
ভারত থেকে সম্ভাব্য পুশইন, মাদক ও চোরাচালান ঠেকাতে জামালপুরের সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একইসঙ্গে কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুর সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
রোববার (১০ মে) সকাল থেকে জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত টহল শুরু করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক কিংবা চোরাচালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির পাশাপাশি এলাকাবাসীরাও সহযোগিতা করছেন বলে জানান। অপরিচিত কাউকে সন্দেহজনকভাবে এলাকায় প্রবেশ করতে দেখলে দ্রুত বিজিবিকে জানানো হচ্ছে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর সীমান্ত দিয়ে চার নারীসহ সাতজনকে পুশইন করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। একই বছরের ২৭ মে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্তে ১৪ জনকে পুশইনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়েছিল। জামালপুরের পুরো সীমান্ত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সঙ্গে ঘেঁষা। এসব কারণে ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওয়াতায় ৭২ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এরমধ্যে ২৬ কিলোমিটার সীমান্ত জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে। পুরো সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা আরও বাড়িয়েছি। সামনে ঈদ এজন্য টহলও বাড়ানো হয়েছে। আমাদের বিওপিগুলোতে তেমন চিন্তার কিছু নেই।




