ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

এশিয়া পোস্ট নিউজ, মেহেরপুর

  ০৬ মে ২০২৬, ১৬:০০
মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। ছবি: এশিয়া পোস্ট

মেহেরপুর শহরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে সাজু হোসেন এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বুধবার (৬ মে) দুপুরে মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট একেএম শফিকুল আলম।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি জাানন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার জামিন আবেদন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাজু হোসেন মেহেরপুর শহরের নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ ডিসেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী ডলি খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করেন সাজু। পরে তাকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ ডিসেম্বর ডলি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের মা শেফালি খাতুন মেহেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারে ১১ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ, জবানবন্দি ও উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে আদালত দণ্ডবিধির ১১/ক ধারায় (যৌতুকের দাবিতে হত্যা) সাজু হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের অভিযোগ গঠন পেছাল
ঢাকার বনানী থানার অস্ত্র মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ২১ জুন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার (১০ মে) ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। আদালতে হাজির করা হয় আনিসুল হককে। এ সময় তার পক্ষে ব্যারিস্টার সুমন হোসেন সময় চেয়ে আবেদন করেন।  কারণ হিসেবে বলেন, আওয়ামী সরকারের পতনের পর তার বাড়ি লুট হয়। তার বৈধ অস্ত্র ছিল। সেটিও লুট হয়। তার পক্ষ থেকে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। অস্ত্রের বিষয়ে ডকুমেন্ট কালেক্ট করতে পারিনি। এজন্য সময় প্রয়োজন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম কাইয়ুম এর বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে ২১ জুন শুনানির পরবর্তী দিন রাখেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী।  মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আনিসুল হক বনানী থানার অধীনে নিজের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।  কিন্তু আনিসুল হক ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি। তার ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি। তিনি কোনো গুলি ক্রয় করেছেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(১) ধারায় অপরাধ করেছেন। পরে তার বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ মে বনানী থানায় মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট থানার এসআই মো. জানে আলম দুলাল।  সম্প্রতি তদন্ত শেষে আনিসুল হককে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয় বনানী থানা পুলিশ। ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বিভিন্ন হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের অভিযোগ গঠন পেছাল
হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
হাম বা হাম-জাতীয় উপসর্গে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা ১০টি মামলায় জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। রোববার (১০ মে) সকালে আপিল বিভাগ এই আদেশ দেয়। আইভীর বিরুদ্ধে হত্যা, পুলিশের কাজে বাধাদান ও সহিংসতার মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া আরও দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগে জামিন পেয়েছেন আইভি। জামিন পাওয়া এই ১০টি মামলার মধ্যে ছয়টি হত্যা, বাকিগুলো পুলিশের ওপর হামলা, সহিংসতা, সরকারি কাজে বাধাদানের মামলা। তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, আপাতত তার মুক্তিতে বাধা নেই। গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মোট ১২ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর মধ্যে সাতটির এজাহারে তার নাম নেই। এক বছর পার হলেও তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।
১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
আইনজীবী হত্যা / চিন্ময় দাসকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।  রোববার (১০ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ইসকনের এই নেতার বিরুদ্ধে বাকি চার মামলার জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল সোমবার (১১ মে) দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে চিন্ময়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শায়লা শারমিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন। এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর হত্যাসহ পাঁচ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন প্রশ্নে রুল দেন হাইকোর্ট। পরে গত ৭ মে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের (রোববার) দিন ঠিক করেন আদালত। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করেন।  এ মামলায় ওই বছরের ২৫ নভেম্বর চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন চট্টগ্রাম আদালতে তাকে হাজির করা হলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই সময় চিন্ময় দাসের অনুসারীরা তার মুক্তির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং তাকে কারাগারে নিতে বাধা দেন। এ সময় সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করেন চিন্ময়ের সমর্থকরা। পরে আইনজীবী সাইফুলের বাবা একটি হত্যা মামলা করেন।  এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাধার, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা হয়।
চিন্ময় দাসকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা / ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহত হওয়ার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মাদ ইউনূস ও সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত মামলা গ্রহণের মতো তথ্য না থাকায় খারিজের আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পেশকার শাহাদাত হোসেন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  এর আগে এদিন সকালে মামলাটির আবেদন করেন নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মার্মার বাবা উসাইমং মারমা।  মামলার আবেদনে আরও যাদের আসামি করা হয়—পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ডা. রিজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, বিমান বাহিনীর এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার কমান্ডিং অফিসার মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, অফিসার কমান্ডিং ম্যানটেইনেন্স গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভার্নিং বডি উপদেষ্টা নূরনবী (অব.), মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ফিল্ড সুপার ভাইজার (উত্তরা) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব সিদ্দিক জুবায়ের। ২০২৫ সালের ২১ জুলাই দুপুরে উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৬ জন নিহত হন, এর মধ্যে ২৮ জনই শিক্ষার্থী। বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন।
ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত
অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের অভিযোগ গঠন পেছাল
অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের অভিযোগ গঠন পেছাল
ঢাকার বনানী থানার অস্ত্র মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ২১ জুন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার (১০ মে) ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। আদালতে হাজির করা হয় আনিসুল হককে। এ সময় তার পক্ষে ব্যারিস্টার সুমন হোসেন সময় চেয়ে আবেদন করেন।  কারণ হিসেবে বলেন, আওয়ামী সরকারের পতনের পর তার বাড়ি লুট হয়। তার বৈধ অস্ত্র ছিল। সেটিও লুট হয়। তার পক্ষ থেকে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। অস্ত্রের বিষয়ে ডকুমেন্ট কালেক্ট করতে পারিনি। এজন্য সময় প্রয়োজন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম কাইয়ুম এর বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে ২১ জুন শুনানির পরবর্তী দিন রাখেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী।  মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আনিসুল হক বনানী থানার অধীনে নিজের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।  কিন্তু আনিসুল হক ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি। তার ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি। তিনি কোনো গুলি ক্রয় করেছেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(১) ধারায় অপরাধ করেছেন। পরে তার বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ মে বনানী থানায় মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট থানার এসআই মো. জানে আলম দুলাল।  সম্প্রতি তদন্ত শেষে আনিসুল হককে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয় বনানী থানা পুলিশ। ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বিভিন্ন হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
হাম বা হাম-জাতীয় উপসর্গে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা ১০টি মামলায় জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। রোববার (১০ মে) সকালে আপিল বিভাগ এই আদেশ দেয়। আইভীর বিরুদ্ধে হত্যা, পুলিশের কাজে বাধাদান ও সহিংসতার মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া আরও দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগে জামিন পেয়েছেন আইভি। জামিন পাওয়া এই ১০টি মামলার মধ্যে ছয়টি হত্যা, বাকিগুলো পুলিশের ওপর হামলা, সহিংসতা, সরকারি কাজে বাধাদানের মামলা। তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, আপাতত তার মুক্তিতে বাধা নেই। গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মোট ১২ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর মধ্যে সাতটির এজাহারে তার নাম নেই। এক বছর পার হলেও তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।
চিন্ময় দাসকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
আইনজীবী হত্যা / চিন্ময় দাসকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।  রোববার (১০ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ইসকনের এই নেতার বিরুদ্ধে বাকি চার মামলার জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল সোমবার (১১ মে) দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে চিন্ময়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শায়লা শারমিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন। এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর হত্যাসহ পাঁচ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন প্রশ্নে রুল দেন হাইকোর্ট। পরে গত ৭ মে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের (রোববার) দিন ঠিক করেন আদালত। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করেন।  এ মামলায় ওই বছরের ২৫ নভেম্বর চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন চট্টগ্রাম আদালতে তাকে হাজির করা হলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই সময় চিন্ময় দাসের অনুসারীরা তার মুক্তির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং তাকে কারাগারে নিতে বাধা দেন। এ সময় সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করেন চিন্ময়ের সমর্থকরা। পরে আইনজীবী সাইফুলের বাবা একটি হত্যা মামলা করেন।  এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাধার, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা হয়।