নিচে থাকে কনডেন্সার কয়েল, যেটা ফ্রিজের গরম বাতাস বাইরে বের করে দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কনডেনসার কয়েলে ধুলা ও ময়লা জমে যায়, ফলে আপনার ফ্রিজার ঠান্ডা করার ক্ষমতা কমে যায়। এক্ষেত্রে মাসে একবার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা ব্রাশ দিয়ে কিছু দিন পর পর কয়েল পরিষ্কার করুন। দরজার সিল নষ্ট: ফ্রিজের দরজার চারপাশে থাকা রাবার সিল ঠান্ডা ভেতরে ধরে রাখে। দরজার রাবার সিল ঠিকমতো কাজ না করলে ফ্রিজার ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে যায়। এতে করে ফ্রিজ ঠান্ডা হয় না। এমন মনে গলে আগে সিল পরীক্ষা করুন, পরিষ্কার করুন এবং নষ্ট হলে পরিবর্তন করুন। এছাড়া সপ্তাহে অন্তত একবার ভেজা কাপড় দিয়ে সিল পরিষ্কার করুন। সিল শুকিয়ে গেলে সামান্য ভেসলিন লাগাতে পারেন, এতে এটা নরম ও কার্যকর থাকবে। এয়ার ভেন্ট ব্লক হওয়া: ফ্রিজ বা ফ্রিজারের ভেতরে কিছু ছোট ছিদ্র বা ভেন্ট থাকে, যেখান দিয়ে ঠান্ডা বাতাস চারপাশে ছড়ায়। কিন্তু আপনি যদি ভেন্টের সামনে খাবার রাখেন, তাহলে ঠান্ডা বাতাস ঠিকমতো ছড়াতে পারে না।  ভেন্ট বন্ধ থাকলে ঠান্ডা বাতাস সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে না। এর সহজ সমাধান হলো, ভেন্টের সামনে রাখা খাবার বা পাত্র সরিয়ে দিন। খাবার এমনভাবে রাখুন যাতে ভেন্টগুলোর পথ খোলা থাকে। এতে আপনার ফ্রিজ ঠান্ডাও থাকবে, মেশিনও চাপমুক্ত থাকবে। ভুল তাপমাত্রা সেটিং: অনেক সময় ভুল সেটিংয়ের কারণে ফ্রিজ ঠান্ডা না হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে ইউজার ম্যানুয়াল দেখে সঠিক তাপমাত্রা সেট করুন। থার্মোস্ট্যাট সমস্যা: আপনার ফ্রিজের থার্মোস্ট্যাট ঠিকভাবে কাজ না করলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয় না। এমন হলে মাল্টিমিটার দিয়ে পরীক্ষা করে প্রয়োজন হলে পরিবর্তন করুন। ফ্যান কাজ না করা: ইভাপোরেটর বা কনডেনসার ফ্যান নষ্ট হলে ঠান্ডা বাতাস চলাচল করতে পারে না, এতে ফ্রিজ ঠান্ডা হতে পারে না। তাই এমন মনে হলে ফ্যান পরীক্ষা করুন এবং কাজ না করলে পরিবর্তন করুন। রেফ্রিজারেন্ট লিক: ফ্রিজের গ্যাস লিক হলে ঠান্ডা কমে যায়। এটি নিজে ঠিক না করে পেশাদার টেকনিশিয়ান দিয়ে ঠিক করান। কম্প্রেসর সমস্যা: কম্প্রেসর নষ্ট হলে পুরো কুলিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রেও টেকনিশিয়ানের সাহায্যে পরীক্ষা ও প্রয়োজনে পরিবর্তন করুন। একেবারে খালি বা একদম ভর্তি করে রাখা: ফ্রিজ একেবারে ফাঁকা রাখলেও সমস্যা, আবার গাদাগাদি করে ভর্তি করলেও সমস্যা। খালি ফ্রিজ ঠান্ডা ধরে রাখতে বেশি শক্তি খরচ করে আর গাদাগাদি হলে বাতাস চলাচলে বাধা পড়ে। এমন হলে ফিজ ঠান্ডা হয় না। তাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস বের করে জায়গা ফাঁকা রাখুন। রেফ্রিজারেটর ঠান্ডা না হওয়ার কারণ আগে বুঝতে পারলে সমাধান করা সহজ হয়। কিছু সমস্যা আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন, তবে জটিল ক্ষেত্রে অবশ্যই দক্ষ টেকনিশিয়ানের সাহায্য নেওয়া উচিত। এতে সময়, টাকা এবং ঝামেলা সবই বাঁচবে। সূত্র: টিসিএল গাইড