ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

হাতিয়ায় ধর্ষণ অভিযোগের প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে : হান্নান মাসউদ

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:৫৯
আবদুল হান্নান মাসউদ। ছবি : সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধর্ষণ অভিযোগের প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের বিজয়ী প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ফেসবুক পোস্ট -এর মাধ্যমে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় জেলা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নে বিএনপি-লীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত এক নারী অভিযোগ করেছেন তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।’ সাথে সাথে আমি এসপিকে জানাই। অথচ এখন রাত ১২টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত পুলিশ তার জবানবন্দি নেয়নি। আমি হাতিয়া থেকে জেলা সদরের হাসপাতালে এসে জানতে পারি এখন পর্যন্ত তার জবানবন্দি নেওয়া হয়নি। আমি সাংবাদিকদের সামনেই ফোন দিই পুনরায় এসপিকে। তিনি বললেন— ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

হান্নান মাসউদ আরও জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ওই নারীর মেডিকেল টেস্ট পর্যন্ত করাচ্ছেন না, থানায় অভিযোগ না দিলে তিনি করাবেন না। হাসপাতালে বসেই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে কয়েকবার কল করি, তিনি ফোন ধরেননি। এমনকি কোনো ডিউটি ডাক্তারও কথা বলতে এগিয়ে আসেননি।

এখন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে সুশীল আর বিএনপি নেতাকর্মীদের পোস্ট দেখছি যে, ‘এটা সাজানো নাটক’ বলে জানান হান্নান মাসউদ।

মাসউদ আরও বলেন, যে নারীর অভিযোগ তার মেডিকেল টেস্ট করালেই তো সত্য বের হয়ে আসার কথা। পুলিশ জবানবন্দি নিয়ে তদন্ত করে মিথ্যা প্রমাণিত হলে, তাহলে যে অভিযোগ করেছে তার আমিও বিচার চাইবো।

হান্নান মাসউদ তার পোস্টে জানান, পরিকল্পিত এক মিডিয়া ব্লক আউট আর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে। আরেক ফ্যাসিজমের উত্থান দেখতে যাচ্ছে জাতি। পুরো হাতিয়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে বিএনপি প্রার্থীর যে তাণ্ডবলীলা চলছে তার শত ভিডিও ও ও ছবি রয়েছে। আমি পোস্ট করেছি, সবাই নির্বিকার। শত শত এনসিপি-জাময়াত নেতাকর্মীরা হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে, অথচ কোনো অ্যাকশন নেই। সাধারণ জনগণ প্রতিহত করা শুরু করলে কানতে আইসেন না।

সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছেড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়নের ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। রোববার (১০ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী। ভারতে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।  তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন স্বঘোষিত হিন্দুত্ববাদী নেতা। তিনি প্রকাশ্যেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন।  তার মতে, এ ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া শুধু ভারত ও ইসরাইলের মতো রাষ্ট্রেই সম্ভব। এটি প্রমাণ করে, ভারতে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় সহনশীলতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশকে ভারতের অনুসরণ করা উচিত মনে করেন বিকেএমের মহাসচিব।  এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, বলছেন জালালুদ্দিন আহমদ।   বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে।    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরাফত হোসাইন কাসেমী, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দলটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনকে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারজিস আলম বলেন, আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। ঈদের আগেই, এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও সৎ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিরা চাইলে এনসিপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, যারা মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নেই— তারা যে দলেরই হোক, আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য মনে হলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। যারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করলে প্রতিবেশি দেশের (ভারত) সঙ্গে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? শনিবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।  তিনি বলেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।   বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ—তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকব—একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তারেক রহমান: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং কোনো শ্রেণিপেশার মানুষ যাতে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে। রোববার (১০ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে তৃতীয় তলায় আইডিইবি’র ৪৫ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই এই সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির ৩১ দফা ও বিভিন্ন অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। কৃষিঋণ মওকুফ, ফার্মার্স কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খননের মতো উদ্যোগগুলোর কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এগুলো কোনো ফাঁপা প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তবায়নের জন্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ভিত্তি নির্মাণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের ন্যায্য দাবি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। রিজভী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের মতামত শুনছেন। দেশের উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, উর্বর জমি ও নদী-খালকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তারেক রহমান: রিজভী
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছেড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়নের ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। রোববার (১০ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী। ভারতে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।  তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন স্বঘোষিত হিন্দুত্ববাদী নেতা। তিনি প্রকাশ্যেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন।  তার মতে, এ ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া শুধু ভারত ও ইসরাইলের মতো রাষ্ট্রেই সম্ভব। এটি প্রমাণ করে, ভারতে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় সহনশীলতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশকে ভারতের অনুসরণ করা উচিত মনে করেন বিকেএমের মহাসচিব।  এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, বলছেন জালালুদ্দিন আহমদ।   বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে।    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরাফত হোসাইন কাসেমী, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দলটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনকে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারজিস আলম বলেন, আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। ঈদের আগেই, এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও সৎ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিরা চাইলে এনসিপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, যারা মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নেই— তারা যে দলেরই হোক, আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য মনে হলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। যারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করলে প্রতিবেশি দেশের (ভারত) সঙ্গে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? শনিবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।  তিনি বলেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।   বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ—তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকব—একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।