শিশুশিক্ষার্থীদের পুষ্টিগত উন্নয়নের স্বার্থে নেওয়া মধ্যাহ্নভোজ (মিড-ডে মিল) ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক অভিযোগ আসছে শিক্ষার্থীদের জন্য পচা খাবার সরবরাহের। এ নিয়ে খবর ছড়ানোর পর সংশ্লিষ্ট কিছু এলাকার প্রশাসন নড়েচড়ে বসে।
সম্প্রতি দুই জেলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষতির মুখে পড়ায় কিছু এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এই কার্যক্রম। তবে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান শিশুদের ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়ার দায় নিতে অপারগ। ফলে প্রশ্ন উঠেছে–পুষ্টির পরিবর্তে ক্ষতি সৃষ্টির এই দায় কে নেবে?
কেস স্টাডিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চলতি মাসের ২২ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছে। এর জেরে বন্ধ করা হয়েছে জেলার দুটি উপজেলায় মিড-ডে মিল কার্যক্রম। শুরু থেকে অব্যবস্থাপনা থাকলেও দায় নিচ্ছে না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাক (গ্রাম উন্নয়ন কর্ম)।
গত ২২ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শংকরবাটি ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থী পাউরুটি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওই রাতেই সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ‘গাক’র গুদামে পচা ও মানহীন খাবারের মজুত পাওয়া যায়। এই অপরাধে এনজিও প্রতিনিধি মিজানুর রহমানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ও গুদাম সিলগালা করে সদরে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর রেশ কাটতে না কাটতেই ২৫ এপ্রিল শিবগঞ্জের চাতরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাউরুটি খেয়ে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় ২৬ এপ্রিল গোমস্তাপুরের মকরমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে টিফিনের ডিম খাওয়ার পর শতাধিক শিক্ষার্থীর শরীরে একযোগে চুলকানি ও অ্যালার্জিজনিত বিষক্রিয়া দেখা দেয় বলে জানান চিকিৎসকরা।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুনের অভিভাবক আব্দুল করিম বলেন, পুষ্টির কথা বলে আমাদের বাচ্চাদের বিষ খাওয়ানো হচ্ছে। এ রকম অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি চাই।
আরেক অভিভাবক রাবেয়া খাতুন জানান, পচা ডিম খেয়ে তার মেয়ের শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে লাল হয়ে গেছে। সময় থাকতে সংশ্লিষ্টদের আরও তৎপর হওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব মুনিরুজ্জামান বলেন, তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের উদাসীনতার সুযোগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার লোভে শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। যেখানে শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবারের কথা ছিল, সেখানে বিষাক্ত খাবার সরবরাহ কেবল অনিয়ম নয় বরং একটি ফৌজদারি অপরাধ। অনিয়মের শিকড় উপড়ে ফেলে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত মিড-ডে মিল নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষকদের ক্ষোভ
২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর নাচোল ছাড়া জেলার বাকি ৪টি উপজেলায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। জেলার ৬১৮টি বিদ্যালয়ের ১ লাখ ২১ হাজার ৪৪৫ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর টিফিন দেওয়ার কথা থাকলেও উদ্বোধনের দিন থেকেই শুরু হয় অনিয়ম। প্রথম দিনে দুধ ও বনরুটি দেওয়ার সূচি থাকলেও শিশুদের শুধু দুধ খাইয়েই দায়িত্ব সারে এই প্রকল্পের খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাক। এরপর থেকেই খাবারের মান ও বণ্টন নিয়ে শুরু হয় নানা বিতর্ক।
শিবগঞ্জের মিঠিপুর-জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘শুরুর দিকে পাউরুটি ও বিস্কুটের মান ভালো ছিল। কিন্তু এখন নির্দিষ্ট ওজনের চেয়ে অনেক কম খাবার দেওয়া হচ্ছে।’
শিশুদের পুষ্টির নামে আধাসিদ্ধ ডিম ও কাঁচা কলাও পরিবেশন করা হচ্ছে বলে জানান সদর উপজেলার শিক্ষক কামাল উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘প্রাণ কোম্পানির পক্ষ থেকে যেসব দুধ সরবরাহ করা হতো, সেগুলোতেও দুর্গন্ধ পাওয়া গেছে।’
তদন্তে প্রমাণিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শংকরবাটি ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটি খেয়ে অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা। পরে ওইসব পাউরুটি জব্দ করা হয়। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি পাউরুটির নিম্নমানের প্রমাণ পেয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পাউরুটিগুলো হাতে ধরলেই ঝুরঝুর করে ভেঙে যাচ্ছিল, যা বাসি খাবারের স্পষ্ট লক্ষণ। এই প্রতিবেদনটি ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
দায় নিতে অনীহা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গাক’ পরিস্থিতির পুরোপুরি দায় নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহের অভিযোগ উঠলেও তারা একে নিছক ভুল হিসেবে দাবি করছে।
এ বিষয়ে গাক-এর সিনিয়র পরিচালক মাহবুব আলম জানান, তারা নিজস্ব কারখানায় খাবার তৈরি করেন না বরং চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান ‘বিস্কুট বিপণনী’ ও ‘খাজা বেকারি’র মাধ্যমে পণ্যগুলো সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের জন্য বিতরণ করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শংকরবাটি স্কুলের ঘটনা স্বীকার করে তিনি বলেন, ১৬ প্যাকেট মেয়াদোত্তীর্ণ খাবারের মধ্য থেকে একটি প্যাকেট ভুলবশত ওই বিদ্যালয়ে চলে গিয়েছিল এবং এই ভুলের কথা বিস্কুট বিপণনী কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে।
তবে শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলার গণ-অসুস্থতার বিষয়টি নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। ডিম খাওয়ার ফলে শতাধিক শিক্ষার্থীর অ্যালার্জি ও অসুস্থতা হওয়াকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে তিনি এর পেছনে অন্য কোনো পক্ষের শত্রুতা বা ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
মাহবুব আলম বলেন, শুরু থেকেই অত্যন্ত তৎপর ছিলাম এবং ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইতিমধ্যে একজনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগামীতে খাবারের মান কঠোরভাবে যাচাইয়ের জন্য চুক্তিবন্ধ বেকারিগুলোতে নিজস্ব লোকবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
খাদ্য আদালতে মামলা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শংকরবাটি ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটি খেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে রাজশাহীর বনরুটি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিস্কুট বিপণনী’র বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে এই মামলাটি করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সাইফুল ইসলাম। জেলা শিক্ষা অফিসের এমন পদক্ষেপে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী এশিয়া পোস্টকে বলেন, স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে জেলার তিনটি উপজেলার তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে গত সোমবার জেলা সিভিল সার্জনকে প্রধান করে তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি জানান, কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে–তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে এসব ঘটনার নেপথ্যে থাকা প্রকৃত কারণ ও দোষীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
মি-ডে মিল কেন?
শিশুশিক্ষার্থীদের পুষ্টিগত উন্নয়নের স্বার্থে ২০১৯ সালে প্রাথমিক স্কুলগুলোতে মধ্যাহ্নভোজ (মিড-ডে মিল) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। দুপুরে রান্না করা খাবার দেওয়ার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রান্না করা খাবার নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায় এই কার্যক্রম।
গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সরকারের সময় আবার মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। রান্না করা খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর শুকনা খাবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। প্রাথমিকভাবে ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫০ উপজেলায় শুরু হয় এই কার্যক্রম। আওতায় আনা হয় ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে।
পরিকল্পনা ছিল খাদ্য তালিকায় এনার্জির ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ৩২ দশমিক ২ শতাংশ, প্রোটিনের ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ফ্যাটের ২১ দশমিক ৭ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
এ জন্য সপ্তাহের পাঁচ দিন (শুক্র ও শনিবার ব্যতীত) ফর্টিফায়েড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ দেওয়া হচ্ছে প্রাথমিকের শিশুশিক্ষার্থীদের। এর মধ্যে রবিবার ১২০ গ্রাম ওজনের বনরুটি এবং সিদ্ধ ডিম, সোমবার বনরুটি এবং ২০০ গ্রাম ইউএইচটি দুধ, মঙ্গলবার ৭৫ গ্রাম ওজনের ফর্টিফায়েড বিস্কুট এবং কলা বা মৌসুমি ফল, বুধবার এবং বৃহস্পতিবারে বনরুটি এবং সিদ্ধ ডিম দেওয়ার কথা।
প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ
সারা দেশে মিড-ডি মিল নিয়ে অসংগতির খবরে গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) নরসিংদী পৌর শহরের বাসাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বাসাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিলে সরবরাহকৃত বনরুটি ও ডিম পর্যবেক্ষণ করেন। এসবের মান দেখে তিনি কিছু ত্রুটি দেখতে পান বলে সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে দেওয়া মিড-ডে মিলের মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার মতো ত্রুটি-বিচ্যুতি যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যে জিনিসগুলো খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যেতে পারে যেমন বনরুটি, সেগুলো বদলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা হচ্ছে। এরই মধ্যে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিবিদদের ডেকেছি। আরও লম্বা সময় সংরক্ষিত থাকতে পারে এমন কী খাবার আমরা শিক্ষার্থীদের দিতে পারি সেটা নিয়ে পরামর্শের জন্য। যেন নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়টা কমে যায়। এসব নিয়ে কাজ করছি।
অসংগতির মধ্যে বিস্তৃতির উদ্যোগ
মিড-ডে মিল বর্তমানে দেশের ১৫০ উপজেলায় চালু রয়েছে। এটি আরও ৩৪৯টি উপজেলায় বিস্তৃতির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে গত ১৩ এপ্রিল প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর দেশের ১৫০টি উপজেলায় আমরা ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছিলাম। নতুন করে ৩৪৯টি উপজেলায় প্রকল্পটি চালু করা হবে।
তিনি জানান, এ পর্যায়ে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং গ্রামের স্কুলগুলো এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতোমধ্যে নতুন প্রকল্পের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে।
অসংগতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে বেশকিছু অভিযোগ এসেছে। প্রকল্পটি যেহেতু নতুন তাই কিছুটা গরমিল হতে পারে। তবে অভিযোগ প্রাপ্তির পর আমরা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তাদের চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগগুলো পর্যালোচনায় কমিটি করা হয়েছে।




