ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

নোয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় ঢাবিতে শিবিরের বিক্ষোভ

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:৫৬
নোয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় ঢাবিতে বিক্ষোভ করে ছাত্রশিবির। ছবি : এশিয়া পোস্ট

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধর্ষণ অভিযোগের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে সংগঠনটি। পরে রাজু চত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে তারা।

বিক্ষোভ মিছিলে তারা ‘বিচার বিচার বিচার চাই, ধর্ষকদের বিচার চাই; জাস্টিস জাস্টিস, ইউ ওয়ান্ট জাস্টিস; আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’-সহ নানা স্লোগান দেয়।

সমাবেশে ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি ও ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহা. মহিউদ্দীন খান বলেন, আজ আমরা একটি হৃদয় বিদারক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখানে দাঁড়িয়েছি। আমার জানতে পেরেছি শুধু বিরোধী মতের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য এক মাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি শুধু বিরোধী মতের পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় পোলিং এজেন্ট থেকে শুরু করে ভোটারদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি বিভিন্ন স্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্নভাবে হামলা করা হচ্ছে এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের ওপর হামলা করা হয়েছে শুধু যে দলটি সরকার গঠন করেছে তাদের মতের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, আমরা শুধু একক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখানে উপস্থিত হইনি। আমাদের কাছে এত এত অভিযোগ এসেছে যার জন্য মিছিল করতে হলে চব্বিশ ঘণ্টা আমাদের রাজুতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আমরা ক্যাম্পাসে সহনশীলতার পরিচয় দিতে চাই, দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে চাই।

ডাকসু এজিএস বলেন, কথা বলার অধিকার আর গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়িত হবে এ স্বপ্ন নিয়ে গত ষোলো বছর পর এ দেশের মানুষ যখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছে, ঠিক ভোট দেওয়ার পরপরই যখন মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো খর্ব করা হয়, তখনই মানুষ বুঝতে পেরেছে, এ দেশে গণতন্ত্রের যে উত্তরণ হয়েছে, বিএনপি গণতন্ত্রের এ উত্তরণ চায় না। যদি চাইতো তাহলে নির্বাচনের পরপরই কোনোভাবে খুন, ধর্ষণ ও হামলার ঘটনা ঘটতো না।

তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, কেন্দ্রীয়ভাবে আপনারা বক্তব্য দিচ্ছেন— আপনারা গণতান্ত্রিক উত্তরণ চান, আপনারা সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চান, আপনারা মানুষের কল্যাণ করতে চান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সত্য হলো— আপনাদের তৃণমূল নেতাকর্মীরা তা চায় না। আমরা বলতে চাই, এভাবে কুসুম কুসুম কথা বলে এ দেশের মানুষকে আপনারা বিভ্রান্ত করতে পারবেন না। আপনারা যদি আপনাদের তৃণমূল নেতাকর্মীদের থামাতে না পারেন, তাহলে এ দেশের মানুষ আবার আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

মহিউদ্দীন আরও বলেন, আপনারা সঠিক পথে আসুন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করবো। দেশ গঠনের জন্য, এ ক্যাম্পাসকে পুনর্গঠন করার জন্য আমার সামগ্রিকভাবে আপনাদের সহায়তা করতে চাই। কিন্তু আপনারা যদি আমাদের মা-বোনদের গায়ে হাত তুলতে চান, আপনারা যদি আমাদের ভাইদের আঘাত করে তাদের কণ্ঠ রোধ করতে চান, তাহলে আমরা অবশ্যই আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবো। আমার প্রমাণ করবো জুলাইয়ের স্প্রিট হারিয়ে যায়নি। জুলাই কোনো নির্দিষ্ট কোনো শক্তির বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়নি। জুলাই সংগঠিত হয়েছিল— ফ্যাসিবাদী ও কর্তৃত্ববাদি শক্তির বিরুদ্ধে। সেই শাসন ব্যবস্থা যদি আবারও কেউ ফিরিয়ে আনতে চায়, আমরা এখান থেকে আবার প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। আমরা হারিয়ে যাইনি, আমরা ক্লান্ত হইনি।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন— ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সেক্রেটারি আশিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসাইন খান ও ডাকসু কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দীন।

সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছেড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়নের ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। রোববার (১০ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী। ভারতে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।  তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন স্বঘোষিত হিন্দুত্ববাদী নেতা। তিনি প্রকাশ্যেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন।  তার মতে, এ ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া শুধু ভারত ও ইসরাইলের মতো রাষ্ট্রেই সম্ভব। এটি প্রমাণ করে, ভারতে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় সহনশীলতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশকে ভারতের অনুসরণ করা উচিত মনে করেন বিকেএমের মহাসচিব।  এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, বলছেন জালালুদ্দিন আহমদ।   বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে।    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরাফত হোসাইন কাসেমী, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দলটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনকে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারজিস আলম বলেন, আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। ঈদের আগেই, এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও সৎ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিরা চাইলে এনসিপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, যারা মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নেই— তারা যে দলেরই হোক, আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য মনে হলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। যারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করলে প্রতিবেশি দেশের (ভারত) সঙ্গে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? শনিবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।  তিনি বলেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।   বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ—তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকব—একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তারেক রহমান: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং কোনো শ্রেণিপেশার মানুষ যাতে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে। রোববার (১০ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে তৃতীয় তলায় আইডিইবি’র ৪৫ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই এই সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির ৩১ দফা ও বিভিন্ন অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। কৃষিঋণ মওকুফ, ফার্মার্স কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খননের মতো উদ্যোগগুলোর কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এগুলো কোনো ফাঁপা প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তবায়নের জন্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ভিত্তি নির্মাণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের ন্যায্য দাবি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। রিজভী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের মতামত শুনছেন। দেশের উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, উর্বর জমি ও নদী-খালকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তারেক রহমান: রিজভী
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছেড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়নের ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। রোববার (১০ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী। ভারতে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।  তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন স্বঘোষিত হিন্দুত্ববাদী নেতা। তিনি প্রকাশ্যেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন।  তার মতে, এ ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া শুধু ভারত ও ইসরাইলের মতো রাষ্ট্রেই সম্ভব। এটি প্রমাণ করে, ভারতে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় সহনশীলতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশকে ভারতের অনুসরণ করা উচিত মনে করেন বিকেএমের মহাসচিব।  এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, বলছেন জালালুদ্দিন আহমদ।   বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে।    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরাফত হোসাইন কাসেমী, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দলটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনকে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারজিস আলম বলেন, আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। ঈদের আগেই, এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও সৎ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিরা চাইলে এনসিপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, যারা মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নেই— তারা যে দলেরই হোক, আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য মনে হলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। যারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করলে প্রতিবেশি দেশের (ভারত) সঙ্গে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? শনিবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।  তিনি বলেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।   বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ—তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকব—একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।