ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

এক ধরনের ব্যায়ামেই কমতে পারে ৮ রোগের ঝুঁকি

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:০২
ছবি : সংগৃহীত

অনেক দিন ধরেই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে একটি সাধারণ পরামর্শ শোনা যায়— ‘Move more, Sit less’ অর্থাৎ বেশি বেশি নড়াচড়া করুন ও কম কম বসে থাকুন। তবে এখন গবেষণা বলছে, শুধু ব্যায়াম করলেই হবে না, ব্যায়ামের তীব্রতাও (intensity) স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সম্প্রতি ইউরোপীয় হার্ট জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প সময়ের উচ্চ তীব্রতার ব্যায়াম (vigorous activity) করলেই একসঙ্গে একাধিক দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমতে পারে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেছে

এই গবেষণায় ইউকে বায়োব্যাঙ্কের (UK Biobank) বিশাল ডেটা বিশ্লেষণ করা হয়। প্রায় ৯ বছর ধরে লক্ষাধিক মানুষের তথ্য পর্যবেক্ষণ করে গবেষকরা দেখেন, যারা তাদের মোট শারীরিক কার্যকলাপের মাত্র ৪% বা তার বেশি সময় উচ্চ তীব্রতার ব্যায়াম করেছেন, তাদের মধ্যে নিচের বিষয়গুলো দেখা গেছে—

  • ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৬৩% কম
  • টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৬০% কম
  • ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি ৪৮% কম
  • শ্বাসতন্ত্রের রোগের ঝুঁকি ৪৪% কম
  • কিডনি রোগের ঝুঁকি ৪১% কম
  • প্রদাহজনিত রোগের ঝুঁকি ৩৯% কম
  • বড় ধরনের হৃদরোগের ঝুঁকি ৩১% কম
  • হার্ট রিদম সমস্যার ঝুঁকি ২৯% কম
  • যে কোনো কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৬% কম

অর্থাৎ, অল্প একটু তীব্র ব্যায়ামই বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

‘উচ্চ তীব্রতার ব্যায়াম’ আসলে কী

সহজভাবে বুঝতে ‘টক টেস্ট’ (Talk test) ব্যবহার করা যায়। ব্যায়ামের সময় স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারলে তা হালকা বা মাঝারি ব্যায়াম। আর কথা বলতে কষ্ট হলে বা শুধু কয়েকটি শব্দ বলতে পারলে তা উচ্চ তীব্রতার ব্যায়াম।

যেমন— দ্রুত দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, সাঁতার কাটা ও দ্রুত হাঁটা (কিছু মানুষের জন্য এটিও তীব্র হতে পারে)।

কেন তীব্র ব্যায়াম বেশি উপকারী

উচ্চ তীব্রতার ব্যায়াম দ্রুত হার্ট রেট বাড়ায়। পাশাপাশি এটি শরীরের মেটাবলিজম উন্নত করে ও ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। এছাড়া, এ ধরনের ব্যায়াম কম সময়ে বেশি উপকার দেয়।

এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর একসঙ্গে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

কতটা করলেই উপকার

ভালো খবর হলো, এসব ব্যায়ামে অনেক বেশি সময় দেওয়ার দরকার নেই। প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিটের তীব্র ব্যায়াম করলেও শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।

দৈনন্দিন জীবনে কীভাবে যুক্ত করবেন

  • লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন (দ্রুত গতিতে)
  • একটু দ্রুত হাঁটুন
  • বাজারের ব্যাগ নিজে বহন করুন
  • ব্যায়ামের সময় মাঝেমধ্যে গতি বাড়ান (interval training)

সবার জন্য কি একই নিয়ম?

না। বয়স, ফিটনেস এবং শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে ব্যায়ামের তীব্রতা ভিন্ন হতে পারে।

নতুনদের জন্য দ্রুত হাঁটাই যথেষ্ট হতে পারে। আবার বয়স্ক বা অসুস্থদের ক্ষেত্রে হালকা পরিবর্তনই ‘তীব্র’ হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই ব্যায়াম শুরু করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

মনে রাখবেন, শুধু কতক্ষণ ব্যায়াম করছেন তা নয়, কতটা জোরে করছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সাধারণ ব্যায়ামের সঙ্গে অল্প পরিমাণ তীব্র ব্যায়াম যোগ করলেই স্বাস্থ্য অনেক ভালো রাখা সম্ভব।

সূত্র : সিএনএন

হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪০৯ শিশুর। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৪৪ শিশু।   একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৬ হাজার ৮১৯ শিশু। ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ শিশুর। আর আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজার ৮২৮ শিশু।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৯ হাজার ১৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩০ হাজার ৮৬২ জন। 
হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মারা যাওয়া নয় শিশুর মধ্যে তিনজন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। নিশ্চিত হামে আক্রন্ত হয়ে মারা যাওয়া তিন শিশুই বরিশাল বিভাগের। সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন ঢাকা, দুজন খুলনা এবং একজন সিলেট বিভাগের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৪৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম রোগ আসলে কী, কেন হয়? জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল। তিনি আরও বলেন, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, একজন শিশু আক্রান্ত হলে অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত শিশু আক্রান্ত হতে পারে। হামে যদিও সরাসরি মৃত্যু ঘটে না। কিন্তু হাম প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তার মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়। যেভাবে বুঝবেন আপনার শিশু হামে আক্রান্ত এবং এর চিকিৎসা কী? ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম যেহেতু সংক্রমণ সুতরাং এখানে একটি কমন লক্ষণ হলো গলাব্যথা, হাঁচি, কাশি হতে পারে। এরপরে গায়ে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। বর্তমানে যদি জ্বর আসে শরীরের র‌্যাশ দেখা দেয়, তাহলে ধরে নিতে হবে এটি হাম। তিনি বলেন, যেহেতু এটি ভাইরাল ডিজিজ, কাজেই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো চিকিৎসা নেই। তবে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দিতে হয়। জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল কিংবা যেসব ব্যবস্থা নিলে জ্বর কমবে, তা নিতে হবে। হামের প্রভাবে নিউমোনিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টেশন দিতে হবে।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা ১ জন ও সিলেটে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে হামে একজনের মৃত্যু হয়। এদিকে সারা দেশে গত একদিনে নতুন করে ২৮২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ১ হাজার ২১২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৬ হাজার ৭১০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৬ হাজার ৪৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২ হাজার ৮৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৬৫৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৪৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।  মঙ্গলবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৫ হাজার ৭২৬ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৪২ হাজার ৯৭৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩৬০ জন। এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে আজ ৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪০৯ শিশুর। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৪৪ শিশু।   একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৬ হাজার ৮১৯ শিশু। ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ শিশুর। আর আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজার ৮২৮ শিশু।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৯ হাজার ১৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩০ হাজার ৮৬২ জন। 
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মারা যাওয়া নয় শিশুর মধ্যে তিনজন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। নিশ্চিত হামে আক্রন্ত হয়ে মারা যাওয়া তিন শিশুই বরিশাল বিভাগের। সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন ঢাকা, দুজন খুলনা এবং একজন সিলেট বিভাগের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৪৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম রোগ আসলে কী, কেন হয়? জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল। তিনি আরও বলেন, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, একজন শিশু আক্রান্ত হলে অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত শিশু আক্রান্ত হতে পারে। হামে যদিও সরাসরি মৃত্যু ঘটে না। কিন্তু হাম প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তার মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়। যেভাবে বুঝবেন আপনার শিশু হামে আক্রান্ত এবং এর চিকিৎসা কী? ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম যেহেতু সংক্রমণ সুতরাং এখানে একটি কমন লক্ষণ হলো গলাব্যথা, হাঁচি, কাশি হতে পারে। এরপরে গায়ে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। বর্তমানে যদি জ্বর আসে শরীরের র‌্যাশ দেখা দেয়, তাহলে ধরে নিতে হবে এটি হাম। তিনি বলেন, যেহেতু এটি ভাইরাল ডিজিজ, কাজেই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো চিকিৎসা নেই। তবে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দিতে হয়। জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল কিংবা যেসব ব্যবস্থা নিলে জ্বর কমবে, তা নিতে হবে। হামের প্রভাবে নিউমোনিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টেশন দিতে হবে।
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা ১ জন ও সিলেটে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে হামে একজনের মৃত্যু হয়। এদিকে সারা দেশে গত একদিনে নতুন করে ২৮২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ১ হাজার ২১২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৬ হাজার ৭১০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৬ হাজার ৪৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২ হাজার ৮৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৬৫৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।