ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

রাজনীতিতে ফিরতে মরিয়া আওয়ামী লীগ, কী ভাবছে বিএনপি

রেজা মাহমুদ

  ০৩ মে ২০২৬, ১৫:৫৯
ছবি: এশিয়া পোস্ট গ্রাফিক্স

আইনগত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা সত্ত্বেও নানা উপায়ে আবারও রাজনীতির মাঠে ফিরতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে স্বাভাবিক রাজনীতিতে দলটির ফিরে আসা সহজ নয়; তবে দলটির নেতারা বলছেন, তারা কঠিন এই যাত্রা ইতোমধ্যে শুরু করেছেন।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সূত্র জানায়, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন খাতের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দলটির রাজনীতিতে ফেরার অনুকূল পরিবেশ তৈরির সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন। আইনগত বাধাসহ সব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে দলটিকে আবার স্বাভাবিক রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরিয়ে আনতে আওয়ামী লীগের সব অঙ্গসংগঠন কাজ করছে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আশাবাদী ছিলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে। কিন্তু বিএনপি সরকার সেই নিষেধাজ্ঞাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অন্তর্ভুক্ত করে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেছে।

দলটির নির্বাসিত নেতাদের নির্দেশনায় রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনগুলো একই সুরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে। সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। এতে ১৭৩ আইনজীবী স্বাক্ষর করেন। তারা বলেন, সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই আইন অবৈধ এবং এটি মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থি।

একইভাবে ১০১ আওয়ামী লীগপন্থি সাংবাদিক নেতাও গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সাম্প্রতিক সময়ে আবারও সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংগঠনটি এপ্রিলের মধ্যে সব ইউনিট কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৭ এপ্রিল অনলাইনে নির্দেশ দেন, ১৭ মের মধ্যে জেলা, শহর, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ কমিটি গঠন সম্পন্ন করতে।

এ ছাড়া দল ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো গোপন বৈঠক, হঠাৎ মিছিল ও স্বল্প সময়ের মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। লক্ষ্মীপুরে নদীর তীরে রাতে এক গোপন বৈঠকে নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ নেন। অবশ্য এ ঘটনায় একজন স্থানীয় যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

এদিকে জাতীয় দলের অলরাউন্ডার ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান এক সাক্ষাৎকারে আবার ক্রিকেট ও রাজনীতিতে ফেরার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, আগে নিয়মিত ক্রিকেটে ফিরতে চান, এরপর রাজনীতিতে। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতি শিগগিরই স্বাভাবিক হয়ে আসবে যাতে সবাই সক্রিয়ভাবে দলীয় কার্যক্রম চালাতে পারবে।

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও তার সহযোগীরা শাহবাগ থানার সামনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর চেষ্টা করলে ডাকসু নেতারা বাধা দেন। পরে পুলিশ ইমিসহ কয়েকজনকে আটক করে। গেল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) তিনি জামিন পান।

এ ছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতেই এসব কার্যক্রম হয়েছে। পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপি সভাপতি আবু দাউদ প্রধান নিজে উপস্থিত থেকে একটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয় পুনরায় চালু করেন।

দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কম বিতর্কিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের নিয়ে একটি অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের চিন্তা রয়েছে। সম্ভাব্য নামের মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাকিব আল হাসান, অভিনেতা ফেরদৌস প্রমুখ।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাসিম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনও সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে না। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ভিত্তিতে আমাদের নিষিদ্ধ করা অবৈধ।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং জনগণ আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন চায়।’

তিনি দাবি করেন, ‘দেশের মানুষ এখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপে দিশাহারা এবং দেশে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।’

বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, ‘আমরা গুগল সার্চের মাধ্যমে জেনেছি অন্তত ছয় কোটি মানুষ নিজেদেরকে আওয়ামী লীগ বলে দাবি করছেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে জুলুম-পীড়ন চালিয়ে দাবিয়ে রাখা যাবে না।’

দলটির তৃণমূল নেতারাও একই রকম অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতা ইকবাল হোসেন এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই দেশের রাজনীতিতে ভারসাম্য ফিরে আসবে।’

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের ফেরার প্রচেষ্টায় বিএনপির অবস্থান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যদিও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, দলটির রাজনীতিতে ফেরায় তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে আগে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং অতীত কর্মকাণ্ডের জবাব দিতে হবে।’

একই সুরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আসাদুজ্জামান রিপন এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘দলটি জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়বে। জনগণের কাছে তাদের গুম, খুন, সেনাহত্যার বিষয়ে আগে জবাবদিহি করতে হবে। এরপর জনগণ তাদের কি জবাব দেয় সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আইনের মুখোমুখি হওয়ার পরই আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফেরার কথা ভাবতে পারে।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের মাঠে ফেরার চেষ্টা স্বাভাবিক। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘একটি পুরোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ অবশ্যই সক্রিয়ভাবে মাঠে ফিরে আসার চেষ্টা করবে। তবে পরিস্থিতিই নির্ধারণ করবে তাদের সফলতা কতটুকু হতে পারে। অতীতের সরকার ভুল করার কারণেই অন্যদলের ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি হয়েছ। তেমনি বর্তমান সরকার যদি ভুল করলে অন্যদের আসার সুযোগ তৈরি হবে।’

সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছেড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়নের ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। রোববার (১০ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী। ভারতে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।  তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন স্বঘোষিত হিন্দুত্ববাদী নেতা। তিনি প্রকাশ্যেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন।  তার মতে, এ ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া শুধু ভারত ও ইসরাইলের মতো রাষ্ট্রেই সম্ভব। এটি প্রমাণ করে, ভারতে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় সহনশীলতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশকে ভারতের অনুসরণ করা উচিত মনে করেন বিকেএমের মহাসচিব।  এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, বলছেন জালালুদ্দিন আহমদ।   বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে।    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরাফত হোসাইন কাসেমী, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দলটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনকে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারজিস আলম বলেন, আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। ঈদের আগেই, এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও সৎ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিরা চাইলে এনসিপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, যারা মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নেই— তারা যে দলেরই হোক, আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য মনে হলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। যারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করলে প্রতিবেশি দেশের (ভারত) সঙ্গে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? শনিবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।  তিনি বলেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।   বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ—তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকব—একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তারেক রহমান: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং কোনো শ্রেণিপেশার মানুষ যাতে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে। রোববার (১০ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে তৃতীয় তলায় আইডিইবি’র ৪৫ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই এই সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির ৩১ দফা ও বিভিন্ন অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। কৃষিঋণ মওকুফ, ফার্মার্স কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খননের মতো উদ্যোগগুলোর কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এগুলো কোনো ফাঁপা প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তবায়নের জন্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ভিত্তি নির্মাণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের ন্যায্য দাবি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। রিজভী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের মতামত শুনছেন। দেশের উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, উর্বর জমি ও নদী-খালকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তারেক রহমান: রিজভী
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছাড়তে হবে: বিকেএম মহাসচিব
সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি ছেড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়নের ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। রোববার (১০ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী। ভারতে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।  তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন স্বঘোষিত হিন্দুত্ববাদী নেতা। তিনি প্রকাশ্যেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন।  তার মতে, এ ধরনের উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া শুধু ভারত ও ইসরাইলের মতো রাষ্ট্রেই সম্ভব। এটি প্রমাণ করে, ভারতে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় সহনশীলতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশকে ভারতের অনুসরণ করা উচিত মনে করেন বিকেএমের মহাসচিব।  এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, বলছেন জালালুদ্দিন আহমদ।   বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে।    ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরাফত হোসাইন কাসেমী, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদুল আলম সিদ্দিকী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দলটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনকে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারজিস আলম বলেন, আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। ঈদের আগেই, এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও সৎ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিরা চাইলে এনসিপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, যারা মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নেই— তারা যে দলেরই হোক, আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য মনে হলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। যারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তে রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না: রিজভী
বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করলে প্রতিবেশি দেশের (ভারত) সঙ্গে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? শনিবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।  তিনি বলেন, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করে ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।   বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ—তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকব—একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ 
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।