ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নির্বাচন সর্বশেষ
Live Icon ●LIVE

রাতে এই ৫ উপসর্গ বেশি দেখলেই সতর্ক হোন

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৪২
ছবি: সংগৃহীত

কিডনি আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধন করে এবং অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য বের করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু সমস্যা হলো, কিডনির অসুখ অনেক সময় নীরবে বাড়তে থাকে। শুরুতে তেমন ব্যথা বা তীব্র অস্বস্তি না থাকায় অনেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু লক্ষণ রাতে বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এসব উপসর্গ নিয়মিত দেখা দিলে তা কিডনির জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে। নিচে এমন কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলো, যেগুলো অবহেলা না করাই ভালো।

পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া

কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম ও পানি জমতে শুরু করে। এর ফলে পা, গোড়ালি বা পায়ের পাতা ফুলে যেতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় সন্ধ্যা বা রাতে ফোলা বাড়ে, আবার সকালে কিছুটা কমে যায়। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

রাতে বারবার প্রস্রাবের চাপ

রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া শুধু ডায়াবেটিসের কারণেই হয় না। কিডনি দুর্বল হয়ে পড়লেও এমন হতে পারে। বিশেষ করে যদি প্রায়ই রাতে দুইবার বা তার বেশি প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভাঙে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

ঘুম না আসা বা বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া

দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ভোগা অনেকের মধ্যেই অনিদ্রার সমস্যা দেখা যায়। শরীরে বর্জ্য পদার্থ জমে থাকলে অস্বস্তি তৈরি হয়, যা ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলে। হঠাৎ করে ঘুমের বড় ধরনের সমস্যা শুরু হলে সেটি অন্য অসুস্থতার পাশাপাশি কিডনির সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: বর্তমানে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ কোলোরেক্টাল ক্যানসার

আরও পড়ুন: রমজানে ঘুমের ঘাটতি নিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ

শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে শরীরে তরল জমে ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এতে শোয়ার সময় শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। বিশেষ করে যদি আগে এমন সমস্যা না থেকে হঠাৎ শুরু হয়, তাহলে পরীক্ষা করানো দরকার।

রাতের বেলা অস্বাভাবিক ক্লান্তি

কিডনি দুর্বল হলে রক্তে বর্জ্য জমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। অনেকেই রাতে অতিরিক্ত অবসাদ বা শক্তিহীনতা অনুভব করেন। এটি নিয়মিত হলে অবহেলা না করে পরীক্ষা করানো ভালো।

আরও পড়ুন: স্ট্রেসের কারণে ঘুম আসছে না? ১১ সহজ উপায়ে শান্ত করুন মন

আরও পড়ুন: হৃদ্‌রোগ চিকিৎসায় নতুন আশার আলো

যা করবেন

এই উপসর্গগুলোর এক বা একাধিক নিয়মিত দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। প্রয়োজনে রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে কিডনির অবস্থা যাচাই করা যায়।

মনে রাখতে হবে, সময়মতো ধরা পড়লে কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তনকেও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

সূত্র: বোল্ড স্কাই

হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪০৯ শিশুর। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৪৪ শিশু।   একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৬ হাজার ৮১৯ শিশু। ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ শিশুর। আর আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজার ৮২৮ শিশু।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৯ হাজার ১৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩০ হাজার ৮৬২ জন। 
হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মারা যাওয়া নয় শিশুর মধ্যে তিনজন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। নিশ্চিত হামে আক্রন্ত হয়ে মারা যাওয়া তিন শিশুই বরিশাল বিভাগের। সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন ঢাকা, দুজন খুলনা এবং একজন সিলেট বিভাগের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৪৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম রোগ আসলে কী, কেন হয়? জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল। তিনি আরও বলেন, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, একজন শিশু আক্রান্ত হলে অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত শিশু আক্রান্ত হতে পারে। হামে যদিও সরাসরি মৃত্যু ঘটে না। কিন্তু হাম প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তার মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়। যেভাবে বুঝবেন আপনার শিশু হামে আক্রান্ত এবং এর চিকিৎসা কী? ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম যেহেতু সংক্রমণ সুতরাং এখানে একটি কমন লক্ষণ হলো গলাব্যথা, হাঁচি, কাশি হতে পারে। এরপরে গায়ে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। বর্তমানে যদি জ্বর আসে শরীরের র‌্যাশ দেখা দেয়, তাহলে ধরে নিতে হবে এটি হাম। তিনি বলেন, যেহেতু এটি ভাইরাল ডিজিজ, কাজেই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো চিকিৎসা নেই। তবে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দিতে হয়। জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল কিংবা যেসব ব্যবস্থা নিলে জ্বর কমবে, তা নিতে হবে। হামের প্রভাবে নিউমোনিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টেশন দিতে হবে।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা ১ জন ও সিলেটে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে হামে একজনের মৃত্যু হয়। এদিকে সারা দেশে গত একদিনে নতুন করে ২৮২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ১ হাজার ২১২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৬ হাজার ৭১০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৬ হাজার ৪৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২ হাজার ৮৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৬৫৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৪৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।  মঙ্গলবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৫ হাজার ৭২৬ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৪২ হাজার ৯৭৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩৬০ জন। এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে আজ ৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
হাম ও উপসর্গে মারা গেল আরও ১১ শিশু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪০৯ শিশুর। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৪৪ শিশু।   একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৬ হাজার ৮১৯ শিশু। ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ শিশুর। আর আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজার ৮২৮ শিশু।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৯ হাজার ১৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩০ হাজার ৮৬২ জন। 
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মারা যাওয়া নয় শিশুর মধ্যে তিনজন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। নিশ্চিত হামে আক্রন্ত হয়ে মারা যাওয়া তিন শিশুই বরিশাল বিভাগের। সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন ঢাকা, দুজন খুলনা এবং একজন সিলেট বিভাগের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৪৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম রোগ আসলে কী, কেন হয়? জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল। তিনি আরও বলেন, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, একজন শিশু আক্রান্ত হলে অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত শিশু আক্রান্ত হতে পারে। হামে যদিও সরাসরি মৃত্যু ঘটে না। কিন্তু হাম প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তার মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়। যেভাবে বুঝবেন আপনার শিশু হামে আক্রান্ত এবং এর চিকিৎসা কী? ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম যেহেতু সংক্রমণ সুতরাং এখানে একটি কমন লক্ষণ হলো গলাব্যথা, হাঁচি, কাশি হতে পারে। এরপরে গায়ে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। বর্তমানে যদি জ্বর আসে শরীরের র‌্যাশ দেখা দেয়, তাহলে ধরে নিতে হবে এটি হাম। তিনি বলেন, যেহেতু এটি ভাইরাল ডিজিজ, কাজেই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো চিকিৎসা নেই। তবে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দিতে হয়। জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল কিংবা যেসব ব্যবস্থা নিলে জ্বর কমবে, তা নিতে হবে। হামের প্রভাবে নিউমোনিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টেশন দিতে হবে।
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা ১ জন ও সিলেটে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে হামে একজনের মৃত্যু হয়। এদিকে সারা দেশে গত একদিনে নতুন করে ২৮২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ১ হাজার ২১২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৬ হাজার ৭১০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৬ হাজার ৪৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২ হাজার ৮৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৬৫৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।